Home কলাম “অনলাইন ক্লাশ শিক্ষার্থীদের কোন পথে ধাবিত করবে”-ভেবেছেন কি?

“অনলাইন ক্লাশ শিক্ষার্থীদের কোন পথে ধাবিত করবে”-ভেবেছেন কি?

9

কাজী জলিল।।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কোন নাটক-সিনেমার মঞ্চ নয়,যেখানে পড়াশোনা দিয়ে স্ক্রিপ্ট তৈরি করবেন আর শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দিয়ে অভিনয় করাবেন।অর্থাৎ শিক্ষা,শিক্ষার্থী,
শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে আমরা যা মন চাইলো,তাই করতে পারিনা।শিক্ষিত সমাজ যদি একটি দেশের সম্পদ হয়ে থাকে,তাহলে সেই সম্পদ নিয়ে আপনি কোন অজুহাতেই এক্সপেরিমেন্ট করতে পারেননা।হেলায়-খেলায় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ এই সম্পদ আপনি নষ্ট করে দিতে পারেননা।এমনিতেই বিগত ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিতভাবে এদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে গেছে।সেখান থেকে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা নতুন করে ঢেলে সাজাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক জিয়া প্রাণপন চেষ্টা করছেন।দেশের ধ্বসে পড়া শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন,যুগোপযোগী এবং গতিশীল করতে বর্তমান সরকার নানা কর্মসূচি গ্রহন করেছে।ঠিক সেই মুহূর্তে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন অনলাইন ক্লাসের ঘোষণা দিয়ে হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে আমি মনেকরি।
দেশে এমন কোন মহামারী বা মহাদূর্যোগ অথবা এমন কোন মহাসংকট সৃষ্টি হয়নি যে,শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিমুখ করে অনলাইনে ক্লাস করতে হবে!বিদ্যুৎ ঘাটতি বাংলাদেশের আজন্ম সমস্যা।দূর্ণীতি,চরম অব্যাবস্হাপনা,আধুনিকায়নের অপর্যাপ্ততা এবং স্বেচ্ছাচারিতার কারণে এদেশে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নতি হয়নি।সর্বশেষ হাসিনা সরকার দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আরো জটিল করে রেখে গেছে।তাইবলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার অজুহাতে শিক্ষামন্ত্রী এমন হঠকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারেননা।
কোভিড-১৯ বা করোনাকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাসের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিশ্চয়ই আমরা ভুলে যাইনি।একটি জাতিকে ধ্বংস করতে যতগুলো পন্হা আছে,অনলাইন ক্লাস তারমধ্যে অন্যতম একটি উপায় হতে পারে।অনলাইন ক্লাশ কি/কেন অনলাইন ক্লাসের প্রয়োজন/কখন প্রয়োজন আছে,এটা আলোচনা করার আগে অনলাইন ক্লাসের ক্ষতিকর দিকগুলো আগে আলোচনা করা অপরিহার্য।অনলাইন ক্লাসের ক্ষতিকর দিকগুলো আগে আমাদের সকলের জানতে হবে।তাহলে আমরা বুঝতে পারবো আমাদের সন্তানদের কেন অনলাইন ক্লাসে এটেন্ড করানো যাবেনা।
অনলাইন ক্লাসের অপকারিতা:
১)স্বশরীরে উপস্থিতি ছাড়া একাডেমিক বাস্তব ক্লাসের সাথে অনলাইন ক্লাসের কোন মিল নেই এবং এটি শিক্ষার্থীদের তেমন কোন উপকারে আসেনা।

২)ঘরে বসে ক্লাস করার কারণে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়,মনোযোগ হারিয়ে ফেলার ঝুঁকি হয়।শিক্ষার্থীদের মননশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৩)দীর্ঘদিন ল্যাপটপ বা মোবাইলের স্কীনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের ক্ষতি ও মাথাব্যথার মতো স্বাস্থ্য ঝুঁকি বাড়ে,যেটি একজন মানুষের জন্য অনেক বড় ক্ষতি।

৪)দীর্ঘদিন ল্যাপটপ বা মোবাইলে অনলাইন ক্লাসের ফলে শিক্ষার্থীরা মোবাইল বা ইন্টারনেট আসক্তির স্বীকার হয়।এতে তাদের স্বাভাবিক পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং স্হিতীশীল জীবন-যাপন ব্যাহত হয়।

৫)প্রাকটিক্যাল বা ল্যাবরেটরিভিত্তিক শিক্ষাগুলো অনলাইন ক্লাসে পূরণ করা অসম্ভব।

৬)শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতি অনীহা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

৭)সহপাঠী এবং বন্ধুদের সাথে সরাসরি মেশার সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীদের মনে একাকিত্ব তৈরি হয় এবং আদান-প্রদানের মানসিকতা নষ্ট হয়ে যায়।

৮)অনলাইন ক্লাস প্রথাগত ক্লাসের বিকল্প হতে পারেনা।এটি প্রথাগত ক্লাসের গুরুত্ব,
প্রয়োজনীয়তা নষ্ট করে দেয়।

৯)ইন্টারনেট সংযোগের দূর্বলতা আমাদের নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।পাশাপাশি ডিভাইস জনিত অপ্রতুলতা এবং আর্থিক দৈন্যতার কারণে অনলাইন ক্লাস পরিচালনায় অন্তরায় সৃষ্টি করে।

১০)নেটওয়ার্ক দূর্বলতার সমস্যা বাংলাদেশে প্রকট।সেক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক দূর্বল হলে সবাই অনলাইনে ক্লাস করতে পারেনা।ধীরগতির নেটওয়ার্কের কারনে বারবার বাফারিং হয়।এরফলে ক্লাসের গুরুত্ব ও মনোযোগীতা নষ্ট হয়।খিটখিটে মেজাজের হয়ে যাওয়ার ভয় থেকে যায়।আবার এরফলে অনেক শিক্ষার্থী অমনোযোগী হয়ে অন্য কাজে লিপ্ত হয়।কেউকেউ ক্লাস ফাঁকি দিয়ে চলে যায়।

১১)অনেক শিক্ষার্থী স্পিলিট স্ক্রিনের সুবিধা গ্রহন করে একই সঙ্গে ক্লাসে থাকছে এবং এর পাশাপাশি অন্য এ্যাপস ব্যবহার করে বন্ধুদের সঙ্গে ক্লাস চলাকালীন আড্ডাবাজি বা যোগাযোগ রাখে।অনেক শিক্ষকই এই বিষয়ে গুরুত্ব দেননা বা বুঝতে পারেননা।যা ভয়ংকরভাবে একজন শিক্ষার্থীর ক্ষতি সাধন করে।

১২)বাড়ির কাজ অনলাইন ক্লাসে পর্যবেক্ষণ করা যায়না,অমনোযোগী বা ফাঁকিবাজ শিক্ষার্থীদের শাসন করার সুযোগ থাকেনা।

১৩)অনলাইন ক্লাসে অনেকে ভাগাভাগি করে প্রশ্নের উত্তর দেয়।অনেকে না বুঝেই উত্তর দেয়।এরফলে শিক্ষার্থীর দক্ষতা যাচাই করা সম্ভব হয়না।

১৪)অনলাইন ক্লাসে কোন শৃঙ্খলা থাকেনা।কেউ হাসে,কেউ উঠে যায়,কেউ হাঁটাচলা করে।এরফলে পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটে।

১৫)অনলাইন ক্লাসের ফলে অনেকের বাসা-বাড়ির প্রাইভেসি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

১৬)অনলাইন ক্লাসে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা যায়না।

দীর্ঘ শিক্ষকতা পেশার অভিজ্ঞতায় করোনাকালীন সময়ে অনলাইন ক্লাসের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলাম।করোনাকালীন মহাদূর্যোগের সময় দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সপ্তাহে দুই দিন শিক্ষার্থীদের অনলাইনে ক্লাস নিতাম।সেই সময়ের একটি তিক্ত অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে বুঝতে পারবেন অনলাইন ক্লাস শিক্ষার্থীদের জন্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে।সেদিন আমি অনলাইনের মাধ্যমে ৭ম শ্রেণির জুম ক্লাসে ছিলাম।বেশ কিছু শিক্ষার্থী জয়েন করলো।আমি আমার সাবজেক্ট ইংরেজি ২য় পত্র আলোচনা করছিলাম।হঠাৎ নাজমুস সাকিব নামে একজন শিক্ষার্থীর বাবা তার পেছনে এসে দাঁড়ালেন।তিনি আমাকে কোন গ্রিটিংস করলেননা।কিছুক্ষণ পর তিনি অতি রাগাক্রান্ত হয়ে তার সন্তান সাকিবের কান ধরে টানতে টানতে নিয়ে গেলেন।আমি সহ সবাই হকচকিয়ে গেলাম।পরে জানতে পারলাম ছেলেটি ক্লাস ফাঁকি দিয়ে অন্য এ্যাপসে মনোযোগী ছিলো।এই হলো অনলাইন ক্লাসের বাস্তব নমুনা।

উন্নত বিশ্বের দেশগুলো তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে অনেক বেশি সমৃদ্ধ হলেও বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল একটি দেশে সর্বস্তরে ও সর্বজনে তথ্যপ্রযুক্তিগত সুবিধার বিষয়টি এখনও ‘অতিকল্পনা’ স্বরূপ। শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগ মধ্যবিত্ত, নিম্ন-মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত পরিবার থেকে এসেছে। অনেক শিক্ষার্থী এমন আছে যাদের ‘দিনে এনে দিনে খায়’ অবস্থা।

এসব শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় ডিভাইস, নেট সংযোগ, ডাটা ও এক্সেস সুবিধা ব্যবহার করার মতো আর্থিক ও সামাজিক সঙ্গতিপূর্ণ অবস্থানে নেই। উপরন্তু যারা শহরাঞ্চলের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী, তারা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের কিছুটা অগ্রসর সুবিধা পেলেও গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারীরা, সেসব সুবিধা থেকে অনেকাংশেই বঞ্চিত।

ফলে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত অনলাইন ক্লাসের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাছাড়া বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখনও গ্রাম এবং শহরের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়ে গেছে। শহরে যেখানে ঘরে ঘরে ব্রডব্যান্ড সুবিধা বিদ্যমান, সেখানে গ্রামে তথ্যপ্রযুক্তি ততটা প্রসার লাভ করেনি।

এসব সুযোগ-সুবিধার স্বল্পতার পাশাপাশি আরও কিছু বিষয়ও অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে বিবেচনা করতে হচ্ছে। যেমন, দীর্ঘসময় ধরে শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করে বলে তাদের চোখের ক্ষতি হতে পারে, চিকিৎসকরা এমন আশঙ্কা করেছেন। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের অভাবে অনেক শিক্ষক ক্যামেরা-ভীতিতে ভুগছেন। তারা সুন্দর, সাবলীল, বোধগম্য ও আকর্ষণীয় লেকচার দিতে পারছেন না। শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশে শিক্ষকদের প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রশিক্ষণ না থাকায় এবং গার্ডিয়ানদের সচেতনতার অভাবে অনলাইন শিক্ষা সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি হয়ে থাকে। ফলে শিক্ষার্থীরা অনলাইন ক্লাসের প্রতি উদাসীন হয়ে পড়ছে। অনলাইনে ক্লাস করে শিক্ষার্থীরা তাদের সব পড়া সঠিকভাবে বুঝতে পারছে না, আর না বুঝলে শিক্ষকদের কাছে আবার প্রশ্ন করে বুঝে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। তাই অনেক বিষয়ে পড়াশোনায় ঘাটতি রয়ে যাচ্ছে। অনলাইন ক্লাসে শিক্ষার্থী কী শিখছে, তা পরীক্ষার মাধ্যমে মূল্যায়ন সঠিকভাবে হচ্ছে না। তাই পড়াশোনার প্রতি গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। আবার কারও কারও মাথাব্যথা অনুভূতি হচ্ছে। দীর্ঘসময় চেয়ারে বসে ক্লাস করায় অনেক শিক্ষার্থীর ঘাড়ে ও পিঠের মেরুদ-ে ব্যথা হচ্ছে। যা দীর্ঘ সময় চলতে থাকলে বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

ছোট ছোট শিশুরা অনলাইন ক্লাসের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে নতুন করে পরিচিত হচ্ছে, যা তাদের বয়সের সঙ্গে খাপ খায় না। সময়ের আগে কোনো কিছুই ভালো না জেনেও আমরাই আজ তাদের ফেইসবুক, ইউটিউব চালানোর সুযোগ করে দিচ্ছি, যা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ হবে। অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা আরও বেশি স্বাধীন এবং তারা নানা অজুহাত খোঁজার পরিবেশ তৈরি করবে অনলাইন ক্লাসে। প্রযুক্তিগত সমস্যা ও ইন্টারনেট কানেকশনের দুর্বলতার দোহাই দিয়ে অনেকেই শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বাইরে থাকার চেষ্টা করবে। এছাড়া বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর ল্যাপটপ বা ডেক্সটপ কম্পিউটার সুবিধা নেই। তারা পিতামাতা বা পরিবারের অন্য কোনো সদস্যের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ক্লাস করছে। এতে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক ক্ষেত্রে সম্পর্ক হানি ও ভুল বোঝাবুঝির মতো তিক্ততা সৃষ্টি হচ্ছে।

কিশোর-কিশোরীদের অনলাইন শিক্ষার মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহার মারাত্মক আসক্তি তৈরি করতে পারে। আমাদের স্বাধীন অনলাইন সেবায় প্রযুক্তির খারাপ দিকগুলো গ্রহণ করার এবং তরুণরা নষ্ট হবার সব উপকরণ ও সুযোগ বিদ্যমান।

পরিবারের পক্ষ থেকেও তাদের আর বাধা দিতে পারবে না। অনলাইন ক্লাসের অজুহাত দেখিয়ে তারা নিজেদের ক্ষতিকর অনলাইন সাইটে সংযুক্ত করবে, যা আমাদের পারিবারিক ও সামাজিক ব্যবস্থার ওপরও মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। পারস্পরিক যোগাযোগ, আলাপ-আলোচনা ও মিথষ্ক্রিয়ার ওপরও প্রভাব ফেলবে দীর্ঘমেয়াদে। শিক্ষার্থীরা ঘরে থেকেও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ বা কথা বলার সুযোগ হারাবে।

সরকারি হিসাবে দেশে প্রায় ৬৪ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১৭ হাজারের মতো মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২ হাজার ৫ শত কলেজ রয়েছে।মোট শিক্ষার্থী প্রায় ৫ কোটি।এই বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে যুক্ত করা একটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। দেশের অনেকগুলো এলাকা ইন্টারনেট টিভির আওতায় নেই। ফলে অনেকে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

পরিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান গনতান্ত্রিক সরকার একটি জনবান্ধব,জনকল্যাণমুখী,দেশপ্রেমিক সরকার।এই সরকারের ওপরে জনগণের পরিপূর্ণ আস্হা ও বিশ্বাস রয়েছে।দুএকজন মন্ত্রী বা ব্যাক্তি বিশেষের কারণে এই সরকারের অর্জনগুলো নষ্ট না হয়ে যায়,সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে এবং সচেতন থাকতে হবে
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাডেমিক ক্লাসের বিকল্প কখনোই অনলাইন ক্লাস হতে পারেনা।সঠিক পরিকল্পনা ও প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে অনলাইন ক্লাস ক্রাইসিস মোমেন্টে বা সংকটময় মুহূর্তে কিছু সময়ের জন্য একটি প্রয়োজনীয় বা শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে।কিন্তু শিক্ষার্থীদের নিরাপদ জীবন এবং সুশিক্ষার বিকল্প হিসেবে একাডেমিক পাঠদানে অনলাইন ক্লাস অবশ্যই সুখকর নয়।


সাবেক অধ্যক্ষ, খান-এ-সবুর ইংলিশ ভার্সন স্কুল এন্ড কলেজ খুলনা।