বাবুল আক্তার, পাইকগাছা।।
পাইকগাছায় শহর রক্ষা বাঁধের কারণে শত বিঘা বনায়ন মরে যাচ্ছে। জোয়ার ভাটা না থাকায় ওই শহররক্ষা বাঁধের ভিতরের বনায়ন মরে যাচ্ছে বলে বন কর্মকর্তা জানান। সে কারণে বনায়ন বাঁচাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাঁধ সরিয়ে নেয়ার জন্য বুধবার ৭ দিনের সময় দিয়েছে পৌরসভাকে। জানাগেছে, ২৩ এপ্রিল পাইকগাছা কয়রার সংসদ সদস্য মোঃ আক্তারুজ্জামান বাবুর এর উদ্বোধন করে। ১৯৯৭ সালে খুলনা জেলার পাইকগাছা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পৌরসভা শিবসা নদী কোল ঘেষে অবস্থিত। এ পৌর সভার দির্ঘ ২৫ বছর নেই কোন শহর রক্ষা বাঁধ। সে কারণে পৌর সদরের বাজার গুলো পূর্নিমা ও অমাবশ্যা গোনে পানি বৃদ্ধি পেলে জোয়ারের পানিতে ডুবে থাকে।
এ কথা চিন্তা করে ২৩ এপ্রিল শহর রক্ষা বাঁধের উদ্বোধন করা হয়। পরে ২৫ মে প্রায় ১ মাস পরে পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকাবাল মন্টু ৯শ মিটার বাঁধের আনুষ্ঠানিকভাবে রুপদেন। এলাকাবসী অভিযোগ করেন বাঁধ দেয়ার কারণে বনায়ন মরে যাচ্ছে। এ বিষয় বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায় জানান, শিবসা নদীর চর ভরাটি জায়গায় বনায়ন করা হয়েছে। এ গাছগুলো জোয়ার-ভাটার সঙ্গে সম্পর্ক। যদি বাঁধ দিয়ে জোয়ারভাটা বন্ধ করে দেয়া হয় তা হলে সব গাছগুলো মারা যাবে। ইতি মধ্য গাছ মরা শুরু করেছে। পৌরসভার প্যনেল মেয়র শেখ মাহাববুর রহমান রজ্ঞু বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বাঁধ অপসরণের কথা বলেছে আমরা বাঁধ খুব তাড়া তাড়ি সোজা করে দিবো। গাছ বা বনায়ন আমরা মারতে চাইনা। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, নদীর জায়গা দখল করে শহর রক্ষা বাঁধ দেয়া যাবে না। শহর রক্ষাবাঁধের দরকার রয়েছে তবে সেটি হবে শহরের পাশদিয়ে। বনায়ন ও নদী মেরে এমন ভাবে বাঁধ দেয়া যাবে না। অমি পৌরসভাকে ৭ দিনের সময় দিয়েছি। যদি বাঁধ অপসররণ না করে তাহলে ভ্রম্যমান আদালতের মাধ্যমে ভেঙ্গে দেয়া হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু বলেন, অমি শহর রক্ষা বাঁধ উদ্বোধন করেছিলাম কিন্তু নদীর মধ্যেদিয়ে বাঁধটি করতে হবে আমি বলেনি। তবে শহর রক্ষা বাঁধেরও দরকার কিন্ত বনায়ন ও নদী মেরে নয়।
পাইকগাছায় সাবরেজিস্টার মোহাম্মদ কামাল হোসন পদোন্নতিতে বিদায় সংবর্ধনা
পাইকগাছায় সাবরেজিস্টার মোহাম্মদ কামাল হোসন জেলা রেজিস্ট্রারের পদোন্নতি পাওয়ায় দলিল লেখক সমিতির পক্ষে তাকে বিদায় অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। বুধবার সকালে দলিল লেখক সমিতিতে সমিতির সাধাররণ সম্পাদক গাজী বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বিদয়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাবরেজিস্টার অফিসের মোহরার জিনায়েদ হোসেন, অফিস সহকারী খুকুমণি, মোরার মীহির কুমার রায়, সুবোধ কুমার চক্রবর্তি, এস এম মুক্তার হোসেন, সুভাষ চন্দ্র রায়, মিলন রায় চৌধুরী, প্রশান্ত কুমার রায়। বিদয় অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, মোহম্মদ কামাল হোসেন খান ২০২২ সালের ১৪ জুন পাইকগাছা সাবরেজিস্টার অফিসে যোগদান করেন। ১ মাস ৭ দিন পর তিনি পদোন্নতি নিয়ে পটুয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার হিসাবে যোগদান করছেন।
পাইকগাছায় সাবরেজিস্টার মোহাম্মদ কামাল হোসন পদোন্নতিতে বিদায় সংবর্ধনা
পাইকগাছায় সাবরেজিস্টার মোহাম্মদ কামাল হোসন জেলা রেজিস্ট্রারের পদোন্নতি পাওয়ায় দলিল লেখক সমিতির পক্ষে তাকে বিদায় অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। বুধবার সকালে দলিল লেখক সমিতিতে সমিতির সাধাররণ সম্পাদক গাজী বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে বিদয়ী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাবরেজিস্টার অফিসের মোহরার জিনায়েদ হোসেন, অফিস সহকারী খুকুমণি, মোরার মীহির কুমার রায়, সুবোধ কুমার চক্রবর্তি, এস এম মুক্তার হোসেন, সুভাষ চন্দ্র রায়, মিলন রায় চৌধুরী, প্রশান্ত কুমার রায়। বিদয় অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, মোহম্মদ কামাল হোসেন খান ২০২২ সালের ১৪ জুন পাইকগাছা সাবরেজিস্টার অফিসে যোগদান করেন। ১ মাস ৭ দিন পর তিনি পদোন্নতি নিয়ে পটুয়াখালী জেলা রেজিস্ট্রার হিসাবে যোগদান করছেন।











































