0 খবর বিজ্ঞপ্তি
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার। তিনিই জাতির সঙ্কটময় মুহূর্তে বার বার দাঁড়িয়েছেন নির্ভয়ে, মাথা উঁচু করে। বিপর্যস্ত জাতিকে রক্ষা করেছেন সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিয়ে। ১৯৭১ সালের উত্তাল মার্চে জিয়াউর রহমানের কণ্ঠে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিশেহারা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার সাহস জুগিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা, বহুদলীয় গনতন্ত্রের প্রবর্তক বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের স্থপতি ও আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষে মঙ্গলবার (২৫ মে) বেলা ১২ টায় প্রস্তুতি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি আরও স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েই তিনি ক্ষান্ত থাকেননি, দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য হানাদারদের বিরুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার এ অতুলনীয় ভূমিকা ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে।
সভায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচির আলোকে ৩দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। কর্মসূচি’র মধ্যে রয়েছে ২৯ মে বিকেল ৩টায় খুলনা প্রেসক্লাব অডিটরিয়ামে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও জাতীয় স্থায়ী কমিটির নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহনে কেন্দ্রীয় ভার্চুয়াল আলোচনায় সভায় অংশগ্রহন। ৩০ মে সূর্যোদ্বয়ের সাথে সাথে সকল দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনর্মিতকরণ, কলো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ। সকাল সাড়ে ১০টায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া। বাদ জোহর থেকে বাদ এশা ওয়ার্ড পর্যায়ে দোয়া অনুষ্ঠান ও দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ। ৩১ মে থানা পর্যায়ে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান।
সভার শুরুতে অসুস্থ বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়, একই সাথে মহানগর বিএনপি নেতা মীর কায়সেদ আলী ও তার পরিবার, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলামসহ অসুস্থ সকল নেতাকর্মিদের রোগমুক্তি কামনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল গফ্ফার। সভায় বক্তব্য রাখেন এড. ফজলে হালিম লিটন, আরিফুজ্জামান অপু, মো. মাহবুব কায়সার, সিরাজুল হক নান্নু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, এড. গোলাম মওলা, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, এনামুল হাসান ডায়মন্ড, মো. আবু সাঈদ শেখ, আব্দুর রহমান, আবুল কালাম শিকদার। সভায় উপস্থিত ছিলেন রেহেনা ঈসা, স ম আব্দুর রহমান, শাহজালাল বাবলু, নজরুল ইসলাম বাবু, মহিবুজ্জামান কচি, মুজিবর রহমান, জালু মিয়া, সাদেকুর রহমান সবুজ, শেখ সাদী, নিজামুর রহমান লালু, শাহিনুল ইসলাম পাখি, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, মুর্শিদ কামাল, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মিজানুর রহমান মিলটন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, এড. মশিউর রহমান নান্নু, শরিফুল ইসলাম বাবু, ম শ আলম, তরিকুল ইসলাম সোহান, নাজির উদ্দিন নান্নু, আবুল কালাম জিয়া, শেখ ইমাম হোসেন, আহসাউল্লাহ বুলবুল, শেখ জামিরুল ইসলাম, হাসান মেহেদী রিজভী, বদরুল আনাম খান, আফসার উদ্দিন মাস্টার, কাজী আব্দুল লতিফ, শরিফুল আনাম, হাবিবুর রহমান বিশ্বাস, শাহাবুদ্দিন মন্টু, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, ইমতিয়াজ উদ্দিন বাবু, নাসির উদ্দিন খান, মোস্তফা কামাল, কাজী শাহনেওয়াজ নিরু, বাচ্চু মীর, আলমগীর হোসেন, ওমর ফারুক, আরমান হোসেন, মেহেদী হাসান সোহাগ, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, মশিউর রহমান খোকন, রিয়াজুর রহমান, কাজী মাহমুদ আলী, মুছা খান, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাজেদা খাতুন, মোহাম্মদ আলী, সিরাজুল ইসলাম লিটন, আরব আলী সরদার, কাজী ফজলুল কবির টিটো, খান মঈনুল হাসান মিঠু, ডা. ফারুক হোসেন, হুমায়ুন কবির, লিটু পাটোয়ারী, কাল্লু কোরাইশি, জাকারিয়া লিটন, শাকিল আহমেদ, তরিকুল আলম তুষার, নুরুল ইসলাম লিটন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রোকেয়া ফারুক, মাসুদ রেজা, মনিরুজ্জামান মনি, আবু তালেব, শরিফুল ইসলাম, কাজী শফিকুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, সাথী, কাকলী, এড. কামরুন্নাহার হেনা, এম এ হাসান প্রমুখ।
মহানগর বিএনপি নেতা শেখ আমজাদ হোসেনের ইন্তেকাল: শোক
খুলনা মহানগর বিএনপির সম্মানিত যুগ্ম সম্পাদক ও খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শেখ আমজাদ হোসেন মঙ্গলবার (২৫ মে) দুপুরে নগরীর একটি বেসরকারী হাসপাতালে লাইফ সার্পোটে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহ…রজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন লিভার জনিত রোগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নেতা হিসেবে বিএনপি গঠন ও দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে বিরোচিত ভূমিকা পালনকারী কারা নির্যাতিত শেখ আমজাদ হোসেন সৎ সাহসী নিষ্ঠাবান ও কর্মীবান্ধব নেতা ছিলেন। তিনি ফুলবাড়ী গেট বাজার সমিতিসহ বহু সামাজিক সংগঠনের সাথে কাজ করেছেন।
মঙ্গলবার বাদ মাগরিব মরহুমের নামাজে জানাজা যোগীপোল রেল ক্রসিং এর পার্শ্বে ঈদ গা মাঠে অনুষ্ঠিত হয় এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে বিএনপি নেতা শেখ আমজাদ হোসেন এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, শেখ আমজাদ হোসেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
১৬নং ওয়ার্ড তাঁতী দলের সদস্য আবুল কাশেম এর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল
১৬নং ওয়ার্ড তাঁতী দলের সদস্য মরহুম আবুল কাশেম এর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৫ মে) বাদ আসর রায়েরমহল আল মদিনা জামে মসজিদে এ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর তাঁতী দলের আহবায়ক মোহাম্মদ আবু সাঈদ শেখ, সদস্য সচিব ম শ আলম, ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামিরুল ইসলাম জামিল, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, সেলিম বড় মিয়া, সৈয়দ হুমায়ুন কবির, লাভিন মোল্যা, দিদারুল ইসলাম, ইয়াসিন আরাফাত রুবেল, বেলাল শেখ, হাবিবুর রহমান, মো. রবি মোল্যা, মোল্যা আবুল হাসান, শেখ শাহিন, খান মারুফ প্রমুখ।











































