Home জাতীয় পদ্মা সেতুতে নতুন দিগন্তের সূচনার অপেক্ষা

পদ্মা সেতুতে নতুন দিগন্তের সূচনার অপেক্ষা

15

ঢাকা অফিস।।

স্বপ্নের পদ্মা সেতু চালু হলে ঘুরবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের চাকা। বদলে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের আর্থসামাজিক কাঠামো। যোগাযোগে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।
পদ্মা সেতুতে নতুন দিগন্তের সূচনার অপেক্ষা

 

সড়কপথে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট। ১৯৮৬ সালে এই নৌরুটটি চালুর পরপরই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। কিন্তু নানা বৈরী পরিস্থিতিতে ঘাটে এসে দুর্ভোগে পড়তে হয় যাতায়াতকারীদের। শুধু তাই নয়, ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোট দুর্ঘটনায় প্রাণও হারাতে হয় অনেককেই। আর এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে না ঘাট দিয়ে চলাচলকারীদের।

পদ্মা সেতু চালুর পর রাজধানীর ব্যবসায়ীরা সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে পণ্য কিনতে পারবেন। এতে লাভবান হবেন প্রান্তিক ফসল উৎপাদনকারীরা।

 

ইতোমধ্যে মহাসড়কের পাশে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, শেখ হাসিনা হেলথ টেকনোলজি, শেখ রাসেল আইটি পার্কসহ বেশকিছু মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এসব বাস্তবায়ন হলে পাল্টে যাবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের চাকা। কর্মসংস্থান হবে এই অঞ্চলের বেকার যুবকদের।

সেতু চালুর ফলে কয়েকটি বিভাগের সঙ্গে ব্যবসায়ের নতুন দিগন্তের সূচনার অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরাও।

 

মাদারীপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহসভাপতি বাবুল চন্দ্র দাস বলেন, ঢাকা, চট্টগ্রামসহ পদ্মা সেতুর ওপারে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আগে আমরা যে সমস্ত মালামাল বাজারজাত করতে পারতাম না, সেই বাজার আমরা সৃষ্টি করব। আমরা ব্যবসায়ীরা দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব এবং সমৃদ্ধিশালী করব।

বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুট দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ যানবাহন ও ৩০ হাজারের বেশি মানুষ যাতায়াত করেন।