দামুড়হুদায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা, চোরাচালান, নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে সভাটির সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকসানা মিতা।এসময় আলোচনা করেন দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাসফিকুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হেলেনা আক্তার নিপা, দামুড়হুদা মডেল থানার (ওসি) আলমগীর কবির, দর্শনা থানার পরিদর্শক (অপারেশন) নিরব, দামুড়হুদা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো মনিরুজ্জামান মনির, সাধারণ সম্পাদক মো রফিকুল হাসান তনু, দর্শনা থানা বিএনপির সভাপতি খাজা আবুল হাসনাত, দর্শনা থানা বিএনপির প্রধান সমন্বয়ক হাবিবুর রহমান বুলেট, চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর মাও আজিজুর রহমান, দামুড়হুদা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর নায়েব আলী,জেলা জামায়াতের সহ সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আঃ কাদের, দামুড়হুদা উপজেলা জাতীয় পাটির সভাপতি আশরাফ মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দীন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু হাসান, উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার রাফিজুল ইসলাম, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তোফাজ্জেল হক, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হোসনে জাহান ববি, দামুড়হুদা আঃওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক শরিফুল আলম মিল্টন।
দামুড়হুদা সরকারি পাইলট হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো নজরুল ইসলাম, দামুড়হুদা পাইলট গার্লস স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফাহমিদা রহমান, দামুড়হুদা প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক শামসুজ্জোহা পলাশ, যুগ্ন আহ্বায়ক মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, মুন্সিপুর, দর্শনা ও ঠাকুরপুর বিওপি ক্যাম্পের ইনচার্জগণ সহ বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা, ও রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।
চরমোনাই পীরের বড় ভাই এর ইন্তেকাল জেলা ইসলামী আন্দেলনের শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপদেষ্টা ও বর্তমান চরমোনাই পীর সাহেব হুজুর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মাদ রেজাউল করীম এর বড় ভাই মাওলানা সৈয়দ মোঃ মোমতাজুল করীম মোশকাত ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (২৭ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১০ টা রাজধানীর শংকরের ইবনে সিনা হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
বুধবার (২৮ আগষ্ট) বাদ যোহর চরমোনাই মাদরাসা ময়দানে নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতি দাতাগন হলেন জেলার সভাপতি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল্লাহ ইমরান, সহ সভাপতি মাওলানা শায়খুল ইসলাম বিন হাসান,মাওলানা মুজিবুর রহমান,সেক্রেটারি হাফেজ মোঃ আসাদুল্লাহ আল গালীব,মোহাঃ রেজাউল করিম আলহাজ্ব জাহিদুল ইসলাম,মাওলানা আব্দুস সাত্তার, হাফেজ মাওলানা মুফতি আশরাফুল ইসলাম, মোঃ মুহিব্বুল্লাহ, মাওঃ আসাদুল্লাহ হামিদী, মোঃ হায়দার আলী, শেখ মোঃ ওলিয়ার রহমান, ক্বারী জামাল হোসেন, শেখ ইউসুফ আলী, শেখ রওশন আলী, মোঃ শফিকুল ইসলাম দাকোপ, আলহাজ্ব মাওঃ মাহবুবুল আলম মাওলানা মোঃ হারুন অর রশিদ, এইস এম এনামুল হাসান সাঈদ ,মোহাঃ তরিকুল ইসলাম দবীর, মাওলানা আবু সাঈদ, আকিছুর রহমান,, মোহাঃ শামীম হোসেন,মুফতি ওমর ফারুক মুফতি ফয়জুল্লাহ ছাত্রনেতা মোঃ ফরহাদ প্রমুখ।
কালিগঞ্জে চৌমুহনী দারুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মনির এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মোঃ মনিরুজ্জামান এর সীমাহীন দূর্নীতি প্রতিষ্ঠানের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, সম্পদ লুটপাট ও জরুরী কাগজপত্র না দেওয়ায় তার পদত্যাগের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০ টায় মাদ্রাসা চত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ মিছিল সহকারে চৌমুহনী হাটখোলায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও সাধারণ জনগনের অংশগ্রহণ উক্ত মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। এসময়ে বক্তারা বলেন অতি চতুর, দুর্নীতিগ্রস্থ, অর্থ আত্মসাৎকারী, মামলাবাজ সহকারী অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের পদত্যাগ এখন সময়ের দাবী। তিনি মাদ্রাসার সম্পদ লুন্ঠন, মামলার ভয় দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতিষ্ঠানের জমির হারী বাবদ ৩ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা, ইসলামী ব্যাংক কালিগঞ্জ শাখা থেকে ৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩’শ টাকা, অগ্রনী ব্যাংক মৌতলা শাখা হতে ১ লক্ষ ৮৭ হাজার ৬’শ টাকা, শিক্ষক ও সূধীদের থেকে গৃহীত ৭ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকাসহ মোট ১৯ লক্ষ ৬১ হাজার ৪’শ টাকা আত্মসাৎ করেছে। ২০১৪ সালের শুরু থেকেই এই দুর্নীতিবাজ শিক্ষক নিজেকে আওয়ামী নেতা পরিচয়ে তার অন্যতম সহযোগী আবু তালেব সরদার, নুরুল হক সরদার, বাচ্চু পালসহ কতিপয় মামলা বাজ ও দুর্নীতিবাজের দৌরাত্বে হীন কাজ নেই যে সে করেনি। মাদ্রাসার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী করে রেকর্ড গড়েছে মনিরুজ্জামান মাওলানা। বিক্ষোভ সমাবেশে দারুল উলুম চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপ্যাল মাওলানা আব্দুল কাদের হেলালীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সহকারী অধ্যাপক মাওঃ মিজানুর রহমান, বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আমির হামজা, অভিভাবক শেখ সিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রী নাহিদা পারভীন। এসময় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী, অভিভাবক, ও স্থানীয় শতশত জনসাধারণ।
কালিগঞ্জের শ্রীধরকাটির শেখ আলাউদ্দীনের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্নঃ অভিযোগ বানোয়াট
কালিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
কালিগঞ্জের শ্রীধরকাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২৮ আগস্ট -২৪) বেলা ১১ টায় স্কুলের হলরুমে এলাকাবাসী, গনমাধ্যমকর্মী, বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক মন্ডলী, বীর মুক্তিযোদ্ধাসহ গন্যমান্য ব্যাক্তিগনের উপস্থিতিতে তদন্তকালে শুনানী করেন আশাশুনী উপজেলার সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সেলিম। এসময়ে তার সহায়তা করেণ কালিগঞ্জ সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এ,কে,এম মোস্তাফিজুর রহমান। তবে অভিযোগকারী ধুরন্ধর মামলাবাজ শ্রীধরকাটি গ্রামের মৃত শেখ রহমাতুল্লাহ অরফে নেফু শেখের ছেলে শেখ সিদ্দিকুর রহমান ছিলেন অনুপস্থিত। জানা গেছে, কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের শ্রীধরকাটি গ্রামের শেখ হাজির উদ্দীন আহমেদ ও সহোদর শেখ আমিন উদ্দীন আহমেদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরির নিমিত্তে ৪০ শতক জমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর গত ইং ১২-১২-১৯৯০ তারিখ নিরুপনপত্র দলিল মুলে রেজিস্ট্রি করে দেন। ফলশ্রুতিতে ১৯৯৫ সালে ১০৬ নং শ্রীধরকাটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নামক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে ভবন নির্মানের জন্য সরকারি ভাবে বরাদ্দ আসে। বরাদ্দের বিপরীতে তৎকালীন সময় কালিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী সরেজমিনে বিদ্যালয়ের জায়গা পরিদর্শন করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের নামে নিরুপনপত্র করে দেওয়া ৪০ শতক জমি সংকুচিত হওয়ায় তাৎক্ষণিক ভাবে ঐ জায়গায় ভবন নির্মান সম্ভব হয়নি। সে কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জায়গা পরিবর্তন করে একই মৌজার অন্য প্লটের ৫৩ শতক জমি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর রেজিষ্ট্রি করে দেয়। জমি দাতারা হলেনঃ কালিগঞ্জ উপজেলার শ্রীধরকাটি গ্রামের প্রয়াত শেখ গরীব উল্লাহ’র ছেলে শেখ হাজির উদ্দীন আহমেদ ২০ শতক, যাহার খতিয়ান নং ১২২ দাগ নং ৩২৭, হাজির উদ্দীন এর তিন ছেলে শেখ আলাউদ্দিন আহমেদ ১১ শতক, শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ ১১ শতক এবং শেখ আক্তার উদ্দীন আহমেদ ১১ শতক যাহার খতিয়ান নং ১৯৪, দাগ নং ৩২৮। দুই খতিয়ান মিলে মোট ৫৩ শতক জমি। উল্লেখিত ৪০ শতক জমি নিরুপনপত্র দলিলে উল্লেখ থাকে যে, যদি কোন কারণে ভবিষ্যতে উক্ত বিদ্যালয় স্থানান্তরিত হয় বা বিদ্যালয় উঠিয়া যায় তাহা হইলে নিরুপনপত্রে বর্ণিত তপশীল সম্পত্তি জমি দাতাদের নিকট ফিরিয়া আসিবে এবং তপশীল বর্ণিত সম্পত্তি ধার্য্য করাদি তারাই বহন করিবে। তপশীল সম্পত্তি যাহার সাবেক দাগ ১৬০ ও হাল দাগ ২৩০ এর ০২ নং খতিয়ান মুলে ১.০০ একর জমির মধ্যে ওয়ারেশ সুত্রে শেখ সালাউদ্দিন আহমেদ অন্যাত্রে ২৪ শতক জমি বিক্রয় করেন। কালিগঞ্জ শ্রীধরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক ও জমি দাতা শেখ আলাউদ্দীন আহমেদ বলেন, আমার ভাই জমি বিক্রি করায় একটি কুচক্রী মহল আমাদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের নামে নিরুপনপত্র করে দেওয়া জমি কোটি টাকায় বিক্রি করেছে মর্মে বিভিন্ন সাংবাদিক মহলসহ এলাকায় সম্মানহানির নিমিত্তে গুজব ছড়াচ্ছে যা আদোও সত্য নয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা যথাযথ ভাবে তদন্ত করে শ্রীধরকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সম্পত্তি কোটি টাকা মুল্যে বিক্রি করার ব্যাপারে কোন প্রকার সত্যতা পাওয়া যায়নি। উপরন্তু অভিযোগকারীর থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে থাকলে একপর্যায়ে চৌকস তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত সম্পন্ন করেন।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় সভাপতির উদ্যোগে নোয়াখালীতে ত্রাণ বিতরণ
মোঃ আতিকুজ্জামান
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও দেশনায়ক তারেক রহমানের নির্দেশে আর্ত মানবতার সেবায় বানভাসি মানুষের জন্য নোয়াখালী এলাকায় ত্রান বিতরণ করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডাঃ মোঃ আবু বকর সিদ্দিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলার শহর বিএনপির সভাপতি জনাব আবু নাছের সাহেব,নোয়াখালী সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য আবু ছালেহ আব্দুল্লাহ, মোঃ নুরুল আমিন খান-সাধারণ সম্পাদক নোয়াখালী জেলা যুবদল,মোঃ মিজানুর রহমান মিজান-সাধারণ সম্পাদক নোয়াখালী জেলা সেচ্ছাসেবক দল,এছাড়া কেন্দ্রীয় তরুণদলের সিনিয়র সহ সভাপতি টি এইচ তোফা,সহ সভাপতি কবির হোসেন জিহাদী,সহ সভাপতি সজল মিয়া,সহ সভাপতি মনির হোসেন,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক একেএম সাইফুল ইসলাম,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজগর জিন্নাহ,সাংগঠনিক সম্পাদক মিজান,সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদ,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান,ত্রাণ বিষয়ক সম্পাদক বিল্লাল মোল্লা, নোয়াখালী জেলা তরুণদলের আহ্বায়ক মোঃ টিটু,সদস্য সচিব মোঃ ইউসুফ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
চুয়াডাঙ্গার সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছেলুন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে দুদক দূর্নীতির তদন্ত শুরু
দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সোলাইমান হক ছেলুন জোয়ার্দ্দারের বিরুদ্ধে দুদক দূর্নীতির তদন্ত শুরু হয়েছে। চুয়াডাঙ্গা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাবেক এমপি সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার টানা তিনবারের সংসদ সদস্য। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার আয় ও সম্পদের পরিমাণ ছিল বেশ কম। সে সময় তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল মাত্র ২২ লাখ ৯০ হাজার ৯৬৬ টাকার। ১৫ বছরে তার সম্পদ বেড়েছে প্রায় ২০ গুণ। বর্তমানে নগদ টাকাসহ চার কোটি ৬০ লাখ ২৮ হাজার ৯৬৬ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মালিক সোলায়মান হক।
তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, বেআইনি কার্যকলাপের মাধ্যমে নিজ নামে চুয়াডাঙ্গা সদরে ৩ তলা বিশিষ্ট বিলাসবহুল ‘জোয়াদ্দার কুটির’ নামীয় বাড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় জমি কেনার অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া দুর্নীতির অর্থে প্রায় ৮০-১০০টি এসি/ননএসি বাসসহ ১৫-২০টি ট্রাক; তার স্ত্রী ও নিজ নামে সঞ্চয়পত্র; ০১টি প্রাডো গাড়িসহ তার দেশে-বিদেশে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক।
খুলনার অতিরিক্ত কমিশনার রকিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে; বিএনপির মিশ্র প্রতিক্রিয়া
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলামকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোয় বিএনপির মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। খুলনার বরখাস্ত হওয়া সদ্য সাবেক মেয়রের চাপে খুলনা মেট্রোতে দায়িত্ব পালন করাই কি কাল হলো বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া ? না কি অন্য কিছু ? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রামপাল ও মোংলা জুড়ে। তৎকালিন বৃহত্তর রামপালে (বর্তমান মোংলা) সোনাইলতলার সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম নেন সরদার রকিবুল ইসলাম। মাধ্যমিকে পেড়িখালী মডেল মাধ্যমিক পাশ করে রামপাল সরকারি কলেজে ভর্তি হন। কৃতিত্বের সাথে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ে। রামপাল কলেজে থাকার সময় তিনি ছাত্রদলে যোগ দেন। এরপরে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের পড়া কালিন শেখ মুজিব হলে থেকে ছাত্রদলের নেতৃত্ব পান।
তৎকালিন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিবর হলের হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন রামপালের আরেক কৃতি সন্তান তালুকদার মাহাবুবুর রহমান। ওই সময় তার কমিটির সাহিত্য-পত্রিকা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন সরদার রকিবুল ইসলাম।
পরে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা পদে যোগ দেন। চাকুরী করা কালিন সময়ে তিনি দুইবার জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
তার সহধর্মিণী তানভীর আক্তার মুক্তি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের আইন বিভাগের ছাত্রী ছিলেন। ওই সময় তিনিও ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন। সরদার রকিবুল ইসলামের আপন সম্মুন্দি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক। অভিযোগ রয়েছে তার নিকট আত্মীয়রা সব বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় তার প্রোমোশন হয়নি। তার জুনিয়ার পুলিশ অফিসারগণ তাকে টপকিয়ে উচ্চ পদে প্রোমোশন পেলেও রকিবুলের ভাগ্যে সেটি জোটেনি। বার বার আটকে থাকে তার প্রোমোশন। সাবেক খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আ. খালেকের চাপে বরং তার বদলী ও প্রোমোশন আটকে দিয়ে খুলনা মেট্রোতে রাখা হয়েছে।
পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে সরকারের পরিবর্তন হওয়ায় অনেকটা বলির পাঠ হলেন ওই কর্মকর্তা ! একরাস অপবাদের বোঝা মাথায় নিয়ে বাধ্যতামূলক অবসরে যেতে হলো তাকে।
তার সম্মুন্দি রামপাল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, আমি বিএনপির রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় আমার ছোট ভগ্নিপতি রকিবুলের প্রোমোশন আটকে গেছে। তাকে জোর করে খুলনাতে রাখা হয়েছে। আমার বোন আইন বিষয়ে ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে পাশ করলেও তার সরকারি চাকুরী হয়নি বিএনপি পরিবারের সদস্য হওয়ার কারণে। এখন রকিবের ও অলৌকিক কারণে অবসরে যেতে হলো। বিগত আওয়ামীলীগ আমলে তার প্রোমোশন তো হলোই না, বোনটির সরকরি চাকুরী হলো না। এই হলো কপাল !
উল্লেখ, গত ইংরেজি ২৭ আগষ্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলে খুলনা মেট্রোপলিটনের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসলাম কে বাধ্যতামূলকভাবে অবসরে পাঠানো হয়।#
পাইকগাছার গড়ইখালীতে জেলে কার্ডের চাল বিতরন
পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় মৎস্যজীবিদের জেলে কার্ডের চাল বিতরন করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়ন পরিষদে ৪১৬জন মৎস্যজীবি কার্ডধারী কে ৩০ কেজি করে সর্বমোট সাড়ে ১২টন চাল দেয়া হয়। ইউপি চেয়ারম্যান জি, এম আব্দুস ছালাম কেরু ও ট্যাগ কর্মকর্তা আকরাম হোসেন এর তত্বাবধানে ওই চাল বিতরন করা হয়। এসময় উপস্হিত ছিলেন, ইউপি সদস্য শরৎ চন্দ্র মন্ডল,আকতার হোসেন গাইন,গাউসুল করিম সরদার,আয়ুব আলী সরদার,রমেশ বর্মন,সংরক্ষিত ইউপি সদস্য শিউলি মনি,নাসিমা বেগম ও সহকারি সচিব তৈয়েবুর রহমান প্রমুখ।
রূপসায় মালিক সমিতির কর্মকর্তা শুন্য হওয়ায় সাধারণ সভা আজ
স্টাফ রিপোর্টার
দেশের সরকার (৫ আগষ্ট) পতন হলে রূপসা-বাগেরহাট বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতির (রেজিঃ নং ৪৩৭) এর সকল কার্মকর্তাদের পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যার কারনে মালিক সমিতি কর্মকর্তা শুন্য হয়ে পড়েছে।
ফলে সাত আগষ্ট হতে বাস মালিকদের সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একটি সমন্বয়ক কমিটির মাধ্যমে গাড়িগুলো সুশৃংখল ভাবে পরিচালনা করে আসছেন।
কিন্তু পলয়নকৃত সেই সব কর্মকর্তদের দোসর যারা কমিটির সংঘে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে সম্পৃক্ত থেকে মালিকদের ব্যবসায়ীক স্বার্থ ক্ষুন করেছে তারা আবারও সমিতিতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।
যার কারনে বর্তমানে গঠনতন্ত্রের নির্দেশনা মোতাবেক এডহক কমিটি গঠন ও নির্বাচন পরিচালনা পরিষদ গঠনের লক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (২৯ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় সমিতির পূর্ব রূপসা কার্যালয়ের বিশেষ সাধারন সভার আহবান করা হয়েছে। এ বিষয়ে সদয় অবগতি ও স্বার্বিক সহযোগিতা গ্রহনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরেও অনুলিপি প্রেরণ করা হয়।
রূপসায় বাস মালিকদের বন্যা দুর্গতদের আর্থিক সহায়তা
স্টাফ রিপোর্টার
রূপসা-বাগেরহাট বাস মিনিবাস মালিকদের পক্ষ থেকে বন্যাদুর্গতদের জন্য নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে। বুধবার (২৮ আগষ্ট) সকাল ১১ টায় পূর্ব রূপসা মালিক সমিতির কার্যালয়ে বৈষম্য বিরোধী খুলনার সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে বন্যাদুর্গতদের এ আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
এ-সময় উপস্থিত ছিলেন, বাস মালিক মো. ইসমাইল হোসেন, মোল্লা সাইফুর রহমান, তায়েফ উদ্দিন দারা, মো. শরিফুল ইসলাম, শুকুর শেখ, বিকাশ মিত্র, তৌহিদ শেখ, মহিউদ্দিন, রেজাউল করিম ছোট, মো. শাহ আলম ভূইয়া, ইয়ারুল ইসলাম রিপন, শিক্ষক দিদারুল ইসলাম, রয়েল আজম, কবির শেখ, রুবেল মীর, মিজানুর রহমান, মো. মফিজুর রহমান সহ অন্যান্য বাস মালিক বৃন্দ।
কালিয়ায় নিখোঁজের ৫ দিনেও খোঁজ মেলেনি স্কুলছাত্র আসুয়াতের
মো. তাহের, নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়ায় নিখোঁজের ৫ দিন পার হলেও আসুয়াত (১৩) নামে এক স্কুলছাত্রের সন্ধান মেলেনি। গত শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধায় কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের বাজেবাবরা এলাকা থেকে নিখোঁজ হয় আসুয়াত। এ ঘটনায় মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) নিখোঁজ আসুয়াতের মা জাহিদা বেগম কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেছেন। আসুয়াত কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের বাজেবাবরা গ্রামের ইপিয়ার শেখের ছেলে এবং শাহাবাগ ইউনাইটেড একাডেমির সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। নিখোঁজের পরিবার ও সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা গেছে, গত ৫ দিন আগে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) সন্ধায় কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের বাজেবাবরা এলাকার নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় আসুয়াত। পরে পরিবারের লোকজন সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) আসুয়াতের মা জাহিদা বেগম কালিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি নং ৯২১। এ বিষয়ে কালিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শামীম উদ্দিন বুধবার (২৮ আগস্ট) সকালে মুঠোফোনে স্কুলছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় জিডির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তাকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
দর্শনার পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক এমপির দু’ভাইসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে দর্শনা থানায় মামলা
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
দর্শনায় আওয়ামী লীগ দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য আলী আজগার টগরের ভাই দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলী মুনছুর বাবু অপর ভাই ফারুক হোসেন ও কেরু এ্যান্ড কোম্পানীর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ ও তার ছেলে সৌমিক হাসান রুপমসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ, ককটেল বিস্ফোরণ ও বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগে দর্শনা থানায় মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার ২৭ আগস্ট রাত সাড়ে ৮টায় দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মসজিদপাড়ার জহির উদ্দীনের ছেলে পৌর বিএনপির নেতা রবিউল ইসলাম রবি বাদী হয়ে দর্শনা থানায় ৬৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত ৮০-৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় দর্শনা পৌর এলাকার পরানপুর মসজিদ পাড়ায় বাদীর বাস ভবনের সামনে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হয়। ওই দিন সন্ধ্যা ৭টায় তার নিজ বাড়ীতে আসামীরা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে এবং বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় বাড়ীতে থাকা নগদ ৭০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর ব্যবহার করা দু’ভরি স্বর্ণের গলার চেইন ও হাতের বালা ছিনিয়ে নিয়ে যায় ও তার স্ত্রীকে মারধর করে। সে সময় তার স্ত্রী জীবন রক্ষার্থে বাড়ী থেকে পালিয়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশী অস্ত্র রামদা, চাপাতি ও দিয়ে তাকে ধাওয়া করে। কিছু দূর পালিয়ে যাওয়া অবস্থায় সে পড়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসীরা তাকে ধরে হত্যার উদ্দেশ্য আলী মুনছুর বাবুর বাসভবনে নিয়ে এসে অমানুষিক ভাবে রাতভর নির্যাতন করে। নির্যাতনের কারণে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এরপর তার জ্ঞান ফেরার পর তিনি দেখতে পান তার ডান পা ভেঙ্গে গেছে। আলী মুনছুর বাবুর বাসভবনে তার পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করতে গেলে পা ভাঙ্গা অবস্থায় তারা তাকে ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর সকালে দর্শনা থানায় পুলিশের কাছে দেয়। পুলিশ তাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে চুয়াডাঙ্গা আদালতে সোপর্দ করে। বাদী জানায়, আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের হয়রানী, নির্যাতন ও জীবন নাশের হুমকি ও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতার কারনে সে এজাহার ও মামলা করতে সাহস পায়নি।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা হলেন, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুস্তম আলী, সেক্রেটারী সাবেক এমপি আলী আজগর টগরের সহদর সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দর্শনা পুরাতন বাজারের আব্দুল ওহাব ওস্তাগারের ছেলে দামুড়হুদা উপজেলা আলী মুনসুর বাবু (৫৭) এবং তার ভাই ফারুক হোসেন (৫০),পৌর সাংগঠনিক সম্পাদক ও দর্শনা ইসলাম বাজারের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মানিচেঞ্জার গোলাম ফারুক আরিফ (৫৫) এমপির বোনের ছেলে আশফাকুর রহমান মুন, শ্যামপুর গ্রামের তনু মল্লিকের ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান ছোট (৫৬), ঈশ্বরচন্দ্রপুরের বেদের আলীর ছেলে মিঠু (৫৫), দর্শনা আজমপুরের নান্নু মিয়ার ছেলে রাসেল (৩৫), একই পাড়ার হারুন অর রশীদের ছেলে অপু (৩৫), দক্ষিণ চাঁদপুরের কুটে মল্লিকের ছেলে ও যুবলীগ নেতা জয়নাল আবেদীন নফর (৪৭), কেরুজ মিলপাড়ার তহির জোয়ার্দ্দারের ছেলে ও কেরুজ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান মাসুদ (৬০),তার পুত্র সৌমিক হাসান রুপম(৩৬), কেরুজ কর্পোরেশন লাইনের সাইদ ড্রাইভার (৪৫), দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের জিয়ার ছেলে মিল্লাত (৩৫), একই পাড়ার আজিবরে ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), কেরুজ ইউনিয়ন লাইনের দাউদ আলী (৩৫), ঈদ্বরচন্দ্রপুরের ইয়াহিয়া আলীর ছেলে ডালিম (৪০), একই পাড়ার হাশেমের ছেলে খাইরুল (৪০), আমিরের ছেলে রাশেদ (৪০), ইসলামপাড়ার মরহুম লুৎফর রহমানের ছেলে লাল্টু (৪২), ইসলাম বাজারের দুলালের ছেলে জুয়েল (৩৮), চটকাতলার কালু কসাইয়ের ছেলে শরীফ (৫০), দর্শনার আজমপুরের আব্দুল জলিল (৫৫), মোবারকপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে রানা (৩০), একই পাড়ার মৃত হানিফের ছেলে আক্তার (৩০), ইমারতের ছেলে আশিক (২৮), মারুফ বিল্লাল জিসান (২৫), মেমনগরের জমিরের ছেলে ইকবাল (৫৫), একই এলাকার মৃত ডাবির ছেলে নোমান (৪২) খেদেরের ছেলে রেজাউল (৩২), মোবারকপাড়ার পিয়াস (২০), রামনগরের মনু সর্দারের ছেলে পিকু (২০), মোবারকপাড়ার আমির হোসেনের ছেলে আব্দুল মান্নান (৫০), একই পাড়ার মরহুম করিমের ছেলে শেখ আসলাম তোতা (৫০), পরানপুরের ইজার ছেলে সানি (২৮), পুরাতন বাজারের স’মিল পাড়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে ও পারকৃষ্ণপুর-মদনা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাকারিয়া আলম (৫৫), রামনগরের আফসার আলীর ছেলে ছলেমান (৫৫) ও শাহ আলী (৩০) দর্শনা সিএ্যান্ডবি পাড়ার আবু তাহেরের ছেলে আব্দুল হাকিম (৫৫),বাসস্ট্যান্ড পাড়ার বদর উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫৫), বাসস্ট্যান্ড মাস্টারপাড়ার টিপু ডাক্তারের ছেলে সাধন (৪৪), ইসলাম বাজারের মরহুম সুন্নত আলীর ছেলে ইদ্রিস আলী (৫৫), দর্শনা বাসস্ট্যান্ড সিএ্যান্ডবি পাড়ার হায়দার আলী (৫৫), বাসস্ট্যান্ড মাস্টারপাড়ার মান্দার ডাক্তারের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৫০), আমতলাপাড়ার হিরন (৫০),আজমপুরের আব্দুল কাদেরের ছেলে আব্দুল জলিল (৪০), কলেজপাড়ার ছোটর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪০), মেমনগরের রমজান আলীর ছেলে ফয়সাল (৪৫), একই এলাকার রমজান আলীর ছেরে ফলেহার (৩৫), কেরুজ হাসপাতালপাড়ার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সুমন (৩০), দক্ষিণ চাঁদপুরের ছেলে তপু (৩৫), কলেজপাড়ার পারভেজ (৩৫), কেরুজ স্কুলপাড়ার শাহ আলম ড্রাইভার (৬০), হঠাৎপাড়ার আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুস সালাম (৩৫), দুধপাতিলা দক্ষিণপাড়ার ইউসুফের ছেলে সুমন (৩০), কেরুজ প্রাইমারী স্কুলপাড়ার আজিজুর রহমানের ছেলে রিপন (৩৫), আজমপুরের মরহুম ফজলুল করিমের ছেলে ফরহাদ হোসেন, (৪০), কেরুজ হাসপাতাল পাড়ার আব্দুর রশিদের ছেলে ফারদিন সোহেল (৪০), মরহুম আপু জোয়ার্দ্দারের ছেলে হবা জোয়ার্দ্দার (৫৫), মরহুম কাউসার আলীর ছেলে মামুন শাহ (৪৩), দক্ষিণ চাঁদপুরের হুজুর আলীর ছেলে মাসুম (৩৫), আজমপুরের মরহুম শহর আলীর ছেলে রবিউল হক সুমন (৫০), শ্যামপুরের জোড়াবটতলার রবজেল মিয়ার ছেলে বিল্লাল হোসেন (৫৫), দর্শনা থানাপাড়ার মরহুম মঞ্জুর ছেলে ফাহিম (২০), কেরুজ প্রাইমারী স্কুলপাড়ার খাদিমুল হকের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (৪২), আনোয়ারপুরের ফৌজোর ছেলে নাসির (৪৫) ও আজিজ ড্রাইভার (৬০), কেরুজ হাসপাতালপাড়ার মরহুম বাদশা মিয়ার ছেলে সান্টু (৫৫), এবং ইসলাম বাজারের মরহুম রওশন কাসাড়ীর ছেলে রহমান (৪৫)।
এ বিষয়ে দর্শনা থানার ইন্সেপেক্টর তদন্ত শফিউল ইসলাম বলেন দর্শনা থানায় একটি এজাহার দাখিল হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হাবিবের জামিনের খবরে তালায় মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল
স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের জামিন পাওয়ার খবরে সাতক্ষীরার তালায় আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) বিকালে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিল করেন যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা। তালা বাজার পুরাতন ফুটবল মাঠ থেকে আনন্দ মিছিল উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে তিনরাস্ত মোড়ে শেষ হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান, সাবেক উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক স ম ইয়াছিন উল্লাহ, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সাইদুর রহমান সাইদ, ফারুক জোর্য়াদ্দার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাফিজুর রহমান প্রমূখ। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মির্জা আতিয়ার রহমান জানান, মঙ্গলবার হাইকোর্ট থেকে হাবিবের জামিন পাওয়ার খবরে যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপির অঙ্গ-সংগঠনের বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করেছে। আমরা খুবই আনন্দিত ও উৎফুল্ল। আমাদের প্রিয় নেতাকে তালার মাটিতে বরণ করার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। উল্লেখ্য,ফরমায়েশি রায়ে ৭০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ৩ বছর ৪ মাস কারাবন্দী বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনা সম্পাদক ও সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
অভয়নগরে বিএনপি’র আভ্যন্তরীন দ্বন্দের অবসান
তামিম আহমেদ মনির।।
যশোরের অভয়নগরে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিএনপি’র আভ্যন্তরীন দ্বন্দের অবসান ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার নওয়াপাড়ায় যশোর জেলা ট্রাক ট্যাংলরী কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যালয়ে জেলা বিএনপি’র প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এ দ্বন্দের অবসান ঘটে।
জানা যায়, গত ৫ই আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর নানা বিষয়ে নিয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দের সাথে দুরত্ব সৃষ্টি হয়। এরই প্রেক্ষিতে উভয়পক্ষের দ্বন্দ নিরসনে জেলা বিএনপি’র সদস্য গোলাম রেজা দুলু ও মনির সিদ্দিকী বাচ্চুকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত কয়েক দিনের তদন্ত শেষে মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা ও পৌর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এসময় দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিচেনায় উভয়পক্ষকে দায়িত্বশীল আচরনের আহবান জানানো হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় সবাইকে ভুমিকা রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়। তাছাড়া যারা আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেও মানুষের ক্ষতি সাধন করেনি এমন ব্যক্তিদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে বলা হয়, এবং একটি কমিটি গঠন করা হয়।
পরে একটি শান্তি মিছিল নওয়াপাড়া বাজারের যশোর-খুলনা মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে ইনস্টিটিউট মাঠে গিয়ে শেষ হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন, নওয়াপাড়া পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনি, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ পারভেজ সাথী, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম আক্তার কুরাইশী পাপ্পু, পৌর বিএনপি’র সাবেক সদস্য রাজু বিশ^াস, শাহ মাহমুদ প্রমুখ।
দলের নিবন্ধন দিতে ইসিকে সাতদিনের আলটিমেটাম নুরের
ঢাকা অফিস
রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দিতে নির্বাচন কমিশনকে সাতদিনের আলটিমেটাম দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। এ সময়ের মধ্যে তাদের আবেদন পুনর্বিবেচনা করে দলের নিবন্ধন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দলটির সভাপতি নুরুল হক নুর।
বুধবার (২৮ আগস্ট) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের কাছে তিনি এ দাবি জানান।
চিঠিতে নুর বলেন, ‘গত বছরের ১১ জুলাই গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) নামীয় রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের কার্যকারিতা এবং অন্যান্য বিষয় সংক্রান্ত তথ্য পুনঃযাচাই করতে উপ-সচিব (আইন) ও রাজনৈতিক দলের তথ্য পুনঃযাচাই কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুছ সালামের নেতৃত্বে ৪ সদস্য বিশিষ্ট গণঅধিকার পরিষদের দলীয় কার্যালয় পরিদর্শন করেন। এরপর ওই কমিটি গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকারিতা সংক্রান্ত এক প্রতিবেদন দাখিল করে।’
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘বর্ণিত রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে নির্বাচনের জন্য আবেদনপত্রের সঙ্গে কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি দাখিল করেছে। গত বছরের ১ জুলাই দলের জরুরি সভায় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আহ্বায়ককে অপসারণ করার ফলে বর্ণিত আহ্বায়ক কমিটি বর্তমানে অস্তিত্বহীন এবং অকার্যকর। বর্ণিত কাগজপত্র ও গঠনতন্ত্র পর্যালোচনায় ওই দলের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়াকে অপসারণ করার প্রক্রিয়াটি নিয়মতান্ত্রিক ও গঠনতান্ত্রিক ছিল। ১০ জুলাই দলের জাতীয় কাউন্সিলে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠনতান্ত্রিক ও কার্যকর মর্মে কমিটির নিকট প্রতীয়মান হয়।’
চিঠিতে নুরুল হক নুর বলেন, ‘গত বছরের ১৬ জুলাই গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) নবনির্বাচিত পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ও সংশোধিত গঠনতন্ত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি নির্বাচন কমিশনে দাখিল করি। উল্লেখ্য যে, সব শর্ত পূরণ সত্ত্বেও গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) কে নিবন্ধন না দেওয়ায় অন্যায্য সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৫ জুলাই নিবন্ধন পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করি।’
এ অবস্থায় আবেদন এই যে, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন এবং ২০২৩ সালের ১০ জুলাই জাতীয় কাউন্সিলসহ এরই মধ্যে জমা দেওয়া প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি বিবেচনা করে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) নামীয় সক্রিয় ও কার্যকর রাজনৈতিক দল হিসেবে গণঅধিকার পরিষদকে (জিওপি) আজ থেকে সাতদিনের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাবি জানানো হয়। এ সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশন কর্তৃক যে কোনো চিঠি গণঅধিকার পরিষদের বর্তমান সভাপতি বরাবরে পাঠাতে অনুরোধ করেন নুরুল হক নুর।
কাজে আসছে না কোটি টাকার সেতু
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গায় মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর প্রায় পৌনে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় সেতু। কিন্তু সেতুর কোনো সুফল ভোগ করতে পারছে না মানুষ। উল্টো তাদের বাঁশের সাঁকো ও নৌকার ওপরই ভরসা রাখতে হচ্ছে। ফলে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে লাখো মানুষকে।
দেখা গেছে, মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর যে সেতু রয়েছে তার কোনো সংযোগ সড়ক নেই। তাই সেতু দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছে না। এজন্য পীরপুর-গঞ্জেরঘাট এলাকার সেতুর পাশেই করা হয়েছে বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকো দিয়ে আবার পারাপারে গুণতে হচ্ছে টাকা। আর হাতিকাটা-তালতলা এলাকার বাসিন্দাদের ভরসা ছোট নৌকা।
মাথাভাঙ্গা নদী চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার হাতিকাটা ও তালতলা গ্রামের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে। এই নদীর দুই পাশে রয়েছে ১০-১৫টি গ্রাম। তবে নদী পারাপারে তাদের নেই কোনো সেতু। দুই পাশের গ্রামের মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সেতু না থাকায় কৃষি পণ্য আনা-নেওয়া করা যাচ্ছে না। নদীতে সেতু নির্মাণের দাবি তুলে এলাকাবাসীসহ আশপাশের গ্রামবাসীরা মানববন্ধনও করেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। ফলে তাদের নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।
অপরদিকে মাথাভাঙ্গা নদীর পীরপুর-গঞ্জেরঘাট অংশে প্রায় পৌনে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয় সেতু। এক বছর আগে নির্মাণকাজ শেষ হয়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতার কারণে সংযোগ সড়ক নির্মাণ হয়নি। এতে এই সেতু দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছে না। ফলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগই রয়ে গেছে।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, স্থানীয়দের দাবির মুখে পীরপুর-গঞ্জেরঘাট সড়কে মাথাভাঙ্গা নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ৯০ মিটার দীর্ঘ এবং ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রশস্ত সেতুটি নির্মাণে বরাদ্দ হয় ৬ কোটি ৬৬ লাখ ৬৮ হাজার ১০ টাকা। চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি গঞ্জেরঘাট প্রান্তে সেতুটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। দরপত্রের চুক্তি অনুযায়ী সেতুটি ২০২২ সালের ১৮ আগস্টের মধ্যে নির্মাণ শেষ করে জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ছিল। তবে এক বছর পরও সেতুটি চালু করা যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা হাতিকাটা গ্রামের বাসিন্দা সুমন হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তালতলা ঘাটে একটির সেতুর অভাব অনুভব করে আসছি। এই ঘাটের ওপর দিয়ে নৌকায় শত শত মানুষ পারাপার হয়। এতে অনেকটা ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
এদিকে পীরপুর গ্রামের সাইদুল ইসলাম বলেন, এই ঘাটে সেতু আছে। কিন্তু সংযোগ সড়ক নেই। নদীতে সেতু থেকেও কোনো উপকার আসছে না। ফলে সেতুর পাশ দিয়ে নৌকায় করে পারাপার করতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ-জোহরা বলেন, তালতলা ঘাটের ওপর প্রায় ৯০ মিটার একটা সেতু নির্মাণের প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। ডিপিপি অনুমোদন বাস্তবায়ন হলে নির্মাণ কাজ শুরু হবে। আর পীরপুর স্থানে যে সেতু নির্মাণ হয়েছে। সেখানে সংযোগ জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় সড়ক হয়নি। খুব দ্রুত সমস্যার সমাধান হবে।
উচ্চ আদালতের রায়ের ৫ বছর পরও ‘বঞ্চিত’ প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা
ঢাকা অফিস
উচ্চ আদালতের রায়ের পর পাঁচ বছরেরও বেশি সময় কেটে গেছে। কিন্তু বাস্তবায়িত হয়নি আদেশ। ফলে নিজেদের ‘বঞ্চিত’ মনে করছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নন-ক্যাডার প্রধান শিক্ষকরা। ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি থেকে তিন মাসের মধ্যে নন-ক্যাডার আইন অনুযায়ী প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের গেজেটেড করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশনা দিলেও এখন পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়নি। প্রধান শিক্ষকরা বলছেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে এসেছে। তারা বৈষম্যের শিকার হলেও বিগত সরকারের সময় কেউ কোনও উদ্যোগ নেয়নি।
৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নন-ক্যাডারদের মধ্য থেকে ২০১৬ সালে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগের সুপারিশ করে সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)। নন-ক্যাডার নিয়োগবিধি ২০১০ (সংশোধিত ২০১৪) অনুযায়ী এই সুপারিশ করা হয়। তবে পিএসসির সুপারিশে নন-ক্যাডার নিয়োগবিধি লঙ্ঘন করা হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে নন-ক্যাডার বিধিমালা না মেনে ১২তম গ্রেডে পদায়ন করা হয়। যদিও দশম গ্রেডে নিয়োগের কথা ছিল।
এই বৈষম্য নিয়ে ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি পিএসসি চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করেন প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকরা। এতেও কোনও প্রতিকার না পেয়ে হাইকোর্টে রিট পিটিশন (পিটিশন নম্বর-৩৭৪৯/২০১৮) দায়ের করেন তারা। দায়ের করা রিট পিটিশনের আলোকে হাইকোর্ট শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পূর্ণাঙ্গ রায় দেন। ওই রায়ে ২০১৪ সালের নন-ক্যাডার নিয়োগবিধি অনুযায়ী ৬০ দিনের মধ্যে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার বা সমমর্যাদার পদে পদায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
তবে সরকার আপিল করলে রায় শিক্ষকদের বিপক্ষে যায়। এরপরও হাল ছাড়েননি শিক্ষকরা। রায়ের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করেন। রিভিশনে রায় আসে শিক্ষকদের পক্ষে। রিভিশনের রায়ে বলা হয়, ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারির আবেদনকারীদের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে নন-ক্যাডার আইন অনুযায়ী বিবেচনা করা হোক। একইসঙ্গে সিভিল রিভিউ পিটিশন নিষ্পত্তি করে দেন আদালত।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা (নন-ক্যাডার) বলছেন, তারা দীর্ঘদিন বঞ্চিত থাকার পর বর্তমান সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এবং শিক্ষা উপদেষ্টার কাছে বৈষম্য নিরসনের জন্য আবেদন করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের রায় তুলে ধরে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্টসহ আবেদন করেছেন সুবিচার পাওয়ার আশায়।
প্রধান শিক্ষকদের পক্ষে রিট পিটিশনকারী নওগাঁ সদরের খাস-নওগাঁ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মেজবাউল হক বলেন, সৃষ্ট এই বৈষম্যটি সরকারি কর্ম কমিশন, মন্ত্রণালয়, অধিদফতর স্বীকার করলেও সমাধানে কেউ এগিয়ে আসে না। বরং একে অন্যের ঘাড়ে দায়িত্ব চাপিয়ে এড়িয়ে যায়। সর্বশেষ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ এ বৈষম্য নিরসনে একটি ডিরেকশন দেন। তবু তা দীর্ঘদিন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে আছে। খুবই দুঃখজনক যে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও আমরা ২০১৪ সালের নন-ক্যাডার নিয়োগবিধি অনুযায়ী শুধু সাংবিধানিক প্রাপ্যতা- দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদ চেয়েছি, এর বেশি কিছু নয়। এটা সুস্পষ্ট যে আমরা যারা কর্মরত তার চেয়ে প্রায় চার গুণ দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড পদ শূন্য রয়েছে।
ভুক্তভোগী আরেক প্রধান শিক্ষক মো. সজিবুল হাসান বলেন, আমাদের সঙ্গে চরম বৈষম্য করা হয়েছে। একই বিসিএসে মেধা তালিকায় আমাদের পরে থেকেও দশম গ্রেড গেজেটেড পদে পদায়ন করা হয়েছে। অথচ আমাদের নন-গেজেটেড ১২ গ্রেডে রাখা হয়েছে। উচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের রায় থাকা সত্ত্বেও বৈষম্য নিরসন করে তা বাস্তবায়নের কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। আমাদের ন্যায্যতা বাস্তবায়ন না হলে প্রয়োজনে অন্য কোনও পদক্ষেপ যেতে প্রস্তুত আমরা।
সুন্দরবনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও থেমে নেই হরিণ শিকার
দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি
ফাঁদসহ নানা কৌশলে সুন্দরবনে প্রতিনিয়ত হরিণ শিকার করে আসছে চোরা শিকারীরা। এমনকি বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও থেমে নেই। এসব হরিণের মাংস আবার বন সংলগ্ন খুলনার দাকোপের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি হচ্ছে। হরিণের পাশাপাশি ওই সব শিকারীর কাছ থেকে বেহাই পাচ্ছে না অন্যান্য বণ্য প্রাণীও।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব ও পশ্চিম সুন্দরবনের কোল ঘেষা উপজেলার সুতারখালী, কালাবগী, নলিয়ান, কালিনগর, কৈলাশগঞ্জ, রামনগর, বানিশান্তা, ঢাংমারী, খেজুরিয়া ও লাউডোব এলাকা রয়েছে। এসব এলাকার চিহ্নিত কয়েকটি হরিণ শিকারী চক্রের সদস্যরা দীর্ঘদিন যাবৎ সুন্দরবনে অবাধে ফাঁদসহ নানা কৌশলে হরিণ শিকার করে আসছে। বনবিভাগের প্রহরিদের চোখ ফাঁকি দিয়ে চুরি করে সুন্দরবনে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে অনেক লম্বা ফাঁদসহ নানা কৌশলে হরিণ শিকার করে। তারপর খুব সহজেই লোকালয়ে নিয়ে আসে ওই চক্রের সদস্যরা। পরে বিভিন্ন এলাকা থেকে অগ্রিম অর্ডার নেয়া লোকজনের নিকট নগদ ও বাকিতে বিক্রি করছে। তবে দূর্নীতিবাজ দুই একজন কর্মকর্তা এসব কাজে সহযোগিতা করে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে। মাঝে মধ্যে বনবিভাগ ও কোস্টগার্ডের কাছে হরিনের মাংস ও চামড়াসহ এসব শিকারী চক্রের দুই একজন সদস্য ধরা পড়ে। কোন কোন সদস্য আবার পালিয়েও যায়। এতে কয়েকটি মামলা খেলেও কখনও থেমে নেই হরিণ শিকার। এমনকি জুন, জুলাই ও আগস্ট এই তিন মাস বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও থেমে নেই। এ ছাড়া স্থানীয় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতা ও জন প্রতিনিধিরা এসকল শিকারী চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে ইচ্ছামত হরিণের মাংসসহ নানা সুযোগ সুবিধা নিয়ে থাকে। ফলে হরিণ শিকার কিছুতেই বন্দো হচ্ছে না বলে এলাকার সচেত মহলের অভিযোগ। এমনিভাবে চোরা শিকারীদের সুন্দরবনে হরিণ নিধন চলতে থাকলে আগামীতে এ চিত্রল মায়াবী হরিণ বিলুপ্ত হতে পারে বলে ওই মহল মনে করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকার একাধিক ব্যক্তি জানান, চিহ্নিত হরিণ শিকারী চক্রের সদস্যরা প্রতি অমাবশ্যা ও পূর্নিমার গোনে বনে ঢুকে ফাঁদসহ নানা কৌশলে হরিণ শিকার করে থাকে। পরে এলাকায় এনে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করে। এবিষয়ে এলাকার কোন লোক মুখ খুললে এলাকার কথিত প্রভাবশালী নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের রোষানলে বিভিন্ন রকমের হয়রানির স্বীকার হতে হয় তাদের। শুধু হরিণ নয় এসব শিকারীর হাত থেকে সজারুসহ বনের অন্যান্য বণ্যপ্রাণীও বেহাই পায় না। ওই চোরা চক্রের সদস্যদের নামে হরিণ শিকারের একাধিক মামলা থাকলেও তারা বহালতবিয়তে এই অপকর্ম চালিয়ে আসছেন বলে জানান।
এবিষয়ে পশ্চিম সুন্দরবনের খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) এ.জেড.এম হাসানুর রহমান বলেন, জুন মাস হতে এ পর্যন্ত ১৩২ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ছাড়া সোর্সের মাধ্যমে খবর নিয়ে চোরা শিকারী চক্রের সদস্যদের বিরুদ্ধে আগাম ব্যবস্থাসহ আমাদের টহল অব্যহত আছে।
আমরা সাঈদীর অপুরণীয় স্বপ্ন পূরণ করতে চাই: মাসুদ সাঈদী
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
ইন্দুরকানীতে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে মতবিনিময়ে কালে প্রয়াত জামায়াত নেতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী পুত্র ও সাবেক ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেন, ‘ধর্ম যার যার, অধিকার সবার। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসাবে রাষ্ট্রের প্রতি আমার যতটুকু অধিকার রয়েছে, একজন হিন্দু ভাই বা বোনের ততটুকুই সমান অধিকার রয়েছে। আমরা এমন নেতৃত্ব চাই যারা দেশকে ভালোবাসে এবং অন্য ধর্মের মানুষদেরকে নিজের ভাই বোন মনে করে আগলে রাখে। যার শিক্ষা আমরা পেয়েছি আমাদের নেতা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কাছ থেকে। তিনি ১০ বছর আপনাদের খাদেম হিসাবে এখানে ছিলেন। আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি তার সময়ে একজন হিন্দু ভাই বা বোন নির্যাতিত হয়েছে বলে কেউ বলতে পারবে না। গত উত্তাল সময়েও পত্তাশীতে জামায়াত বিএনপির নেতাকর্মীরা মন্দির ও হিন্দু ভাইদের বাড়ি পাহারা দিয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইন্দুরকানী উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি ও পত্তাশী ইউনিয়নের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্যোগে রামচন্দ্রপুর রাধাগোবিন্দ সেবাশ্রমে আয়োজিত ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সকল ধর্মের মানুষের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইন্দুরকানী উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী।
এসময় তিনি আরো বলেন, আল্লামা সাঈদীর যে স্বপ্ন জালিমেরা পূরণ করতে দেয় নাই, আমরা সে অপুরণীয় স্বপ্ন আমরা পূরণ করতে চাই। আল্লামা সাঈদী উন্নয়নের যে রোড ম্যাপ তৈরি করে ছিলেন, সে ভাবেই জিয়ানগর (ইন্দুরকানী), পিরোজপুর সদর এবং নাজিরপুরকে সাজাতে চাই। আপনারা আমাদের পাশে থাকবেন। আমরা আল্লাহর নামে শপথ করে বলতে পারি আমাদের দ্বারা অবশ্যই আপনাদের উপকার হবে, ক্ষতি হবে না।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ ইন্দুরকানী উপজেলা শাখার সভাপতি ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবু স্বপন কুমার রায়।
অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ইন্দুরকানী উপজেলা আমীর মাওলানা আলী হোসেন, সাবেক আমীর ও জেলা জামায়াতের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মোঃ হাবিবুর রহমান, ২নং পত্তাশী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার, পত্তাশী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কবির খান, পত্তাশী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ রফিকুল ইসলাম, ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার মোঃ কবির হোসেন, ইন্দুরকানী উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি এডভোকেট ননী গোপাল, রামচন্দ্রপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবু দেবাশিষ রায়, বিশিষ্ট সমাজসেবক মাওলানা আব্দুর রশীদ, পান্নু মাষ্টার, চিকিৎসক মিলন দাস সহ রাজনৈতিক, সামাজিক ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
ইন্দুরকানীতে অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দূর্ণীতির বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ, তদন্ত কমিটি
ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) সংবাদদাতাঃ
ইন্দুরকানীতে অধ্যক্ষের অনিয়ম ও দূর্ণীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে ছাত্র-জনতা। আন্দোলনের মুখে অবশেষে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। জানা যায়, বুধবার উপজেলার টগড়া দারুল ইসলাম কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা দেলোয়ার হোসেনের নারীলোভী, ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগে বিক্ষোভ করেছে সাবেক ও বর্তমান ছাত্র, অভিভাবক এবং এলাকাবাসী। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী বিষয়টি তদন্তের জন্য উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুন নেছা সুমিকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিসিষ্ট কমিটি গঠন করে দেন। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন, অত্র মাদ্রাসার প্রাক্তন উপাধ্যক্ষ মোঃ হারুন অর রশিদ, দাতা সদস্য সোহরাফ হোসেন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আঃ রাজ্জাক হাওলাদার, শিক্ষক আলী আক্কাস প্রমুখ। পরে সহকারি অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ হিল মাহমুদকে মৌখিক ভাবে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেয়া হয়। অধ্যক্ষের কক্ষটি সিলগালা করে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত ২২ আগষ্ট থেকে ওই অধ্যক্ষের পত্যাগের দাবিতে সাবেক ও বর্তমান ছাত্ররা, অভিভাবক এবং এলাকাবাসী মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে আসছে। ওইদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করেছে। এছাড়া তিনি গত ০১ আগষ্ট থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত মাদ্রাসায় অনুপস্থিত রয়েছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিকী জানান, ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক, জনপ্রতিনিধি এবং এলাকাবাসীর মতামত নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করার জন্য ০৫ সদস্য বিসিষ্ট কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট পেলে নিয়মানুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালায় পাঠকবন্ধুর শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ
তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ
‘গাছ লাগান, পরিবেশ বাচাঁন’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে সাতক্ষীরার তালায় আজকের পত্রিকার পাঠকবন্ধু আয়োজনে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করেছেন। বুধবার (২৮ আগস্ট) সকালে দক্ষিণ বারুইহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে একশত গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের মাঝে বিভিন্ন জাতের ফলদ, বনজ ও ঔষুধী গাছের চারা তুলে দেন বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন, সহ-শিক্ষক হাফিজুর রহমান, নাসরিন আক্তার, নাজমা আক্তার, আজকের পত্রিকার তালা প্রতিনিধি সেলিম হায়দার, পাঠকবন্ধুর যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল জোবায় প্রমূখ। এসময় শিক্ষার্থীরা আজকের পত্রিকার পাঠকবন্ধুকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক সোহরাব হোসেন বলেন, সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে হলে আমাদেরকে বেশি বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। গাছের যত্ন নিতে হবে। বাংলাদেশকে সবুজ করে করে গড়ে তুলতে হবে।
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি: বটিয়াঘাটা উপজেলা খাদ্য বান্ধব কমিটির এক সভা গতকাল বুধবার বেলা ৪ টায় স্থানীয় জ্যোতিষ্ক সন্মেলন কক্ষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শরীফ আসিফ রহমান’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক বাদল কুমার বিশ্বাস’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শরীফ রুবেল, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রতাপ ঘোষ, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নবনীতা দত্ত, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা নাদিরা পারভীন, ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা সাবরিনা ইয়াসমিন, ডিলার যথাক্রমে অশোক কুমার ঘোষ, দুলাল বালা, সুজয় কান্তি মন্ডল, এস,এম মামুন, রুহুল মোমেন লিটন, শাহিন মোল্লা, মিজানুর রহমান এলাহী, নুর মোহাম্মদ মোল্লা, শ্যামল কুমার পাল, নুর ইসলাম, অমিত জোয়ার্দার, মফিজুল ইসলাম, মাসুদ শেখ, রমজান সরদার, মোবারক আলী, আব্বাস উদ্দিন, পারভেজ মোল্লা, শফিকুল ইসলাম প্রমূখ। সভায় সুষ্ঠু ভাবে খাদ্য বিতরণ’র জন্য নানান সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বেনাপোলে কলেজ ছাত্রকে গুম, সাবেক ৩ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরের বেনাপোলে রেজোয়ান নামে এক কলেজ ছাত্রকে অপহরণ ও গুমের অভিযোগে তিন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বুধবার (২৮ আগষ্ট) দুপুরে রেজোয়ানের ভাই রিপন হোসেন বাদী হয়ে যশোর চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা দায়ের করেন। বিচারক মামলাটি এজাহার হিসেবে গ্রহণের জন্য বেনাপোল পোর্ট থানার ওসিকে আদেশ দিয়েছেন। মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী আলমগীর সিদ্দিকী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন- বেনাপোল পোর্ট থানার সাবেক ওসি অপূর্ব হাসান, ওসি তদন্ত খন্দকার শামীম আহমেদ ও এস আই নূর আলম। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বেনাপোল মহিষাডাঙ্গা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে রেজোয়ান বাগআঁচড়া কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে ছাত্র ছিলো। ২০১৬ সালের ৪ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে সে বেনাপোল ভূমি অফিসের পাশে রেজাউলের চায়ের দোকানে চা পান করছিলো। এসময় বেনাপোল পোর্ট থানার এসআই নূর আলম ও অপর একজন মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে যায়। এরপর রেজোয়ানের নাম জানতে চায়। সে নাম বললে তোকেই খুঁজছি বলে মোটরসাইকেলে উঠতে বলে। এরপর তাকে নিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন থানায় গেলে ওসি অপূর্ব হাসান তাদের বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেন। অন্যথায় সকলকে গুম করা হবে বলে হুমকি দেয়। পরবর্তীতে ৭ আগস্ট রেজোয়ান নিখোঁজ উল্লেখ করে জিডি করতে গেলে ওসি তদন্ত খন্দকার শামীম আহমেদ লেখা সঠিক হয়নি বলে কাগজ ফেরত দেয়। এরপর নিজের মনমতন একটা জিডি লিখে তা লিপিবদ্ধ করে। ওই ঘটনার পর থেকে অদ্যবধি রেজোয়ানের কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি। রেজোয়ানের পরিবারের ধারণা পুলিশ আটকের পর তাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে। ওইসময় পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় ওই ঘটনায় মামলা করতে পারেনি তার পরিবার। বর্তমানে প্রেক্ষাপট অনুকূলে আসায় ন্যায় বিচার পেতে এ মামলা দায়ের করেছেন রেজোয়ানের ভাই রিপন হোসেন।










































