Home আঞ্চলিক বাগেরহাটে ঝড়ে শতাধিক বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত

বাগেরহাটে ঝড়ে শতাধিক বাড়ি-ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত

2


বাগেরহাট সংবাদদাতা ||

বাগেরহাটে ঝড়ে শতাধিক বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে এক মিনিটেরও কম সময় স্থায়ী ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি হয়।

স্থানীয়রা জানান, শহরে শালতলা, সাধনার মোড়, পুরাতনকোর্ট মসজিদ, রেলরোড, প্রেস ক্লাব, লঞ্চঘাটসহ বিভিন্ন এলাকায় ঝড়ের তীব্রতায় বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের টিনের ছাউনি উড়ে যায়। পাকা বাড়ির জানালার গ্লাস ভেঙে পড়ে। বিলবোর্ড, বৈদ্যুতিক মিটারসহ বহু গাছ উপড়ে পড়ে। বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিদ্যুৎ সংযোগ। ফলে দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ।

শুক্রবার (১ মে) বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে। পুরাতনকোর্ট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে বৈদ্যুতিক তারের ওপর পড়া গাছ কেটে সড়ক পরিষ্কার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা।

ক্ষতিগ্রস্তদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে হালকা বৃষ্টি শুরু হয়। এরপর শুরু হয় প্রচণ্ড সেই ঝড়।

রেলরোড এলাকার বাসিন্দা তালুকদার মাহির অরন্য বলেন, ‍“সাড়ে ১১ টার পরে হঠাৎ করে তীব্র বাতাস শুরু হয়। গাছের একটা ডাল উড়ে এসে আমাদের জানালায় লাগে, এতে জানালার গ্লাস ভেঙে যায়। বাতাস আমাদের কারখানার টিনের চাল উড়িয়ে নিয়ে গেছে। কারখানার যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়েছে।”

সাবেক কমিশনার কাজী গোলাম মোস্তফা লাভলু বলেন, “আমাদের দোকানপাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আসলে খুবই খারাপ অবস্থা। আমাদের সহযোগিতা না করলে চলতে পারব না।”

শালতলা এলাকার কাজী সিরাজ উদ্দিন আহমেদ বলেন, “আকস্মিক ঝড়ে ভবনের বেশ কিছু ফ্লাটের জানালার কাঁচ ভেঙে গেছে। আশপাশের সবগুলো বাড়ি ও দোকান ঘরের টিনের চালা উড়িয়ে নিয়ে গেছে।”

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বাগেরহাটের স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশিদ বলেন, “আমরা গিয়ে গাছ কেটে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করি। ঝড়ে কেউ হতাহত হয়নি।”

বাগেরহাট জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা মো. শাওন হোসেন অনিক বলেন, “সব উপজেলায় বলা হয়েছে তথ্য সংগ্রহ চলমান রয়েছে। বেশি ক্ষয়ক্ষতি হলে, প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”