খবর বিজ্ঞপ্তি।।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরীর কর্মমেয়াদের প্রথম বছর পূর্তি হলো আজ ১৭ আগস্ট। গত বছর তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক চারবছরের জন্য নিযুক্ত হয়ে এ দিনে এ পদে যোগদান করেন। তাঁর সফল কর্মমেয়াদের এক বছর পূর্তিতে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাতে ট্রেজারারের দপ্তরে যান উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। এসময় উপাচার্য তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, তাঁর কর্মমেয়াদে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতার জায়গাটি আরও দৃঢ় হয়েছে। তিনি তাঁর নিষ্ঠা, দক্ষতা ও আন্তরিকতার সাথে বিশ্ববিদ্যালয় আইনে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথ ও সুষ্ঠুভাবে পালন করে বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনে এগিয়ে নিতে সচেষ্ট থেকেছেন। বিভিন্ন কর্মসূচি পালন কমিটির সভাপতি হিসেবে তিনি প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্র-পত্রিকায় তাঁর সুচিন্তিত নিবন্ধ প্রকাশ বিশ্ববিদ্যালয় সুনাম বৃদ্ধি করেছে। উপাচার্য বলেন, পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, আস্থা সকল কাজে অনুপ্রেরণা জোগায়। আমরা এই প্রেরণাতেই সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সামনে এগিয়ে যেতে চাই। তিনি ট্রেজারারের অবশিষ্ট কর্মমেয়াদ সুন্দর ও সাফল্যের সাথে অতিবাহিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অমিত রায় চৌধুরীর কর্মমেয়াদের একবছর সফলভাবে পূর্তিতে তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।
এসময় ট্রেজারার উপাচার্যের এই সৌজন্যে মুগ্ধ হয়ে গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একইসাথে উপাচার্যের আন্তরিকতা, প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অগ্রগতি ও কাজের সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে সে ধারা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করে যাবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও অন্তর্ভূক্তিমূলক অংশগ্রহণ প্রয়োজন সে ক্ষেত্রটিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি উপ-উপাচার্যের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য প্রফেসর ড. এ জেড এম মঞ্জুর রশীদ, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক (পিআরএল) এস এম আতিয়ার রহমান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক শেখ মুজিবুর রহমান, উপাচার্যের সচিব সঞ্জয় সাহা, উপ-উপাচায়ের সচিব মোঃ হেমায়েত মিয়া, ট্রেজারারের সচিব সুশান্ত কুমার বসু, রেজিস্ট্রারের সচিব হিমাদ্রী শেখর মন্ডল, উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী শেখ মঞ্জুর মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রেজিস্ট্রার দপ্তরের বিভিন্ন শাখা প্রধান, অর্থ ও হিসাব বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ এবং অফির্সাস কল্যাণ পরিষদের সভাপতি এস এম মনিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডলসহ সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ তাঁর দপ্তরে গিয়ে তাঁকে কর্মমেয়াদের একবছর সফল পূর্তিতে শুভেচ্ছা জানান।
খুবিতে আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা প্রতিযোগিতার উদ্বোধন
দাবা খেলায় যুক্তিসঙ্গত চিন্তা, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, ধৈর্যশক্তি ও মনোযোগ বাড়ায়: উপাচার্য
আজ ১৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার দুপুর ২.৩০ টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অগ্রণী ব্যাংক ভবনের ৩য় তলায় শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের উদ্যোগে আন্তঃডিসিপ্লিন দাবা প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. আহসান হাবীবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন। তিনি এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, দাবা খেলা কোন শক্তি বা বলপ্রয়োগের বিষয় নয়, এটা বুদ্ধিমত্তার ও ধৈর্য্যরে বিষয়। এ খেলা যুক্তিসঙ্গতভাবে চিন্তা করতে শেখায়, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে, ধৈর্যশক্তি বাড়ায়, মনোযোগ বাড়ায় এবং সৃজনশীল চিন্তাশীলতা বৃদ্ধি করে। আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু খেলাধূলায় নয় সার্বিক বিষয়ে আভিজাত্যের জায়গায় দেখতে চাই।
এসময় বিশেষ অতিথি ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, সম্মানিত অতিথি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস ও ছাত্রবিষয়ক পরিচালক প্রফেসর মোঃ শরীফ হাসান লিমন উপস্থিত ছিলেন। সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে প্রধান অতিথি বিশেষ অতিথিকে দাবাচালের মাধ্যমে উক্ত প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। ২৬ টি ডিসিপ্লিনের ৮টি গ্রুপে মোট ১৩০জন ছাত্র-ছাত্রী প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করছেন। খেলা পরিচালনায় বিচারক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশনের জাতীয় দাবা বিচারক কাজী আব্দুল্লাহ শাকিল। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শারীরিক শিক্ষা ও চর্চা বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম জাকির হোসেন। এসময় সংশ্লিষ্ট বিভাগের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিসহ অন্যান্য ডিসিপ্লিনের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, আগামী ১৯ আগস্ট বেলা ৩টায় চুড়ান্তপর্বের মধ্যদিয়ে এ প্রতিযোগিতা শেষ হবে।
খুবির ইউআরপি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক সালাউদ্দিনের
পিতার মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও গ্রমীণ পরিকল্পনা ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ সালাউদ্দিনের পিতা মোঃ জাহাঙ্গীর আলম আজ ১৭ আগস্ট বেলা ২.৩০ টায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিনযাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ১ ছেলে ও ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আগামীকাল সকালে নামাজে জানাজা শেষে তাকে নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার চাপাডাল গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ সালাউদ্দিনের পিতার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, বিজ্ঞান প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন। এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. এস এম ফিরোজ ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. লস্কর এরশাদ আলীসহ সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
খুবির কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের
মায়ের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কর্মরত সেকশন অফিসার সরদার সিরাজুল ইসলামের মাতা রাবেয়া বেগম ১৬ আগস্ট দিবাগত রাত ১.৩০ টায় খুলনাস্থ একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিনযাবত বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আজ বাদ যোহর নামাজে জানাজা শেষে তাকে রূপসা উপজেলার খাজাডাংগা গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এদিকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কর্মরত সেকশন অফিসার সরদার সিরাজুল ইসলামের মায়ের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা, ট্রেজারার প্রফেসর অমিত রায় চৌধুরী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস, গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর মোঃ সারওয়ার জাহানসহ সংশ্লিষ্ট গ্রন্থাগারের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
এছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার্স কল্যাণ পরিষদের পক্ষ থেকে সভাপতি এস এম মনিরুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক দীপক চন্দ্র মন্ডলসহ সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।










































