স্টাফ রিপোর্টার।।
খুলনায় রাজমিস্ত্রি কোরবান ওরফে চায়না (৪০) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানা পুলিশ, মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ এবং র্যাব-৬ খুলনার যৌথ অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করে।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুরে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপির) এর অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি ও মিডিয়া) এ জেড এম তৈমুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন- খুলনা শহরের ২৭নং ওয়ার্ডের ২নং ব্যাংকার্স গলির ফিরোজ হাওলাদারের ছেলে হৃদয় হাওলাদার (১৯), ১২ নং নিরালা প্রান্তিকা আবাসিকের মোসলেম সরদারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৩৫) ও লবণচরা থানাধীন উত্তর হরিণটানা এলাকার হাফেজ আব্দুল আহাদের ছেলে আব্দুল্লাহ আল জোবায়ের (১৯)।
র্যাব-৬ জানায়, সোনাডাঙ্গা মডেল থানা এলাকার হাফিজ নগরের (ইউসুফ স্কুলের পাশে) এনজের আলী সরদারের ছেলে কোরবান আলীর সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ করতো। কিছুদিন ধরে কাজের হিসাব নিকাশ ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল।
এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৭ আগস্ট) দুপুরের দিকে আসামিরা কোরবানকে বাড়ি থেকে কাজের কথা বলে নিরালা ১নং রোডস্থ্ দিঘিরপাড়ে ডেকে নিয়ে যায়। কোরবান ওই স্থানে যাওয়ার পর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার মাথা, তলপেটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে কোরবান গুরুতর জখম হয়ে পড়ে যায়। এ সময় তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা তাকে মুমূর্ষূ অবস্থায় দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শাহানা বেগম আটজনের নাম উল্লেখ ও ৩-৪ জন অজ্ঞাত আসামি করে খুলনা থানার মামলা করেন।
কেএমপির এডিসি এ জেড এম তৈমুর রহমান জানান, আসামি হৃদয়কে র্যাব-৬, জাহিদুলকে সদর থানা পুলিশ ও জোবায়েরকে মহানগর গোয়েন্দা বিভাগ গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।









































