Home আঞ্চলিক ডা. রকিব হত্যা মামলার আসামি কুদ্দুস গ্রেফতার

ডা. রকিব হত্যা মামলার আসামি কুদ্দুস গ্রেফতার

13

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর গল্লামারীর রাইসা কিনিকের পরিচালক ও বাগেরহাট ম্যাটসের অধ্য ডা. আব্দুর রকিব খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে  গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে রূপসা উপজেলার পালেরহাট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে মামলার ৬আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।

খুলনা থানার অফিসার আসলাম বাহার বুলবুল জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রূপসা উপজেলার পালেরহাট থেকে ডা. আব্দুর রকিব খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি আব্দুল কুদ্দুসকে গ্রেফতার করা হয়। এ নিয়ে মোট ৬জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এর আগে, ১৭ জুন রাতে বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে মামলায় এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি জমির, আবুল আলী, গোলাম মোস্তফা, খাদিজাকে গাজীপুরের টঙ্গী ও খুলনার রূপসা থেকে গ্রেফতার করা হয়। ১৬ জুন রাতে আবদুর রহিম নামে একজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার প্রধান আসামি জমির শেখ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। অপর দুই আসামি আবু আলী ও গোলাম মোস্তফাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর তাদের থানা হাজতে নেওয়া হয়। এর আগে, বৃহস্পতিবার আদালত আসামি আ. রহিমের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তিনি এখন খুলনা থানায় পুলিশ রিমান্ডে রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরীর মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ১৪জুন সিজারের জন্য রাইসা কিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে ১৫জুন সকালে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগীর রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে ১৫জুন রাতে শিউলী বেগম মারা যান। ১৫ জুন রাত সাড়ে ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে রোগীর আত্মীয়-স্বজনরা কিনিকে এসে ডা. রকিবকে লাথি ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথার পিছনে জখম হয়। তাকে প্রথমে গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শেখ আবু নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডা. রকিবের মৃত্যু হয়। এঘটনায় নিহত ডা. রকিব খান এর ছোট ভাই খুলনা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে জমির, কুদ্দুস, আবুল আলী শেখ ও রহিমসহ অজ্ঞাতনামা ৮/১০জনের বিরুদ্ধে খুলনা থানায় মামলা দায়ের করেন যার নং-৬।