Home আঞ্চলিক ২০ দিনেও সন্ধান মেলেনি, মামলা যাচ্ছে পিবিআইতে

২০ দিনেও সন্ধান মেলেনি, মামলা যাচ্ছে পিবিআইতে

9

স্টাফ রিপোর্টার।।

২০ দিনেও সন্ধান মেলেনি দৌলতপুর মহেশ্বরপাশা বণিকপাড়ার নিখোঁজ গৃহবধু রহিমা খাতুনের। এ অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের আবেদনে মামলাটি পিবিআইতে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত পুলিশ ও র‌্যাব যৌথ অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন ছয় জনকে আটক করলেও কোন তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি।

দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মামলাটি তদন্তের জন্য পিবিআইতে হস্তান্তরের আদেশ হয়েছে। কিন্তু ১৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত নথি হস্তান্তর হয়নি। পিবিআই যেদিন চাইবে সেদিনই নথি হস্তান্তর করা হবে।

এ জটিলতার কারণে এ মামলায় গৃহবধূর স্বামীর রিমান্ড আবেদনের শুনানি হয়নি। পিবিআই মামলাটি বুঝে নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপম নেবে।

এ পর্যন্ত ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) প্রধান প্রকৌশল কার্যালয়ের সহকারী প্রকৌশলী মো. গোলাম কিবরিয়া, নিখোঁজ গৃহবধূর স্বামী হেলাল হাওলাদার, দৌলতপুর মহেশ্বরপশা বণিকপাড়া এলাকার মহিউদ্দিন, পলাশ, জুয়েল এবং হেলাল শরীফ।

নিখোঁজ রহিমা খাতুনের মেয়ে মরিয়ম মান্নান বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ আমার মায়ের সন্ধান দিতে পারেনি। ফলে ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮তম দিনে আমার ছোট বোন আদুরি আক্তার আদালতে মামলাটি পিবিআইতে হস্তান্তরের আবেদন করে। শুনানি শেষে ওই দিনই আদালত মামলা পিবিআইতে হস্তান্তরের আদেশ দেন।

১৫ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, আমার ভাই আজকেও পোস্টার লাগিয়েছেন। প্রতিদিন পোস্টার লাগানো হয়, খুলনার এমন কোন জায়গা নেই যেখানে পোস্টার লাগানো হয়নি! শুধু খুলনা শহর না, সারা বাংলাদেশ পোস্টার দিয়ে মুড়িয়ে দেবো, তারপরও আমরা আমাদের মাকে চাই। মগো, কোথায় গেলে তোমাকে পাবো মা!

উল্লেখ্য, গত ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে পানি আনতে বাড়ি থেকে বের হন রহিমা খাতুন। দীর্ঘ সময় পার হলেও তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরে মায়ের খোঁজে বের হয়ে সন্তানরা মায়ের ব্যবহৃত স্যান্ডেল, গায়ের ওড়না ও কলস রাস্তার ওপর পড়ে থাকতে দেখেন। রাতে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ নেওয়ার পর তাকে না পেয়ে সাধারণ ডায়েরি এবং পরে কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন তারা।