Home আঞ্চলিক কয়রায় ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে ভেঙ্গে যাওয়া বেঁড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে শুক্রবার

কয়রায় ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদে ভেঙ্গে যাওয়া বেঁড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে শুক্রবার

15

কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

ঘনঘন সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের কারনে নদীতে জোয়ায়ের পানি বেড়ে যাওয়ায় ভাঙছে কয়রার বেঁড়িবাঁধ, ভেসে যাচ্ছে মানুষের ঘরবাড়ী রাস্তাঘাট সহ কৃষকের ফসলের মাঠ। ফলে বছরে দুই তিন বার সর্বস্ব হারাচ্ছে এলাকার অসহায় মানুষ। সম্প্রতি ঘূর্নিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কয়রা উপজেলার কপোতাক্ষ ও শাকবাড়ীয়া নদীতে অতিমাত্রায় জোয়ারের পানিতে ভেঙ্গে যায় বেদকাশির হরিহরপুর লঞ্চঘাট সংলগ্ন বেঁড়িবাঁধ। যাহা আজ শুক্রবার নির্মাণ করতে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। এদিকে গত শনিবার বাঁধ ভাঙার পর জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু সহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় সংসদ সদস্য জোয়ারের উচ্চতা কমলেই বাঁধ নির্মানের জন্য স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম ও পাউবোর স্থানীয় সেকশান কর্মকর্তা মশিউল আবেদিন কে নির্দেশ দেন। পাউবো কতৃপক্ষ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে নিয়ে আজ শুক্রবার ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ আকটাতে সক্ষম হবেন বলে ধারনা করছেন সাধারণ জনতা। তবে উল্লেখিত বাঁধ ভাঙার কারন হিসেবে হরিহরপুর গ্রামের পশুবতি মন্ডলসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, ঠিকাদারের অবহেলার কারনে আজ তাদের পানিতে ভাসতে হচ্ছে। তারা আরও জানায়, বিগত ঘূর্নিঝড় ইয়াসে একই স্থানে বাঁধ ভাঙ্গার পর ঠিকাদার ২ মাস আগে রিংবাঁধ দিয়ে পানি আটকালেও গত ২ মাসে সেখানে মাটি দিয়ে উচু না করায় এমনটা ঘটেছে। সেজন্য তারা অসময়ে বাঁধ ভাঙার কারন হিসেবে সম্পূর্ন ঠিকাদারকে দায়ী করেছে। তবে ঠিকাদরের প্রতিনিধি মেম্বর শেখ কালাম অর্থ না পাওয়ার কারনে বাঁধে মাটি দেওয়া সম্বব হয়নি বলে জানান। এ বিষয় সংসদ সদস্য বলেন, হরিহর পুরের এই বাঁধটি ২ মাস আগে ঠিকাদার রিংবাধ দিয়ে পানি মুক্ত করলেও পরবর্তীতে কার্যক্রম বন্ধ রাখায় এ দূর্ঘটনা ঘটেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় এসও জানান, বারবার বলা সত্বেও ঠিকাদার রিংবাধে মাটি না দেওয়ায় ঘূর্নিঝড় জাওয়াদে অতিমাত্রায় জোয়ারের পানি বেড়ে প্রথমে ছাপিয়ে এবং পরে রিংবাঁধ ধ্বসে ছোট খালে পরিনত হয়েছে। তিনি বলেন, শুক্রবার ঠিকাদারসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় বাঁধ রক্ষা করা সম্ভব হবে।