স্পোর্টস ডেস্ক
চ্যাম্পিয়নস ট্রফি নিয়ে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে বৈরিতা চলছেই। যেখানে আয়োজক দেশ পাকিস্তানে সফর না করার কথা আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট সংস্থা বিসিসিআই। এই কারণে এমন ধারণাও করা হচ্ছে, পুরো টুর্নামেন্টটি পাকিস্তানের বাইরে আয়োজিত হতে পারে। ভারত দলের পাকিস্তান সফরে না যাওয়ার বিষয়টির লিখিত আইসিসির কাছে চেয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)।
আইসিসি দীর্ঘ প্রায় ছয় বছরেরও বেশি সময় পর চ্যাম্পিয়নস ট্রফি আয়োজন করছে। কিন্তু আগামী ফেব্রুয়ারির সে টুর্নামেন্ট হবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ জাগছে। এতসব অনিশ্চয়তার মাঝে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির অফিশিয়াল ট্যুর শুরু করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি। গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানের ইসলামাবাদে পৌঁছেছে ট্রফিটি।
আগামী ১৬ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানে থাকবে মিনি বিশ্বকাপ খ্যাত আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। দশদিনের সফরে ট্রফিটি পাকিস্তানের মুরি, হুনজা, মুজাফফরাবাদ এবং স্কারদুতে নিয়ে যাওয়া হবে। সফরের অংশ হিসেবে আরোহণ করবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উচুঁ পাহাড় ‘কেটু’।
তবে টুর্নামেন্টের সম্ভাব্য ভেন্যু হতে যাওয়া লাহোর, করাচি এবং রাওয়ালপিন্ডিতে যাচ্ছে না ট্রফিটি। বায়ুদূষণের মুখ্য কারণের পাশাপাশি অন্য শহরগুলোকে পর্যটনমুখী করতে এমন সিদ্ধান্ত পিসিবি এবং পাকিস্তান সরকারের।
জানা যায়, টুর্নামেন্টে অংশ নিতে যাওয়া সব দেশেই পর্যায়ক্রমে ঘুরবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। ট্রফি ট্যুরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশেও আসার কথা রয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত ট্রফির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে দেশে। ঢাকার শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম এবং কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে ট্রফি প্রদর্শনের কথা রয়েছে।
এ নিয়ে বিসিবি আশা করছে, ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এই অভিজ্ঞতা হবে অনন্য এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশি ক্রিকেটভক্তদের উচ্ছ্বাস বাড়বে।
এদিকে নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে ভারত এখনো পাকিস্তানে খেলতে রাজি হয়নি। অন্যদিকে ভারতের প্রস্তাবিত হাইব্রিড মডেলও প্রত্যাখান করেছে পাকিস্তান। এমনকি এবারের পুরো আসর শেষমেশ পাকিস্তানে আয়োজিত না হলে বয়কটের হুমকিও দিয়ে রেখেছে দেশটি। তবে অনিশ্চয়তার দোলাচলে বল এখন আইসিসির কোর্টে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে সমঝোতায় মনযোগী ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা।










































