স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার ফুলবাড়ীগেট ইষ্টার্ন গেট এলাকায় পুলিশের এস আই সুকান্ত দাশকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে উত্তেজিত জনতা। মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিকালে খানজাহান আলী থানার ইস্টার্নগেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এস আই সুকান্ত দাশের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। বিকালে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, এস আই সুকান্ত ওখান থেকে থ্রি হুইলার পরিবহনে করে যাচ্ছিলেন।
এ সময় উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের কার্যক্রম চলছে। একই সময়ে খুলনা নগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তৈমুর ইসলাম জানান, এস আই সুকান্ত বর্তমানে চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নগরীর সোনাডাঙ্গা মডেল থানা ও সদর থানায় কর্মরত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মনার বাড়ির ভাংচুর ও একটি জি আর মামলা রয়েছে। এছাড়াও আদালতে তার বিরুদ্ধে আরো কয়েকটি মামলা রয়েছে।
পরে রাতে খানজাহান আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কবির হোসেন জানান, তাকে দৌলতপর থানায় প্রেরন করা হয়েছে। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতাহার হোসেন জানান, তার থানায় এস আই সুকান্তকে আনা হয়নি। পরবর্তীতে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় যোগাযোগ করা হলে সেখানেও এস আই সুকান্তকে পাওয়া যায়নি। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাওলাদার সানোয়ার হুসাইন মাসুম জানান তার থানাতেও নেই সুকান্ত। নগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকতৃা তৈমুর ইসলামও জানেন না এসআই সুকান্ত কোন মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে বা তিনি কোথায় আছে।
এই বিষয়ে ডিসি নর্থ ও পুলিশ কমিশনারকে ফোন দিলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে কেএমপির এডিসি মিডিয়া খন্দকার হোসেন আহম্মেদ জানান, এস আই সুকান্তের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। তবে সে এখন কোথায় আছে বা কোন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে তা তিনি জানেন না বলে জানান। এ ঘটনায় নগরীর সচেতন মহলে নানা কথার গুঞ্জন উঠেছে। অনেকেই বলেন, মোটাংকের অর্থের বিনিময়ে এস আই সুকান্তকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। অথবা জনতার রোষানল থেকে বাঁচাতে পুলিশ গোপনীয়তার আশ্রয় নিতে পারে।










































