ঢাকা অফিস।।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, স্বৈরাচাররা শ্রমিকদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল।আমরা বিশ্বাস করি, খেটেখাওয়া মানুষ ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।
শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মহান মে দিবসে উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের উদ্যোগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিগত কয়েক বছরে বন্ধ হওয়া কলকারখানা চালু করার ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই বন্ধ হওয়া কলকারখানা চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। পর্যায়ক্রমের সবগুলো কারখানা চালু করা হবে। যেন শ্রমিকরা কাজ করতে পারেন।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে অর্থনীতিকে লুটপাটের মহোৎসবে পরিণত করা হয়েছিল। দেশের অর্থনীতিকে আমদানি নির্ভর করেছিল স্বৈরাচার সরকার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যেকটি সেক্টরকে ধ্বংস করেছিলো স্বৈরাচার। এর ফলেই ২৪ এ সব মানুষ একত্রে স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।
সরকারপ্রধান বলেন, শ্রমিকদের পাশাপাশি যারা এখনও বেকার তাদের কর্মসংস্থান তৈরি করতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর পদক্ষেপ নিচ্ছে সরকার। এছাড়া শ্রমিক ও বেকারদের জন্য দেশের পাশাপাশি বিদেশেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, এদেশের অধিকাংশ মানুষ গ্রামে বাস করে। তারা সঠিক সময়ে সঠিকভাবে পানি পায় না। সেজন্য আমরা খাল খনন শুরু করেছি। কৃষক, শ্রমিকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারলে বাংলাদেশের ভাগ্য পরিবর্তন হয়ে যাবে।
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ যখনই গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছে, কিছু মহলের সেটি পছন্দ নয়। সেই সব মানুষ, তারা চায় না দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হোক, পৃথিবীর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে দেশ এগিয়ে যাক, তারা সেটি চান না। অতীতের মতো তারা আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তারা চেষ্টা করছে এখন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে বিতর্কিত করা, বন্ধুহীন করার।
তিনি আরও বলেন, যারা দেশকে বিতর্কিত করতে চায়, যারা দেশে অরাজকতা করতে চায়, তাদের ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে এসব ষড়যন্ত্রকারীদের স্বৈরাচারের মতো জবাব দিতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফুটপাত থেকে শুধু হকার উচ্ছেদ নয়, এদের পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে সরকার। শ্রেণিপেশা অনুযায়ী সরকার যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ধীরে ধীরে সব বাস্তবায়ন করা হবে। কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষকসহ সবার ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে সময় এসেছে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার।
দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, নারী-পুরুষসহ সবাইকে নিয়ে এখন দেশ গড়ার পালা।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি আনোয়ার হোসেইন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।









































