খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক বলেছেন, দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কোন বিকল্প নেই। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাক বাহিনীকে হটাতে সংগঠনকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখতেন। প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাও বঙ্গবন্ধুর পথ ধরে স্বৈরাচার হটাতে বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠন সাজিয়ে রেখেছেন। তাঁর সেই সাজানো সংগঠনকে পুনরায় সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন করে সাজিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্রকারীদের মূলোৎপাটন করতে হবে।
গতকাল সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের নির্বাহী পরিষদের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানার পরিচালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবির, মুক্তিযোদ্ধা শেখ শহিদুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, মুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, শেখ মো. ফারুক আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, শেখ মো. আনোয়ার হোসেন, মো. শাহাজাদা, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, কাউন্সিলর জেড এ মাহমুদ ডন, কাউন্সিলর আমিনুল ইসলাম মুন্না, শামছুজ্জামান মিয়া স্বপন, মুক্তিযোদ্ধা মাকসুদ আলম খাজা, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, শেখ মো. জাহাঙ্গীর আলম, শেখ ইউনুছ আলী, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, শেখ নুর মোহাম্মদ, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, শেখ মোশাররফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা স. ম রেজওয়ান, আজগর আলী মিন্টু, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, এ কে এমসানাউল্লাহগ নান্নু, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ^াস, শেখ আবিদ হোসেন, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম বাশার, তসলিম আহমে আশা, মো. শহীদুল ইসলাম বন্দ, মুক্তিযোদ্ধা শেখ মোশাররফ হোসেন, কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মুন্সি আব্দুল ওয়াদুদ, মনিরুজ্জামান খান খোকন, এস এম আকিল উদ্দিন।
সভায় ২ ও ১২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।
২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনের বর্ণাঢ্য কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ১৪ জুন বাদ মাগরিব সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা নিয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভার সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ঈদের পরে সম্মেলনের প্রস্তুতি গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়।











































