Home আঞ্চলিক পাইকগাছায় চাঁদখালী নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ: পনি সরবরাহ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে

পাইকগাছায় চাঁদখালী নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষ: পনি সরবরাহ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে

52

বাবুল আক্তার,পাইকগাছা।।

পাইকগাছায় চাঁদখালী নদী গ্রামের পানি নিষ্কাসনের এক মাত্র মাধ্যম। কিন্তু নদীতে বাঁধ দখল করে মাছ চাষের ফলে এলাকার পনি সরবরাহ বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে বলে এলাকাবাসি জানিয়েছেন। নিয়ে এলাকাবাসি উপজেলা পরিষদ বরাবর অভিযোগ করলে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান কিছু নেটপাটা অপসরণ করলেও বাঁধ গুলো এখনো অপসরণ হয়নি। তাদের দাবী বাঁধ অপসরণসহ পানি সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

চাঁদখালী ইউনিয়নের কলমিবুনিয়া গ্রামের বাসুদেব সরকার জানান, পাইকগাছার চাঁদখালী  নদীটি প্রায় কিলোমিটার দৈর্ঘ। নদীদিয়ে চাঁদখালী, গজালিয়া, কাটাবুনিয়া, কলমিবুনিয়াসহ গ্রামের পানি নিষ্কাশন হয়ে থাকে। কিন্ত বদ্ধ জলমহল দেখিয়ে নদীটি চাঁদখালীর কাদের নামে একজন ইজারা নিয়েছে। তিনি ইজারার নামে বাঁধ দিয়ে খন্ড করে লাল চাঁদ, দেবু সহ আরো অনেকের কাছে বিক্রি করেছে। কাঁটা বুনিয়ার মৃত সতিষ তরফদারের ছেলে সুর্যকান্ত তরফদার জানান, এলাকায় থেকে হাজার বিঘা জমিতে ধান চাষ হয়। কিন্তু বৃষ্ট হলে পানি সরবরাহের পথ বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে ধান পানিতে ডুবে মারা গেছে। চাঁদখালী নদীতে বাঁধ দিয়ে মাছ চাষের ফলে পানি সরানোর  সম্ভব হয়না। এলাকাবাসি আরো অভিযোগ করেছেন নদীটি বদ্ধ ভরাট দেখিয়ে সরকার অনেকের কাছে বন্দোবস্ত দিয়েছে। সে কারণে খাল ভরাট করে  বাড়ি ঘর তৈরী করেছে। আবার অনেকেই নিজেদের জমি দাবী করে দখল করছে। নদীটি যেন দখলের মহা উৎসব চলছে। এব্যাপরে ইজারাদার কাদের গাজী জানান, আমি ইজারা নিয়ে নেট দিয়ে মাছ চাষ করছি। লাল চাঁদ দেবু বাঁধ দিয়ে চাষ করে না। লাল চাঁদ দেবু জানান, আমরা টাকা দিয়ে এক খন্ড নিয়েছি। আমরা পানি রবরাহে কোন বাঁধাগ্রস্থ করছিনা। আন্য খন্ড যে নিয়েছে সেই বাঁধ দিয়েছে। আর অধিংশরাই বন্দোবস্ত (প্রভেজালের) জমি দাবী করে বাঁধ দিয়েছে। চাঁদখালী ইউনিয়নের নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান শাহাজাদা আবু ইলিয়াস বলেন, সবেমাত্র কয়েক দিন ইউনিয়নের দ্বায়িত্ব নিয়েছি। আমি আমার নির্বচনের ইস্তহারে বলেছি, নদী দখল, হাট বাজার দখল উন্মুক্ত করবো। আমার ইউনিয়নে খাস জমি নিয়ে নদী খাল দখল করবে সেটি হবেনা। পনি সরবরাহের পথ বন্ধ করে মাছ চাষ ধান চাষের ক্ষতি করতে দিবনা। আমি উপজেলা উপজেলা আইনশৃঙ্খলার সভায় উত্থাপন করে যথাযত ব্যবস্থা গ্রহনের ব্যবস্থা করবো। উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দীন ফিরোজ বুলু বলেন, এলাকা বাসির অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরজমিনে নেটপাটা অপসরণ করে পানি নিস্কাসনের ব্যবস্থা করেছিলাম। আর বাঁধগুলো তারা নিজ খরচে অপসরণ করবে বলে আমাকে আস্বস্থ করেছিলো। যদি নাকরে তাহলে প্রযোজনীয় ব্যবস্তা গ্রহন করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, এটি আমার জানা ছিলোনা। যখন জানলাম তখন যথাযত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।