পাঁচ বছরে এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের প্রত্যাশা, কর্মসংস্থান হবে ২ লাখ; ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণসহায়তা, ছয় চুক্তি ও ১৭ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের জাপান সফরে বাংলাদেশ-জাপান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে। অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিদেশি বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্পায়ন ও সামুদ্রিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে এক লাখ কোটি জাপানি ইয়েন পর্যন্ত বিনিয়োগের সম্ভাবনা এবং এর মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা এ সফরের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অর্জন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এ ছাড়া বাংলাদেশের দুটি উন্নয়ন প্রকল্পে প্রায় ২৯৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান। দুই দেশের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা দলিল স্বাক্ষরের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও ১৭টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা জোরদারে একটি টহল জাহাজ দেওয়ার বিষয়েও অনুদান চুক্তি হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফরকে ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ব্যবসায়ী নেতা ও অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, জাপানের সঙ্গে নতুন এসব উদ্যোগ কার্যকর করা গেলে বাংলাদেশের শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে।
পাঁচ বছরে এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের সম্ভাবনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের সবচেয়ে আলোচিত অর্থনৈতিক দিক হচ্ছে দেশটির বেসরকারি খাত থেকে বাংলাদেশের জন্য সম্ভাব্য এক লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগের পরিকল্পনা। গত ২৭ অক্টোবর জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এ বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা জানানো হয়।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী পাঁচ বছরে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে এক লাখ কোটি ইয়েন পর্যন্ত বিনিয়োগ করতে পারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৭ হাজার ৪৭০ কোটি টাকা। এ বিনিয়োগের মাধ্যমে প্রায় দুই লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
গাড়ি উৎপাদন, বিভিন্ন ধরনের উৎপাদনশিল্প, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি অবকাঠামোসহ একাধিক খাতে জাপানি বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতেও জাপানি কোম্পানিগুলোর আগ্রহ রয়েছে।
তবে এই বিনিয়োগের অর্থ এখনই বাংলাদেশে আসছে না। এটি আগামী পাঁচ বছরের সম্ভাব্য বেসরকারি বিনিয়োগ পরিকল্পনা। একইভাবে দুই লাখ কর্মসংস্থানও প্রত্যাশিত লক্ষ্যমাত্রা। ফলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নীতিগত সহযোগিতা নিশ্চিত করাই হবে এ সম্ভাবনা বাস্তবায়নের প্রধান শর্ত।
প্রযুক্তি হস্তান্তরে শিল্প খাতে নতুন দিগন্ত
জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান হস্তান্তর। বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে বহুমুখী করা এবং উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়াতে এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, জাপানের সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তিগুলো দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে বিশাল ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তি ও কারিগরি জ্ঞান দেশে আসার মাধ্যমে বাংলাদেশের শিল্প খাত নতুন সক্ষমতা অর্জন করতে পারে।
তিনি বলেন, বৈচিত্র্যময় ম্যান-মেড ফাইবার ও উচ্চমূল্যের পণ্য রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো প্রত্যাশিত অবস্থানে পৌঁছাতে পারেনি। এ ক্ষেত্রে জাপানের আগ্রহ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কাজে লাগানো গেলে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হবে। আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি জাপানের দক্ষ কারিগরি জনবল বাংলাদেশে এলে স্থানীয় কর্মীরা হাতে-কলমে কাজ শিখে নিজেদের দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পাবেন।
ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, তৈরি পোশাকশিল্পের প্রচলিত পণ্যের বাইরে উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি বাড়াতে জাপানের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে আশাবাদ
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের (বিআইআইএসএস) গবেষণা পরিচালক ও অর্থনীতি বিশ্লেষক ড. মাহফুজ কবির জাপানের বিনিয়োগ ও ঋণসহায়তাকে বাংলাদেশের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ও ঋণসহায়তাকে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট প্রকল্পগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে, তাহলে শিল্পায়নের পাশাপাশি বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
তাঁর মতে, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ গড়ে তোলা গেলে জাপানি কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারণ সহজ হবে।
উন্নয়ন প্রকল্পে ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলারের ঋণসহায়তা
প্রধানমন্ত্রীর সফরে বাংলাদেশের দুটি উন্নয়ন প্রকল্পে ৪৬ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ২৯৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জাপান।
এর মধ্যে ১৫ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ১০০ দশমিক ৮ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে ব্যয় হবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি, বিনিয়োগ কার্যক্রম সহজ করা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে এ অর্থ সহায়তা করবে।
অন্যদিকে ৩০ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ১৯৪ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার দেওয়া হবে উপজেলা গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায়ে। এর মাধ্যমে উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সরকারব্যবস্থা ও উন্নয়ন কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
উপকূলীয় নিরাপত্তায় টহল জাহাজ দেবে জাপান
অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদারেও গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশের উপকূলীয় নিরাপত্তা সক্ষমতা বাড়াতে একটি টহল জাহাজ সরবরাহের জন্য জাপানের সঙ্গে অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
এ জন্য সর্বোচ্চ ২ দশমিক ১২ বিলিয়ন ইয়েন বা প্রায় ১৩ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান দেওয়ার কথা রয়েছে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সক্ষমতা বাড়াতে জাহাজটি ব্যবহার করা হবে।
সমুদ্রে অপরাধ দমন, সামুদ্রিক দুর্ঘটনা মোকাবিলা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে এ জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বঙ্গোপসাগরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় এ সহযোগিতা বাংলাদেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
কৃষি, মৎস্য ও দক্ষ জনশক্তিতে ছয়টি চুক্তি
সফরে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে ছয়টি দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা দলিল স্বাক্ষরিত হয়েছে। এসব দলিলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ, দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টহল জাহাজ প্রদানসংক্রান্ত সহযোগিতার বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশেষ করে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে এ সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। ভাষা শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং জাপানের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ কর্মী তৈরি করা গেলে বাংলাদেশি কর্মীরা উপকৃত হবেন।
এ ছাড়া জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) উদ্যোগে দুই দেশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরও ১৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মাধ্যমে ব্যবসায়িক যোগাযোগ, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক সহযোগিতায় ‘বিআইজি-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠকে বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও ঐকমত্য হয়েছে।
আগের ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা বিআইজি-বি উদ্যোগকে সম্প্রসারণ করে ‘বিআইজি-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ নামে নতুন কৌশলগত সহযোগিতা কাঠামোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
এ উদ্যোগের চারটি প্রধান ভিত্তি হচ্ছে যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা।
এর মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে যৌথ সমৃদ্ধির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। অবকাঠামো, বাণিজ্য, শিল্পায়ন ও আঞ্চলিক যোগাযোগে জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
সফরকে ঐতিহাসিক বললেন রিজভী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরকে ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের সুসম্পর্ক দীর্ঘদিনের। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর এ সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। চার দিনের সফরে বাংলাদেশের বড় ধরনের অর্জন হয়েছে।
রিজভী বলেন, দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে ‘বিআইজি-বি ফর শেয়ার্ড প্রসপারিটি’ নামে সহযোগিতার নতুন নীতি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আওতায় উদীয়মান অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার, সরবরাহব্যবস্থার ঝুঁকি মোকাবিলা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলায় একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে দুই দেশ একমত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সফরে প্রায় ২৯৫ দশমিক ৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণসহায়তার প্রতিশ্রুতিসহ বিভিন্ন চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও লেটার অব ইনটেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছে। অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নয়ন, কৃষি, বন, মৎস্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে রিজভী বলেন, তারেক রহমান উন্নয়ন সহযোগী, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি এবং রাজনীতিবিদদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এসব আলোচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠন এবং অতীতে লুটপাট ও অর্থ পাচারের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছেন। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বে জাপান সফর সেই প্রচেষ্টার অন্যতম অর্জন।











































