Home Blog Page 2

রবিবার ঢাকায় আসতে পারেন ফিফা সভাপতি

স্পোর্টস ডেস্ক।।

আগামীকাল রবিবার (১৮ অক্টোবর) ঢাকায় আসতে পারেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (ফিফা) সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। স্বল্প সময়য়ের জন্য তিনি বাংলাদেশে অবস্থান করতে পারেন।

ফিফা সভাপতি ভুটানের থিম্পু সফর করবেন। সব বিমান সেখানে সরাসরি যাতায়াত করে না। থিম্পু যাওয়ার পথে সৈয়দপুর, ঢাকা কিংবা ভারতের কোথাও ট্রানজিট নিতে পারেন ইনফান্তিনো। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এখনও নিশ্চিত নয়, ফিফা সভাপতি বাংলাদেশে ট্রানজিট নেবেন কিনা। তারপরও বাফুফে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

বাফুফে সাধারণ সম্পাদক আজ বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে গেছেন। যদি ফিফা সভাপতি বাংলাদেশে ট্রানজিট নিতে চান তাহলে যেন ইমিগ্রেশন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা খুব দ্রুত হয়। ইনফান্তিনো যদি বিমানবন্দরে ভিআইপি জোনে ট্রানজিটে থাকেন, সেক্ষেত্রে বাফুফে সভাপতি ও সহ-সভাপতিরা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

কাশফুলের শুভ্রতায় সেজেছে খুলনার ময়ূর আবাসিক, দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়


মিলি রহমান।।
শরতের নীল আকাশ, শান্ত বাতাসের স্পর্শ আর নদীর তীর ঘেঁষে ভেসে থাকা কাশফুলের অপরূপ সৌন্দর্য। তাতেই যেন নতুন রূপ পেয়েছে খুলনার শহরতলীর ময়ূর আবাসিক এলাকা। দিগন্তজোড়া কাশফুলের শুভ্রতায় পুরো এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। প্রকৃতির এই নৈসর্গিক রূপ উপভোগ করতে প্রতিদিন বিকেলে সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন বিভিন্ন বয়সী শত শত দর্শনার্থী।


শরতের প্রতিটি পড়ন্ত বিকেলে ময়ূর আবাসিক ও তৎসংলগ্ন খালের ধারের বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ জুড়ে ফুটে থাকা সারি সারি সাদা কাশফুল বাতাসে দোল খাচ্ছে। মৃদু রোদে সাদা কাশফুলের এমন শুভ্র দৃশ্য আরও বেশি আকর্ষনীয় হয়ে উঠছে। কোলাহলমুক্ত পরিবেশে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য ফ্রেমবন্দি করতে অনেকেই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন ছবি ও ভিডিও তোলায়। কেউ কেউ পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে ঘাসের ওপর বসে উপভোগ করছেন শরতের শান্ত বাতাস ও নদীর সৌন্দর্য।


বিশেষ করে ময়ূর আবাসিক এলাকার উন্মুক্ত সড়ক প্রতিদিন বিকেলে বিভিন্ন বয়সী তরুণ-তরুণী, শিশু ও পরিবার-পরিজনের আনাগোনা চোখে পড়ার মতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সুবাদে ময়ূর আবাসিকের এই কাশবন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের কথা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ছে পুরো খুলনা নগরী ও আশপাশের এলাকায়।


দর্শনার্থীদের বাড়তি সমাগমকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ছোটখাটো বিক্রেতা ও ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীদের কেনাবেচাও জমে উঠেছে। ফুচকা, চটপটি, চা-জলখাবার ও শিশুদের খেলনার পসরা সাজিয়ে বসেছেন অনেকে। এতে এলাকাটিতে সাময়িক হলেও আয়ের এক নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।


শহরের ব্যস্ততা ও ইট-কাঠের যান্ত্রিকতা থেকে একটু স্বস্তি পেতে ময়ূর আবাসিকের এই কাশবন এখন খুলনা নগরবাসীর পছন্দের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। শুভ্র কাশফুলের মায়াবী রূপ ও মানুষের কোলাহলে যেন সেখানে প্রতিদিন বিকেলেই বসছে শরতের এক নান্দনিক মিলনমেলা।

‘খুব অন্যায়’—ভারতের দল ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় অশ্বিন

স্পোর্টস ডেস্ক।।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারতের ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। প্রথম ৩ ওয়ানডের জন্য একরকম দল, শেষ দুই ওয়ানডের জন্য আরেক রকম।

কিন্তু ঘোষিত দুই ভাগের দলে নাম নেই যশস্বী জয়সওয়াল ও অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা। এই দুই ক্রিকেটারের বাদ পড়া নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে আলোড়ন।

ওয়ানডে স্কোয়াড থেকে যশস্বী জয়সওয়ালের বাদ পড়া নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন সাবেক ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে রীতিমতো ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, ‘জয়সওয়ালের বাদ পড়াটা দুর্ভাগ্যজনক এবং হতাশার। জাতীয় দলের জার্সিতে এত রান করার পরও কেন বারবার উপেক্ষিত সেটার যুক্তি খুঁজে পায় না।’

বিশেষ করে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতির জন্য শেষ দুই ওয়ানডেতে যেখানে অধিনায়ক শুভমান গিলকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে, সেখানে অন্তত যশস্বীর সুযোগ পাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করছেন সাবেক ভারতীয় স্পিনার।

অশ্বিন বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত খুব দুর্ভাগ্যজনক এবং অন্যায়। শুভমান গিল যদি শেষ দুই ম্যাচ না খেলেন তাহলে অবশ্যই তাঁর জায়গাটা যশস্বীর পাওয়া উচিত। এটা দুর্ভাগ্য, এতে ওর আত্মবিশ্বাস নড়ে যেতে পারে। বিশেষ করে ও যেভাবে লাগাতার রান করছে।’

নির্বাচকরা যদি ভেবেই থাকেন, যে টেস্টের প্রস্তুতি কথা মাথায় রেখে শেষ দুই ম্যাচে যশস্বীকে রাখাটা ঠিক হবে না, তাহলে সেটাও মস্ত বড় ভুল। বরং ওই দুই ম্যাচ খেলালে ও কিছুটা ম্যাচ প্র্যাকটিস পেয়ে যেত বলে যোগ করেন তিনি।

সেই সাথে বাদ পড়েছে অভিজ্ঞ রবীন্দ্র জাদেজা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শেষ ওয়ানডেতে তাঁকে বাদ দেওয়া হয়। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও সুযোগ পাননি তিনি। প্রশ্ন উঠছে, জাদেজাকে ২০২৭ বিশ্বকাপের দলে দেখছেন না নির্বাচকরা? বোর্ডের এক কর্তা এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েই দিয়েছেন, স্পিনার অলরাউন্ডার হিসাবে বিশ্বকাপের দৌড়ে এগিয়ে অক্ষর প্যাটেল এবং ওয়াশিংটন সুন্দর। জাদেজাকে আর ভাবা হবে না। ফলে যা দাড়াল, তাতে হয়তো ভারতের ওয়ানডে জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে জাড্ডুর।

ভারতের ওয়ানডের দলে কারা কারা আছেন-—————————————————–

প্রথম তিন ম্যাচের দল– শুভমান গিল (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার (সহ অধিনায়ক), লোকেশ রাহুল (উইকেটকিপার), নীতীশকুমার রেড্ডি, অক্ষর প্যাটেল, নমন ধীর, অংশুল কম্বোজ, গুরনুর ব্রার, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, অর্শদীপ সিং, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার), মহম্মদ সিরাজ, প্রসিধ কৃষ্ণ ও কুলদীপ যাদব।

শেষ দুই ম্যাচের দল– শ্রেয়স আইয়ার (অধিনায়ক), রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলি, তিলক ভার্মা, ঈশান কিষাণ (উইকেটকিপার/সহ অধিনায়ক), নীতীশকুমার রেড্ডি, অক্ষর প্যাটেল, নমন ধীর, আকিব নবি, গুরনুর ব্রার, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, অর্শদীপ সিং, কুমার কুশাগ্র (উইকেটকিপার), মহম্মদ সিরাজ, যশ ঠাকুর ও কুলদীপ যাদব।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কোচের পদ ছাড়ছেন জয়াবর্ধনে

স্পোর্টস ডেস্ক।।

আইপিএলের ২০২৭ মৌসুমের আগেই মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের প্রধান কোচের পদ ছাড়ছেন মাহেলা জয়াবর্ধনে। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

এর মধ্য দিয়ে মুম্বাইয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘ ১০ মৌসুমের পথচলার ইতি ঘটছে। তার অধীনে দলটি জিতেছে পাঁচটি আইপিএল শিরোপার তিনটি, ২০১৭, ২০১৯ ও ২০২০ সালে।

২০১৭ সালের আইপিএলের আগে প্রথমবার মুম্বাইয়ের প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ পান জয়াবর্ধনে। ২০২২ মৌসুম পর্যন্ত এ দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

এরপর ফ্র্যাঞ্চাইজিটির বৈশ্বিক কার্যক্রম সম্প্রসারিত হলে তাকে পারফরম্যান্স বিভাগের বৈশ্বিক প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০, সংযুক্ত আরব আমিরাতের আইএলটি২০ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটেও (এমএলসি) দল গড়ে তোলে মুম্বাই।

২০২৪ সালের হতাশাজনক মৌসুমের পর আবারও প্রধান কোচের দায়িত্বে ফেরেন জয়াবর্ধনে। ২০২৫ সালের আইপিএলের আগে মার্ক বাউচারের স্থলাভিষিক্ত হন তিনি। তার অধীনে ওই মৌসুমে কোয়ালিফায়ার-২ পর্যন্ত পৌঁছায় মুম্বাই। তবে ২০২৬ সালের আসরটা ভালো কাটেনি দলটির। পয়েন্ট তালিকায় ১০ দলের মধ্যে নবম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করে তারা।

জয়াবর্ধনের অবদানের প্রশংসা করেছেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের মালিক নীতা আম্বানি। তিনি বলেন, ‘বছরের পর বছর মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে মাহেলার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার শান্ত নেতৃত্ব, সততা এবং ক্রিকেটের প্রতি গভীর ভালোবাসা আমাদের কাছে অনেক মূল্যবান।’

তিনি আরও বলেন, ‘পুরো মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স পরিবারের পক্ষ থেকে মাহেলাকে তার অসামান্য অবদান ও দীর্ঘদিনের অটল প্রতিশ্রুতির জন্য ধন্যবাদ জানাই। একসঙ্গে কাটানো পথচলা ও তৈরি করা স্মৃতিগুলো আমরা সব সময় মনে রাখব।’

মুম্বাইয়ের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতাকে নিজের ক্যারিয়ারের বিশেষ অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন জয়াবর্ধনেও। বিদায়বেলায় তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে যা অর্জন করেছি, তা নিয়ে আমি অত্যন্ত গর্বিত। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স সব সময় আমার হৃদয়ে বিশেষ জায়গা নিয়ে থাকবে। আগামী বছরগুলোতে দলটির সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।’

জয়াবর্ধনের বিদায়ের পর আইপিএল ২০২৭-এর জন্য নতুন প্রধান কোচ খুঁজতে হবে মুম্বাইকে। নভেম্বরের মাঝামাঝি খেলোয়াড় ধরে রাখার সময়সীমা (রিটেনশন ডেডলাইন) সামনে রেখে কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়াও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জন্য।

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে ১৬ নভেম্বর

ঢাকা অফিস।।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফরম পূরণ শুরু হবে আগামী ১৬ নভেম্বর, শেষ হবে ২৩ নভেম্বর। তবে বিলম্ব ফিসহ ফরম পূরণ করা যাবে ২৪ থেকে ২৯ নভেম্বরের মধ্যে।

শনিবার (১৭ নভেম্বর) ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নির্বাচনী পরীক্ষাসহ ফল প্রকাশের শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর। রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্তীসহ আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক বিষয়/বিষয়সমূহে এক থেকে চার বিষয়ে ২০২৫ সালের অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীগণের ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অকৃতকার্য বিষয়/বিষয়গুলোতে অংশগ্রহণের জন্য নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান বরাবর সাদা কাগজে আবেদন করতে হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ১৪ নভেম্বর।

বিজ্ঞান বিভাগে ফরম পূরণের জন্য দুই হাজার ৪৩৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষা এবং মানবিক বিভাগে দুই হাজার ৩১৫ টাকা করে ফি ধরা হয়েছে।

ফুটবলে প্রচলিত কার্ডের পরিবর্তে দেখানো হলো ইলেকট্রনিক কার্ড

স্পোর্টস ডেস্ক।।

ফুটবল মাঠে হলুদ বা লাল কার্ড দেখিয়ে খেলোয়াড়দের সতর্ক করা কিংবা শাস্তি দেওয়াই দীর্ঘদিনের প্রচলিত নিয়ম। তবে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় এবার সেই পদ্ধতিতে পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উরুগুয়ের একটি ম্যাচে প্রচলিত হলুদ কার্ডের পরিবর্তে ফোনের মতো দেখতে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করে আলোচনায় এসেছেন এক রেফারি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) কোপা উরুগুয়ের নাসিওনাল ও রেন্তিস্তাসের মধ্যকার ম্যাচে পরীক্ষামূলকভাবে এই ডিভাইস ব্যবহার করেন রেফারি এদুয়ার্দো ভারেইয়া। এর উদ্দেশ্য হলো, মাঠে খেলোয়াড়দের সতর্ক করা বা শাস্তি দেওয়ার তথ্য ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করা এবং ম্যাচ-পরবর্তী প্রশাসনিক কাজ সহজ করা।

কীভাবে কাজ করবে ডিজিটাল কার্ড?

নতুন এই ডিভাইসের মাধ্যমে ম্যাচের বিভিন্ন ঘটনা এবং শাস্তিমূলক সিদ্ধান্তের তথ্য সময়সহ রেকর্ড করা যায়। ফলে রেফারিদের হাতে লিখে কার্ড দেখানোর বিবরণ সংরক্ষণ করার প্রয়োজন কমবে। পাশাপাশি উরুগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের ‘কমেট’ প্ল্যাটফর্মে আনুষ্ঠানিক তথ্য জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াও সহজ হবে বলে আশা করছেন এর উদ্ভাবকেরা।

প্রকল্পটির সঙ্গে যুক্ত প্রতিষ্ঠান ‘রেফে’র পরিচালক মাউরো সাকো শুক্রবার উরুগুয়ের রেডিও ‘এল এস্পেকতাদোর দেপোর্তেস’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, ফুটবলের যেসব ক্ষেত্রে এখনও প্রচলিত হাতে-কলমে পদ্ধতি চালু রয়েছে, সেগুলোতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোই তাদের লক্ষ্য।

ডিজিটাল কার্ড তৈরির ভাবনাটি আসে তিন বছরেরও বেশি সময় আগে। সাকো ও তার সহকর্মী দিয়েগো দে লা পেনা বৃষ্টির মধ্যে একটি ফুটবল ম্যাচ দেখার সময় বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করেন। তারা লক্ষ্য করেন, রেফারিরা মাঠে সতর্কবার্তা বা শাস্তির তথ্য প্রথমে হাতে লিখে রাখেন, পরে সেগুলো ডিজিটাল ব্যবস্থায় স্থানান্তর করেন। এই প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করার চিন্তা থেকেই নতুন ডিভাইস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়।

পরীক্ষায় স্বস্তি, তবে রয়েছে দৃশ্যমানতার সমস্যা

ডিভাইসটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন রেফারি ভারেইয়া। তার মতে, যন্ত্রটি হাতে ব্যবহার করা আরামদায়ক এবং এর সফটওয়্যারও দ্রুত কাজ করে। তবে প্রচলিত কার্ড দেখানোর মতো নাটকীয়তা এতে কিছুটা কম বলে মনে করেন তিনি। তারপরও প্রশাসনিক কাজে প্রযুক্তিটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলে তার বিশ্বাস।

প্রাথমিক পরীক্ষায় অবশ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা সামনে এসেছে। সেটি হলো, ডিভাইসের স্ক্রিন কতটা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। এর আগে সূর্যের আলোয় স্ক্রিন দেখতে অসুবিধা হওয়ায় একটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল। নতুন পরীক্ষাতেও মাঠের দর্শক ও টেলিভিশনে খেলা দেখা দর্শকদের কেউ কেউ রেফারির সিদ্ধান্ত বুঝতে সমস্যায় পড়েন।

প্রকল্পটির সহ-পরিচালক দে লা পেনা জানিয়েছেন, এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে ডিভাইসটিকে আরও উন্নত করার কাজ চলছে। তার মতে, মাঠে সরাসরি ডিভাইসটি দেখার অভিজ্ঞতা টেলিভিশনের তুলনায় ভালো ছিল। তবে দর্শকদের কাছে হলুদ ও লাল কার্ডের পার্থক্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরাই এখন অন্যতম চ্যালেঞ্জ।

আরও উন্নত করতে চলছে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন

ডিজিটাল কার্ডের দৃশ্যমানতা বাড়াতে ডেভেলপাররা এর চারপাশে এলইডি আলো যুক্ত করার মতো পরিবর্তন নিয়ে কাজ করছেন। তাদের লক্ষ্য, প্রচলিত হলুদ ও লাল কার্ডের রং যেন মাঠের দর্শক এবং টেলিভিশনের পর্দায় সমানভাবে স্পষ্ট থাকে।

সাকোর ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকল্পটির ব্র্যান্ড নিবন্ধন করা হয়েছে এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের পেটেন্টও নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটির উন্নয়নকাজের সঙ্গে চীনে অবস্থিত একটি দল যুক্ত রয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

নতুন এই প্রযুক্তির ব্যবহার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। কেউ বিষয়টিকে ফুটবলের আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ প্রচলিত কার্ডের বিকল্প হিসেবে এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এমনকি ডিভাইসটি নিয়ে বিভিন্ন মিমও তৈরি হয়েছে।

তবে সমালোচনা ও হাস্যরসকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন সাকো। তার মতে, নতুন কোনো উদ্ভাবন নিয়ে মানুষের আলোচনা হওয়াটাই গুরুত্বপূর্ণ। প্রযুক্তির গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হতে সময় লাগে বলেও মনে করেন তিনি।

ভবিষ্যতে কি ফুটবলে চালু হবে ইলেকট্রনিক কার্ড?

বর্তমানে এই ডিভাইস পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। এর কার্যকারিতা, দৃশ্যমানতা ও ব্যবহারিক দিক আরও উন্নত করার পর দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবল এবং বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার স্বীকৃতি ও গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ার আশা করছেন ‘রেফে’র উদ্যোক্তারা।

তবে প্রযুক্তিটি ভবিষ্যতে প্রচলিত হলুদ ও লাল কার্ডের জায়গা নেবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। আপাতত রেফারিদের প্রশাসনিক কাজ সহজ করা এবং ম্যাচের তথ্য দ্রুত ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করাই এই উদ্যোগের প্রধান লক্ষ্য।

রোনালদোকে জাতীয় দলে চান : ভিতিনহা

স্পোর্টস ডেস্ক।।

কোচ হোর্হে জেসুস নরওয়ের বিপক্ষে না খেলানোয় আচমকাই জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে গিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই ঘটনার জেরে রোনালদোকে সাময়িক নিষিদ্ধ করেছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন। এ ঘটনায় অনেকে রোনালদোর আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষও দেখছেন। তবে তাঁর সতীর্থ ভিতিনহা তাঁকে দলে চান। পিএসজি মিডফিল্ডারের সাফ কথা, রোনালদো ছাড়া পর্তুগালের ড্রেসিংরুম অসম্পূর্ণ।

রোনালদোকে নিয়ে পর্তুগাল জাতীয় দলের পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত। তবে দলের স্বার্থে ভিতিনহার চাওয়া, সবকিছু যেন খুব দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। টিএনটি স্পোর্টসের সঙ্গে আলোচনায় সে আকাঙ্ক্ষাটাই যেন দলের কোচ ও অধিনায়কের কাছে জানিয়েছেন ভিতিনহা, ‘অশান্ত এক আন্তর্জাতিক বিরতি ছিল অনেক বেশি আবেগে ভরা। আমার দিক থেকে আমি কেবল আশা করি, সবকিছু সর্বোত্তম উপায়ে ঠিকঠাক হয়ে যাক। আশা করি, রোনালদো ফিরে আসুক এবং সবকিছু যেন ভালোভাবে হয়। সত্যি বলতে, দলের সকলেই চায় রোনালদো ফিরে আসুক। সব সমস্যার অবসান হোক।’ তবে অশান্তির কারণ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

রোনালদো জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে যাওয়ায় গত শনিবার পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন এক বিবৃতিতে তাঁকে সাময়িক নিষিদ্ধ করা কথা জানায়। তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে এক থেকে ছয় মাস পর্যন্ত নিষিদ্ধ হতে পারেন তিনি।

ক্যাম্প ছাড়ার পর দীর্ঘ বিবৃতিতে রোনালদো নিজেও এই শৃঙ্খলা ভঙ্গের কথা স্বীকার করেছেন। এজন্য ফেডারেশনের দেওয়া যে কোনো শাস্তি মেনে নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে ছিলেন। তবে জাতীয় দলে খেলা চালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক ফুটবলে রেকর্ড ১৪৬টি গোল করা এই স্ট্রাইকার।

রোনালদোকে নিয়ে এত কিছু হওয়ার পরও এবারের আন্তর্জাতিক বিরতিতে উয়েফা নেশনস লিগে চার ম্যাচের সবকটিতে জয় পেয়েছে পর্তুগাল। নিশ্চিত করেছে আসরের কোয়ার্টার ফাইনালও। আগামী মাসে গ্রুপ পর্বের বাকি দুই ম্যাচ খেলবে আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন দলটি।

দাপুটে জয়ের দিনে বড় দুঃসংবাদ চেলসির

স্পোর্টস ডেস্ক।।

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এভারটনের বিপক্ষে দাপুটে জয়ের দিনে বড় দুঃসংবাদ পেল চেলসি। ম্যাচের সময় প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে মারাত্মক চোট পায় বাজপাখি খ্যাত আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক ইমিলিয়ানো মার্তিনেজ।

প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন এই তারকা গোলরক্ষক। শনিবার (১৭ অক্টোবর) হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের ৫তম মিনিটে এভারটন ডিফেন্ডার জ্যারড ব্রান্থওয়েটের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আঘাত পান বিশ্বকাপজয়ী এই গোলরক্ষক।

মাঠেই তাকে ১০ মিনিটের বেশি সময় ধরে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেওয়া হয় তাকে।

সংঘর্ষের পর মার্তিনেজকে কিছুক্ষণ নড়াচড়া না করে পড়ে থাকতে দেখা যায়। দুই দলের চিকিৎসক দল এবং জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা দ্রুত মাঠে ছুটে যান। চিকিৎসা চলাকালে মার্তিনেজকে কাঁদতে দেখা যায়। পরে তার স্থলাভিষিক্ত হন বেলজিয়ান তরুন গোলরক্ষক মাইক পেন্ডার্স।

ইতিমধ্যে মার্তিনেজকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে তার চোটের প্রকৃতি ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে চেলসির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। ম্যাচটিতে ২-০ গোলে এভারটনকে হারিয়েছে চেলসি।

টুপটুপ রিসোর্ট ট্র্যাজেডি: মালিক নিয়াজ মোর্শেদ ও তানভীর লাপাত্তা

ঢাকা অফিস।।

কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানী পাটোয়ারটেক এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর রিসোর্টের মালিক নিয়াজ মোর্শেদ ও অন্যতম মালিক তানভীরের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রামের নিয়াজ মোর্শেদ টুপটুপ রিসোর্টের মালিক বলে জানা গেছে। অন্যদিকে তানভীরও রিসোর্টটির অন্যতম স্বত্বাধিকারী। অগ্নিকাণ্ডের পর তাদের অবস্থান নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা পুলিশের ফোকাল পয়েন্ট, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপারেশন অ্যান্ড ক্রাইমস) অহিদুর রহমান কালবেলাকে জানান, এই অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের ঘটনায় উখিয়া থানা পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।


তিনি আরও জানান, রিসোর্টের মালিক, কর্মকর্তা, কর্মচারী যাদের রিসোর্ট পরিচালনায় গাফিলতি পাওয়া যাবে তাদের এই মামলায় আসামি করা হবে। রিসোর্ট কর্মকর্তা সুমনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। মালিকদের অবস্থান নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে।


এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত রিসোর্টের দুই মালিকের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

তবে কক্সবাজারে কর্মরত উখিয়ার এক গণমাধ্যমকর্মী নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে কালবেলাকে জানান, দুই মালিকের একজন সপরিবারে দুবাই আছেন। অন্যজন দেশেই অবস্থান করছেন।

এর আগে, শনিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন উখিয়ার পাটুয়ারটেক এলাকায় কাঠের তৈরি রিসোর্টটিতে আগুন লাগে। এতে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ চালায়।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, আগুনের ঘটনায় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহত ছয়জন চিকিৎসাধীন। মরদেহগুলো কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৯ জনের পরিচয় জানা গেছে। তাদের মধ্যে একই পরিবারের ছয়জন রয়েছেন।

তারা হলেন- ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭) ও নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং পাঁচ বছর বয়সী ফায়িজান আহম্মেদ। নিহত নাসরিন আক্তার মুক্তা (২৯) ঢাকার আশুলিয়ার স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। এছাড়া নিহত দুই পর্যটকের নাম জিহাদ হাওলাদার ও তারিকুল ইসলাম বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান জানান, কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ ও পূজারিদের খোঁজখবর, সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে পর্যবেক্ষক কমিটি

।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও মন্দির পরিদর্শন করেছেন খুলনা মহানগর বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষক কমিটির নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শনকালে তাঁরা মন্দির পরিচালনা কমিটির নেতৃবৃন্দ, পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য ও পূজারিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পূজার সার্বিক পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ও আয়োজনের খোঁজখবর নেন।


শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পর্যবেক্ষক কমিটির আহবায়ক কাজী মাহমুদ আলী ও সদস্য সচিব চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেনের নেতৃত্বে পরিদর্শনকালে কমিটির সদস্যরা পূজামণ্ডপের সার্বিক পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করেন এবং শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তাঁরা বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের অংশগ্রহণে উৎসবের আনন্দ ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের মাধ্যমে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করতে হবে। পরিদর্শনকালে শ্রী শ্রী কালীবাড়ী কয়লাঘাট মন্দির, কেশব চন্দ্র সার্বজনীন পূজা মন্দির, রূপসা শ্মশানঘাট কালী মন্দির, বাগমারা সার্বজনীন শ্রী শ্রী গোবিন্দ মন্দির, দোলখোলা পূজামন্দির, বাজার কালীবাড়ী মন্দির ও ধর্মসভা মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপের খোঁজখবর নেওয়া হয়। এ সময় শ্রী শ্রী কালীবাড়ী কয়লাঘাট মন্দিরের সভাপতি পলক কান্তি দাস ও সাধারণ সম্পাদক শুভ দত্ত, কেশব চন্দ্র সার্বজনীন পূজা মন্দিরের সভাপতি শ্রী সঞ্জীব বণিক ও শ্রী উত্তম গুপ্ত, রূপসা শ্মশানঘাট কালী মন্দিরের সভাপতি ডা. প্রদীপ দেবনাথ ও প্রবীর ব্যানার্জিসহ সংশ্লিষ্ট মন্দিরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়।


পরিদর্শন কার্যক্রমে খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দের মধ্যে সাজ্জাদ হোসেন পরাগ, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, জাকির ইকবাল বাপ্পি, সালাউদ্দিন মোল্লা বুলবুল, খায়রুজ্জামান সজীব ও বিপ্লব ভৌমিকসহ পর্যবেক্ষক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে নেতৃবৃন্দ পূজারিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং দুর্গোৎসবের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হন। তাঁরা উৎসবের আনন্দ ও সম্প্রীতি বজায় রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেয়। সকল ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্যাপনে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।