শামীম খান মহেশপুর(ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি।।
কড়া নাড়ছে কোরবানির ঈদ। আগামী ১০ জুলাই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে মুসলিম জাতির সব চেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান ঈদ উল আযহা। আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নড়ে চড়ে বসেছেন মহেশপুরের কামাররা। সারা বছর অলস সময় পার করলেও কোরবানীর মৌসুমে বেশ ব্যস্ততা বেড়ে যায় কামার পাড়ায়।
কেউ আসছেন কোরবানী করার অন্যতম অনুসঙ্গ ধারালো ডাসা, ছুরি, বটি, হাসুয়াসহ বিভিন্ন অস্ত্র তৈরি করতে। আবার কেউবা আসছেন এ সব সরঞ্জাম সান দিতে। বছরের অন্য সময়ে দিনে ৪-৫ শ টাকা আয় হলেও এ সময়ে প্রতিদিন আয় হচ্ছে কয়েক হাজার টাকা।
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন দম ফেলারও সময় নেই কামার পাড়ার শিল্পীদের। দিনরাত সমান তালে লোহার টুং টাং শব্দে মুখরিত হয়ে উঠেছে উপজেলার প্রতিটি কামার ঘরে।
মহেশপুরের বিভিন্ন এলাকার কামারের দোকান ঘুড়ে দেখে গেছে এই প্রতিনিধির সাথে কথা বলা তো দুরের কথা দম ফেলারও যেন সময় নাই তাদের। টুং টাং শব্দে লোহা পিটিয়ে তৈরি করছে ছুরি ,বটি, ডাসা। চারপাশে পরে আছে ছুরি,বটি ও লোহার টুকরা একটা রেখে আরেকটা ধরছে হাতের যেন বিরাম নেই।
মহেশপুর পৌর এলাকার চড়কতলা মোড়ের দিলিপ কামারের দোকানে ঢুকতেই চোখ পরে ছুরি হাতে বসে থাকা নাটিমা গ্রামের শফিকুল ইসলাম দিকে। তিনি বলেন,সকাল থেকে বসে আছি হাতে থাকা ছুরিটা পোড়াবো বলে। না পোড়ালে এটা দিয়ে এবার ছাগল কোরবানী দিতে পারবো না। কিন্তু দিলিপ কামারের হাতের কাজই শেষ হচ্ছে না।এমনি আরো কয়েক জনকে বসে থাকতে দেখা গেছে।
কাজের ফাকে কিছু সময় কথা হয় দিলিপ কামারের সাথে তিনি বলেন, ঈদ আসলেই বেড়ে যায় বাড়তি কাজের চাপ। দিন রাত খেটে লোহা পিটিয়ে তৈরি করতে হয় পশু কোরবানীর ছুরি,ডাসা,বটি। সারা দিন লোহা পিটিয়ে হাত অবস হয়ে যাচ্ছে বিশ্রাম নিতে পারছি না ।
তিনি আরও বলেন কোরবানী ঈদের কয়েকদিন কাজের চাপ বেশি থাকে আর বাকি সময় গুলো অলস ভাবে কাটাতে হয়।
একই কথা বলেন রতন কামার আর মহেশপুর বাজারের সাধন কামার বলেন,কয়লা,লোহার দাম বেড়েছে সে তুলনায় মুজুরী পাই না ,বাব দাদার পেশা তাই এ পেশা ছেড়ে দিতে পারছি না।










































