ঝিনাইদহ (মাল্টিমিডিয়া) প্রতিনিধি।।
ঝিনাইদহে পরকীয়ার সন্দেহে সুচিত্রা বিশ্বাস নামে এক গৃহবধূর মাথার চুল কেটে শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ঝিনাইদহ সদর থানায় মামলা করেছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদ-উজ-জামান মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে সদর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের করাতিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালীগঞ্জ ভূমি অফিসে কর্মরত আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে সুচিত্রা বিশ্বাসের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করতেন একই গ্রামের আন্নী খাতুন।
এ নিয়ে ক্ষোভের জেরে ঘটনার দিন বিকেলে আন্নী খাতুন তার দুই মেয়ে ওনি ও কোনি, ছেলে শুভ এবং অন্যদের নিয়ে সুচিত্রার বাড়িতে যান। সেখানে তাকে মারধর করার পাশাপাশি জোর করে মাথার চুল কেটে দেওয়া হয় এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া মাখিয়ে নির্যাতন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে সুচিত্রার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে চলে যান। পরে ওই রাতেই সুচিত্রা বিশ্বাস বাদী হয়ে সদর থানায় মামলা করেন।
মামলায় আন্নী খাতুন ওরফে টনি খাতুন, তার দুই মেয়ে ওনি ও কোনি, ছেলে শুভ এবং প্রতিবেশী আব্দুর রশিদকে আসামি করা হয়েছে।
এদিকে চুল কেটে নির্যাতনের বিষয়টি জানাজানির পর অভিযুক্তরা এলাকা ছেড়ে লাপাত্তা হয়েছেন বলে স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। পরে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সফল হওয়া যায়নি। এতে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মো. আসাদ-উজ-জামান বলেন, এই ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে একটি নিয়মিত মামলা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্তপূর্বক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।










































