- কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার শহরতলী উদিবাড়ি এলাকায় দ্বিতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের সুন্নতে খৎনা করতে গিয়ে লিঙ্গ কেটে ফেলেছেন এক হাজাম (খৎনাকারী)। এ ঘটনায় গুরুতর আহত শিশু সাদিক কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। অভিযোগ পেয়ে হাজাম ফুরকান আলী খলিফাকে (৭০) আটক করেছে পুলিশ। সাদিকের বাবার নাম আকতার হোসেন। সে উদিবাড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণির ছাত্র।

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসক ইউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. ওহিদুল আলম জানিয়েছেন, সাদিকের লিঙ্গের দুই তৃতীয়াংশ কেটে ফেলায় প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। জরুরি সার্জারি বিভাগে শিশুটির রক্তক্ষরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় শল্য চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শিশুটিকে বাঁচানো গেলেও পরবর্তীতে কতটুকু স্বাভাবিক হতে পারবে সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। সাদিকের বাবা আকতার হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ছেলের খৎনা করতে হাজাম ফুরকান আলী বাড়িতে আসেন। যথারীতি নিয়মে খৎনা করতে গিয়ে পরপর দুইবার খুর চালিয়ে লিঙ্গের মাথা থেকে দুই টুকরো কেটে ফেলেন। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকে। পরিস্থিতি যখন খুব খারাপের দিকে যায় তখন দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানিয়েছেন ছেলের লিঙ্গ কেটে ফেলা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, খৎনা করতে গিয়ে শিশুর লিঙ্গ কেটে ফেলার অভিযোগে হাজাম ফুরকান আলী খলিফাকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আটক ফুরকান আলী সদর উপজেলার কবুরহাট খলিফাপাড়ার মৃত আব্দুল আজিজ খলিফার ছেলে।










































