Home খেলাধুলা পাকিস্তান-বাংলাদেশ নিয়ে বৈঠকে যে আলোচনা করল আইসিসি

পাকিস্তান-বাংলাদেশ নিয়ে বৈঠকে যে আলোচনা করল আইসিসি

9


স্পোর্টস ডেস্ক

আইসিসি, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) মধ্যে রোববার অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর ভারত–পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ ঘিরে চলমান অচলাবস্থা শিগগিরই কাটতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ-যিনি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন-তবে সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন অনেকটাই ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্ধারিত সময়েই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হওয়ার পক্ষে বলে জানাচ্ছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

ত্রিপক্ষীয় এই বৈঠকে আইসিসির ডেপুটি চেয়ারম্যান ইমরান খাজা নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল, পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল অংশ নেন। সেখানে পাকিস্তানের ভারত ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে যেসব বিষয় উঠে এসেছে:

১. পিসিবির পক্ষে মহসিন নকভি:

নাকভি বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে আইসিসির ভূমিকার সমালোচনা করে ‘দ্বৈত নীতির’ অভিযোগ তোলেন এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়াকে ‘অবিচার’ বলে আখ্যা দেন। তিনি পাকিস্তানের বয়কট অবস্থানে অনড় থাকলেও ইঙ্গিত দেন-তিনটি দাবি মানা হলে সমাধান সম্ভব।

পিসিবির তিন দাবি:

বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়লেও বাংলাদেশের জন্য অংশগ্রহণ ফি

ভবিষ্যতের কোনো আইসিসি টুর্নামেন্ট আয়োজনের স্বত্ব

২. বিসিবির পক্ষে আমিনুল ইসলাম বুলবুল:

লাহোরে তার উপস্থিতিকে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার পর পাকিস্তানের প্রতি সংহতির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি আইসিসি-পিসিবি আলোচনায় অংশ নিয়ে, ভারতে যেতে অস্বীকৃতির কারণে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ার পর বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

৩. আইসিসির পক্ষে ইমরান খাজা:

ভারত–পাকিস্তান ম্যাচটি রক্ষা করতেই মূলত লাহোর সফরে যান ইমরান খাজা। কারণ এই ম্যাচের ওপরই অনেকটা নির্ভর করছে পুরো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আর্থিক ভবিষ্যৎ। আইসিসির প্রতিনিধিরা পিসিবির কাছে বয়কটের পেছনে ‘ফোর্স মেজর’ ধারা প্রয়োগের ব্যাখ্যা চান এবং এর শর্ত ও সম্ভাব্য প্রভাব তুলে ধরেন।

সব মিলিয়ে আলোচনার আবহ ইতিবাচক। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের বয়কটের অবসান ঘটতে পারে।