পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছার সরল জিরোপয়েন্টে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় অবৈধভাবে গড়ে উঠা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। রবিবার সকালে খুলনা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর নির্দেশে এসকল স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময়ে মাধ্যমিক শিক্ষা সমিতির দ্বিতল ভবন, ডাঃ সুজন কুমার সরকার ও সাইদুর রহমানের এর ভবণের আংশিক, অবৈধভাবে গড়ে উঠা হোটেল, রেস্তরা, চায়ের দোকান সহ সকল স্থাপনা উচ্ছেদ করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অনিন্দিতা রায়। এনিয়ে গত একবছরে দুইবার উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের সময় উপস্থিত ছিলেন, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আসাদুজ্জান মাসুদ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিজানুর রহমান পাটয়ারী, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আজিম কাওসার, পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম।
এ বিষয় ভারপ্রাপ্ত পৌর মেয়র শেখ মাহবুবুর রহমান রঞ্জু বলেন, আমরা স্বচ্ছ পরিকল্পিত পৌর সভা গড়ার লক্ষে ইতিপূর্বে উচ্ছেদ করেছিলাম। পরে আবারো দখল হয়ে যাওয়ায় এ অভিযান পরিচালানা করা হয়েছে। অমার পৌর সভায় অবৈধভাবে সরকারী জায়গা দখলকরে স্থাপনা তৈরী করে থাকতে পরবে না। পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম বলেন, এ জায়গাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের একোয়ারকৃত জায়গা। এখানে কিছু মানুষ দখল করে বহুল ভবন তৈরী করেছে। এখন সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গায় রাস্তা হবে। তারা তাদের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা ভেঙ্গে দিয়েছে। তবে কিছু স্থাপনা রয়েছে ১ মাস সময় চেয়েছে এর মধ্য তারা নিজেদের খরচে সরিয়ে নিবেন বলে তারা জানান।
পাইকগাছায় ভাড়াটিয়া দোকান মালিক সেজে ঘর দখলে ব্যার্থ: নিজের ঘর নিজেই বুঝে নিলেন।
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় ভাড়াটিয়া দোকান মালিক সেজে ঘর দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে শনিবার বিকালে দোকান মালিক শতশত মানুষ ও ব্যবসায়ী নের্তৃবৃন্দের উপস্তিতে তার ঘর বুঝে নিয়েছেন বলে দোকান মালিক জানিয়েছেন। এদিকে ভাড়াটিয়া জোরকরে ঘর দখলের অভিযোগ এনেছে।
দোকান মালিক জানান, পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি বাজারে দোকান শ্রেনীতে ০.০৩ একর জমি ১ আনা অংশে উত্তর সলুয়া গ্রামের আঃ জব্বার সরদারের স্ত্রী রোকেয়া খাতুন এর নামে রেকর্ড প্রকাশিত হয়। পরে ওই জমি বাজার পেরিফেরী ভুক্ত হলে রেকর্ডীয় মালিক রোকেয়া খাতুন সরকারের নিকট থেকে ডিসি আর গ্রহণ করে সন সন ইজারা প্রদান করিয়া ভোগ দখলে রয়েছেন। এদিকে তালা থানার গংগারাম পুর গ্রামের বিপ্রদাস দেবনাথ ব্যবসা করার জন্য ১৪২১ সালের ১ ফাল্গুন থেকে ১৪২৮ সালের ৩০মাঘ মাস পর্যন্ত লিখিত চুক্তিবদ্ধ হয়। কিন্তু পেরিফেরীভুক্ত জমি দেখে সুচতুর বিপ্রদাস নিজের নামে ডিসি আর নেওয়ার জন্য গোপনে সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসে আবেদন করে। এ ঘটনা জানতে পেরে দোকান ঘর মালিক তাকে দোকান ঘর ছাড়তে বলে। এদিকে স্থানীয় তফসিলদার ও বনিক সমিতির প্রতি বেদন ও পূর্ব রেকর্ডীয় মালিক পর্যালোচনায় বিপ্রদাশ এর আবেদন খারিজ করে পূর্ব ইজারা গ্রহিতা রোকেয়া খাতুনের নামে কর খাজনা গ্রহণ করে ইজারা প্রদান করে। তখন বিপ্রদাশ এডিসি রেভিনিউ খুলনায় আপিল করলে সেখানে তার আবেদন খারিজ করে দেয়। এত ঘটনার পর ও বিপ্রদাস দোকান ঘর অবৈধভাবে দখলে রাখার চেষ্টা করলে কপিলমুনি বনিক সমিতি, স্থানীয় প্রশাসন ও গন্য মান্য ব্যক্তি বর্গের মধ্যস্থতায় তার মালামাল বের করে দোকানের মালিককে তার দোকান ঘর বুঝে নেয় বলে তিনি জানান। ভাগাটিয়া বিপ্রদাশ বলেন দোকান মালিকের লোকজন আমাদের মারপিট করে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। ঘরমালিক এটি অস্বীকার করে বলেন শতশত মানুষের উপস্থিতে তাদের মালামাল বুঝে দেয়া হয়েছে।মারপিটের কোন ঘটনা ঘটেনি। ওসি জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ঘটনা শুনেছি, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয় পক্ষকে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম বলেন, ঘটনা শুনেছি, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উভয় পক্ষকে কাগজ পত্র সহ ৬ মার্চ হাজির হওয়ার জন্য বলা হয়েছে।











































