আলমগীর হোসেন, কেশবপুর প্রতিনিধি ।।
কেশবপুরে এক দিনে পাগলা কুকুরের কামড়ে শিশু ও নারীসহ ৮ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার পৌরসভার মধ্যকুল, হাবাসপোল ও ভোগতী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কুকুর মানুষের পাশাপাশি এলাকার ছাগল, হাঁস ও মুরগি কামড়িয়ে আহত করছে।
এলাকাবাসি জানায়, গত শুক্রবার সকাল থেকে পৌরসভার মধ্যকুল, হাবাসপোল ও ভোগতী এলাকায় একটি পাগলা কুকুর শিশু ও নারীসহ ৮ জনকে কামড় দেয়। আহতরা হলেন- মধ্যকুল এলাকায় মকছেদ আলী মোড়লের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৩৫), ওসমান বিশ্বাসের ছেলে তারেক (১৪), মেম্বার আব্দুর রহিমের ছেলে রাকিব হোসেন (২৫), রহমতের স্ত্রী নাছিমা খাতুন (৪০), মৃত হাফিজুর রহমানের স্ত্রী শিউশী বেগম (৩২), শঙ্কর কুমারের ছেলে সত্যজিত (২২), হাবাসপোল গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের স্ত্রী বিউটি বেগম (৩০) ও ভোগতী গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে মুস্তাকিন (৪)।
পরে গ্রামবাসির গণপিটুনিতে ওই পাগলা কুকুরটি মারা যায়। এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলমগীর বলেন, আহতরা হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের জলাতঙ্ক প্রতিষেধক টিকা দেওয়া হয়েছে।
বিগত কয়েক বছর ধরে বেওয়ারিশ কুকুর নিধনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় কেশবপুরের সর্বত্র ব্যাপকহারে কুকুরের প্রাদূর্ভাব দেখা দিয়েছে। দলবদ্ধ হয়ে কুরের পাল দাপিয়ে বেড়াচ্ছো দিনরাত শহর থেকে গ্রামের প্রতিটি অলিগলিতে। সন্ধ্যার পর থেকে এদের চলাচলা বেড়ে যায়। মানুষ দেখলে হামলে পড়ে দলবদ্ধভাবে।
কেশবপুরের হাসপাতাল মোড়, ভোগতি কালারবাসা মোড়, মধ্যকুলের ময়লা ফেলার জায়গাসহ শহর ও গ্রামের অধিকাংশ সড়ক সন্ধ্যার পর কুকুরের দখলে চলে যায়। অনেকে জানান, তারা ভয়ে হাতে লাঠি নিয়ে রাতে চলাচল করছেন। মটরসাইকেল চালকরা জানিয়েছেন, চলন্ত মটরসাইলে বিকট শব্দ করে কুকুররা হামলে পড়ে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম আরাফাত হোসেন জানান, কুকুর মারার ব্যাপারে হাইকোটের নিষেধ রয়েছে। কামড়ানোর বিষয়টি জানতাম না। এখন প্রাণী সম্পদ বিভাগ জানাবো যাতে তারা কুকুরের ভ্যাকসিন দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করে।











































