স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা নগরীর খানজাহান আলী থানার মশিয়ালী আটরা শিল্প এলাকায় প্রতিপক্ষের গুলিতে ২ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আরো ৬জন। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন আটরা গিলাতলা এলাকার আব্দুল বারিকের ছেলে নজরুল ইসলাম (৫৫) ও মো. ইউনুসের ছেলে গোলাম রসুল (২৬)। এছাড়া গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সাইফুল, আফসার শেখ, শামীম, রবি, খলিল ও মশিয়ার। সাইফুলের অবস্থা আশংকাজনক। খানজাহান আলী থানার এসআই শওকাত আলী এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানায়, বৃহস্পতিবার খানজাহান আলী থানা পুলিশ অস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। যিনি জাকারিয়া গ্রুপের সদস্য বলে জানা যায়। তাদের ধারণা প্রতিপক্ষের লোকজন পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছে। যার সূত্র ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হলেও গুরুতর আহত অবস্থায় নজরুল ও রসুলকে ফুলতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত. ঘোষণা করেন। এছাড়া আহতদের উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় নাম উঠে আসা জাকারিয়া খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক এবং জাফরিন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি বলে জানা যায়।

তবে কেউ কেউ বলছেন, মশিয়ালীতে জাফরিন, জাকারিয়া ও মিল্টন তিন ভাইয়ের একটি বাহিনী রয়েছে। তাদের সঙ্গে এলাকার ফকির গংদের দীর্ঘদিনের শত্রুতা রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ফকির গংদের সঙ্গে মিল্টনের নারী সংক্রান্ত একটি ব্যাপার নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। পরে ফকির গংরা ওই তিন ভাইয়ের বাড়িতে হামলা চালাতে যায়। এ সময়ে তারা তিন ভাই জাকারিয়ার নেতৃত্বে গণহারে গুলি চালায়। পরে এলাকার ৩/৪টি মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে লোক জড় করে জাকারিয়াদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় তার প্রতিপক্ষরা।

খানজাহান আলী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের পর ফুলতলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইজন মারা যায়। অন্যদের খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নেওয়া হয়েছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে।











































