স্পোর্টস ডেস্ক।।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৩৯০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসের ৪৭ রানের লিডে পাকিস্তানের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৩৭ রান।
কঠিন লক্ষ্যে খেলতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে তারা ৭ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৩১৬ রান। জয়ের জন্য সফরকারীদের প্রয়োজন ১২১ রান। ৩ উইকেট হাতে রেখে শেষ দিনে জিততে অবশ্য আত্মবিশ্বাসী পাকিস্তান। টেস্ট ইতিহাসে চতুর্থ ইনিংসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড ৪১৮।
২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এই রান তাড়া করে ম্যাচ জিতেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তান ৪৩৭ রান করতে পারলে, সেটি হবে ইতিহাস। মঙ্গলবার (১৯ মে) রিজওয়ান যেভাবে ব্যাটিং করেছেন, সেটি দেখেই পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ আসাদ শফিককে আত্মবিশ্বাসী মনে হয়েছে।
দিনের খেলা শেষে গণমাধ্যমে এসে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আছে। আজকের ব্যাটিং দেখে আমরা খুবই আশাবাদী। ১২১ রান বাকি, আর রিজওয়ান যেভাবে খেলছে এবং সাজিদ প্রথম ইনিংসে যেভাবে খেলেছে, আমরা সত্যিই আশাবাদী।’
পাকিস্তানের ব্যাটিং কোচ আরও বলেন, ‘আমি খুবই আশাবাদী। আগের তিন ইনিংস ভালো ছিল না, তবে আজ যেভাবে ব্যাট করেছে সেটা ভালো লক্ষণ। যদি এই পার্টনারশিপ বড় হয়, তাহলে আমরা ভালো অবস্থায় যাব।’
শেষ ছয় ওভারে পাকিস্তান হারিয়েছে দুই উইকেট। রিজওয়ানের সঙ্গে ১৩৯ রানের জুটিতে অবদান রাখা সালমান আগা ফেরেন সাজঘরে। তার বিদায়ের পর পেসার হাসান আলীর পরিণতিও হয় একই। এই দুই উইকেট না হারালে আরও ভালো অবস্থানে থাকতে পারতো পাকিস্তান।
রিজওয়ান-সালমানের জুটি নিয়ে ব্যাটিং কোচ বলেন, ‘এটা সত্যিই ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে দারুণ এক কামব্যাক। আগের ম্যাচে এবং এই ম্যাচের প্রথম ইনিংসেও আমরা এমন পার্টনারশিপ করতে পারিনি। তাই এমন জুটি গড়া সত্যিই ভালো দিক। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা যেটা মিস করছিলাম, এখন সেটা ফিরছে।’
ঢাকা টেস্টে ব্যর্থ হন অধিনায়ক শান মাসুদ। সিলেটে প্রথম ইনিংসে তার ব্যাট থেকে রান আসেনি। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে খেলেছেন ৭১ রানের দারুণ ইনিংস। অধিনায়কের এমন ইনিংসে তৃপ্তি খুঁজে পাচ্ছেন আসাদ।
তিনি বলেন, ‘সে খুব চেষ্টা করছে। নেটে সে কঠোর পরিশ্রম করছে, আর এমন ইনিংস আসাটা শুধু সময়ের ব্যাপার ছিল। সে ভালোই খেলেছে। চাপ সামলে খেলেছে, আর সহজ বল পেলে সেটাকে কাজে লাগিয়েছে।’
সিলেটের উইকেট নিয়েও সন্তুষ্টি ঝরেছে আসাদ শফিকের কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘এটা দারুণ টেস্ট ম্যাচ উইকেট। এখানে সবার জন্য কিছু না কিছু আছে; স্পিনারদের জন্য টার্ন, পেসারদের জন্য সিম মুভমেন্ট, আর ব্যাটাররা শটের পুরো মূল্য পায়। এটা সত্যিই ভালো টেস্ট উইকেট।’











































