মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :
মণিরামপুরের হরিদাসকাঠি ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত দুই উদ্যোক্তার উপর হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় দুই সহোদরকে আটক করেছে পুলিশ। আটক দুইজন ওই ইউপির কুচলিয়া গ্রামের মৃত বৃকদর মল্লিকের ছেলে বিপ্লব মল্লিক ও পিলাপ মল্লিক। পিলাপ মল্লিক জার্মান প্রবাসী। হামলার শিকার দুই উদ্যোক্তা হলেন, শাহাজাহান হোসেন ও আব্দুর রহিম।
উদ্যোক্তা শাহাজাহান বলেন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই পিলাপের জন্মনিবন্ধন করাতে তারা দুই ভাই মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পরিষদে আসেন। কাগজপত্র ছাড়া জন্মনিবন্ধন করা যাবে না বলায় তারা বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে আমাদের উপর হামলা করে পরিষদের একটি ল্যাপটপ ভেঙে দেয় তারা দুই ভাই। ঠেকাতে আসলে তারা রমেস কুমার নামে এক গ্রাম পুলিশকেও মারপিট করেন। খবর পেয়ে আশপাশের লোকজন এসে বিপ্লব ও পিলাপকে পরিষদের একটি কক্ষে আটকে রাখেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থানা পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়।
দিগঙ্গা-কুচলিয়া ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য প্রনব বিশ^াস জানান, ওরা দুই ভাই কিছুটা মানসিক ভাবে অসুস্থ।
হরিদাসকাঠি ইউপি চেয়ারম্যান বিপদ ভঞ্জন পাড়ে বলেন, বিপ্লব ও পিলাপ কোন কাগজপত্র ছাড়াই পরিষদে জন্মনিবন্ধন করাতে আসে। উদ্যোক্তারা নিবন্ধন না দেওয়ায় তারা শাহাজাহান ও তার সহকারী আব্দুর রহিমকে মারপিট করে রক্তাক্ত জখম করে। খবর পেয়ে আমি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসানকে জানাই। তখন তিনি থানা থেকে পুলিশ পাঠান। পরে ওসি বিষয়টি নিয়ে তার কক্ষে বৈঠকে বসেন। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার শর্তে পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে।
মণিরামপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, আটক দুই ভাইকে চেয়ারম্যানের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।









































