Home আঞ্চলিক ডুমুরিয়ায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

ডুমুরিয়ায় শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

33


খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া প্রতিনিধি:
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। আর এই ঈদকে সামনে রেখে বাহারি ডিজাইনের পোশাকে সাজানো হয়েছে ডুমুরিয়ার বিভিন্ন কাপড়ের দোকানে। শেষ মুহুর্তে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, ও নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত দর্জি কারিগররা (প্রথমদিকে কেনা কাটায় তেমন ভীড় না থাকলেও রমযানের শেষের দিকে দোকান গুলোতে উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পরিবার পরিজন নিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদ পালনের জন্য ডুমুরিয়া উপজেলার ডুমুরিয়া সদর ও চুকনগর সহ বিভিন্ন ছোট বড় বাজারগুলোতে চলছে কেনাকাটার উৎসব। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে ক্রেতারা তাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে খুঁজছেন ঈদের পোশাক। গত বছর সময়ের চাইতে এবার ব্যবসা বেশ ভালো হবে বলেও মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। অপর দিকে উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের দর্জি ট্রেলার্স কারিগররা পাঞ্জাবি, ফতোয়া, শার্ট প্যান্ট তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। ক্রেতারা বলছেন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়ছে ঈদের বাজারে। উপজেলার বিভিন্ন বাজার গুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতিতে জমে উঠছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদ মানে আনন্দ” ঈদ মানে চাই নতুন পোশাক।

যার মধ্যে রয়েছে পাঞ্জাবী, শার্ট- প্যান্ট, জুতো, কসমেটিক্সসহ নিত্য প্রয়োজনীয় আরও অনেক কিছু। ক্রেতাদের কথা, ঈদের সময় কেনাকাটার মজাই আলাদা। সেই জন্মের পর থেকেই ঈদে কেনাকাটা চলছে। এ সময় সিয়াম সাধনার পাশাপাশি অন্য রকম আনন্দও বিরাজ করে। এখন ঈদের বাকী আর মাত্র ২ থেকে ৩ দিন। এ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন বাজারগুলোতে কেনাকাটা শুরু হয়েছে। ডুমুরিয়া বাজারের ছোট-বড় মার্কেট সহ অন্যান্য বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। ঈদে মহিলা ও শিশুদের পোশাকের চাহিদা বেশি বলে ব্যবসায়ী মা বস্ত্রলায়ের স্বত্বাধিকারী সুমন দেবনাথ,রাফিস ফ্যাশানের স্বত্বাধিকারী ও আল- মদিনা গার্মেন্টের স্বত্বাধিকারী মোস্তাকিম বিশ্বাস বলেন মহিলাদের পোশাকের মধ্যে থ্রী পিস, বোরকা, লেহেঙ্গা, হিজাব, স্কাপসহ সব ধরনের কাপড়ই ক্রেতারা কিনছেন। কেনাকাটায় শাড়ী বেচাকেনা থেমে নেই একদম। বিভিন্ন ধরণের শাড়ী কিনছেন ক্রেতারা। ডুমুরিয়া বাজারের কসমেটিকস পণ্য বিক্রেতা গণেশ পাল জানান, বেচাকেনা ক’দিন আগে একদমই ছিল না। আগের থেকে বর্তমানে বেচাকেনা বেশ বেড়েছে।

ক্রেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা গেছে, বিভিন্ন রেডিমেট কাপড় খ্রী পিসের দাম তুলনামূলকভাবে বেশী। তারা জানান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পড়েছে ঈদের বাজারে। অনেকেই দামের কারণে পছন্দের পোশাক কিনতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। অনেকেই আবার ফুটপাত এবং হকার্স মার্কেট গুলোতে ভিড় করছেন। এই শ্রেণীর ক্রেতাদের মধ্যে রয়েছেন মধ্যবিত্ত ও স্বল্পআয়ের মানুষেরা। বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে নিত্য নতুন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে নিজেদের সাজিয়ে নিয়েছে উপজেলার ছোট বড় দোকানগুলো। স্বল্প আয়ের মানুষদের ভরসাস্থল ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা পিছিয়ে নেই জামা কাপড় জুতো স্যান্ডেল নিয়ে। জরি পাথর কাঁচ চুমকীর কাজ করা জমকালো পোশাক শোভা পাচ্ছে দোকানগুলোয়। এছাড়াও অনেকেই পছন্দের কাপড় কিনে ভিড় জমাচ্ছেন দর্জি বাড়ি ও পছন্দের টেইলার্সে।ডুমুরিয়া বাজারের ক্লথ স্টোরের


ব্যবসায়ী ফেন্সি টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী নিখিল সরকার ও আঁখি টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী আলমগীর শেখ বলেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে ক্রেতারা কাপড়ের দোকান গুলিতে কেনাকাটায় ভীড় জমাচ্ছে। আমার গত বছরের চেয়ে এ বছর ব্যবসা ভালো হবে ইনশাআল্লাহ। জাকারিয়া মার্কেটে ব্যবসায়ী মনজুরুল বলেন, গত বছরের চেয়ে এ ঈদে পাঞ্জাবি ফতোয়া, শার্ট প্যান্ট অর্ডার অনেক বেঁচি আমার প্রতিষ্ঠানে কয়েকজন দর্জি নিয়মিত গভীর রাত পর্যন্ত কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। ঈদের আগে সকল অর্ডার ডেলিভারি দিব ইনশাআল্লাহ।