খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
বঙ্গোপসাগরের সেন্টমার্টিনের পূর্ব পাশ থেকে মাছ ধরার সময় চারটি ট্রলারসহ ২২ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী। শনিবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে এসব মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যায় তারা। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ। ট্রলার মালিকরা হলেন, সেন্টমার্টিনের মোহাম্মদ আজিম, নুরুল আমিন, হোসেন আহমদ ও মোহাম্মদ ইউনুস।
ট্রলার মালিক নুরুল আমিন জানান, আমার ট্রলারসহ চারটি ফিশিং ট্রলার আটক করে নিয়ে যায় মিয়ানমারের নৌ–বাহিনী। ওই ট্রলারে ছয় মাঝিমাল্লা ছিলেন। মাঝিমাল্লাসহ ট্রলারটি ছাড়িয়ে নেওয়ার জন্য তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিনিয়ত মিয়ানমার নৌবাহিনী বাংলদেশের ট্রলার ধরে নিয়ে মোটা অংকের মুক্তিপণ আদায় করে ছেড়ে দেয় বলে জানান তিনি। তিনি আরো জানান, আমি সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড ও বিজিবি বরাবরে লিখিতভাবে আবেদন দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছি।
ট্রলার মালিক মো. আজিম জানান, সকালে সেন্টমার্টিনের পূর্ব দিকে এপারে ঢুকে তার মাছ ধরার ট্রলারটি নিয়ে যায় মিয়ানমার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ট্রলারে ছয়জন জেলে ছিলেন। এছাড়া আরো তিনটি ট্রলার নিয়ে গেছে। ঘটনাটি বিজিবি ও কোস্ট গার্ডকে জানানো হয়েছে।
সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, মিয়ানমারের নৌ–বাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনে জেলেদের সংগে আলাপ হয়েছে। জেলেরা জানিয়েছে, তাদের নৌ–বাহিনীর জাহাজে তুলেছে এবং ট্রলারগুলো জাহাজে বেঁধে রেখেছে। এখন মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে। টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)পারভেজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি তিনি অবহিত হয়েছেন। এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে।











































