স্টাফ রিপোর্টার
নদীর ¯্রােতধারার মতোই সময় বহমান। সেই সুবাদে ক্রমশ এগিয়ে আসছে বিশেষ দিনটি। দেশের নানা স্থানে স্থাপিত ডিজিটাল ঘড়ির মাধ্যমে চলছে এখন ক্ষণগণনা। বাকি আর ৪১ দিন। আসছে ১৭ মার্চ সেই বিশেষ দিন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। জাতীয় পর্যায়সহ দেশ বিদেশে নানা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হবে মুজিববর্ষ। সরকারী বেসরকারী আয়োজনের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগেও উদযাপিত হবে জাতির জনকের জন্মশতবর্ষ। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদফতর সরকারী বেসরকারী উদ্যোগে নেয়া হয়েছে বছরব্যাপী বিশাল কর্মসূচী। আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ১৭ মার্চ পর্যন্ত বছরব্যাপী নানা আয়োজনে উদযাপিত হবে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী। মুজিববর্ষ উদ্যাপনের কর্মসূচী বাস্তবায়নে এখন তুমুল ব্যস্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির কার্যালয়। সেই সুবাদে সোমবার সেগুন বাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউটের কার্যালয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সে বৈঠকে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের ওপর বিশেষ সেমিনার ও আলোচনাসভা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছেন জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন উপলক্ষে গঠিত সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও আলোচনাসভা আয়োজন উপ-কমিটির আহ্বায়ক শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনির সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সভাপতির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য সেমিনার ও আলোচনা সভাগুলোতে দেশ-বিদেশের আলোচকগণের সমন্বিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এসব সেমিনার ও আলোচনাসভাকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে হবে যাতে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও আদর্শ বিশ্বে আরো বেশি করে ছড়িয়ে পড়ে। সভায় মুজিববর্ষ জুড়ে সেমিনার ও আলোচনা সভা আয়োজনের লক্ষ্যে নির্ধারিত বিষয় ও সূচী নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়। একইসঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক সেমিনার আয়োজনের লক্ষ্যে ধারণাপত্র তৈরির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। এসব ধারণাপত্রের ওপর ভিত্তি করে দেশ-বিদেশের বিজ্ঞজনদের মূল প্রবন্ধ লেখার জন্য অনুরোধ জানানোর বিষয়ে সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।










































