খান আরিফুজ্জামান(নয়ন), ডুমুরিয়া প্রতিনিধি।।
জামায়াত কেন্দ্রীয় ভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বর্তমান সরকারের অধিনে কোন নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবে না। যে কারণে সারা বাংলাদেশের ন্যায় ডুমুরিয়া উপজেলায় ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আত্ম প্রকাশ করে আবার নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন মাওঃ সিরাজুল ইসলাম। জামায়াত নেতারা আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বচন নিয়ে কোন প্রকার কর্মকান্ডে নিজেদের কোন প্রকার সম্পৃক্ত করা থেকে ঈদের আগেই বিরত রেখেছেন।
কিন্তু এক সময়ের জামায়াতের প্রভাবশালী নেতা বর্তমানে সর্বদলীয় কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত এক মুফতির আপন ভাইজি ভাইস চেয়ারম্যান পদে এবং ওই মুফতীর ভাইয়ের শ্যালক চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করায় ডুমুরিয়ার জামায়াত নেতারা বেকায়দায় পড়েছেন। ওই নেতা ইতিমধ্যে বিভিন্ন মসজিদ এবং মাদ্রাসার কর্মকর্তাদের সাথে গোপনে বৈঠক করছেন। কোন কোন প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকার উপঢৌকন দিচ্ছেন। কিছু দিন আগে ওই নেতার মা মারা গেলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় এক নেতা জানাজার আগে বক্তৃতায় ওই নেতাকে তার খুব কাছের মানুষ হিসেবে উপস্থিত সকলকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে বক্তৃতা করেন। এসবকে পুজিঁ করে ডুমুরিয়ার মানুষকে বোকা বানিয়ে ভোট ভাগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। আর কেন্দ্রীয় নেতার কাছের মানুষ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করায় জামায়াত নেতা ও কর্মীরা কিছুটা তার ওপর দুর্বল হয়ে পড়ছেন।
এদিকে ওই মুফতির ভাইয়ের শ্যালকও উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন। একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায় ওই মুফতির মাধ্যমে তার ছোট ভাই মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের দলে ভাগানোর চেষ্টা করছেন। তবে অনেক জামায়াত নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অমান্যকারী চক্রান্তকারীদের চিহিৃত করে দলের কাছে নাম পাঠানো হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দল খুব শিঘ্রই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিবে।
সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেবার অঙ্গীকার আজগর বিশ^াস তারার: ডুমুরিয়া উপজেলায় গণসংযোগকালে মোঃ আজগর বিশ^াস তারা বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিটি গ্রাম হবে শহর। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় শহরতলী হওয়ার পরও ডুমুরিয়া উপজেলাবাসী নানান দিক দিয়ে বঞ্চিত। মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের জোয়ার আমিই ডুমুরিয়াবাসীর দ্বোরগড়ায় পৌঁছে দেবো। আমাকে নির্বাচিত করলে ডুমুরিয়ার প্রতিটি গ্রামে শহরের সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেবো ইনশাআল্লাহ্। তাই সাবেকদের কথায় আবেগে না পড়ে বিবেক কাজে লাগিয়ে খুলনার শষ্যভান্ডার খ্যাত ডুমুরিয়ার কৃষকদের উৎপাদিত খাদ্য-শষ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, সুলভমূল্যে সার-বীজ সহজপ্রাপ্তি এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন বুঝে নিতে মোটরসাইকেল মার্কায় ভোট দিন।’ মঙ্গলবার (১৪ মে) ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুর ইউনিয়নে পথসভা ও উঠান বৈঠকে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আজগর বিশ^াস তারা এসব কথা বলেন।
সোমবার প্রতীক পাওয়ার পর থেকে মঙ্গলবার রাত অবধি তার মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে ডুমুরিয়া উপজেলাবাসীর দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন তিনি। খুলনা জেলা আ’লীগের প্রভাবশালী সদস্য আজগর বিশ^াস তারা দীর্ঘদিন ডুমুরিয়া উপজেলাবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। সে কারণে তার পথসভা, উঠান বৈঠক ও ছোট্ট ছোট্ট লিফলেট বিতরণের পথযাত্রাগুলোতে স্থানীয়দের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহন বিশাল জনসমুদ্রে রূপ নিচ্ছে।
নিজস্ব অর্থায়নে কচুড়িপনা অপসারণকৃত রংপুর ইউনিয়নের কাটাখালী খাল পরিদর্শন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আজগর বিশ^াস তারা। মোটরসাইকেল প্রতীকে গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন রংপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা বাবু সৌমিত্র বিশ্বাসসহ আ’লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন। ডুমুরিয়ার ধামালিয়া ৮নং ওয়ার্ডে সকালে এবং বিকেল ৩টা থেকে রাত অবধি রংপুর, সারাতলা, কাটেংগা, চেচুরী বাজার, মান্দরা, ময়নাপুর, দোহাকুলা, বরুনা বাজার গণসংযোগ ও পথসভার পর জনসাধারনের সাথে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আজগর বিশ^াস তারা।।








































