খুমেকে করোনার উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (খুমেক) করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় করোনার উপসর্গ নিয়ে কাজী মাহবুবুর রহমান (৬০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় তিনি মারা যান। মাহবুবুর রহমান নগরীর সোনাডাঙ্গা থানার সবুজবাগ এলাকার বাসিন্দা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ও করোনা ওয়ার্ডের মুখপাত্র ডা. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, ৭ জুন বিকেলে কাজী মাহবুবুর রহমান শ্বাসকষ্ট নিয়ে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা সাসপেক্টেড আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দুপুর ১২টায় তার মৃত্যু হয়। তিনি নিউমোনিয়ায় ভুগছিলেন। মৃত. কাজী মাহবুবুর রহমান করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কি-না তা জানার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
খুমেকে ৩১জনের করোনা পজিটিভ
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিকেল কলেজের পিসিআর মেশিনে ৩১জনের করোনা পজিটিভ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার পিসিআর মেশিনে ১৮৯টি নমুনা টেস্ট হয়েছে। খুলনার নমুনা ছিলো ১৪৭টি, বাকিগুলো অন্য জেলার নমুনা।
খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্য ডা. মেহেদী নেওয়াজ বলেন, খুমেকের পিসিআর ল্যাবে গতকাল ১৮৯টি নমুনার পরীা করা হয়েছে। এতে ৩১জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে খুলনার ১৪৭টি নমুনা পরীা করা হয়। এগুলোর মধ্যে খুলনার ২৫টি, মাগুরার ২টি, বাগেরহাটের ৩টি ও পিরোজপুরের ১টি রোগীর নমুনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশিদা সুলতানা বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী খুলনা বিভাগের ১০জেলায় এ পর্যন্ত মোট করোনা রোগী পাওয়া গিয়েছে ৯১৭ জন। সুস্থ হয়েছে ৩৪৯ ও বিভাগে এ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন ১৪জন। এছাড়া এ নিয়ে খুলনা জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪২ জনে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের।
কলারোয়ায় র্যাবের অভিযানে এককেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
সাতীরা জেলার কলারোয়া থানাধীন কাকডাঙ্গা গ্রামে অভিযান চালিয়ে এককেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যাবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৬। সোমবার রাত সোয়া ৮টার দিকে গোপন সংবাদের মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার মাদক ব্যাবসায়ী হলেন সাতীরা জেলার কলারোয়া থানাধীন কাকডাঙ্গা গ্রামের মো. আব্দুল খালেকের ছেলে মো. ফারুক হোসেন (৩২)।
র্যাব-৬ জানায়, ৮জুন রাত সোয়া ৮টার দিকে সাতীরা জেলার কলারোয়া থানাধীন কাকডাঙ্গা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে র্যাবের একটি আভিযানিক দল। এসময় ওই গ্রামের আবু তাহের এর বাড়ি হতে এককেজি গাঁজাসহ ফারুক হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে কলারোয়া থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
করেনা আক্রান্ত পরিবারকে সহায়তা দিল দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরাম
স্টাফ রিপোর্টার
দিঘলিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে করোনা আক্রান্ত ৯টি পরিবারের মধ্যে সোমবার খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে।
খাদ্রসামগ্রী বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মো. আল আমিন, কোষাধক্ষ শেখ ফয়সাল আল হাসান, সদস্য আ. রহিম হাওলাদার, মো. শাকিল মোড়ল প্রমুখ।
করোনা আক্রান্ত রোগিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্যসামগ্রী বিতরনকালে দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মো. আল আমিন বলেন, সামাজিক দুরাত্ব বজায় রাখা এখন আমাদের প্রধান কাজ। তিনি আরও বলেন, দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরাম সব সময় সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
কাল থেকে দিঘলিয়ার সেনহাটি লকডাউন
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার দিঘলিয়ার উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়নকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী কাল বৃহস্পতিবার সেখানে লকডাউন কার্যকর হবে।
খুলনা জেলা করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে গঠিত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে সার্কিট হাউজে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. মাহবুবুল আলম বলেন, সেনহাটিতে এ পর্যন্ত ২১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে মারা গেছেন একজন, সুস্থ্য হয়েছেন একজন ও বাকি ১৯ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
খুলনা বিএনপির সভাপতি মঞ্জুর স্ত্রী করোনায় আক্রান্ত
স্টাফ রিপোর্টার
বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিহা খাতুনের করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। খুলনা মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম বলেন, মঙ্গলবার (৯ জুন) দুপুরে নিশ্চিত হওয়া গেছে মঞ্জুর স্ত্রী সাবিহার করোনা পজেটিভ ধরা পরেছে। তিনি নিজ বাসাতেই চিকিৎসকের পরামর্শে আইসোলেশনে আছেন। স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী মঞ্জু, ছেলে ও মেয়ে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টিনে থাকবেন। এদিকে মঞ্জুর স্ত্রীর করোনা পজেটিভ ধরা পরায় মহানগর মিয়াপাড়া মোডস্থ বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো ইসমাইল হোসেন বলেন, দুপুরে বিএনপি নেতা সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জুর মহানগরের মিয়াপাড়ার তিনতলা বাড়িটি লকডাউন করা হয়েছে।
কাল থেকে জরুরি সেবা বাদে খুলনার সব দোকানপাট বন্ধ
স্টাফ রিপোর্টার
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় খুলনায় ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানসহ জরুরি সেবা বাদে সব ধরনের দোকানপাট ১৪ দিনের জন্য বন্ধ থাকবে। এমনকি নগরের ফুটপাতে কোনো হকার অবস্থান করবেন না। ইজিবাইকসহ অন্যান্য যান চলাচল সীমিত করা হবে। মানুষের ভিড়, মাস্ক ছাড়া চলাচল বরদাশত করা হবে না। মাস্ক ব্যবহারের নামে নাক-মুখ উন্মুক্ত থাকলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুলনা জেলা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে গঠিত কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ হেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (০৯ জুন) দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সভায় উপিস্থত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক, বিভাগীয় কমিশনার ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার ও খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা। এছাড়া সভায় ঢাকা থেকে অনলাইনে যুক্ত হন খুলনা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রাপ্ত ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন। সভায় আরও যেসব সিদ্ধান্ত নেওয়া তা হলো, অধিক সংখ্যক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের লক্ষে খুলনা মেডিকেল কলেজে আরও একটি পিসিআর মেশিন স্থাপন করা হবে। বর্তমানে ওই ল্যাবে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষা করা যায় যা যথেষ্ট নয়। এছাড়া সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজেও একটি করোনা ভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খুলনায় ক্রমাগতভাবে কোভিড-১৯ রোগী বাড়তে থাকলে তাদের চিকিৎসায় খুলনা সদর হাপাতালের চতুর্থ তলায় ৪২টি বেড প্রস্তত করে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হবে। কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত রোগীর শ্বাসকষ্ট লাঘবে ডায়াবেটিক হাসপাতালে দু’টি অক্সিজেন হাই ফো নজেল ক্যানেল ক্রয়েরও সিদ্ধান্ত হয়। কোভিড-১৯ রোগীদের কিডনি ডায়ালাইসিসের প্রয়োজন পড়লে শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের পাঁচটি ডায়ালাইসিস বেড ব্যবহার করা হবে। খুলনার সব বেসরকারি হাসপাতাল ও কিনিক থেকে অক্সিজেন সিলিন্ডারগুলো সংগ্রহ করে খুলনা কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হবে। করোনা ভাইরাস নমুনা সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসন থেকে আরও একটি গাড়ি সিভিল সার্জনকে দেওয়া হবে। নগরীর রয়্যাল মোড়ে অবস্থিত দূরপাল্লার গাড়িগুলোর কাউন্টার থেকে যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ থাকবে।
১১ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ আদালতের সংখ্যা ও কার্যক্রম বাড়ানো হবে। সন্ধ্যার পর চলাচল বন্ধ থাকবে। ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান এবং জরুরি সেবা বাদে সব দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
সভায় জানানো হয়, এ মুহূর্তে খুলনায় ২১৭ জন করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৪২ জনই খুলনা নগরীতে।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সরদার রকিবুল ইসালম, পুলিশ সুপার (এসপি) এস এম শফিউল্লাহ, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মুন্সী মো. রেজা সেকেন্দার, খুলনা মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মেহেদী নেওয়াজ, খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপ-প্রধান তথ্য অফিসার ম. জাভেদ ইকবাল, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জিয়াউর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল আলিম, জেলা শিক্ষা অফিসার খোন্দকার রুহুল আমিন, খুলনা প্রেসকাবে সভাপতি এস এম নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিরা।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার থেকে দুই সপ্তাহের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ও ফার্মেসি ব্যতীত খুলনার সব মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে। এছাড়া দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি গ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় ওই এলাকাও বৃহস্পতিবার থেকে লকডাউন করা হবে।
যেভাবে ভেস্তে যাচ্ছে ভেনামি চিংড়ি চাষের পদক্ষেপ
স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশে উৎপাদিত চিংড়ির চাহিদা বিশ্ববাজারে ব্যাপকভাবে কমে গেলেও এ খাতের উন্নয়নে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। উন্নত জাতের চিংড়ি চাষের জন্য একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। প্রতিবছর এ খাতের রপ্তানি আয় কমছে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে উৎপাদন বন্ধ করে দিচ্ছেন চাষিরা। এছাড়া ভাইরাস সংক্রমণ ও ঋণগ্রস্ত হওয়ার ফলে এরইমধ্যে ৮৫ শতাংশ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে এ শিল্প নতুন করে আর কেউ বিনিয়োগ করার সাহসও পাচ্ছেন না।
কম খরচে বেশি লাভ এবং টেকসই জাতের ‘ভেনামি’ চিংড়ি চাষের দাবি ছিলো রপ্তানিকারক ও চিংড়ি চাষীদের। কারণ এ চিংড়িই এখন বিশ্ববাজারের ৭৭ শতাংশ দখলে নিয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে ২০১৯ সালে বিশ্বখ্যাত ‘ভেনামি’ নামের সাদা চিংড়ি চাষের পদক্ষেপ নেয় মৎস্য অধিদপ্তর। এর সম্ভাব্যতা যাচাই করে বাগদা চিংড়ির পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে এ জাতের চিংড়ি চাষে একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে প্রকল্প না চালিয়ে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারকদের হাতে তা ছেড়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের খুলনার পাইকগাছা নোনা পানি গবেষণা কেন্দ্রের তিনটি পুকুর ব্যবহারের জন্য তাদের দেওয়া হয়। সামনে ঝুলিয়ে রাখা হয় প্রতিটি ধাপে অনুমতি নেওয়ার শর্ত।
মৎস্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের আগস্টে ভেনামি প্রজাতির চিংড়ি চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই এবং নতুন প্রজাতির ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়ে সে বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির সদস্যরা ভেনামি চিংড়ি চাষের জন্য সমন্বিত উদ্যোগের সুপারিশ করে। এর মধ্যে রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, জৈব নিরাপত্তা, হ্যাচারি ব্যবস্থাপনা, পোনা আমদানি, উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওয়া। পরীক্ষামূলক চাষের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদনে যাওয়ার বিষয়ে কমিটি সুপারিশ করে। কমিটি চিংড়ির রেণু উৎপাদন বাড়ানোর জন্য স্থানীয় কিছু হ্যাচারিকে জীবাণুমুক্ত পোনা আমদানির অনুমতি দেওয়ারও সুপারিশ করে।
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী এশিয়ার অনেক দেশে বিদেশি রোগের আমদানি ঘটবে এমন আশঙ্কায় ভেনামি প্রজাতির চিংড়ি চাষের বিরোধিতা করা হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ হিমায়িত খাদ্য রপ্তানিকারক সমিতি (বিএফএফইএ) ইতিবাচক যুক্তি তুলে ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অনেক দিন থেকেই ভেনামি চিংড়ি উৎপাদনের বিষয়ে সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে।
এদিকে বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন নিজস্ব অর্থায়নে পুকুর কেটে ব্যবহারের উপযোগী করে। দীর্ঘ ৬ মাস ভেনামি চিংড়ির পোনা আনার জন্য মৎস্য অধিদপ্তরে অনুমতির আবেদন করে বসে আছে। অন্যদিকে মাসের পর মাস অতিবাহিত হওয়ার কারণে পুকুর আবার ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পাইলট প্রকল্পে প্রাথমিক পদক্ষেপও ভেস্তে যাচ্ছে। জানা গেছে, ভেনামি চিংড়ি প্রথম ১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচিতি পায়। ১৯৮০ সালের দিকে এই প্রজাতির বাণিজ্যিক চাষ শুরু হয়। এরপর থেকে চীন, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া এবং ভারতের মতো এশিয়ার অনেক দেশে ব্যাপকভিত্তিক চাষ শুরু হয়।
মৎস্যখাত উন্নত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগ করে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কোম্পানি ‘সিমার্ক’। ২০০০ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রামে সামুদ্রিক খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা স্থাপন করে তারা এবং ব্রিটিশ রাজকুমারি অ্যান সেটির উদ্বোধন করেন।
একসময় বাংলাদেশে সামুদ্রিক খাদ্য উৎপাদন এবং রপ্তানিতে শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠে সিমার্ক। ব্ল্যাক টাইগার এবং স্বাদু পানির চিংড়ি রপ্তানিতে সাফল্যের কারণে তারা বিভিন্ন পুরস্কারও জেতে।
বাজারে ভেনামি নামে নতুন প্রজাতির সাদা চিংড়ি আসায়, গত ১০ বছর ধরে ব্ল্যাক টাইগারের চাহিদা কমতে শুরু করে। ২০১২ সালে ব্ল্যাক টাইগার এবং স্বাদু পানির চিংড়ি রপ্তানি করে বাংলাদেশের মোট আয় হয়েছিল ৫৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে ২০১৯ সালে মোট আয় হয় ৩৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এ সময়ের মধ্যে ৮৫ শতাংশ চিংড়ি কারখানা উচ্চ ঋণে জর্জরিত হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে বা উৎপাদন থেমে গেছে।
এদিকে গত ১৫ বছর ধরে ভেনামিই চাষ করছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও চীন। এসব চিংড়ি যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, রাশিয়া, আফ্রিকা, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং মধ্য প্রাচের কয়েকটি দেশে রপ্তানি করছে তারা। বিশ্বজুড়ে ভেনামি চিংড়ির বাৎসরিক বাজার মূল্য ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বহু আলাপ-আলোচনা হলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে এবং যথাযথ নেতৃত্বের অভাবে বাংলাদেশে ভেনামির চাষ শুরু করা যাচ্ছে না।
মৎস্য অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় অফিস সূত্রে জানা যায়, খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৪টি জেলায় ‘সাদা সোনা’ খ্যাত বাগদা চিংড়ির চাষ হয়। এর মধ্যে খুলনায় ৩২ হাজার ৮শ’ ৯৬.০২ হেক্টর জমিতে ২০ হাজার ৪৩০টি ছোট বড় বাগদা চিংড়ি ঘের, সাতক্ষীরায় ৬৬ হাজার ৮৩২ হেক্টর জমিতে ৫৪ হাজার ৯৩২টি ঘের, বাগেরহাটে ৫১ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে ৩৫ হাজার ৬৮২টি ও যশোরের ৭ শ’৫৮ হেক্টর জমিতে ৮৯৩টি ঘের রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের মৎস্য মন্ত্রণালয়ের আন্তরিক চেষ্টায় ভেনামি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশে ক্রমান্বয়ে বিকাশ ঘটবে ভেনামি চিংড়ি চাষের। আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের চিংড়ি শিল্প প্রাণ ফিরে পাবে এবং রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়বে।
বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা যায়, বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের অন্যতম খাত হিমায়িত চিংড়ি শিল্পে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। আশির দশকের লাভজনক এ খাতটি আজ লোকসানি শিল্পে রূপ নিয়েছে। বিশ্ববাজারে কমেছে চিংড়ির চাহিদা। খুলনায় রপ্তানির জন্যে মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ ৫৯টির কারখানার মধ্যে চালু আছে মাত্র ২৩টি কারখানা।
বাগেরহাট জেলার মোংলার চিলা ইউনিয়নের সুন্দরতলা গ্রামের ঘের মালিক বিজন বৈদ্য বলেন, চিংড়িতে ভাইরাসের আক্রমন ঘটায় গত কয়েক বছর হাজার হাজার ঘেরের চিংড়ি মরে গেছে। দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের বৃহত্তম খাত চিংড়িতে মড়ক শুরু হওয়ায় সম্ভাবনাময় এ শিল্পের সাথে জড়িতরা অনেকেই পথে বসে গেছেন। শুনেছি ভেনামি চিংড়ি চাষে খরচ ও দাম কম আর উৎপাদন বেশি হওয়ায় বিশ্বের অনেক দেশ এ চিংড়ি চাষ করছে। কাজেই বিশ্ববাজারে আবারো বাংলাদেশের অবস্থান পোক্ত করতে বাগদার পাশাপাশি ভেনামি চিংড়ি চাষ শুরু করা যেতে পারে। খুলনা বিভাগীয় চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রিপন বলেন, বিশ্বব্যাপী বাগদার স্থান দখল করে নিচ্ছে ভেনামি। বাগদা চিংড়ির উৎপাদন হেক্টরপ্রতি তিন থেকে ছয় হাজার কেজি। অন্য দিকে ভেনামি বা সাদা চিংড়ি উৎপাদিত হয় ১০ থেকে ৩০ হাজার কেজি। চিংড়ির বিশ্ববাণিজ্যে ৭৭ শতাংশ দখল করে আছে ভেনামি। বাংলাদেশে ভেনামি চিড়িংর পাইলট প্রকল্পই আলোর মুখ দেখছে না। পাইকগাছার নোনা পানি গবেষণা কেন্দ্রে ভেনামি চাষের উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা আশাবাদী হয়েছিলাম। আমরা জানি বিশ্ব বাজারে এ চিংড়ির চাহিদা অনেক। কিন্তু কিভাবে এর চাষ করতে হয় এ বিষয়ে আমরা কিছু জানি না। আমাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এ অঞ্চলে ভেনামি চিড়িংর পাইলট প্রকল্প যদি আলোর মুখ দেখতো তাহলে আমরা লাভবান হতে পারতাম। বিগত বছরগুলোতে চিংড়ি চাষীরা ভাইরাসের কারণে লোকসানে পড়েছে। আর বিশ্ববাজারে দর পতনে এ শিল্পই এখন মৃত প্রায়।
তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন ভেনামি চাষ প্রকল্পটি যেন অতি দ্রুত আলোর মুখ দেখে। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি কাজী বেলায়েত হোসেন বাংলানিউজকে বলেন, ভেনামি চিংড়ি চাষের জন্য নিজস্ব টাকায় পুকুরের মাটি কাটা হয়েছে। এর প্রতিটি পদক্ষেপে সরকারের কাছে অনুমতি নিতে হয়। একদিনে অনুমতি দিয়ে দেয়নি যে তোমাদের অনুমতি দিলাম, তোমরা চাষ করো। সরকারের একটি কমিটি আছে। সেই কমিটি দেখে দেখে অনুমতি দেয়। সেই কমিটির সদস্যরা মিটিংয়ের জন্য তিন মাসের আগে এক হতে পারে না। পোনা আনার জন্য ৬ মাস আগে অনুমতি চেয়েছি। এখনও পাইনি। শুনেছি মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। তাদের গবেষক ও গবেষণা রয়েছে, মাছ নিয়ে গবেষণা করেন তারা। আর নতুন একটি প্রজাতিকে উৎপাদন করতে আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে। আসলে তারা দায় এড়াচ্ছে। এটা বিশ্ববাজার দখল করছে। অনেক দেশ এটা চাষ করে হাজার হাজার কোটি টাকা আয় করছে। আর আমরা এখনও শুরুই করতে পারলাম না।
খুলনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ বলেন, ভেনামি নামের সাদা চিংড়ি চাষের পদক্ষেপ নিয়েছিলো সরকার। এর সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য খুলনার পাইকগাছায় নোনা পানি গবেষণা কেন্দ্রেকে তিনটি পুকুর দেওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনকে এ দায়িত্ব দেয় সরকার। দীর্ঘ দিন ধরে তারা ভেনামি চাষের দাবি করছিলো। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাদের অনুমতি দেওয়া হয়েছিলো। মৎস্য অফিস তাদের সহযোগিতার জন্য এগিয়েছিলো কিন্তু ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন না আগানোর জন্য ভেনামি চাষ প্রকল্প সামনের দিকে আর এগোয়নি।
কপিলমুনিতে দু’ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসানো: এসআইয়ের ষড়যন্ত্রের নাটক ফাঁস!
স্টাফ রিপোর্টার, কপিলমুনি
খুলনার কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির দারোগা অভিজিৎ রায়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশে বেসামাল হয়ে পড়েছেন তিনি। দু’ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর ঘটনায় কেঁচো খুঁড়তে বেরিয়ে এসেছে সাপ। ঘটনা সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন এস আই অভিজিৎ। কল্পকাহিনী উপস্থাপন করে জনগনের দৃষ্টি কাড়তে কথিত ময়না তদন্ত প্রকাশ করিয়েছেন। যা নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বেরিয়ে পড়েছে অপু ও দিপু দু’ভাইকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর নেপথ্যের কাহিনী।
জানাগেছে, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মাদকের গডফাদার তালা থানার কানাইদিয়া গ্রামের এক যুবকের চক্রান্তে গ্রেফতার হয় অপু ও দিপু দু’ভাই। তাদের কাছ থেকে পুলিশ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করতে না পারলেও মাদক মামলার আলামত হিসাবে পুলিশের কাছে মাদক সরবরাহ করে গডফাদার ওই যুবক। যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। সূত্র দাবী করছে, দু’ভাইকে ফাঁসাতে পুর্ব পরিকল্পনা ছিল তাদের। এদিকে প্রকৃত ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে এস আই অভিজিৎ রায় সম্প্রতি ময়না তদন্ত প্রকাশ করেন, যা দু’একটি অনলাইনে প্রকাশ করিয়েছেনও তিনি।
কথিত ময়না তদন্তের প্রকাশ মতে জানা যায়, এস আই অভিজিৎ রায় দু’ভাই অপু রায়হান ও দিপু রায়হানকে গত ২৩ মার্চ দুপুর ১২ টার দিকে কপিলমুনি বাজারের জনবহুল মাছবাজার সংলগ্ন রাস্তার উপর থেকে মাদকসহ গ্রেফতার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যান। এ সময় তাদের দু’ভাইয়ের কাছ থেকে তিনি মাদক উদ্ধার করেন। কিন্তু এতো জনসমাগমের মধ্যে গ্রেফতারের সময় কেউই তাকে মাদক উদ্ধার করতে দেখেননি। তবে দু’ভাইকে ধরে দ্রুত ফাঁড়ীতে নিয়ে যেতে দেখেছেন। একাধিক সুত্র এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এরপর মাদক না পেলেও মাদক মামলায় ফাঁসানো হয় তাদের। আর এমন অভিযোগ এনে অসহায় মা হোসনেয়ারা বেগম কপিলমুনি প্রেসকাবে গত পহেলা জুন সংবাদ সম্মেলন করে দু’ছেলের মুক্তি দাবি করেছেন। যা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে সব কিছুই এমনটি দাবী করেন তিনি। তিনি আরো বলেন, কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই অভিজিৎ রায়কে দিয়ে আমার দু’ছেলেকে মিথ্যা মাদক মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। পুত্রদ্বয়ের এই পরিণতি শুনে প্যারালাইসিস স্বামী সাহাজুল শোকে মুহ্যমানহয়ে পড়েছে। সম্প্রতি এ ঘটনা অনুসন্ধানে পর্দার অন্তরালের চক্রান্ত বেরিয়ে পড়েছে।
সুত্র জানায়, এলাকায় মাদকের গডফাদার, নেশাখোর, দালাল ও কুখ্যাত চোরের সাথে দারোগা অভিজিৎ রায়ের রয়েছে গভীর সখ্যতা। স্থানীয় পেশাদার চোরের সাথে ওঠাবসা করে ভীষণ সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এরই ধারাবাহিকতায় কপিলমুনির পার্শ^বর্তী কানাইদিয়া গ্রামের মাদকের ওই গডফাদারের ইন্ধনে অপু ও দিপু দু’ভাইকে গ্রেফতার করেন এসআই অভিজিৎ রায়। এর আগে তিনি অপুকে গ্রেফতার করতে নিজ থানা পাইকগাছা সীমানা কপোতাক্ষ নদী পেরিয়ে পার্শ^বর্তী তালা থানার কানাইদিয়া গ্রামে যান। ওই সময় ইজিবাইক চালিয়ে বাড়ি ফেরার পথে অপুকে গ্রেফতারের চেষ্টা করেন অভিজিৎ। কিন্তু এলাকার মানুষের প্রতিরোধের মুখে ফিরে আসতে বাধ্য হন তিনি। ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে এসআই অভিজিৎ রায় বলেন, তিনি থানার অনুমতি নিয়ে পার্শ^বর্তী থানা এলাকায় অপুকে গ্রেফতার করতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয় সুত্রের দাবি, মাদকের গডফাদার ওই যুবকের সাথে হাত মিলিয়ে প্রথম পর্যায়ে অপুকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন তিনি। তবে দি¦তীয় পর্যায়ে কপিলমুনি বাজারে ঈদের কেনাকাটা করতে আসলে অপুকে আটক করে এস আই অভিজিৎ। এ সময় সাথে থাকা ছোট ভাই দিপুকেও ফাঁড়ীতে নিয়ে যাওয়া হয়। অবাক ব্যাপার যে, দু’ভাইয়ের কাছ থেকে সমপরিমান গাজা, ফেন্সিডিল ও ইয়াবা উদ্ধার দেখিয়ে মাদক মামলা দিয়ে চালান দেন তিনি।
এদিকে অভিজিৎ প্রভাব খাটিয়ে অনলাইনে প্রকাশিত সংবাদে কথিত ময়না তদন্তে তিনি দাবি করেন, দু’ভাই অপু দিপু চিহ্ণিত মাদক ব্যবসায়ী। কিন্তু সে দিন তাদের কাছ থেকে কোন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাব উপস্থিতরা কেউ দিতে পারেননি। চিহ্নিত গডফাদার ওই যুবকের সাথে অভিজিৎ রায়ের সখ্যতার স্বাক্ষী কপিলমুনি বাজারের অনেকে ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেনা। সকলের মুখে একটাই প্রশ্ন মাদক না পেয়েও মাদক মামলায় চালান দেওয়া একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার এ কেমন চরিত্র ?
এই ঘটনাসহ এস আই অভিজিতের নানা অনৈতিক কর্মকান্ডের বিষয়ে এ প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দীনের সাথে। তিনি বলেন, ‘ভূক্তভোগীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত পূর্বক দোষী হলে অভজিতের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
যশোরে এমপি রনজিতসহ নতুন করে ১২ জনের শরীরে করোনা পজিটিভ
কে এম রফিক, যশোর
যশোর-৪(বাঘারপাড়া-অভয়নগর) উপজেলা আসনের সংসদ সদস্য রনজিত কুমার রায় (৬৮) এর শরীরে কোভিড-১৯ নভেল (করোনা ভাইরাস) শনাক্ত হয়েছে। সোমবার রাতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জেনোম সেন্টার থেকে নমুনা পরীক্ষায় তার ফলাফল পজেটিভ আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন।এছাড়া, যশোরে এমপি বাবু রনজিত কুমার রায়সহ আরো ১২ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে যশোরে মোট আক্রান্ত হলো ১শ’ ৫৪ জন। এর মধ্যে যশোরে অভয়নগর উপজেলা এলাকায় (৮০) বছঁরের বয়সের বৃদ্ধ আমির হোসেন গত দু’দিন আগে মারা গেছে। এসময়ের মধ্যে ৯৬ জন সুস্থ্য হয়ে ছাড়পত্র গ্রহন করেছেন।
সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন আরো জানান, সোমবার (৮ জুন) রাত পৌনে ১২টায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টার থেকে তাকে মৌখিকভাবে বলা হয়েছে যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) বাবু রনজিত কুমার রায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে এমপির পরিবারে খবরটি জানিয়ে দেয়া হয়।
সিভিল সার্জন আরো জানান, রাতেই এমপি রনজিত কুমার রায়কে যশোর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলবে। তিনি আরো জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে এমপি রনজিত কুমার রায় জ্বরে ভুগছিলেন। সোমবার ৮ জুন সকালে সংসদ সদস্য বাবু রনজিত কুমারের শরীর থেকে করোনা সন্দেহ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হয়েছিল।
সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে আরো জানানো হয় ৮ জুন সোমবার রাতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টার থেকে ৮৬টি নমুনার ফলাফল প্রেরণ করা হয়। তার মধ্যে ১২ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের অস্তিত্ব মেলে। এর মধ্যে যশোর সদর এলাকা থেকে এমপি বাবু রনজিত কুমার রায়সহ ২জন। বাকী এক জন পুরুষ বয়স (৩৫)। এছাড়া, যশোরের অভয়নগর উপজেলা এলাকায় ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬ জন মহিলা ও ৪জন পুরুষ। মহিলাদের বয়স (৫৯), (৩৪),(২০),(২),(২৫) ও (৪০)। পুরুষদের মধ্যে (৩৮), (৬৫),(৪৫) ও (৭) বয়সের রয়েছেন। সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে আরো জানাগেছে, ৯ জুন মঙ্গলবার ৮৫টি নমুনা সংগ্রহ করে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনোম সেন্টারে পাঠানোর প্রস্তুতি গ্রহন করা হচ্ছে। তাছাড়া,এ যাবত যশোর জেলা থেকে প্রেরণকৃত নমুনা মধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ল্যাবে ৪শ’ ৭১টি নমুনা পেন্ডিং রয়েছে।
সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো ২ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ৫৫ জন
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
সাতক্ষীরায় নতুন করে আরো ২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। খুলনা পিসিআর ল্যাব থেকে পাঠানো এক রিপোর্টে এ তথ্য জানান সাতক্ষীরার স্বাস্থ্য বিভাগ। এ নিয়ে সাতক্ষীরায় এ পর্যন্ত মোট ৫৫ জন করোনা শনাক্ত হয়েছে।
করোনা আক্রান্ত দুই জন হলেন, ঢাকা থেকে করোনা পজেটিভ রিপোর্ট নিয়ে গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামে আতœগোপনে থানা বাহার আলী সরদারের ছেলে ব্যাংক কর্মকর্তা মহিবুল ইসলাম (৩৮) ও আশাশুনি উপজেলা শে^াতকোনা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে মোজাম্মেল (৩৪)। আক্রান্ত দুই ব্যক্তির বাড়িসহ তাদের আশে পাশের কয়েকটি বাড়ি লক ডাউন করা হয়েছে। সেখানে টানানো হয়েছে লাল পতাকা। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জয়ন্ত সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বটিয়াঘাটা উপজেলা সদর খালের অবৈধ জাল, পাটা, নেট উচ্ছেদ
ইন্দ্রজিৎ টিকাদার, বটিয়াঘাটা
বটিয়াঘাটা উপজেলা সদর খালের অবৈধ জাল, পাটা, নেট উচ্ছেদে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট মোঃ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে এক ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় অবৈধ দখলদারদের কাউকে আটক করতে না পারলেও তাদের ব্যবহৃত নেট, পাটা ও জাল মৎস্য আইনের ১৯৫০ সালের ৩ এর (অ) ধারায় জব্দ করেন। আদালত পরিচালনা কালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন, থানার এস,আই মোঃ সেকেন্দার সহ উৎসুক জনতা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান, সরকারী কোন খালে অবৈধ নেট, পাটা ও জাল দিয়ে পানি নিস্কাষনে বাঁধা দিয়ে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে কৃষি ও পরিবেশের ভারসাম্যের উপর প্রভাব বিস্তার করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নৌবাহিনীর এ/২০২০ ব্যাচের ৭৮৯ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ
আইএসপিআর
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ/২০২০ ব্যাচে ৫১ জন মহিলা নাবিকসহ ৭৮৯ জন নবীন নাবিকের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ মঙ্গলবার খুলনাস্থ নৌ ঘাঁটি বানৌজা তিতুমীর প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে খুলনা নেভাল এরিয়া কমান্ডার রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও আকর্ষণীয় মার্চপাস্টের সালাম গ্রহণ করেন। পরে তিনি কৃতি নবীন নাবিকদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করেন।
কোভিড-১৯ মহামারির এ অচলাবস্থার মধ্যেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রণীত স্বাস্থ্যবিধি মেনে নবীন নাবিকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিধিনিষেধ মেনে এ/২০২০ ব্যাচের নবীন নাবিকদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে পরিচালনা করা হয়।
নৌবাহিনীর এ/২০২০ ব্যাচের নবীন নাবিকদের মধ্যে মোঃ রাইহাতুল তৌফিক সেজান, ডিই/ইউসি/ইউটি পেশাগত ও সকল বিষয়ে সেরা চৌকস নাবিক হিসেবে ‘নৌ প্রধান পদক’ লাভ করে। এছাড়া, সাইদুর রহমান সিদ্দিক, ডিই/ইউসি/ইউটি দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ‘কমখুল পদক’, হাসিবুল ইসলাম হাসিব, ডিই/ইউসি/ইউটি তৃতীয় স্থান অধিকার করে ‘তিতুমীর পদক’ এবং মীরা আক্তার, ডিই/এসএ-২/ইউটি মহিলা নাবিকদের মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করে ‘প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার পদক’ লাভ করে। প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার পদক এবারই প্রথম প্রবর্তন করা হয়েছে।
প্রধান অতিথি নবীন নাবিকদের উদ্দেশ্যে তার ভাষণে নৌ ঘাঁটি তিতুমীরে নবীন নাবিক প্রশিক্ষণ বিদ্যালয় থেকে অর্জিত জ্ঞান যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে যোগ্য নাবিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে এই প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও অগ্রগতির পথে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করার নির্দেশনা প্রদান করেন। এছাড়া, পেশা হিসেবে দেশ সেবা ও দেশ গড়ার পবিত্র দায়িত্বকে বেছে নেয়ায় তিনি সকল নবীন নাবিকদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সীমাহীন ত্যাগ ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং নবীন নাবিকদের সেই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দেশ সেবার আহবান জানান। এছাড়াও, তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং তাদের মহান ত্যাগের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অটুট রাখার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সামনে এগিয়ে যাবার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। প্রধান অতিথি সকল নৌ সদস্যকে দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে দেশ সেবায় একযোগে কাজ করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
কোভিড-১৯ ভাইরাসের প্রকোপের কারণে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে খুলনা নৌ অঞ্চলের সীমিত সংখ্যক নৌ কর্মকর্তা, জেসিও‘স, পিও‘স এবং লিডিং ও তদ্নি¤œ পদ বীর নাবিক এবং অসামরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।
কয়রায় ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে খাবার পানি সরবরাহ
শাহজাহান সিরাজ, কয়রা
ঘূর্ণিঝড় আম্পানে উপকূলীয় এলাকা খুলনার কয়রা উপজেলায় ওয়াপদার বেঁড়িবাঁধ ভেঙ্গে লবন পানিতে ভেসে যায় ৪ টি ইউনিয়নের ৩২ টি গ্রাম এবং ক্ষতিগ্রস্থ হয় লক্ষাধিক মানুষ। এ সময় গভীর ও অগভীর প্রায় ১২০০ নলকুপসহ অর্ধ শতাধিক পুকুর লবন পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট দেখা দেয়। তবে স্থানীয় কয়রা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবুর নির্দেশে কয়েক ঘন্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকায় খাবার পানি পৌছে দিতে ব্যপক প্রস্তুতি নেয়। যে কারনে খাবার পানি সংকট অনেকটা কমে আসে এবং দূর্গত এলাকায় ১ লক্ষ ৩০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট স্থানীয় চেয়ারম্যান মেম্বরদের মাধ্যমে পৌছে দেওয়া হয়। এছাড়া ২০ হাজার পানির পট বিভিন্ন আশ্রয় কেন্দ্র এবং দূর্গত এলাকায় পৌছে দেওয়া হয়েছে বলে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছেন। সূত্র জানায় ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানার পরদিন ২১ মে থেকে বিগত ১৭ দিনে ক্ষতিগ্রস্থ ৬ শতাধিক নলকুপ উচু করা এবং আরও ২ শতাধিক নলকুপ পরিক্ষা করা হয়েছে। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার পাল জানান, খুলনা -০৬ এর মাননীয় সংসদ সদস্য ঘূর্ণিঝড় আম্পানের শুরু থেকে কয়রা সদরে অবস্থান করায় আমি তার সাথে সর্বক্ষণ যোগাযোগ করি। তিনি বলেন মাননীয় সংসদ সদস্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করে দ্রুত ৪ টি ভ্রাম্যমান মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট এর ব্যবস্থা করেন এবং ক্ষতিগ্রস্থ এলাকার মানুষ তা থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করছে। তিনি বলেন, ২১ শে মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ৫৯৫ পরিবারে হাইজিং কিট বক্স বিতরণ করেছেন। এছাড়া চলতি বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষনের জন্য ২৩৮ টি ৩ হাজার লিটার ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন পানির ট্যাংকি দূর্গত এলাকায় বিতরণ করা হচ্ছে। এ বিষয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু জানান, ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সেবা দিতে সরকারি সার্বিক সহযোগিতা অব্যহত আছে এবং খাবার পানি পেতে কাউকে কষ্ট পেতে না হয় সে জন্য সকল সুবিধা পেতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে যোগাযোগ করছেন। তিনি আরও জানান, লবণ পানি মুক্ত হলে ক্ষতিগ্রস্থ ৩২ টি গ্রামে গভীর নলকুপ, পুকুর খনন, পানির প্লান্ট নির্মাণ ও বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের জন্য বিপুল পরিমাণ পানির ট্যাংকি দেয়া হবে।
ট্রলার ছাড়াতে দুই লাখ টাকা উৎকোচ দাবী বনরক্ষীদের: লুটপাট ও ১৩ জেলেকে বাঘ-কুমিরের মুখে বনে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
গভীর সমুদ্রে ঝড়ের কবলে পড়ে সুন্দরবনের খালে আশ্রয় নেয়া জেলে ট্রলারে হানা দিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ ও নগদ টাকাসহ প্রায় ৩ লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে বনরক্ষীদের বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, চাহিদার আরও দুই লাখ টাকা না পেয়ে ১৩ জেলেকে বাঘ ও কুমিরের মুখে ছেড়ে দেয়া হয় গভীর বনে। টানা তিনদিন বনের মধ্যে হিং¯্র প্রাণীর মুখোমুখি হয়ে প্রাণ নিয়ে পায়ে হেটে লোকালয়ে ফিরে আসেন এ সকল জেলোরা। মঙ্গলবার দুপুরে মোংলা প্রেস কাবে এক সংবাদ সম্মেলনে বনরক্ষীদের লুটপাট ও মারধরসহ বনের মধ্যকার লোমহর্ষক বর্ণনা করেন ভুক্তভোগী জেলেরা। জেলে ও ট্রলার মালিক মোঃ আব্দুর রশিদ লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ৭ মে বনবিভাগের দুবলা ফরেষ্ট ষ্টেশন থেকে বৈধ পাস পারমিট (অনুমিত) নিয়ে দুইটি ট্রলার যোগে ১৩ জেলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যান। ঘুর্ণিঝড় আম্পানের আগ মুর্হুতে হঠাৎ সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠায় দিক ভুল করে সাগর সংলগ্ন সুন্দরবনের বেহালা কয়লা খালে আশ্রয় নেয় তারা। এদিন সন্ধ্যায় পশ্চিম সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ফরেষ্ট ষ্টেশনের কর্মকর্তা মোঃ আখতারুজ্জামান, বনরক্ষী রাসেল, কাওছার, আমজাদ ও বনবিভাগের বোট চালক আসাদসহ আরও ৩ থেকে ৪ জন বনরক্ষী বনে আশ্রয় নেয়া জেলেদের ট্রলারে উঠে মারধরসহ ১৫ মণ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ, বেশ কয়েকটি জাল, ৬শ লিটার জ্বালানী তেল ও নগদ ৪৫ হাজার নগদ টাকা লুটে নেয় বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন জেলেরা। এছাড়া মারধর ও শারীরিক নির্যাতনসহ রাইফেল দিয়ে ফাঁকা গুলি ছুড়ে জেলেদের ভয় ভীতি দেখানো হয়। কেঁড়ে নেয়া হয় তাদের সঙ্গে থাকা বনবিভাগের বৈধ পাস পারমিটও। আর বনরক্ষীদের চাহিদার আরও ২ লাখ টাকা দিতে না পারায় ট্রলার আটকে রেখে ১৩ জেলেকে গভীর বনে বাঘ-কুমির মুখে বনে মধ্যে ছেড়ে দেয়া হয়। জেলেরা অভিযোগ করেন, তাদের ট্রলার আটকে বনরক্ষীরা এখনও ঘুষের টাকার দাবীতে নানা টালবাহানা করে চলছে। টাকা না দিলে ট্রলার ও এ সকল জেলেদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হবে বলেও বন কর্মকর্তা মো: আখতারুজ্জামান তাদেরকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। বনরক্ষীরা দুইটি ট্রলার, মাছ, জাল ও নগদ ৪৫ হাজার টাকা নেয়াতে মোট প্রায় ১০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন বলে দাবী জেলেদের। এ অবস্থায় আর্থিক ক্ষতিতে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে জানান ক্ষতিগ্রস্থ জেলেরা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকারী জেলে ও ট্রলার মালিক মো: আ: রশিদ মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়ন জেলে সমিতির সাধারণ সম্পাদক। তার এ সমিতিতে সদস্য রয়েছে সাড়ে ৩শ। এ ইউনিয়নে সমিতি ও সমিতির বাহিরের মিলিয়ে মোট জেলের সংখ্যা ১৩শ জন।
এ ঘটনার বিষয়ে জানতে পশ্চিম সুন্দরবনের বুড়িগোয়ালিনী ফরেষ্ট ষ্টেশনের কর্মকর্তা মোঃ আখতারুজ্জামানের মোবাইল ফোনে (০১৭১৯৮৪৮১২৯) একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
সাবেক এমপি মঞ্জুর স্ত্রীর সুস্থতা কামনা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দগন এক যুক্ত বিএনপির নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সহধর্মিনী এ্যাডঃ সাবিহা খাতুন করোনা’য় আক্রান্ত হয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে মঞ্জু’র মিয়াপাড়াস্থ বাসভবন লকডাউন করা হয়েছে। বিবৃতিতে তাঁরা এ্যাডঃ সাবিহা খাতুনের আশু রোগমুক্তির জন্য পরম করুণাময়ের নিকট প্রার্থনা করেন এবং সহসাই নজরুল ইসলাম মঞ্জু কোয়ারেন্টাইন শেষে আবারও খুলনার গণ-মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নেতৃবৃন্দ খুলনাসহ সারাদেশে করোনা’য় আক্রান্ত সকলের রোগমুক্তির জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট প্রার্থনা করেন। বিবৃতি দাতারা হলেন, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, শফিকুল আলম তুহিন, আজিজুল হাসান দুলু, মাসুদ পারভেজ বাবু, কেএম হুমায়ুন কবির, ইকরামুল কবির মিল্টন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, মজিবর রহমান, আজিজা খানম এলিজা, শফিকুল ইসলাম শাহীন, ফারুক হিল্টন, নেহিবুল হাসান নেহিম, আব্দুল আজিজ সুমন, হেলাল আহম্মেদ সুমন, মাজেদা খাতুন, মুনতাসির আল মামুন প্রমূখ।
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ঝুকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ বরাদ্দের দাবি বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির
খবর বিজ্ঞপ্তি
বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ৮ই মার্চ থেকে বর্তমান জুন মাস পর্যন্ত মানননীয় প্রধানমন্ত্রী যে শক্ত হাতে এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য উন্নয়ন কমিটির পক্ষ থেকে আন্তরিক জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, আগামী বাজেটে দক্ষিন-পশ্চিমাঞ্চলের যে ঝুকিপূর্ণ এলাকায় টেকসই বেড়িবাঁদ নির্মানে স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী এই বাজেটে বরাদ্দ রেখে। এ অঞ্চলের স্বাস্থ্য খাতে, কৃষি খাতে ও শিল্প খাতে বরাদ্দ এবং অবকাঠামো উন্নয়ন বরাদ্দের জন্য বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির পক্ষ থেকে আহবান জানানো হয়।
বিবৃতিদাতারা হলেন, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব শেখ মোশাররফ হোসেন, মহাসচিব শেখ আশরাফ উজ জামান, সহ-সভাপতি নিজামুর রহমান লালু, মীনা আজিজুর রহমান, শাহিন জামান পন, মামুনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম মহাসচিব মো: মনিরুজ্জামান রহিম, মিজানুর রহমান বাবু, আফজাল হোসেন রাজু, এডভোকেট শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, রকিব উদ্দীন ফারাজি, এসএম ইকবাল হোসেন বিপ্লব, মিজানুর রহমান জিয়া, মো: খলিলুর রহমান, সরদার রবিউল ইসলাম, মো: মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক মো: আজম খান, এস এম দেলোয়ার হোসেন, রসু আক্তার, সরদার জিহাদুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান প্রমুখ।
ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহে নতুন করে আরও ৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে এ জেলায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৬৪ জন। সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম জানান, খুলনা, যশোর এবং কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহে মোট ৩৮ টি রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে থেকে ৪ টি পজেটিভ এসেছে। আক্রান্ত ব্যাক্তিদের বাড়ী কালীগঞ্জ উপজেলায় ৩ জন এবং মহেশপুর উপজেলায় ১ জন । আক্রান্ত ৬৪ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ী ফিরেছেন ৪১ জন।
শরণখোলায় এক রাতে আরো চার বাড়িতে চুরি
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় সোমবার রাতে চার বাড়িতে চুরি হয়েছে। এ নিয়ে গত দুই মাসে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাটবাজারে অর্ধশতাধিক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা জানা গেছে, উপজেলা রায়েন্দা ইউনিয়নের উত্তর কদমতলা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আ. আউয়াল হাওলাদারের ঘরের ভিতের ইট খুলে সিঁধ তৈরী করে চুরির ঘটনা ঘটায়। ঘর থেকে পরিবারের দুটি মোবাইল ফোন, একই গ্রামের রহমান মোল্লার বাড়ির সিঁধ কেটে চার হাজার টাকা ও একটি মোবাইল, একই রাতে পূর্ব খাদা গ্রামে শাহজাহান হাওলাদার ও রশিদ হাওলাদারের বাড়ি থেকে দুটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায় চোরেরা। চুরি যাওয়া মালামালের মূল্য প্রায় লাখ টাকা বলে ক্ষতিগ্রস্তরা জানান।
এর আগে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজারে দুই মাসে অর্ধশতাধিক চুরির ঘটনা ঘটে। তবে, এসব ঘটনায় ভুক্তভোগীরা কেউ কোনো মামলা বা অভিযোগ করেনি থানায়।
শরণখোলা থানার অফিনার ইন চার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ বলেন, সোমবার রাতের ঘটনায় পুলিশ পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া, ছোটখাটো দু-একটি চুরির ঘটনা ঘটলেও এ বিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করে না। এ সব অপরাধ প্রবনতা ঠেকাতে শিঘ্রই এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ কমিটি গঠন করা হবে।
কমার্স কলেজ ছাত্রদলের উদ্দোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াাউর রহমান(বীর উত্তম) এর ৩৯ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রদল কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব রকিবুল ইসলাম বকুলের সার্বিক সহযোগীতায় খুলনা মহানগর ছাত্রদলের উদ্যোগে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, খুলনা মহানগর ছাত্রদলের বিপবী সাধারণ সম্পাদক হেলাল আহম্মেদ সুমন এর নেতৃত্বে সরকারি আযমখান কমার্স কলেজ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসের ভিতরে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম টনি, মোঃ সোহেল রানা,শিহাবুল আরেফিন লুপিন,আজমাইন হোসেন রাসেল, শাকিল আহমেদ, শেখ মোঃ রাজীব, আসাদুজ্জামান আসাদ, বেলাল সরদার, বাবলু গাজী,নাজমুল শাহরিয়ার নিয়াজ, মোঃ লিটু, রাব্বি, মোঃ রিফাত,সোয়েব মুকুট, মশিউর রহমান জয়, তরিকুল ইসলাম রাজু, মাজহারুল ইসলাম রানা, মোঃ লিমন, শহিদুল ইসলাম সফি, সৈকত, মামুন, অর্নব মাইদুল,মাহিন,সাগর, মোঃ আল আমিন,শান্ত, সাজিদ,রাকিব,বাবু প্রমূখ।
মহান আল্লাহ্’র দরবারে করোনা মুক্তিতে সকলের নিকট দোয়া প্রার্থনা করছি : মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
কোভিড-১৯ করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারীর ছোঁয়া পড়েছে প্রিয় মহানগরী খুলনায়। আক্রান্ত হয়েছেন আমার সহধর্মিনী মানবাধিকার কর্মী এ্যাড. সৈয়দা সাবিহা। সঙ্গতকারণেই চিকিৎসকদের পরামর্শে অর্ধাঙ্গিণী হোম আইসোলেশনে এবং গত সোমবার থেকেই আমি ছেলে-মেয়েকে নিয়ে হোম কোয়ারান্টাইনে রয়েছি। মহান আল্লাহ্’র ইচ্ছায় খুলনা তথা দেশবাসীর দোয়ায় আমরা শারিরিকভাবে সুস্থ্য ও মানসিকভাবে মহান সৃষ্টিকর্তার প্রতি একান্ত বিশ্বাসে দৃঢ় আছি। এভাবেই প্রিয় খুলনাবাসীর নিকট বিনিতভাবে দোয়া প্রার্থনা করে মঙ্গলবার (০৯জুন) সন্ধ্যায় এক বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি খুলনা-২আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকেই খুলনা মহানগরীর প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে কর্মহীন নি¤œ-মধ্যবিত্ত অসহায় মানুষের দ্বারে দ্বারে মানবিক সাহায্য নিয়ে পাশে দাড়িয়েছিলাম। হোম কোয়ারান্টাইনে থাকলেও মানবিক সাহায্যের এধারা অব্যাহত থাকবে। প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিধ্বস্ত নোনা পানিবন্দী কয়রাবাসীর মাঝে ছুটে গেছিলাম মানবিক সাহায্য নিয়ে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে মানবিক সাহায্য পৌঁছে দেয়া হবে নিরান্ন মানুষের হাতে। করোনায় কর্মহীন ও আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষগুলোর প্রত্যাশার তুলনায় আমার/আমাদের সামাথ্য নিতান্তই সামান্য; সে মনোকষ্ট রয়েছে অব্যক্ত। তবুও অধিকার বঞ্চিত মানুষের পাশে ছিলাম, আছি, থাকবো ইনশাআল্লাহ্। সারাজীবনই খুলনাবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। যখনই খুলনাবাসী আমাকে তাদের খাদেম নিযুক্ত করে, তখনি অকান্ত পরিশ্রমে নিজেকে উজাড় করে দিয়েছি। আজ এ কান্তিকালে খুলনাবাসীর কাছে কায়মনোবাক্যে দোয়া প্রার্থনা করছি; আমি মঞ্জু ভাই। আমিও খুলনা তথা দেশবাসীর জন্য দোয়া করছি-মহান আল্লাহ্ করোনা নামক গজব থেকে সমগ্র দেশবাসীকে হেফাজত করুন, মা’বুদ।
করোনা সতর্কতায় দলীয় নেতাকর্মী ও খুলনাবাসীকে স্বাস্থ্য বিধি নেমে নিজ দায়িত্বে নিজেকে ও পরিবার-পরিজনের সুস্থ্য রাখতে প্রতি উদ্যত্ত আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেছেন, সৃষ্টিকর্তা ব্যতীত কারো উপর ভরসা না করে নিজ দায়িত্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শারিরিক দুরত্ব বজায় রেখে ধর্য্য ও প্রার্থনার মাধ্যমে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হবে। এখনই শেষ সময়, স্বাস্থ্যবিধির যেনো একটু ব্যর্তয় না ঘটে। করোনা আক্রান্ত হলে রাষ্ট্রের কাছে আপনি/আমি একটা সংখ্যা মাত্র; কিন্তু পরিবার-পরিজনের কাছে পুরোপৃথিবী। চলার পথে দেশ ও দলের বৃহত্তর স্বার্থে অনেক সময় দলীয় সকল নেতাকর্মীদের মনোকষ্টের কারণ হয়েছি; হয়তো সে কথা আজও হয়নি বলা। আজ এ ক্রান্তিলগ্নে সকল মনোকষ্ট মুছে শত মতভেদ ভুলে সকলেই সকলের জন্য দোয়া প্রার্থনা করি- করোনা থেকে সৃষ্টিকর্তা সকলকে হেফাজত করুন। আমার সহধর্মিনীর জন্য সকলেই দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ্ আল্লাহর রহমতে তাঁর আইসোলেশন ও আমাদের কোয়ারান্টাইন পিরিয়ড শেষে খুলনাবাসীর মাঝে মুক্ত আকাশে ফিরবো।
শরনখোলায় ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রীর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় মরিয়ম আক্তার (১১) নামের ষষ্ঠ শ্রেনীর এক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় উপজেলার দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামে।
সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য রুহুল আমিন জানান, ওই গ্রামের শহিদুল ইসলামের কন্যা মরিয়ম সকালে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে মায়ের সাথে অভিমান করে। মা বিলকিস বেগম বাড়ি সংলগ্ন ভোলা নদীতে স্বামীর সাথে মাছ ধরতে যায়। এসময় ঘরে কেউ না থাকায় মরিয়ম ঘরের আড়াঁর সাথে ওড়না পেচিঁয়ে আত্মহত্যা করে। মরিয়ম রাজাপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়য়ের ষষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী। সে পঞ্চম শ্রেনীতে বৃত্তিপ্রাপ্ত হয়।
শরনখোলা থানার অফিসার ইন চার্জ এসকে আব্দুল্লাহ আল সাইদ জানান, এব্যাপারে পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন দেয়া হয়েছে।
কিস্তির দায়ে ধান, গবাদি পশু নিয়ে গেলো সমিতি
স্টাফ রিপোর্টার
কিস্তি না পেয়ে ঋণ গ্রহিতার ১২৫ বস্তা ধান ও গবাদি পশু শুকর ও ছাগল নিয়ে গেছে ঋণদাতা সমিতির লোকজন। খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের অর্ধেন্দু রায় এই ঘটনার শিকার হয়েছেন। তার জমিতে মাড়াই করে রাখা ধান ও গৃহপালিত শুকর, ছাগল ছিনিয়ে নিয়ে গেছে নবরুপ সমবায় সমিতি ও পূর্বাশা সমবায় সমিতির লোকজন। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) অর্ধেন্দু রায় অভিযোগ করে জানান, এই ঘটনায় তিনি আইনী ব্যবস্থা নিলে বা কাউকে বললে তাকে ডুমুরিয়া ছাড়া করা হবে বলে হুমকি দিয়েছে সমিতির লোকজন।
স্থানীয়রা জানায়, ভুক্তভোগী অর্ধেন্দু রায় পাইকগাছা উপজেলার গজালিয়া গ্রাম থেকে জীবীকার তাগিদে ডুমুরিয়া উপজেলার রামকৃষ্ণপুর বিলে জমি বর্গা নিয়ে মাছ ও ধান চাষ করেন। সংকটে পড়ে নবরুপ সমবায় সমিতি ও পূর্বাশা সমবায় সমিতি থেকে ঋণ গ্রহণ করেন তিনি। কিস্তির টাকা ঠিকমতোই পরিশোধ করে আসছিলেন। কিন্তু করোনা প্রভাবের কারণে এনজিও থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আদায় না করার সরকারের নির্দেশনা পেয়ে তিনি কিস্তি পরিশোধ করেননি। কিন্তু গত ১ জুন থেকে সাধারণ ছুটি উঠিয়ে নেওয়ার পর নবরুপ সমবায় সমিতি ও পূর্বাশা সমবায় সমিতির লোকজন ২ জুন তার ঘেরে হানা দেয়। সেখানে মাড়াই করে রাখা ১২৫ বস্তা ধান (প্রায় দেড়শ মণ), শুকর ও ছাগল নিয়ে যায়। নবরুপ সমিতির লোকজন শুকর দুটি জবাই করে মাংস বিক্রি করে দিয়েছে। ছাগল ও ৪৫ বস্তা ধান পূর্বাশা সমিতির লোকেরা অন্য একজনের জিম্মায় রেখেছে।
নবরুপ সমবায় সমিতির কোষাধ্যক্ষ পিন্টু কবিরাজ জানান, অর্ধেন্দুর কাছে সুদ ও আসলসহ অনেক টাকা পাওনা রয়েছে। সে টাকা না দিয়ে চলে যেতে পারে। তাই সমিতি যে টাকা পাবে সে অনুযায়ি ধান ও শুকর আনা হয়েছে। অর্ধেন্দুর জন্য শুকরের ১ কেজি মাংস রেখে দেওয়া হয়েছে।
ডুমুরিয়া উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মো. সেলিম আক্তার নবরুপ সমিতির এই আচরণের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সরকারের নির্দেশ অমান্য করেছে তারা। এটি সম্পদ লুট করার সামিল। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত অর্ধেন্দু রায়কে সবরকমের আইনী সহায়তা দেওয়া হবে।
ঘুম থেকে ডেকে তোলে যুবককে খুন, ঘাতক নিহত গণপিটুনিতে
বাজুয়া প্রতিনিধি
খুলনায় গরু চরানোকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে নীল উৎপল বাপি রপ্তান (২৮) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। অপরদিকে ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে ঘাতক ইমন শেখও (১৮) মারা গেছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দাকোপ উপজেলার বাজুয়া এসএন ডিগ্রি কলেজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। নীল উৎপল বাজুয়া কলেজের গ্রন্থাগারিক সুকুমার রপ্তানের ছেলে ও ঘাতক ইমন শেখ একই গ্রামের বাদল শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, সোমবার বিকালে বাজুয়া এসএন ডিগ্রি কলেজের মাঠে গরু চরানোকে কেন্দ্র করে কলেজের গ্রন্থাগারিক সুকুমার রপ্তান ও তার ছেলে নীল উৎপলের সঙ্গে ইমন শেখের ঝগড়া হয়। এর জের ধরে মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ইমন শেখ ধারালো ছুরি নিয়ে নীল উৎপলের বাড়ি গিয়ে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে। নীল উৎপল উঠানে আসলেই কিছু বুঝে উঠবার আগেই ইমন শেখ তার পেটে ছুরিকাঘাত করে। তার আর্তচিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে ধারালো ছুরিসহ ঘাতক ইমনকে আটক করে। গুরুতর আহত অবস্থায় নীল উৎপলকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যায়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ঘাতক ইমনকে আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে গণপিটুনি দেয়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইমনকে মৃত ঘোষণা করেন।
দাকোপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, গরু চরানোকে কেন্দ্র করে ইমন শেখের ছুরিকাঘাতে নীল উৎপল নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী ঘাতক ইমনকে আটক করে গণধোলাই দেয়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সে মারা যায়।
পাইকগাছায় সততার দৃষ্টান্ত
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় এক ব্যবসায়ী লক্ষাধিক টাকার হারিয়ে যাওয়া গহনা সোলাদা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান এনামুলের মাধ্যেমে ফেরত দিয়ে সততার পরিচয় দিয়েছেন। পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের কমলাপুর গ্রামের ইসমাইল হোসেন শশুর বড়ি দেলুটিতে যাওয়ার সময় সোলাদানা বাজারে ররকি বিশ্বাসের দোকানে পানীও কিনতে যায়। এ সময় তার স্ত্রী গহনার ব্যাগটি দোকানের টেবিলের উপর আজান্তে ভুলে রেখে চলে যায়। পরবর্তিতে রকি বিশ্বাস একটি ব্যাগ দেখতে পেয়ে ব্যাগের মালিকে খুজাখুজির পর না পেয়ে সোলাদানা ইউপি চেয়ারম্যনের কাছে জমা দেয়। চেয়ারম্যান ব্যাগটি খুলে একটি স্বর্ণের চেইন একটি স্বর্ণের আংটি একটি স্বর্ণের রুলি দেখতে পায়। পরবর্তিতে হারিয়ে যাওয়া গহনার মালিক অনেক খোঁজাখুঁজির পরে সোলাদানা বাজারে রোথী এন্টারপ্রাইজের মালিক ব্যবসায়ী রকি বিশ্বাসের কাছে যায়। তিনি চেয়ারম্যান এনামুলের কাছে নিয়ে গেল চেয়ারম্যান জিনিসপত্রের সঠিক বিবরণ দেওয়ায় বিনা স্বার্থে লক্ষাধিক টাকার মালামাল ফেরত দিয়ে সততা ও মানবতার দৃষ্টান্ত রেখেছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য কল্যানী মন্ডল সহ গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গ।
তেরখাদা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি গঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সম্প্রতি তেরখাদা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি(দুপ্রক) গঠিত হয়েছে। দুদক/বিকা/খুলনা/২০২০/১৭১(১৬) নং স্মারকে দুর্নীতি দমন কমিশন, খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় এর পরিচালক মোঃ আব্দুল গাফফার ৯ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি অনুমোদন করেন। তেরখাদা উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে তেরখাদার বিশিষ্ট সমাজসেবক মোল্যা শাহিদুল ইসলামকে এবং সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তেরখাদা প্রেসকাবের সেক্রেটারি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মী এস এম মফিজুল ইসলাম জুম্মানকে। কমিটিতে সহ-সভাপতি করা হয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা অরবিন্দ প্রসাদ সাহা ও সমাজসেবক রুমানা খানমকে। কমিটিতে সাধারণ সদস্য করা হয়েছে সমাজসেবক মোল্যা মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন, অবঃ সহকারী শিক্ষক সন্তোষ কুমার বিশ্বাস, সমাজসেবক শেখ ফোরকান আলী, সমাজসেবিকা আসমা মাহমুদ ও সমাজসেবিকা রেশমা সুলতানাকে।
জেলা যুব ইউনিয়নের উদ্যোগে পুলিশ সদস্যদের মাঝে মাস্ক বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন খুলনা জেলা শাখার পক্ষ থেকে কর্মরত পুলিশ সদস্যদের মাঝে গতকাল দুপুর ২টায় খুলনা সদর থানা এলাকায় কে এন-৯৫ মানের মাস্ক বিতরণ করা হয়। মাস্ক বিতরণ করেন যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মোঃ বাবুল হাওলাদার। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑসাবেক যুব ইউনিয়ন ও সিপিবি নেতা মিজানুর রহমান বাবু, সরকার ভূষণ চন্দ্র তরুন, যুব ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় সদস্য ও খুলনা জেলা সভাপতি নিত্যানন্দ ঢালী, সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত মুখার্জী, যুব নেতা সৈয়দ রিয়াসাত আলী রিয়াজ, হাফিজুর রহমান প্রমুখ। এ সময়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাকালীন সম্মুখ যোদ্ধা চিকিৎসক, সাংবাদিক, পুলিশ, নার্সদের স্বাস্থ্যবিধি মানা অতীব জরুরী। করোনা প্রতিহত করতে হলে যথাযথভাবে সর্বস্তরের জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। যার অংশ হিসেবে যুব ইউনিয়নে এ সামান্য প্রয়াস।
যশোর শিক্ষাবোর্ডে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে করোনা আতংক
যশোর অফিস
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড যশোরে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মঙ্গলবার ৯ জুন থেকে করোনা ভাইরাস আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে। মঙ্গলবার ৯ জুন যশোর-৪ আসনের এমপি বাবু রনজিত কুমার রায় করোনায় আক্রান্তর খবর ছড়িয়ে পড়লে বোর্ডে কর্মরত চেয়ারম্যান থেকে শুরু করে কর্মরত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা করোনা ভাইরাস আতংকে পড়েন। তার কারণ হিসেবে বোর্ডের নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মোবাইল ফোন করে জানান, গত শনিবার ৬ জুন যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য বাবু রনজিত কুমার রায়কে বোর্ডের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বোর্ডে আমন্ত্রন জানান। এমপি রনজিত কুমার রায় বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোল্লা আমীর হোসেনসহ বোর্ডে বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে বৈঠতে মিলিত হন। বৈঠকের দু’দিন পর ৮ জুন বাবু রনজিত কুমার রায়ের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে যবিপ্রবি’র জেনোম সেন্টারে প্রেরণ করা হলে করোনা পজিটিভ আসে। সংসদ সদস্য বাবু রনজিত কুমার রায়ের সাথে বৈঠকে খুব কাছাকাছি থেকে যারা শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়েছেন। তাদের শরীর থেকে নমুনা পরীক্ষা করলে সংশয় কেটে যাবে। এমপি’র সাথে বৈঠকে যারা অবস্থান করেছেন তাদেরকে মঙ্গলবার ৯ জুন যশোর বোর্ডে অবস্থান করতে দেখা গেছে। যার ফলে অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চরম আতংকের মধ্যে পড়েন। অবিলম্বে যশোর বোর্ডে কর্মরত যে সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা গত ৬ জুন শনিবার যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রনজিত কুমার রায়ের সাথে বোর্ডের সভা কক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়সহ তার সংষ্পর্শে গেছেন তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে অবিলম্বে পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন।
নড়াইলের ভ্যান চালক ইবাদ হত্যা রহস্য উদঘাটন : হত্যাকারী স্ত্রীকে আটক
যশোর অফিস
যশোর নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ফুলদহ গ্রামে ভ্যান চালক ইবাদুল ইসলাম ওরফে ইবাদ শেখ (৩৬) মৃত্যুর রহস্য যশোর পিবিআই উদ্ধার করেছে। স্ত্রীর অনৈতিক কর্মকান্ডে বাধা দেয়ায় স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে নৃশংসভাবে খুনের সাথে জড়িত অভিযোগে স্ত্রী আমেনা বেগম (৩০ ) কে গ্রেফতার পূর্বক জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে ইবাদুল হত্যার রহস্য। আমেনা বেগম ওই উপজেলার জামতলা গ্রামের মৃত সিদ্দিক ফকিরের মেয়ে। গত ৯ মে দিবাগত রাতে শ্বশুর বাড়ির পার্শ্ব থেকে ভ্যান চালক ইবাদুল ইসলাম ওরফে ইবাদ শেখ এর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে কালিয়া থানা পুলিশ। এ সংক্রান্তে কালিয়া থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু হয়। যার নং ০৭/২০। তারিখঃ ১০/০৫/২০ ইং। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পিবিআই যশোরে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক গাজী মাহবুবুর রমানসহ একটি অভিযানিক দল ইবাদুল ইসলাম ওরফে ইবাদ শেখ এর স্ত্রী আমেনা বেগমসহ ৩জনকে গ্রেফতার পূর্বক জিজ্ঞাসাবদ করে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায় আমেনা বেগম হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত একাই বলে স্বীকার করে পিবিআই তদন্ত টিমের কাছে। গ্রেফতার হওয়ার পর আমেনা বেগম পিবিআইয়ের টিমের কাছে জানান, প্রায় ১৩/১৪ বছর পূর্বে তার সাথে ইবাদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর ইবাদুলের ঘরে তার ২টি পুত্র ও ১টি মেয়ে সন্তান হয়। ইবাদ শেখ মাদক সেবন ও মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। তাছাড়া,তার অন্য কোন উপার্জনের মাধ্যম ছিল না। বিয়ের পর থেকে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রায় সময় ঝগড়া বিবাদ বেঁধে থাকতো। এই বিষয়ে উভয়ের মধ্যে চরম আকারে বিরোধ দেখা দেয়। অনুমান ১ বছর পূর্বে নিহত ইবাদ শেখ মাদক মামলায় গ্রেফতার হলে তার স্ত্রী আমেনা তিন সন্তানসহ আমতলাস্থ তার পিতার বাড়িতে চলে যায়। মাঝে মধ্যে নিহত ইবাদ তার স্ত্রীকে বাড়িতে নিয়ে আসতো। এবং কখনও কখনও রাত্রে গিয়ে শ্বশুর বাড়িতে থাকতো। গত ৯ মে রাত অনুমান ১০ টায় ইবাদ শেখ নিজ বাড়িতে ছিল। রাত ১০ থেকে সাড়ে ১০ টার মে ধ্য ইবাদের মোবাইলে স্ত্রী আমেনা ফোন করলে ইবাদ শ্বশুর বাড়িতে চলে যায়। রাত ১২ টা পর্যন্ত অবস্থান করার পর তার স্ত্রী তাকে বাড়িতে ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্ত ইবাদ ঔদিন তার স্ত্রী সাথে শ্বশুর বাড়িতে থাকতে চায়। ইবাদের স্ত্রী আমেনা বেগম দেহ ব্যবসার সাথে জড়িত ছিল। আমেনা বেগমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের কথোপথন থেকে পিবিআই কর্মকর্তা সত্যতা পান। ঘটনার রাতে স্ত্রী আমেনা বেগমের কাছে ২জন খরিদ্দার আসার জন্য যোগাযোগ করছিল। স্বামী ইবাদ শেখ শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করার কারনে উক্ত দু’জন আসতে পারছিলো না। আমেনা বেগম পুলিশকে আরো জানায়, নিহত ইবাদ শেখ ওই রাত্রে অনেক মাদক সেবন করেছিল এবং তারা দু’জনই দুধের সাথে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট সেবন করেছিল। হঠাৎ করে ইবাদ শেখকে তার স্ত্রী ধাক্কাতে ধাক্কাতে ঘরের বাইরে নিয়ে গেলে ইবাদ শেখ মাটিতে বসে পড়ে এবং স্ত্রীকে বলে সে বাইরে থাকতে হলেও থাকবো। এক পর্যায় আমেনা বেগম জোর পূর্বক ধাক্কা দিলে সুপারি গাছে সাথে মাথায় আঘাত লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। অবস্থা বেগতিক দেখে ইবাদের কোমরে থাকা গামছা দিয়ে তার গলায় বেঁধে টেনে সুপারি গাছের সাথে বাধা বাঁশের সাথে লাশটি ঝুলিয়ে দেয়। আমেনা বেগমের স্বীকারোক্তি ও ময়না তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর কালিয়া থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়। মামলা নং ৪ তারিখ ৮/০৬/২০ ইং ধারা ৩০২/৩৪ পেনাল কোড। মঙ্গলবার ৯ জুন আমেনা বেগমকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
সাতক্ষীরায় উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন দাবীতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি পেশ
খান নাজমুল হুসাইন, সাতক্ষীরা
উপকূলে টেকসই বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন দাবীতে সাতক্ষীরায় মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা কালেকটরেট চত্বরে ঘন্টাব্যাপি উক্ত মানববন্ধন শেষে উক্ত স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। মানববন্ধনের বক্তারা বলেন, বিশ্বব্যাপি করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে সম্প্রতি সাতক্ষীরাসহ বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আম্পান আঘাত হানে। ঝড়ে ব্যাপক জীবনহানীর ঘটনা এড়ানো গেলেও সহায়-সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিশেষ করে শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ফলে ভাঙন এলাকার হাজার হাজার মানুষের সহায় সম্পদ এখনো পানির মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছে। সীমাহীন দুর্ভোগের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ তাদের দিন অতিবাহিত করছে। এমন দুর্বিসহ পরিস্থিতির মধ্যে গত ২ জুন জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ এর নির্বাহী কমিটি একনেকের বৈঠকে সাতক্ষীরা শহর ও সংলগ্ন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে ৪৭৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীসহ সরকারের সংশ্লিষ্ঠ সকলকে ধন্যবাদ জানান বক্তারা। বক্তারা বলেন, সাতক্ষীরায় জলাবদ্ধতা সমস্যা দীর্ঘদিনের। কিন্তু ঘূর্ণিঝড় আম্পানে বেড়িবাঁধ ভেঙে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সেটি এই প্রকল্পের এলাকায় নয়। বাঁধ ভেঙে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড সাতক্ষীরার আওতাধীন শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলার গাবুরা, পদ্মপুকুর, বুড়িগোয়ালিনি, আটুলিয়া, শ্রীউলা, প্রতাপনগর, খাজরাসহ সংলগ্ন এলাকা। ফলে বিষয়টি সরকারের উচ্চ পর্যায়ে স্পষ্ট করা না হলে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত সহানুভূতি থেকে তারা বঞ্চিত হবে। বক্তারা আরো বলেন, ২০০৯ সালের ২৫ মে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় আয়লার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ২৩ জুলাই সাতক্ষীরার শ্যামনগরে আসেন। তিনি দুর্গত মানুষের প্রতি সহমর্মিতা জানান। টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার ঘোষণা দেন। তিনি বাঁধ কেটে, পাইপ ঢুকিয়ে এলাকার লোনা পানি তোলা বন্ধ করারও নির্দেশ দেন। কিন্তু দীর্ঘ ১১ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সেই ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হয়নি। সামগ্রিক প্রেক্ষাপটে বক্তারা সাতক্ষীরা জেলার উন্নয়নে ২১ দফার বাস্তবায়নসহ জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের দাবী জানান। বক্তারা এ সময়, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগকে মাথায় রেখে স্থায়ী, মজবুত ও টেকসই বেড়িবাঁধ পুন:নির্মান, বড়িবাঁধ ও ঘেরের বাঁেধর মধ্যবর্তি স্থানে বৃক্ষরোপন করা, বাঁধ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য জরুরী তহবিল গঠন ও বাঁধ ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় সরকারকে সম্পৃক্ত করন ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে সবধরণের দুর্নীতি বন্ধসহ উপকূলীয় সকল মানুষের খাবার পানির টেকসই ও স্থায়ী সমাধানের দাবী জানান। মানববন্ধন থেকে আগামী ১৫ জুন বেলা ১১টায় মানববন্ধনসহ প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পেশের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এছাড়া জেলা প্রশাসকের নিকট বিভিন্ন দাবী-দাওয়া সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করা হয়। জেলা প্রশাসকের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বদিউজ্জামান স্মারকলিপি গ্রহণ করেন।
মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, জেলা নাগরিক কমিটির আহবায়ক মোঃ আনিসুর রহিম। সংহতি প্রকাশ ও বক্তব্য রাখেন, সাতক্ষীরা প্রেসকাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ, সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল হামিদ, এড. শেখ আজাদ হোসেন বেলাল, মধাব চন্দ্র দত্ত, অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, আনোয়ার জাহিদ তপন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদর উপজেলা কমান্ডার মোঃ হাসানুর ইসলাম, সিপিবি নেতা কমরেড আবুল হোসেন, জাসদের পাপিয়া আহমেদ প্রমুখ।
ফকিরহাটের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড গোল চত্ত্বর এখন মরণ ফাঁদ
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট-মংলা ও খুলনা জাতীয় মহা-সড়কের গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্তরটি এখন মরণ চত্তরে পরিনত হচ্ছে। দুই পাশের্^ আইল্যান্ড নির্মাণের ঘষা মাজা ও রংয়ের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চললেও জনবহুল গোল চত্তরের বেশ কিছু স্থানে ওভারলোড যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে সড়কের পিচ উঠে এক জায়গায় জড়ো হয়ে বড়বড় ট্যাম হয়ে তা এখন যানবাহন চলাচলে চরম প্রতিবন্ধিকতা সৃষ্টি করছে। এই বিষয়টি কেউ নজরে না আনায় দিনদিন ট্যামের পরিমান বৃদ্ধি পাচ্ছে। অপর দিকে কাটাখালী-বাগেরহাট মহাসড়কের টাউন নওয়াপাড়া (মোড়) গোল চত্তর হতে কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের প্রায় পোনে ১কিলোমিটার সড়কের দুই পাশের্^ কোন সাইড সোল্ডার না থাকায় পথচারী ও যানবাহন চলাচলে সিমাহীন দুর্ভোগের কবলে পড়তে হচ্ছে। শুধু তাই নয়, প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে অহরহ। সুত্রে জানা গেছে, খুলনা-মংলা, বাগেরহাট-পিরোজপুর, গোপালগঞ্জ-মাদারীপুর জাতীয় মহা-সড়কের কাটাখালী বাসস্ট্যান্ডের গোল চত্তরটি অতিগুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল বাসস্ট্যান্ড হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক সুপরিচিতি রয়েছে। কিন্তু চত্তরটির বর্তমান অবস্থা এতই খারাপ যা নিজে চোখে না দেখলে বুঝাই যাবে না। এই স্ট্যান্ডের পূর্বপাশের্^ বাগেরহাট সড়কে ১টি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে, যে ব্রীজটি সড়কের চেয়ে ১/২ফুট উচু। কোন যানবাহন বাগেরহাট বা গোপালগঞ্জ হতে খুলনা বা মংলা অভিমুখে প্রবেশ করলে সম্পূর্ণ চাপটি পড়ে গোল চত্তরের উপর। তখন সড়কের নিজের উপর কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না। ফলে প্রচান্ড রোদের তাপে গরম হওয়া পিচ গলে এক জায়গায় জড়ো হয়ে ট্যামের সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধিকতা তৈরী হচ্ছে। অপর দিকে কাটাখালী-বাগেরহাট মহাসড়কের টাউন নওয়াপাড়া গোল চত্তর হতে কাটাখালী বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত প্রায় পোনে ১কিলোমিটার সড়কের দুইপাশের্^ কোন সাইড সোল্ডার নাই। ফলে বাধ্য হয়েই পথচারী জনগণ ও ছোটবড় যানবাহনকে মুল সড়কের উপর দিয়ে চলতে হয়। সে সময় দ্রুতগামী পরিবহন ট্রাক বা বড়বড় যানবাহনের ধাক্কায় র্দুঘটনার কবলে পড়তে হয় অনেককে। প্রতিনিয়ত এই সড়কে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটেই চলছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলেও অভিজ্ঞ মহলের ধারনা। ##
ফকিরহাটের বেতাগায় টিসিবির খাদ্য সামগ্রী বিক্রয়ের উদ্বোধন
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার বেতাগায় ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর উদ্যোগে এবং মেসার্স বেতাগা ট্রেডার্স এর সার্বিক তত্তাবধায়নে স্বল্প মুল্যে খাদ্য সামগ্রী বিক্রি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বেতাগা বাজারে এই খাদ্য সামগ্রী বিক্রয়ের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ শাহানাজ পারভীন। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেতাগা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ইউনুস আলী শেখ, মেসার্স বেতাগা ট্রের্ডাস এর পরিচালক আনন্দ কুমার দাশ, মেসার্স বেতাগা ট্রের্ডাস এর সহকারী পরিচালক প্রবীর বিশ্বাস, অলিপ কুমার দাশ এসময় তাদেরকে সহযোগীতা করেন পরিমল দাশ, তাপস দাশ, মোঃ আলমগীর হোসেন ও রিপন অধিকারী প্রমুখ। করোনা পরিস্থিতির কারনে স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনেই এইসমস্ত মালামাল বিক্রয় করা হয়।
মহেশপুরে ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে মটর সাইকেল চালকের মৃত্যু
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধি
তেল পাম্প থেকে তেল নিয়ে মটর সাইকেল যোগে বাজারে আসার সময় ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ইনামুল বিশ্বাস (২৩) নামের এক যুবকের করুন মৃত্যু হয়েছে। ট্রাকের চালক ও হেলপার পালিয়ে গেলেও এলাকাবাসী ট্রাকটি আটক করেছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে মহেশপুরের পুড়াপাড়া চৌগাছা সড়কের পুড়াপাড়া তেল পাম্পের সামনে। এলাকাবাসী জানান, মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে চৌগাছা উপজেলার চুটারহুদা গ্রামের নজরুল বিশ্বাসের ছেলে ইনামুল বিশ্বস তেল পাম্প থেকে তেল নিয়ে পুড়াপাড়া বাজারে আসার সময় ঢাকা মেট্রো ট-১৪-৫৬০৮ নম্বরের একটি ট্রাক তাকে পৃষ্ট করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। মহেশপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খান জানান, নিহত ইনামুল বিশ্বাসের লাশ উদ্ধার ও ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি মোহাম্মদ মোর্শেদ হোসেন খান।
পাইকগাছায় ছেলে কর্তৃক বৃদ্ধ মাকে পিটিয়ে জখম : ছেলে আটক
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় ছেলে কর্তৃক বৃদ্ধ মাকে পিটিয়ে জখম করেছে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরী হয়েছে। ঘটনাটি রবিবার সকাল ১০টায় উপজেলার হরিদাশকাটি গ্রামে। এ ঘটনায় পুলিশ ছেলেকে গ্রেপ্তার করে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করেছে। অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার হরিদাশকাটি গ্রামের ছহিলউদ্দীন গাজীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৬০) তার নিজ বাড়ী রবিবার সকাল ১০টায় বড় ছেলে সাইফুল গাজী পরিবারের বিভিন্ন বিষয় ও জমি-জমির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। মা মনোয়ারা বেগম গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে কাঠের চলা দিয়ে মাকে পিটিয়ে জখম করে। পরবর্তীতে ছেলে সাইফুল বহিরাগত কিছু বখাটে কিছু লোকজন নিয়ে মাকে মেরে ফেলবে বলে হুমকি-ধামকি প্রদান করে। এসময় পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশের এস,আই তাকবির হোসেন ঘটনাস্থল থেকে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। ওসি এজাজ শফী জানিয়েছেন, আমার পুলিশের সামনে বখাটে ছেলেদের নিয়ে মহড়াকালে এস,আই তাকবির তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৫১ ধারায় পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পাইকগাছায় জুয়ার আসর থেকে আটক ৬
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় মাদক দ্রব্য উদ্ধার অভিযানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জুয়ার আসর থেকে ৬ জুয়াড়ীকে গ্রেপ্তার করেছে থানাপুলিশ। ঘটনাটি উপজেলার চেঁচুয়া গ্রামে। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানার এস,আই কামরুজ্জামান বাদী হয়ে জুয়াড়ীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করেছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, পাইকগাছা থানাপুলিশ রবিবার রাতে মাদকদ্রব্য উদ্ধার অভিযান চলাকালে বোয়ালিয়া নামকস্থানে ডিউটি করা অবস্থায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গদাইপুর ইউনিয়নের চেঁচুয়া গ্রামের মতলেব গাজীর বাড়ীতে অভিযান চালায়। এ সময় তার বাড়ীর একটি কক্ষে জুয়াড়ীরা জুয়া খেলছিল। পুলিশের এস,আই কামরুজ্জামান, এএসআই সাজ্জাত, এএসআই রোকনুজ্জামান সহ থানাপুলিশের একটি দল তার বাড়ীর কক্ষ থেকে ছফর গাজীর ছেলে মতলেব গাজী, মৃত পাগলা গাজীর ছেলে এরশাদ গাজী, জয়নাল মিস্ত্রীর ছেলে আল-আমিন মিস্ত্রী, কাশেম দফাদারের ছেলে সোহরাব দফাদার ইমান দপ্তরীর ছেলে রেজাউল দফাদার ও মতলেব গাজীর ছেলে আসলাম গাজীকে জুয়া খেলার সরঞ্জামসহ গ্রেপ্তার করে। ওসি এজাজ শফী জানিয়েছেন, মাদকদ্রব্য অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদে জুয়ার আসর থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সোমবার সকালে পাইকগাছা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে নিয়মিত মামলায় পাঠানো হয়েছে।
জিয়াউর রহমান এর শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) এর ৩৯তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ঘোষিত কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য খুলনা মহানগরের অন্তর্গত শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ শাখার উদ্যোগে মঙ্গলবার কলেজ প্রাঙ্গনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন করা হয়।
মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদল নেতা আব্দুল আহাদ শাহীন এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর ছাত্রদল নেতা মোঃ ফিরোজ আহমেদ, রবিউল আলম, আশিকুর রহমান আশিক, শেখ মসফিকুর হাসান অভি, মাহিম আহম্মেদ রুবেল, মাহমুদুল হাসান মুন্না, রাজু আহমেদ রাজ, জিল্লু রহমান, শামীম রেজা, তুহিন ইসলাম, সাইফুল ইসলাম সাদী, শেখ আল মামুন, আল মুহাইমিন রেজা, শেখ শাহাবুদ্দিন শাওন, রাব্বি চৌধুরী, ইয়াসিন শেখ ডালিম, ইজবুর রহমান ইমুল, আসিফ আহমেদ হৃদয়, সাব্বির বিন সারাফাত, মোঃ শিমুল, রনজু আহম্মেদ, ইমতিয়াজ আহম্মেদ সিজান, ইরাম হানিন, আবির ইসলাম প্রমুখ।
শরণখোলায় প্রধানমন্ত্রীর প্রণোদনা পেলো ৪৪৬ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে দেশের মসজিদ সমুহের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত প্রণোদনা পেলো শরণখোলার ৪৪৬ জন ইমাম-মুয়াজ্জিন। গতকাল সকালে উপজেলা অডিটোরিয়ামে শরণখোলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের উপস্থিতিতে এ অনুদানের চেক প্রদান করেন শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহিন ।
এ সময় শরণখোলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মোহাম্মাদ মাসুম বিল্লাহ’র সভাাতিত্বে বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরদার মোস্তফা শাহীন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন মুক্তা, এম সি মোঃ আরাফাত হোসেন প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল ইসলাম টিপু, উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা রণজিৎ কুমার সরকার, প্রভাষক আঃ মালেক রেজা, জি সি মোঃ কবির হেসেন, উপজেলা ইসলামী ফাউন্ডেশন শিক্ষক সমিতির সভাপতি হাফেজ মহিউদ্দিন ও সাধারাণ সম্পাদক ইমাম হোসেন।
দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে করেনা আক্রান্ত ৯ টি পরিবারকে সহায়তা প্রদান
খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সামাজিক সংগঠন দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের উদ্যোগে করোনা আক্রান্ত ৯ টি পরিবারের মধ্যে সোমবার খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়। খাদ্রসামগ্রী বিতরন কালে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মোঃ আল আমিন, কোষাধক্ষ শেখ ফয়সাল আল হাসান, সদস্য আঃ রহিম হাওলাদার, মোঃ শাকিল মোড়ল প্রমুখ ।করোনা আক্রান্ত রোগিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কালে দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি মোঃ আল আমিন বলেন সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা এখন আমাদের প্রধান কাজ । তিনি আরও বলেন দিঘলিয়া উন্নয়ন ফোরাম সব সময় সামাজিক কর্মকান্ডে জড়িত ছিলো এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
খুলনা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
মাছরাঙা টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন শাহজালাল মোল্লা মিলনের পিতা মো. মতিয়ার রহমান মোল্লা (৭২) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজিউন)। সোমবার সকালে নগরীর মোহাম্মদনগর এলাকার বাসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে হার্ট, কিডনী ও প্যারালাইসিসের সমস্যায় অসুস্থ্য ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে, ২ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন এবং গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। বাদ আসর নড়াইলের রাইখালী গ্রামে মরহুমের নামাজে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে সাংবাদিক শাহজালাল মোল্লা মিলনের পিতার মৃত্যুর সংবাদ শুনে খুলনা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ মরহুমের বাসভবনে যান এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের আবু সাঈদ, হাসান আল মামুন আমির সোহেল, আরিফ বিল্লাহ, নিয়ামুল হোসেন কচি, মেহেদী হাসান পলাশ, ও সদস্য রকিবুল ইসলাম মতি, আজিজুল ইসলাম, খায়রুল আলম,আমিনুর জাকারিয়া হোসেন তুষার, আরাফাত হোসেন অনিক, আবুল বাশার, শেখ জুয়েল, মনিরুল ইসলাম সাগর, শেখ রাসেল, সোহেল,
ঝিনাইদহে বাড়িওয়ালার সহযোগিতায় ভাড়াটিয়ার স্ত্রী ধর্ষণের অভিযোগ: ধর্ষক গ্রেফতার
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটী গ্রামের মৃতঃ জলিল মন্ডলের ছেলে বাচ্চু মন্ডলের বিরুদ্ধে বাড়িওয়ালার স্ত্রীর সহযোগিতা ঐ বাড়ির এক ভাড়াটিয়ার স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা নিজেই বাদী হয়ে সোমবার রাতে ঝিনাইদহ সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ধর্ষক ধর্ষক বাচ্চু মন্ডলকে গ্রেফতার করেছে।
জানা গেছে, ধর্ষিতার স্বামী ব্যবসার সুবাদে ঝিনাইদহ পৌর এলাকার পবহাটী গ্রামের মোঃ ইকবাল হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। ঘটনার রাতে কাজের ব্যস্ততার কারনে ধর্ষিতার স্বামী বাসায় না থাকার সুযোগে ধর্ষক বাচ্চু মিয়া তার অনৈতিক লালসা চরিতার্থ করার জন্য বাড়িওয়ালার স্ত্রী মোছাঃ রেশমা খাতুনের সাথে যোগ সাজসে ধর্ষিতার ঘরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয় ভিতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ধর্ষিতা জানিয়েছেন, তার স্বামী বাড়ি না থাকার কারনে একই বাসার ভাড়াটিয়া আলমগীর হোসেনের স্ত্রী মোছাঃ আখিরন নেছাকে তার কাছে নিয়ে ঘুমায়। হঠাৎ রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে বাড়িওয়ালার স্ত্রী রেশমা তার দরজায় নক করে এবং দরজা খুলতে বলে। দরজা খুলার সাথে সাথে ধর্ষক বাচ্চু রুমের মধ্যে প্রবেশ করে এবং বাড়িওয়ালা রেশমা বেগম পাশে থাকা আখিরনকে ধাক্কা মেরে বাইরে বের করে দিয়ে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর ধর্ষক বিভিন্ন প্রকার ভয় ভিতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, খবর পাওয়া মাত্রই আমরা ধর্ষককে গ্রেফতার করেছি। পরে ধর্ষকের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দিতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধনি-২০১৩) এর ৯ (১)/ ৩০ ধর্ষক বাচ্চু ও বাড়িওয়ালা রেশমা খাতুনের নামে মামলা হয়েছে।
ঝিনাইদহের হাজি রফিউদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া হাজি রফিউদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চলতি বছরের বরাদ্দকৃত স্লিপ, প্রাক ও ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পে অনিয়ম ও প্রকল্পে নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, উপজেলার কালিচরনপুর ইউনিয়নের মান্দারবাড়ীয়া হাজি রফিউদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা চলতি ২০১৯/২০ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ হয় । বরাদ্দের টাকা তিনি স্কুল মেরামতের কাজে না লাগিয়ে নতুন দুই রুম বিশিষ্ট টিন সেডের কক্ষ তৈরি করছেন। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্ন মানের ইট,বালি ও খোয়া। কোন প্লান না করেই নিজের ইচ্ছামত মাটির নিচেই কোনমতে এক সারি দশ ইঞ্চি গেঁথে এর উপর পাঁচ ইঞ্চি করে গাঁথা হচ্ছে। একেতো তিন নাম্বার সারির ইট তারপর নির্মানের ভিত্তি দুর্বল হওয়ার কারনে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিয়ে জীবনের ঝুঁকির প্রহর গুনছেন। অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে যে টাকা স্কুলের খুদ্র মেরামতের কাজ দেখিয়ে নেওয়া হয়েছে তা দিয়ে যদি স্কুলের পুরাতন বিল্ডিং’র কাজ করানো হয় তবে পুরাতন ঐ বিল্ডিং এর নতুনত্ব ফিরে পাওয়া সম্ভব।
তারা আরও অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষিকা এবছরের স্লিপ, প্রাক ও ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের নামমাত্র কাজ ও নিম্ন মানের সামগ্রী ক্রয় করে মনগড়া ভাবে ভাউচার তৈরি করে শিক্ষা অফিসে জমা দিয়ে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সাথে যোগসাজশ করে ফায়দা লুটছেন। ফলে শিক্ষার গুণগত মান ও সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা হাসিনা খাতুনের কাছে প্রকল্পের কাজ কে করছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সবকিছু করছেন। আমি কিছু জানি না, আমি শুধু দেখভাল করছি।
এ ব্যাপারে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা প্রাথমিক ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সুধাংশ কুমার শেখর এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমরা শুধু বাজেট পাস করেছি, কাজটি অ্যাডহক কমিটির মাধ্যমে প্রধান শিক্ষিকাই করছেন। এছাড়াও কাজের ইস্টিমেট দেখতে চাইলে প্রধান শিক্ষিকা ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার কেউই দেখাতে পারেননি।
নগর যুবলীগের পক্ষে খালিশপুরে করোনা প্রতিরোধে ওষুধ বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে খালিশপুর নয়াবাটি বন্ধুমহলের উদ্যোগে ২০০টি পরিবারে হোমিও ওষুধ অৎংবহরপঁস ধষনঁস ৩০ বিতরণ করা হয়। মঙ্গলবার দুপুর দুইটায় নয়াবাটি এলাকার দুইশ’ জনকে খুলনা মহানগর যুবলীগের আহবায়ক সফিকুর রহমান পলাশ ও যুগ্ন আহবায়ক শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজনের নির্দেশনায় বন্ধুমহল ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংসদ এ ওষুধ বিতরণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা তাসনিম মার্শাল, এস এম নূর হাসান জনি, এনায়েত হোসেন, যুব নেতা মোঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
শেখ সুজনের সৌজন্যে কিসিসির ১২নং ওয়ার্ডে শিক্ষার্থীদের মাঝে কলম ও খাতা বিতরণ
খবর বিজ্ঞপ্তি
শ্রম ও কর্ম সংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এর নির্দেশে খুলনা মহানগর যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক শেখ শাহজালাল হোসেন সুজনের সৌজন্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে কলম ও খাতা বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে নগরীর ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অফিস প্রাঙ্গণে ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগের আহবায়ক মাষ্টার হোসাইন সবুজের সার্বিক তত্বাবধায়নে হতদরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে কলম ও খাতা বিতরণ করা হয়। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর যুবলীগের সদস্য শেখ মহিদুল ইসলাম মিলন ১২নং ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক ফাত্তাউল ইসলাম ফাইট , সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হক আকাশ, রামিজ রেজা, যুব নেতা শফিকুল ইসলাম সোহেল, যুব নেতা শামীম ইসলাম, মোঃ রিয়াজ আহমেদ প্রমুখ।
তালায় এক শিক্ষক করোনা অক্রান্ত
তালা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা তালা উপজেলার খেশরা ইউনিয়নের শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম মোড়ল (৪০) নামের করোনা সনাক্ত হয়েছেন। আক্রান্ত সিরাজুল হরিহরনগর গ্রামের মোহর আলী মোড়ল ছেলে। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকালে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাজিব সরদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছে। তালা থানার ওসি মেহেদী রাসেল জানান, আক্রান্ত শিক্ষক সিরাজুল বাড়িসহ আশেপাশের ৮/১০টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। সকল ধরনের সহায়তার জন্য পুলিশ সবসবময় তাদের পাশে অছে জানিয়ে তিনি সকলকে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন। এদিকে এ নিয়ে তালা উপজেলা ২ জন নারীসহ মোট ৫ জন করোনা পজেটিভ রোগি সনাক্ত হলেও একজন ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন।
তালায় গাঁজা গাছসহ যুবক গ্রেফতারঃ ভ্রাম্যমান অদালতে ৩ মাসের সাজা
তালা প্রতিনিধিঃ তালায় গাজা গাছসহ লিটন শেখ(১৯) নামে এক যুবক কে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। সে উপজেলার খলিলনগর গ্রামের আমজেদ শেখর পুত্র। মঙ্গলবার দুপুরে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ইকবাল হোসেন তাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের কারাদন্ডাদেশ দেন। তালা থানার ওসি মেহেদী রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ফুলতলা বিএনপির নেতা তাহেরের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়ার মাহফিল
ফুলতলা প্রতিনিধি
খুলনার ফুলতলা উপজেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, ফুলতলা বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সরদার তাহেরুল ইসলাম তাহের এর আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক দোয়া মহফিল মঙ্গলবার বিকালে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক মোঃ সেলিম সরদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা বিএনপির সহসভাপতি এস এ রহমান বাবুল। যুগ্ন আহবায়ক কাজী আনোয়ার হোসেন বাবুর পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আবুল বাশার, বণিক কল্যাণ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মনির হাসান টিটো, বিএনপির নেতা শেখ লুৎফর রহমান, ওয়াহিদুজ্জামান মোল্যা নান্না, শেখ আঃ সালাম, হারুন অর রশিদ সরদার, জি এম শফিকুল ইসলাম, মোঃ রবিউল ইসলাম, তুষার মোল্যা, মোঃ ইদ্রিস মোল্যা, মোঃ শহিদুল ইসলাম, ইকবাল খান, তৈয়েব সরদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন, সিরাজ মোড়ল, আনিছুর রহমান রনি, সুজন বিশ্বাস, সৈয়দ আল শাকিল, শেখ মহিউদ্দিন, আলামিন সানা, সলেমান শেখ, বি এম ইমরান প্রমুখ।
ঝিনাইদহে কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরন করে উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় কৃষক প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার সকাল হতে বিকাল পর্যন্ত উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষণ কক্ষে নিরাপদ উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল উৎপাদন প্রযুক্তির উপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপি প্রশিক্ষণে নিরাপদভাবে ফল, ফসল ও শাক-সবজি উৎপাদনের বিভিন্ন আধুনিক কলাকৌশলের উপর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এতে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত ৫০ জন কৃষক কৃষাণী অংশগ্রহন করেন। একই দিনে বিকালে উপজেলার পৌরসভা ব্লকের জেলখানা পাড়ায় বারি হলুদ-৫ ফসলের উপর মাঠ দিবস অনুষ্টিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার মুহঃ মোফাক্খারুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ পৌরসভার ০৭ নং ওয়ার্ড কমিশনার মহিউদ্দীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মুহাম্মদ জুনাইদ হাবীব। মাঠ দিবসে এলাকার ৫০-৬০ জন কৃষক অংশ গ্রহন করেন। মাঠ দিবসে আদা, হলুদ, মরিচসহ বিভিন্ন মসলা জাতীয় ফসলের গুরুত্ব তুলে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
মহামারি করোনা ভাইরাস ঠেকাতে সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ৮হাজার ৩শ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিেেষ্ট্রট ভুপালি সরকার জানান, সংক্রমন রোগ প্রতিরোধ নিয়ন্ত্রন ও নির্মুল আইন ২০১৮ অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধে ৫টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে মোট ৮হাজার ৩শ টাকা জরিমিানা করা হয়। এসময় কালীগঞ্জ থানার এসআই সাগরসহ সঙ্গিও ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।
শরনখোলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে দিন মজুরের মৃত্যু
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
বাগেরহাটের শরণখোলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে আলামিন খলিফা (৪০) নামের এক দিন মজুরের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুর উপজেলার উত্তর তাফালবাড়ি গ্রামে। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, ওই গ্রামের হাকিম খলিফার পুত্র আলামিন নিজের ঘরের বৈদ্যুতিক পাখা মেরামত করছিলেন। এমন সময় তিনি অসাবধানতা বসত বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েন। সাথে সাথে তার স্ত্রীর ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাঃ নাদিয়া নওশিন তাকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঝিনাইদহে শৈলকুপায় করোনা উপসর্গ নিয়ে একজনের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার আবাইপুর ইউনিয়নের জুগনী গ্রামের ইকরামুল জোয়ার্দ্দার (৫০) নামের এক ব্যাক্তির করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের মতিয়ার জোয়ার্দ্দারের ছেলে। শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন জানান, করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে আসে কয়েকদিন আগে ইকরামুল জোয়ার্দ্দার। মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান। পরে বিকেলে জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথের নির্দেশনা মোতাবেক ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর উপপরিচালক মো: আব্দুল হামিদ খানের সার্বিক তত্বাবধানে ও শৈলকুপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম সার্বিক সহযোগিতায় ফিল্ড সুপার ভাইজার মো: আব্দুর রাজ্জাক এর নেতৃত্ব মৃতের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করা হয়। সেসময় মৃত ব্যাক্তির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।











































