স্টাফ রিপোর্টার
নগরীর সাউথ সেন্ট্রাল রোডস্থ কয়লাঘাট পার্ক লেন এলাকায় জমিজমা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘরে প্রবেশ করে বৃদ্ধা শহর বানু (৬৮) কে মারপিট এবং
আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহর বানুর মৃত্যুর ঘটনায় মামলার ৪আসামি আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে।
গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিতে তারা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পণ করে। আদালতের বিচারক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলাম তাদের জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ প্রদান করেছেন। আসামিরা হলেন সাউথ সেন্ট্রাল রোডের মৃত. বজলুর রহমানের ছেলে মো. মিজান (৪২), মো. মিঠু (৩৮), আরিফুর রহমান মন্টি (২৮) ও নাজিউর রহমান নয়ন (২৬)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, জমাজমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে গত ৯মে বিকাল সাড়ে তিনটার দিকে শহর বানুর বাড়িতে হামলা চালানো হয়। এসময়ে পুরুষরা কেউ বাড়িতে না থাকায় সন্ত্রাসীরা লাঠিসোটা, লোহার রড, দা ইত্যাদি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে বৃদ্ধা শহর বানুর উপর হামলা চালায়। তাকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়। সন্ত্রাসীরা শহর বানুকে মারধরসহ টেনে হেঁচড়ে ঘর থেকে বের করার চেষ্টা করে। এ সময়ে সন্ত্রাসীরা তার চুল ধরে দেওয়ালের সাথে মাথায় আঘাত করে। এতে তার মাথার ভেতরে রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত শহর বানুকে প্রথমে নার্গিস মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১১মে সকাল ১০টার দিকে আবু নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহর বানুর মৃত্যু হয়। প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে বৃদ্ধার উপর নির্যাতনের আলামত পায় পুলিশ। এ ঘটনার পরের দিন আহত শহরবানুর ছেলে মাহবুবুর রহমান টুটুল বাদী হয়ে খুলনা থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং- ৫। মামলায় মো. মিজান, মো. মিঠু, আরিফুর রহমান মন্টি ও নাজিউর রহমান নয়নকে আসামি করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খুলনা থানার এস আই মল্লিক মনিরুজ্জামান ওই মামলায় পেনাল কোড ৩০২/৩৪ ধারা সংযোজনের জন্য ১২মে মহানগর হাকিম আদালতে আবেদন করেন। আদালত আবেদনটি গ্রহণ করে পরবর্তীতে সংযোজনের অন্তর্ভুক্তির নির্দেশ দেয়।











































