Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চলের খবরা খবর

41

ফুলতলায় পুকুরে ডুবে শিশুর করুণ মৃত্যু

ফুলতলা প্রতিনিধি

মাহিম সরদার (৮) নামে এক শিশু পুকুরের পানিতে ডুবে করুন মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনাটি ঘটে বুধবার দুপুরে ফুলতলার মুক্তেশ্বরী এলাকায়। সে এলাকার ইমরান সরদারের পুত্র। এলাকাবাসী জানায়, মাহিম প্রতিবেশী আরও ৪ /শিশুর সাথে পার্শ্ববর্তী একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। সবাই ডুব সাতাতে মত্ত হয়ে সবাই উঠে আসলেও মাহিমকে আর পাওয়া যায়নি। পরে পুকুর থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

জেলখানা ঘাটে জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জামালের মাস্ক লিফলেট বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ

গতকাল বিকাল ৪টায় জেলখানা ঘাটে মহামারী করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে জনসাধারণের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাস্ক লিফলেট বিতরণ করেণ খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জেলা যুবলীগ সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান জামাল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের বন পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শাহ আলম, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য শিউলি সরোয়ার, মোঃ জামিল খান, জেলা যুবলীগ নেতা সরদার জাকির হোসেন, বিধান চন্দ্র রায়, রেজাউল ইসলাম রেজা, জহির রায়হান, মোঃ ফারুক মাস্টার, চঞ্চল রায় প্রমুখ।

রূপসায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় কম্বাইট হারভেস্টার রিফার (ধান কাটা) মেশিন প্রদান

রূপসা প্রতিনিধি

রূপসা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকী করণ শির্ষক প্রকল্পের আওতায় ৫০% ভর্তুকি মূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি (কম্বাইট হারভেস্টার রিফার মেশিন) বিতরণ অনুষ্ঠান গত ২৮ এপ্রিল দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত হয়। রিফার মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কামাল উদ্দিন বাদশা। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) খান মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ ফরিদুজ্জামানের পরিচালনায় বিষেশ অতিথি ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বাপী কুমার দাস, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফ হোসেন, কৃষি সম্প্রসারন অফিসার শিউলি মজুমদার, এস এম ফেরদৌস, সহকারি মাধ্যমিক শিা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোরশেদুল আলম বাবু, এমপির প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ নোমান ওসমানী রিচি, সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা অহিদুজ্জামান মিজান, এসিআই মটরস্ এর মার্কেটিং ম্যানেজার অপূর্ব কুমার সাহা, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মমতাজ উদ্দিন, আঃ রহমান, রাম প্রসাদ বালা, হিমাংশু, হিমাদ্রি বিশ্বাস, জিহাদুল ইসলাম, মোঃ সোহেল রানা, যুবলীগ নেতা আঃ মজিদ শেখ, বাদশা মিয়া প্রমূখ। উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের দেয়াড়া গ্রামের কৃষক মোঃ আজমির হোসেনকে এসিআই মটরস্ খুলনা জেলা হতে ইয়ানমার কম্বাইট হারভস্টার অএ৬০০অ মডেলের (ধান কাটা) মেশিনটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় প্রদান করা হয়।

ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ দাদার বিরুদ্ধে

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুরে ছয় বছরের শিশু নাতনিকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়ে বৃদ্ধ দাদার বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে বৃদ্ধ আব্দুল বারিক সরদারের (৬০) বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। অভিযুক্ত আব্দুল বারিক উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের মৃত গহর আলী সরদারের ছেলে। তিনি সম্পর্কে শিশুটির প্রতিবেশী দাদা। ঘটনার পর থেকে বৃদ্ধ পলাতক রয়েছেন।

এদিকে বুধবার আদালত শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। শিশুটি তার উপর নির্যাতনের বর্ণনা আদালতে তুলে ধরেছে বলে নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাহাবুল আলম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানাগেছে, সোমবার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে বাড়িতে স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে কৌশলে শিশুটিকে নিজ ঘরে নিয়ে যান আব্দুল বারিক সরদার। এরপর খাটের উপর শুইয়ে তাকে ধর্ষণ চেষ্টা করেন। শিশুটি চিৎকার দিতে চাইলে বৃদ্ধ তার মুখ চেপে ধরেন। পরে শিশুটি তার মায়ের কাছে ঘটনার বর্ণনা দেয়।

অভিযোগ রয়েছে, বৃদ্ধর দুই ছেলে প্রবাসে রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে বিষয়টি চাপা দিতে মরিয়ে হয়ে পড়েছেন তিনি। প্রাথমিকভাবে কয়েকজন নামধারী সাংবাদিকসহ স্থানীয় প্রভাবশালীরা তার কাছ থেকে আার্থিক সু্বধিা নিয়ে বৃদ্ধকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

মণিরামপুর থানার এসআই সাহাবুল আলম বলেন, ছয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আদালত শিশুটির জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। অভিযুক্ত বৃদ্ধ পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ফকিরহাটে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জেল জরিমানা

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে ভ্রাম্যমান আদালতের পৃথক অভিযান চালিয়ে ১জন ভূয়া দন্ড চিকিৎসককে ১মাসের কারাদন্ড ২০হাজার টাকা জরিমানা করেছে। অপর এক অভিযানে শিকদার ক্লিনিককে নানা অনিয়মের অভিযোগে ২টি ধারায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। বুধবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট আরাফাত সিদ্দিকী ও  নির্বাহী ম্যাজিষ্টেট রাকিব হাসান চৌধুরী নের্তৃত্বে ফকিরহাট সদরের অনুপমা ডেন্টাল কেয়ারে এবং শিকদার ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করেন। ভূয়া দন্ড টিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে দন্ত চিকিৎসক না হয়েও চেম্বার খুলে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দন্ত চিকিৎসা দিয়ে আসছিল। অন্যদিকে শিকদার ক্লিনিকে সার্বক্ষনিক মেডিকেল অফিসার না থাকায় ৩জন ডিপ্লোমাধারী সেবীকা না থাকায় ্ওই ক্লিনিককে অর্থদন্ড করেন। ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আরাফাত সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে সে সংগীয় ফোর্স নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে ভুয়া দন্ত চিকিৎসক এম এম কুদ্দুুসকে ২টি ধারায় ১মাসের জেল ২০হাজার টাকা জরিমানা করেন। অপরদিকে শিকদার ক্লিনিককে ২টি ধারায় ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেন।

ফকিরহাটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা

ফকিরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের ফকিরহাটে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২১ উদযাপন উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পুষ্টি বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে বুধবার সকাল ১১টায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: অসিম কুমার সমাদ্দার। ‘খাদ্যের কথা ভাবলে, পুষ্টির কথাও ভাবুন’ এই শ্লোগানকে সামনে তুলে ধরে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। উপজেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর দেবরাজ মিত্রের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডা: মনোজ কুমার মালাকার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার সৈয়দ আলতাফ হোসেন টিপু, বীর মুক্তিযোদ্ধা, অমর কৃষ্ণ দাশ, সুবীর কুমার মিত্র, বিশ্বাস মতিউর রহমান, গোলাম ছরোয়ার প্রমূখ।

বটিয়াঘাটায় আবাদী জমিতে বড় বড় কলকারখানা আবাসিক স্থাপনা গড়ে ওঠায় স্থাপনা আইন উপেক্ষিত

বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি

বটিয়াঘাটা উপজেলায় আবাদী জমিতে বড় বড় কলকারখানা আবাসিক স্থাপনা গড়ে ওঠায় আবাদী জমিতে স্থাপনা আইন উপেক্ষিত  হয়েই চলেছে। ফলে দিনে দিনে স্থানীয় ভাবে যেমন কৃষি আবাদ কমে যাচ্ছে অন্যদিকে তেমনি ফসলি খাদ্য ঘাটতির সমূহ সম্ভাবনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, মহানগরী খুলনার প্রবেশদ্বার নদীবেষ্টিত কৃষি প্রধান জীবন-জীবিকা নির্ভরর্শীল বটিয়াঘাটা এ  উপজেলায় আবাদী জমিতে স্থাপনা নির্মাণ আইন চরমভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। সবচেয়ে বেশী লঙ্ঘিত হচ্ছে উপজেলার জলমা ইউনিয়নের মহম্মদনগর, জিরোপয়েন্ট, লবনচরা, সাচিবুনিয়া, নিজখামার, হরিনটানা, মাথাভাঙ্গা, পুঁটিমারী, কৈয়াবাজার, ঘোলা, রাঁজবাঁধ-হোগলাডাঙ্গা এলাকায়। শুধু তাই নয়, উপজেলার গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের বরনপাড়া, কাতিয়ানাংলা, দেবীতলা ফুলতলা এলাকা রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থানে। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাটবাটী, হোগলবুনিয়া, হেতালবুনিয়া, কিসমত ফুলতলা, শোলমারী, বাদামতলা, মাইলমারা এলাকা। অপরিকল্পিত ভাবে অবৈধ পন্থায় বালু ভরাট করে বাড়ি ঘর শিল্পকারখানা গড়ে তোলায় আবাদী জমির পরিমাণ দিনের পর দিন কমেই চলেছে আশংকাজনক ভাবে। আবাদী জমি নষ্ট করে কোন শিল্প কারখানা ইমারত তৈরী করা যাবে না সরকারের এমনি নির্দেশনা থাকলেও তোয়াক্কা করছে না কেউ। শুধু তাই নয়, সরকারী সৈয়দপুর ট্রাষ্টের  খাস খাল এখন ওই সকল অবৈধ প্লট ব্যবসায়ী এবং দখলদারদের দখলে। বিগত পাঁচ বছর ধরে সব স্থানে প্লটিং  করে জমি বিক্রি করে অধিক মুনাফা লাভের আশায় কতিপয় অসাধু ব্যক্তি কেডিএ এর পূর্বানুমতি ছাড়াই  সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কৃষি জমিকে অকৃষি দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ, কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। শুধু তাই ওই একই সাথে তাঁরা সরকারী সকল খাঁস খালে  বালু ভরাট করে কৃত্রিম পথ বানিয়েও তারা গ্রাহকদের কাছে বিক্রি করছে। অবৈধ ওই সকল প্লট ব্যবসায়ীদের নেই কোন কেডিএ, সিটি কর্পোরেশন কিংবা উপজেলা পরিষদ স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদের প্লট ব্যবসার অনুমতি। নেই কোন ইনকাম ট্যাক্সের সনদ ট্রেড সনদ। একটি সূত্র জানায়, মহানগরীতে জমির মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় জনবসতি বেড়ে যাওয়ায় অসাধু ওই সকল ভূমি ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে অনেকেই  অপেক্ষাকৃত কম দামে বাড়িঘর শিল্প কারখানা গড়ে তুলতে সক্ষম হওয়ায় শহর সংলগ্ন  কৃষি প্রধান উপজেলার দিকে ঝুঁকে পড়ছে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে যদি সরকারী নীতিমালা বাস্তবায়িত না হয় তাহলে অচিরেই যে উপজেলার আবাদী জমির শ্রেণী পরিবর্তন হয়ে কৃষি জমি থেকে অকৃষি জমিতে পরিবর্তন হয়ে এলাকায় চরম খাদ্য সংঙ্কটে পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই। উপজেলা কৃষি  দপ্তর সূত্রে জানা গেছে,  ২০১৫ সালে উপজেলায় আবাদী জমির পরিমান ছিল ১৯ হাজার ৯২৫ হেক্টর।  বর্তমানে  ২০২০ সালে ২০৪ হেক্টর কমে  তা এসে দাঁড়িয়েছে  ১৯ হাজার ৭২১ হেক্টর  জমিতে। পরিসংখ্যান জরিপে দেখা যায়, এভাবে যদি থাকে আগামী কয়েক বছরে যে উপজেলা থেকে কৃষি জমি একেবারেই বিলীন হয়ে যাবে তা কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র। অসাধু সুযোগ সন্ধানী ওই সকল ব্যক্তিদের সরকারী নিয়মনীতি আইনের প্রতি দিনের পর দিন বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন  এবং সরকারী খাস খাল জলাশয় বালুভরাট করে পথ নির্মান করে কৃষি জমি কেঁনা-বেঁচা করায় কালে কালে পয়ঃনিস্কাশন সেচ পথ  বন্ধ  হওয়ার উপক্রম হয়েছে। ফলে কৃষক তাঁর মেহনত জমির উপর প্রয়োগের  পরেও কষ্টার্জিত ফসল ঘরে তুলে আনতে না পারায় বাধ্য হয়েই অসাধু ওই সকল জমির দালালদের ডাকে অধিক দামে জমি ক্রয়-বিক্রয় করতে বাধ্য হচ্ছে। অন্যদিকে আবাদী জমি সলকুচিত হওয়ার অন্যতম  কারন হলো রেললাইন নির্মান, আবাসস্থল নির্মান কলকারখানা স্থাপন। অথচ আবাদী জমিতে  অবৈধ ভবন ,কল-কারখানা যাতে গড়ে না ওঠে তা দেখার জন্য একটি কমিটিও রয়েছে কিন্তু সারা দেশের ন্যায় উপজেলাতেও। সরকারী নির্দেশনার প্রতি কমিটির নিষ্কিয়তার কারন ও  কোন নজর না দেওয়ার কারনেই হাজার হাজার পাকাভবন, শিল্প কল কারখানা স্থাপিত হচ্ছে। শুধু জলমা ইউনিয়ন নয়, খুলনা-চালনা সড়কের পাশ দিয়ে অসংখ্য শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে অনেকের কৃষি জমিকে অকৃষি দেখিয়ে সরকার থেকে অনুমোদন নিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে গেলেও কারো করো আবার কোন প্রকার কোন অনুমতি নেই বললেই চলে। এখানেই শেষ নয়,ামিরপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর,াইনতলা, নারায়নপুর, খাঁরাবাদ বইনতলা, কড়িয়া, ভান্ডারকোর্ট ইউনিয়নের কুঁটির হাট, সাঁদালবাজার  এলাকায়ও আবাদী জমি ভরাট করে প্লটিং ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ীরা। আবাদী জমি দখল করে ইমারত শিল্প কারখানা গড়ে ওঠায় আবাদী জমি নষ্ট হয়ে ফসল হানির ব্যাপারে উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভুমি) মোঃ আব্দুল হাই সিদ্দীকীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আবাদী জমি দখল করে কোন কিছু নির্মান করা যাবে না বলে সরকারী আইন রয়েছে। কিন্তু পরিলক্ষিত হচ্ছে কিছু কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফা লাভের আশায় কাজটি করছেন। আইন চির বিদ্যমান ছিলো আছে এবং থাকবে। যিঁনি কিংবা যে ডাকে সাঁড়া দিচ্ছেন আজ হোক আর কাল হোক ধরা খেতেই হবে। সুতরাং জেনে শুনে, সরকারী নীতিমালা জেনেই জমি ক্রয়- বিক্রয় করা উচিৎ। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, বিষয়টি নিয়ে আমি  একাধিক ভূক্তভোগীদের সাথে আলাপ করে ব্যক্তিগতভাবে অবগত হয়েছি, আসলেই ঘটনাটি এলাকাভিত্তিক  উদ্বেগজনক। আমি আইনগতভাবে বিষয়টি  দেখবো।

বাগেরহাটে পুলিশের কাছ থেকে পালিয়ে যাওয়া আসামী গ্রেফতার

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে হাজত খানার সামনে থেকে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া আসামী হাফিজুর রহমান ওরফে শিপন (২৯)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।বুধবার (২৮ এপ্রিল) ভোরে বাগেরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ মোংলা থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে। এর আগে ২৫ এপ্রিল বিকেলে বাগেরহাট কোর্ট পুলিশের হাজত খানার সামনে থেকে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়েছিল হাফিজুর রহমান ওরফে শিপন।

গ্রেফতার হাফিজুর মোংলা উপজেলার কানাই নগর গ্রামের আবু বক্কর খা‘ছেলে। একটি চুরির মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হাফিজুর রহমানকে একদিনের রিমান্ডে নিয়েছিল মোংলা থানা পুলিশ।

বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর শাফিন মাহমুদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুর এলাকায় শিপনের এক নিকট আত্মীয়ের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করার প্রক্রিয়া চলছে।

বাগেরহাটে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বোরো ধান সংগ্রহ শুরু

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বোরো ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে।বুধবার (২৮ এপ্রিল)দুপুরে বাগেরহাট জেলা খাদ্য গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আ.ন.ফয়জুল হক। এসময়, বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ মোছাব্বেরুল ইসলাম, বাগেরহাট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল হাকিম, বাগেরহাট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনোতোষ কুমার মজুমদার, মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমানসহ ধান বিক্রেতারা উপস্থিত ছিলেন।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আ.ন.ফয়জুল হক বলেন, বাগেরহাটে সরকারের জারি করা নিয়ম অনুযায়ী খাদ্য শস্য সংগ্রহ করা হবে। ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোন প্রকার অনিয়ম সহ্য করা হবে না। ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে কোন অনিয়মের অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

২০২১ সালের বোরো মৌসুমে বাগেরহাট জেলার মোংলা ছাড়া অন্য ৮টি উপজেলা থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে হাজার ৫‘৩০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ফকিরহাট সদর উপজেলায় এ্যাপস-এর মাধ্যমে হাজার ৮‘৮৩ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হবে। অন্যান্য উপজেলায় কৃষকদের প্রদত্য কৃষি কার্ড দিয়ে লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কৃষকদের কাছ থেকে নির্ধারিত ধান সংগ্রহ করা হবে।

বাগেরহাটে করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ থেকে বঞ্চিত ২২ হাজার নিবন্ধনকারী

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটে করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহনকারী ২২ হাজার নিবন্ধনকারীর দ্বিতীয় ডোজ গ্রহন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।নির্ধারিত সময়ে এসে টিকা দিতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন নিবন্ধনকারীরা।বুধবার (২৮ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল করোনা টিকা দান কেন্দ্রের দ্বিতীয় ডোজ শেষ হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

বাগেরহাট জেলায় প্রথম ধাপে ৫৪ হাজার ৭‘৮৪ জন নিবন্ধনকারী টিকা দিয়েছিল।দ্বিতীয় ধাপে ৩২ হাজার নিবন্ধনকারী টিকা গ্রহন করেছেন। এই হিসেবে এখনও ২২ হাজার টিকা গ্রহনকারী দ্বিতীয় ডোজ গ্রহনের অপেক্ষায় রয়েছেন।তবে সরকার থেকে পাওয়া পাওয়া দ্বিতীয় ডোজ শেষ হওয়ায় অনিশ্চিয়তায় পড়েছেন নিবন্ধনকারীরা।

দুপুরে বাগেরহাট সদর হাসপাতালের নব নির্মিত ১৫০ শয্যা ভবনের সামনে টিকা গ্রহন প্রত্যাশীদের জটলা দেখা যায়।নির্ধারিত দিনে এসে টিকা দিতে না পেরে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছেন অনেকে।

দুই বোন নিয়ে করোনার দ্বিতীয় ডোজ নিতে আসা গ্রাম্য চিকিৎসক আলিমুজ্জামান বলেন, নিবন্ধন করে প্রথম ডোজ দিয়েছিলাম। আজকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার তারিখ ছিল। দুই বোনকে নিয়ে আসছি টিকা দিতে।টিকা শেষ আমাদের আগে জানাত, তাইলে আসতাম। এই রোদের মধ্যে এসে ফিরে যাওয়া যে কত কষ্টের তা কিভাবে বুঝাব।

সায়ড়া গ্রাম থেকে টিকা নিতে আসা কে এম হুমায়ুন রেজা, ভারতী দাস, অসীত দাসসহ কয়েক জন বলেন, আজ আমাদের করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কথা ছিল। হাসপাতালে এসে দেখি টিকাদান কক্ষে কেউ নেই। রেডক্রিসেন্টের একটা ছেলে দেখি সামনে দাড়ানো। তার কাছে জানতে পারলাম টিকা শেষ। টিকা দিবে না আমাদের আগে জানিয়ে দিত। তাইলে আমরা আসতাম না।শুধু এরা নয় এরকম অভিব্যক্তি প্রকাশ করেছেন আরও অনেকে।

কর্তৃপক্ষের উদাসিনতায় টিকা গ্রহনকারীরা এমন ভোগান্তিতে পড়েছে বলে দাবি করেছেন শহরের রিংকু পাল নামের এক নারী।

বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির বলেন, করোনা টিকাদান কার্যক্রম শুরুর সাথে সাথে আমরা খুব আন্তরিকতার সাথে প্রথম ডোজের টিকাদান কার্যক্রম শেষ করেছি। প্রথম ধাপে আমরা ৫৪ হাজার ৭‘৮৪ জনকে টিকা দিয়েছি। দ্বীতিয় ধাপে আমরা ৩৬ হাজার ডোজ টিকা পেয়েছিলাম। এর মধ্যে প্রায় ৩২ হাজারের বেশি ডোজ টিকা প্রদান সম্পন্ন করেছি। আজকে সদর হাসপাতাল কেন্দ্রের টিকা শেষ হয়ে গেছে। আমরা টিকাদান কেন্দ্রের সামনে বড় ব্যানারে টিকা শেষ লিখে টানিয়ে দেওয়া হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও টিকা শেষের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দ্বিতীয় টিকা দিতে না পারলে হতাশ হওয়ার কিছু নেই।এই টিকা কিছুদিন পরেও নিলে কোন সমস্যা নেই।সরকার প্রদত্ত টিকা শেষ হওয়ায় আমি উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি।খুবই শীঘ্রই আমরা নতুন কিছু ডোজ পাব। আশাকরি তখন অবশিষ্ট সবাইকে টিকা প্রদান করতে পারব।

শৈলকুপায় ইজিবাইক-প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে নিহত

শৈলকুপা ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-

ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া সড়কের দুধসর নামক স্থানে বুধবার বিকালে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলো, শৈলকুপার ফুলহরি গ্রামের ফজলুর রহমানের স্ত্রী তহুরা খাতুন (২৫), একই উপজেলার গোকুলনগর গ্রামের ছবুর আলীর ছেলে তুহিন (২৮) রেনু খাতুন। দুর্ঘটনায় জন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে জনের অবস্থা গুরুতর। তাই নিহত’সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক মারুফ আক্তার জানান। দুর্ঘটনায় ইজিবাইকটি দুমড়ে মুচড়ে রাস্তার খাদে পড়ে যায়।

শৈলকুপা থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম জানান, বুধবার পৌনে বিকাল তিনটার দিকে শৈলকুপার দুধসর নামক স্থানে একটি প্রাইভেট কারের সঙ্গে ইজিবাইকের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই রেনু নামে এক মহিলা নিহত হন। সময় আহত হন জন।

শৈলকুপা দমকল বাহিনীর সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে তহুরা তুহিনের মৃত্যু ঘটে। হতাহতরা সবাই ইজিবাইকের যাত্রী বলে পুলিশ ধারণা করছে।

পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে: পরিবেশ মন্ত্রী

তথ্য বিবরণী

পরিবেশ, বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বিশ্ববাসীকে জলবায়ু পরিবর্তন, অভিযোজন গ্রিন হাউস নির্গমন কমিয়ে আনতে ব্যক্তিগত সামষ্টিকভাবে এগিয়ে আসতে হবে। পৃথিবীকে বাসযোগ্য করতে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী বুধবার বিশ্ব ধরিত্রী দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে ইয়ুথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এবং পরিবেশ হাওর উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক আয়োজিত ‘রোড টু গ্লাসগোঃ আমাদের পৃথিবীর পুনরুদ্ধার জলবায়ু সুরক্ষা’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সংলাপে ঢাকায় সরকারি বাসভবন হতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর এলাকা জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মিটার বেড়ে গেলে আমাদের দেশের ১৭ ভাগ ভূমি পানিতে তলিয়ে যাবে। এতে  প্রায় তিন কোটি মানুষ তাদের আবাসন হারাতে পারে। অথচ আমরা কোনোভাবেই এই জলবায়ু-সংকট সৃষ্টির জন্য দায়ী নই। এর জন্য দায়ী অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী উন্নত দেশসমূহ। তিনি বলেন, একটি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার জন্য ভূখন্ডের অন্তত ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল থাকা প্রয়োজন। সামাজিক বনায়নসহ বনায়ন কার্যক্রম দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণের ফলে দেশে বর্তমানে মোট বৃক্ষ আচ্ছাদিত ভূমির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এটিকে আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে ২৪ শতাংশ করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে সরকার।

মোঃ শাহাব উদ্দিন আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে পরিবেশ, বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সারা দেশে জনসাধারণের মধ্যে বিনামূল্যে এক কোটি বৃক্ষের চারা বিতরণ রোপণ করেছে।  তিনি বলেন, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা বিশ্বসভায় জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর স্বার্থরক্ষায় দীর্ঘদিন ধরে মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। জলবায়ু ক্ষতিগ্রস্ত ফোরাম (সিভিএফ) ভি২০- এর সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ বর্তমান এবং ভবিষ্যতে জলবায়ু সহিষ্ণুতা বৃদ্ধির কার্যক্রম জোরদার করতে কাজ করছে। 

পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান ড. কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ এর সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন নেদারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রিয়াজ হামিদুল্লাহ, পরিবেশ, বন জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান, একশন এইড বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির প্রমুখ।

টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমাদের ভাবনা শীর্ষক অনলাইন টকশো

ইলিয়াস হোসেন, তালা

বুধবার (২৮ এপ্রিল) ‘টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আমাদের ভাবনা’ শীর্ষক অনলাইন টকশো অনুষ্ঠিত হয়েছে। টেকসই বর্জ্য ব্যাবস্থাপনা সামাজিক উদ্যোগ আয়োজনে এবং উত্তরণ ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত টকশোতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন  সাতক্ষীরা পৌরসভার মেয়র তাজকিন আহমেদ চিশতি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা সরকারী মহিলা কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডঃ দিলারা বেগম সাতক্ষীরা পৌরসভার কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মোঃ ইদ্রিস আলী সাতক্ষীরার প্রথম আলো বন্ধু সভার সভাপতি মরিয়াম কেয়া। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এ্যকটিভ সিটিজেনস প্রতিনিধি তামান্না তানজীম।

উল্লেখ্য, একটিভ সিটিজেনস প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রিটিশ কাউন্সিল স্থানীয় তরুনদের নেতৃত্বে দক্ষতা বিকাশে বিগত দশক ধরে কাজ করে আসছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় তরুনদের দিনের দক্ষতা বিকাশের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে। প্রশিক্ষনের মাধ্যমে তারা স্থানীয় সমস্যা সমাধানের জন্য স্থানীয় সম্পদ ও  স্বেচ্ছাশ্রমকে কিভাবে কাজে লাগাতে পারে সে সর্ম্পকে জ্ঞান লাভ করে। বিগত বছরগুলোতে সরাসরি প্রশিক্ষণ আয়োজিত হলেও এবছর করোনা মহামারীর জন্য অনলাইনে প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণান্তে সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের তরুনরা সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সাঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ শুরু করেন।

মোড়েলগঞ্জের নিশানবাড়িয়ায় খাল খননের উদ্ধোধন করলেন এমপি

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়ার ইউনিয়নে বুধবার দুপুরে খাল খননের উদ্বোধন করা হয়েছে। বাগেরহাট-আসনের সংসদ সদস্য এ্যাড.আমিরুল আলম মিলন খাল খননের উদ্বোধন করেন।

জলাশয় সংস্কারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় মৎস্য প্রাণী সম্পদ মন্ত্রনালয়ের বাস্তবায়নে ইউনিয়নের ঘোপের খাল পুনঃখনন প্রকল্প উদ্ধোধন উপলক্ষ্যে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.দেলোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাচ্চু, বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় নির্বাচিত চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি অধ্যাপক হাফিজুর রহমান। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার বিনয় কুমার রায়

বাগেরহাট মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভা শেষে প্রধান অতিথি এ্যাড.আমিরুল আলম মিলন এমপি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে হাজার ফুট দীর্ঘ ঘোপের খাল পুনঃ খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। #

মোড়েলগঞ্জে ১৬ ইউনিয়নে মাস্ক দিলেন এমপি তন্ময় 

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

বাগেরহাট-আসনের সংসদ সদস্য শেখ সারহান নাসের তন্ময় এর পাঠানো মোড়েলগঞ্জে করোনা সচেতনতায় ১৬ টি ইউনিয়নে পেলেন মাস্ক।

বুধবার উপজেলা পরিষদের  আয়োজনে মাস্ক আনুষ্ঠানিকভাবে বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-আলম বাচ্চু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. দেলোয়ার হোসেন।

সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক মোজাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফাহিমা খানম, ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদ আলী, রিপন হোসেন তালুকদার, পারুল বেগম প্রমুখ।

উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. শাহ-আলম বাচ্চু বলেন, শেখ তন্ময় এমপির পাঠানো মাস্ক ইতোমধ্যে সদর ইউনিয়ন, বহরবুনিয়া, দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকি ইউনিয়নগুলোতে মাস্ক পৌছে দেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

মোড়েলগঞ্জে দৈবজ্ঞহাটীতে ৬০ জেলে পরিবার পেলেন ভিজিএফ’চাল

মোড়েলগঞ্জ প্রতিনিধি

জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ কালিন সময়ে বিরত থাকা জেলেদের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তায় মোড়েলগঞ্জে দৈবজ্ঞহাটীতে ৬০ জেলে পরিবার পেলেন দুই মাসের ৮০ কেজি ভিজিএফ’চাল।

বুধবার বেলা ১১টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে সামাজিক দূরাত্ব বজায় রেখে চাল বিতরণ করেন ইউপি সচিব শেখ জাহিদুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ট্যাগ অফিসার উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান, মৎস্যজীবী সমিতির সভাপতি মো. লোকমান হোসেন প্রমুখ।

সর্ম্পকে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বিনয় কুমার রায় বলেন, করোনা কালিন গৃহে অবস্থানকারি জেলে পেশার মানুষের জন্য বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী  ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তায় উপজেলায় হাজার ৮শ’ ৬৪ পরিবারের মাঝে ১১৪.৬০ মেট্রিকটন চাল বিতরণ করা হচ্ছে। পরবর্তীতে আরো মাসের চাল পাবেন আওতাধীন এসব জেলে পরিবার।

মণিরামপুরে তরমুজকান্ডে মাঠে এসিল্যান্ড

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি:

অবশেষে টনক নড়েছে মণিরামপুরে তরমুজ বিক্রেতাদের। বিভিন্ন গণমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখি তীব্র সমালোচনার পর কেজি দরে তরমুজ বিক্রি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন তারা। আজ (বুধবার) সকাল থেকে পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি করছেন এখানকার বিক্রেতারা।

এদিকে তরমুজ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নজরে আসার পর বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে বাজার তদারকিতে নামেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ দেবনাথ। তিনি তরমুজের দোকানি ক্রেতাদের সাথে কথা বলেন। এসময় তিনি বিক্রেতাদের কেজি দরে তরমুজ বিক্রি না করে পিচ হিসেবে বিক্রির নির্দেশ দেন।

এদিকে মাস্ক ব্যবহার না করায় এবং অধিক ক্রেতা সমাগম করার অপরাধে রাসেল স্টোর মামুন স্টোর নামে বাজারের দুই প্রসাধনী বিক্রেতাকে ৩০০ টাকা জরিমানা করেছেন এসিল্যান্ড।

আদালতের বেঞ্চসহকারী ফাহিম আল মোমিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তরমুজের দোকানিরা জানিয়েছেন তারা যে মোকাম থেকে তরমুজ আনেন সেখান থেকে কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করতে তাদের নিষেধ করা হয়েছে। যে কারণে আজ (বুধবার) সকাল থেকে তারা পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি করছেন। অভিযানের সময় কয়েকজন ক্রেতার সাথে কথা হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, পিচ হিসেবে ১৫০-২০০ টাকায় তরমুজ কিনছেন।

এসিল্যান্ড পলাশ দেবনাথ বলেন, গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হওয়ায় তরমুজের বাজার তদারকি করা হয়েছে। বিক্রেতারা আগ থেকেই পিচ হিসেবে তরমুজ বিক্রি শুরু করেছে। তাদের সতর্ক করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আবারো অভিযান চালানো হবে।

খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় করোনায় সাড়ে পাঁচশত পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ

তথ্য বিবরণী

খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে করোনায় সাড়ে পাঁচশত কর্মহীন পরিবারের মাঝে বুধবার দুপুরে দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন খুলনা-আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী। খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন এসব প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে দিঘলিয়া উপজেলার করোনায় কর্মহীন, দুস্থ, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সাড়ে পাঁচশত কর্মহীনের মাঝে চাল ১০ কেজি, এক কেজি ডাল, তেল ৫০০ গ্রাম, আলু দুই কেজি, পেঁয়াজ এক কেজি, চিনি ৫০০ গ্রাম,  দুধ ৫০০ গ্রাম সেমাই এক প্যাকেট বিতরণ করা হয়। জেলা প্রশাসক উপজেলায় বঙ্গবন্ধু কর্ণারের উদ্বোধন এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার উদ্বোধন করেন। পরে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন ঘরে ঘরে গিয়েও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি দিঘলিয়া উপজেলার আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় মানুষের মাঝে ১০ কেজি চাল, এক কেজি ডাল, তেল ৫০০ গ্রাম, দুই কেজি আলু, এক কেজি পেঁয়াজ, ৫০০ গ্রাম চিনি,  ৫০০ গ্রাম দুধ সেমাই এক প্যাকেট বিতরণ করেন।

খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপপরিচালক মোঃ ইকবাল হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ মারুফুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্যা মোঃ আকরাম হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলমসহ উপজেলার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য সেইফটি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

তথ্য বিবরণী

খুলনায় জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য সেইফটি দিবস উপলক্ষে আজ (বুধবার) সকালে অনলাইন জুম প্রযুক্তিতে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় অয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। দিবসটি পালনে এবারের প্রতিপাদ্য ছিলো ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ হোক সবার’

সভাপতির বক্তৃতায় জেলা প্রশাসক বলেন, শিল্পক্ষেত্রে শ্রমিকের নিরাপত্তা সবচেয়ে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে। নিজে নিরাপদ থাকলে একজন শ্রমিক সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। বিষয়ে মালিক-শ্রমিক সবাইকে আরও সচেতন হওয়া দরকার। সঠিক পদক্ষেপ নিয়ে কর্মক্ষেত্রে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।

অনুষ্ঠানের মুক্ত আলোচনায় বিভিন্ন শিল্প ক্ষেত্রে প্রতিনিধিরা যুক্ত হয়ে কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাঁদের গৃহীত পদক্ষেপ বিষয়ে সকলকে অবহিত করেন। সময় করোনাকালে শিল্প-কারখানায় প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রত্যেকের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ, হাত স্যানিটাইজ করা, মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে চলমান কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, করোনাকালে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয় খুলনা বিভাগের দুইশত শিল্পকারখানাকে বিশেষ গাইডলাইন প্রদান করেছে এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে পাঁচ হাজার লিফলেট পোস্টার বিতরণ করেছে।

কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় উপমহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) মোঃ আরিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিভাগীয় শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ মিজানুর রহমান, জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আবুল আলমসহ সরকারি কর্মকর্তা, ফ্রজেন ফুড অ্যসোসিয়েশন, জুট মিল, সিমেন্ট ফ্যক্টরির প্রতিনিধিসহ শিল্পখাত এনজিও প্রতিনিধিরা  অনলাইনে যুক্ত হয়ে আলোচনায় অংশগ্রহন করেন।

ইন্দুরকানীতে ভাতিজাদের ছুরিকাঘাতে চাচা গুরুতর আহত

ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ভাতিজাদের ছুরিকাঘাতে চাচা গুরুতর আহত হয়েছে। জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে উপজেলার বালিপাড়া ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের আবু তালেব জোমাদ্দার (৫০) তার চাচাতো ভাই কলারন গ্রামের কবির জোমাদ্দারের বাড়িতে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা ভাতিজা রমজান জোমাদ্দার তার লোকজন নিয়ে চাচা আবু তালেবের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে মারধর করে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। এসময় আবু তালেবের স্ত্রী তাদের গাড়ি চালক বাধা দিলে তাদেরকে মারধর করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায়। পরে তাদের চিৎকার শুনে এলাকাবাসী এসে তাদেরকে উদ্ধার করে। গুরুত্বর আহত আবু তালেবকে প্রথমে পিরোজপুর সদর হাসাপাতালে নিয়ে গেলে কত্যর্বরত চিকিৎসক রাতেই তাকে উন্নত চিকিসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আহতের বোন স্থানীয় জেপি নেত্রী মোছাঃ আমেনা বেগম জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় কিছুদিন আগে আমার ভাই আবু তালেব রমজানদের নামে থানায় একটি মামলা করেন। এরই সূত্র ধরে মঙ্গলবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে তারা হামলা করে। ইন্দুরকানী থানার ওসি মো: হুমায়ুন কবির জানান, ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

দেশের সর্ববহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা মানছেন না কোন স্বাস্থ্যবিধি

বেনাপোল প্রতিনিধি

দেশে করোনার সংক্রমণ রোধে ভারতের সঙ্গে স্থলপথে যাত্রী চলাচল বন্ধ করলেও স্বাভাবিক রয়েছে দু’দেশের মধ্যে আমদানি রফতানি বানিজ্য। ভারতের সঙ্গে পণ্যবাহী ট্রাক বন্দরে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেয়া হলেও দেশের সর্ববহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা মানছেন না কোন স্বাস্থ্যবিধি। বন্দরটির ভেতরে ভারতীয় ট্রাক চালক হেলপাররা মাস্ক ব্যবহার করছেন না। ভারত থেকে মা¯ছাড়াই তারা পন্য বোঝাই ট্রাক নিয়ে প্রবেশ করছে বেনাপোল বন্দরে।

মাস্ক বিতরন ভারতীয় ট্রাকচালকদের স্যানিটাইজিং করারও কোনো উদ্যোগ নেই বন্দর র্কর্তৃপক্ষের। তবে সবচেয়ে বড় ভয়ের বিষয় হলো, ভারতীয় ট্রাকচালকরা বন্দরের ভেতর থেকে বেনাপোল বাজারে চলে আসছে লোকালয়ে অবাধে, যা থেকে করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে ভুগছেন বেনাপোলবাসী।

বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সাধারন সম্পাদক আলী হোসনে জানান, ভারতীয় ট্রাকচালকরা বন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মানছে না এবং বন্দর র্কর্তৃপক্ষেরও বিষয়টি তদারকিতে উদাসীনতা থাকায় বিষয়টি নিয়ে আমরা আতঙ্কিত। ভারতীয় ট্রাক চালাকরা বন্দরের সীমানা পেরিয়ে বেনাপোল বাজারে প্রবেম করছে কোন বাধা ছাড়াই। এছাড়া ভারত থেকে আসা যাত্রীদের জনবসতিপূর্ণ এলাকার হোটেলগুলোতে কোয়ারেন্টাইনে রাখার পর তারা খাবার কেনা সহ বিভিন্ন কারণে বাজারে এসে লোকালয়ে মিশে যাচ্ছে। যা এলাকাবাসীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।’

কাস্টমস কর্মকর্তাদের নিরাপদ রাখতে আমরা কাস্টমস অফিস বন্দর এলাকায় জীবাণুনাশক স্প্রে করছেন বন্দর ব্যবহারকারী সারথী এন্টার প্রাইজের মালিক মতিয়ার রহমান। ভারতীয় পেট্রাপোল বন্দর লাগোয়া কাস্টমস এন্ট্রি পয়েন্টে ভারতীয় ট্রাকড্রাইভার হেলপারদের বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার, হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কাস্টমস কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। তবে ট্রাক ড্রাইভারদের তাপমাত্রা নির্নয়ের কোন ব্যবস্থা নেই বন্দরে।

বেনাপোলের ওপারে আটকে থাকা ৩০০ যাত্রীর মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সারাদিন ১৪০ জন যাত্রী আজ বুধবার ১২০ জন বাংলাদেশী বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফিরেছেন। কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন অফিস থেকে এনওসি নিয়ে দেশে ফিরেছেন তারা। ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পর্যটন মোটেল সহ বেশ ক’টি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। তারা তাদের নিজ খরচে সেখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যšঅবস্থান করবেন।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি আহসান হাবিব জানান, কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশন অফিস থেকে এনওসি নিয়েছেন যারা তারাই দেশে ফিরেছেন গত দু’ দিনে ২৬০ জন যাত্রী দেশে ফিরেছেন। তাদের প্রত্যেককে বেনাপোলে বিভিণœ আবাসিক হোটেল পর্যটন কেদ্রে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

কভিড-১৯ সংক্রমণের মধ্যেও বহু বাংলাদেশি, যারা শুধু চিকিৎসার জন্য এই মুহূর্তে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে রয়েছেন। আবার অনেকেই রয়েছেন পড়াশোনার জন্য। সীমাšবন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকা পড়েছেন তারা। করোনা বাড়তে থাকায় উদ্বেগ তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। ওপারে আটকে থাকা যাত্রীদের মধ্যে বেশিরভাগ রোগী শিক্ষার্থী রয়েছেন। গত দুদিন ধরে আটকে থাকায় অনেকেই আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আবদুল জলিল জানান , বন্দরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ‘আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ না থাকায় পথে দুই দেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানি বন্দর থেকে পণ্য খালাস সচল রয়েছে।

থানায় নগর আ’লীগের মাস্ক সাবান বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

মহামারী করোনা প্রতিরোধে পাঁচ থানায় মাস্ক সাবান বিতরণ করেছে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ। গতকাল বুধবার দুপুর ১টায় দলীয় কার্যালয়ে খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এবং সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা এসকল মাস্ক সাবান বিতরণ করেন। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্টু, বীরমুক্তিযোদ্ধা শ্যামল সিংহ রায়, বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলাম বন্দ, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মফিদুল ইসলাম টুটুল, মো. মফিদুল ইসলাম টুটুল, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, এ্যাড. মো. সাইফুল ইসলাম, শেখ আবিদ হোসেন, মনিরুল ইসলাম বাশার, কাউন্সিলর ফকির মো. সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক রুনু ইকবাল, তসলিম আহেমদ আশা, মো. মোতালেব মিয়া, রনজিত কুমার ঘোষ, মো. সফিকুর রহমান পলাশ, এমরানুল হক বাবু, কাউন্সিলর রেকসোনা কালাম লিলি, আইয়ুব আলী খান, আলমগীর মল্লিক, জহির আব্বাস, মাহামুদুর রহমান রাজেস, ওমর কামাল সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

শহীদ শেখ জামালের জন্মদিন পালনে মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বুধবার দুপুর টায় মহানগর কার্যালয়ে জাতীর জনক শেখ মুজিবুর রহমানের ২য় পুত্র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত অফিসার, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের ৬৮তম জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু পরিষদ খুলনা মহানগর করোনা ভাইরাসের কারনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন পরিষদের খুলনা মহানগর সহ-সভাপতি কবি হাফিজুল ইসলাম, প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর সাধারন সম্পাদক এম আসাদুজ্জামান মুন্না, সভায় বক্তাগন বলেন শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল ১৯৫৪ সালে ২৮এপ্রিল গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। সংস্কৃতিক অঙ্গনে ছিল তার ব্যপক অবদান। তিনি একজন ক্রীড়াবিদও ছিলেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবারের সকল সদস্যদের সাথেও তিনি গৃহবন্ধী ছিলেন। পরে তিনি পালিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে নেতৃত্ব দেন। শেখ জামাল ধানমন্ডি থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পথ চলা শেষে ভারতের আগরতলা পৌছান এবং সেখানে মুজিব বাহিনীতে যোগদান করে প্রশিক্ষন শেষে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরে সম্মুখসমরে অংশ গ্রহন করেন শেখ জামাল ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক, চৌকস সেনা অফিসার, ১৯৭৫ সালের ১৫ইং আগষ্টের কাল রাত্রিতে পরিবারের সকল সদস্যদের সহিত খাতকদের বুলেটের আঘাতে শাহাদাত বরণ করেন। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মহানগর সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসমত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান খান, যুগ্ম সম্পাদক সোনাডাঙ্গা থানার সভাপতি ডা. হাফিজুর রহমান সোহেল, প্রভাঃ ইফফাত সানিয়া ন্যান্সি, আলিনুর হোসেন মাতুব্বর, মোঃ এনায়েত হোসেন, মোঃ রেজাউল করিম, মশিউর রহমান মিলন, হরিণটানা থানার সভাপতি মোঃ মহিদুল ইসলাম নান্নু, খালিশপুর থানার আহবায়ক কাজী হাসনাত হোসেন কমিট, লবনচরা থানার সভাপতি শারাফাতউল্লাহ স্বপন, ইঞ্জি. শান্তুনু বৈরাগী, বিশ্বজিত মন্ডল, আব্দুর জব্বার কমান্ডারসহ পরিষদের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

কৃষকের ধান কাটায় সহায়তা মহানগর কৃষক লীগের

খবর বিজ্ঞপ্তি

দেশে করোনা সংক্রমণের মধ্যে খুলনা অঞ্চলে শুরু হয়েছে ধান কাটার মৌসুম। সচরাচর ধান কাটার জন্য এপ্রিলের শুরুর দিকে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে দলবেঁধে শ্রমিকরা অঞ্চলে আসতে শুরু করেন। তবে এবার করোনার প্রভাব লকডাউনে প্রয়োজনীয় শ্রমিক আসেননি। ফলে শ্রমিকের অভাবে ধান কাটা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। শ্রমিক সংকটের কারণে ফসল তোলা নিয়ে দিশেহারা ক্ষুদ্র প্রান্তিক কৃষকরা।

রকম পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় কৃষক লীগের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার সকাল ১০টায় খুলনা মহানগর কৃষক লীগের আহবায়ক এ্যাডঃ কে এম শাহজাহান কচি সদস্য সচিব অধ্যা. এবিএম আদেল মুকুলের নেতৃত্বে জেলার লবণচরা থানাধীন লবনচরা মৌজায় বর্গাচাষী মহিউদ্দিন, জমির মালিক নিরাপদ মাষ্টার এর ১৪.০০ শতাংশ জমির ধান কাটতে সহযোগিতা করেন মহানগর ৩০ নং ওয়ার্ড কৃষক লীগের নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচিতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর কৃষক লীগের সদস্য মোস্তাকিম লালু, শেখ হারুন মানু, মো. শহিদুল হাসান, কানাই রায়, অনিক রায় ৩০ নং ওয়ার্ড কৃষক লীগের সভাপতি বাবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন, কৃষক নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন, মাছুদ পারভেজ, মো. সোহেল, মো. আবদুল্লাহ, রানা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

খুলনা মহানগর বিএনপির দোয়া মাহফিল আজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’চেয়ারপারসন, সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় খুলনা মহানগর বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মহিবুজ্জামান কচিসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সকল নেতাকর্মী দেশবাসির সুস্থতা কামনায় আজ (২৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার বাদ জোহর হেরাজ মার্কেট জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

উক্ত দোয়া মাহফিলে সকলকে উপস্থিত থাকার আহবান জানিয়েছেন মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনি।

যশোরের নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর রাজিবুলকে সংবর্ধনা

যশোর অফিস

যশোর পৌরসভার নং ওয়ার্ড হবে মাদক সন্ত্রাসমুক্ত। কলাবাগানপাড়ায় সন্ত্রাসী মাদক কারবারীদের কোনভাবেই রামরাজত্ব চলতে দেয়া হবে না। যেই মাদকের সাথে যুক্ত থাকবে তাকেই শাস্তির আওতায় আনা হবে। শান্তিপূর্ণ মডেল ওয়ার্ড গড়তে অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) নং ওয়ার্ডের কলাবাগানপাড়ায় এলাকাবাসীর পক্ষে যুবলীগনেতা কামরুল হাসান বিপ্লবের আয়োজনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নব-নির্বাচিত কাউন্সিলর রাজিবুল আলম সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে তিনি কথা বলেন।

শহর যুবলীগের সদস্য কামরুল হাসান বিপ্লবের সভাপতিত্বে তিনি বলেন, নং ওয়ার্ড হবে শান্তিময় ওয়ার্ড। এখানে দ্রুতই পানি নিষ্কাশন, ড্রেন, সংস্কার, খাল খননসহ নানামুখী উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করা হবে। সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলে ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভ হবে।

সময় বক্তব্য রাখেন শিক্ষক মিজানুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-ক্রীড়া সম্পাদক রাজু আহমেদ, সামজিক ব্যক্তি সানোয়ার হোসেন বকুল, হাশেম আলী, মাসুদুর রহমান, শহিদুল ইসলাম, তবিবর রহমান কালু শেখ। সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষে রাজিবুল আলম ৪০ জন অসহায় মানুষকে ঈদ উপহার হিসেবে লুঙ্গি দেন।

যশোরে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী দম্পত্তি আটক

যশোর অফিস

যশোরে আলোচিত মাদক ব্যবসায়ী বেগম ওরফে শাহানারা তার স্বামী মকবুল হোসেনকে হাফ কেজি (১১৫ পুরিয়া) গাঁজাসহ আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে কোতয়ালী থানার এএসআই মিরাজ শহরের শংকরপুরে ওই দম্পত্তির বসত ঘরের ওয়ার্ড ড্রপের ড্রয়ার থেকে ওই গাজা উদ্ধার করেন।

কোতয়ালী থানার এসআই হারুন অর রশিদ জানান, শহরের শংকরপুরের বেগম ওরফে শাহানারা বেগম একজন আলোচিত মাদক ব্যবসায়ি। মঙ্গলবার রাতে গোপন খবর পেয়ে তার নিজ ঘরে বসত ঘর থেকে ১১৫ পুরিয়া (হাফ কেজি গাজা উদ্ধার সহ তাকে আটক করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এর আগেও বেগম মাদকসহ আটক হয়েছে। তার নামে থানায় মাদক মামলাও রয়েছে।

আটক শাহানারা বেগম বলেন, আমি হাটতি চলতি পারি না, অচল মানুষ। একটু গাঁজা বিক্রি করে খাই। এমন কি অপরাধ করি আমি ? আমি অসুস্থ মানুষ  আমার জন্য একটু মায়া হলনা ? তার পরেও পুলিশ আমাকে ধরে আনলো !

ভারতফেরত ৪৩৯ বাংলাদেশি কোয়ারেন্টাইনে: করোনা পজিটিভ

যশোর অফিস

ভারতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সক্রিয় হওয়ায় দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। অবস্থায় সেদেশে চিকিৎসা বা জরুরি কাজে যাওয়া বাংলাদেশিদের অনেকে আটকা পড়েন। কলকাতার উপ-হাইকমিশনের বিশেষ অনুমতিতে তাদের মধ্যে অনেকে দেশে ফিরছেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেনাপোল পৌর এলাকার ৭টি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠিয়েছে প্রশাসন।

সীমান্ত বন্ধের পরে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ভারতে আটকে পড়া  ৪৩৯ জন বাংলাদেশি বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরেছেন ৬৭ জন। তবে আগত বাংলাদেশিদের মধ্যে তিনজন করোনা পজিটিভ আছেন। তারা ভারতে গিয়ে করোনা পজিটিভ হন।

নতুন করে পথে কোনো পাসপোর্টধারীর ভারত বাংলাদেশ ভ্রমণ এখন পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে।

এদিকে চিকিৎসা শেষে হাতে খরচের টাকা না থাকায় ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা সমস্যায় পড়েছেন। নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে অসহায় হয়ে দিন পার করছেন বলে জানা গেছে। তবে সরকারি নির্দেশনা মানতে তাদের বাধ্য হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে।                      

বেনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন, ভারত ফেরত বাংলাদেশিদের সবাইকে বেনাপোল বন্দর এলাকার ৭টি আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সেখানে সব খরচ যাত্রীদের বহন করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়া ফেরত আসা করোনা পজিটিভ বাংলাদেশিকে যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের রেড জোনে রাখা হয়েছে। বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, দূতাবাসের ছাড়পত্র থাকায় আটকে পড়া যাত্রীদের ৪৩৯ জন ভারত থেকে ফিরেছেন। ভারতীয় নাগরিক ফিরেছেন ৬৭ জন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাংলাদেশি কোনো পাসপোর্টযাত্রী নতুন করে ভারতে যাননি এবং কোনো ভারতীয় বাংলাদেশে আসেননি।

যশোরে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবক নিহত

যশোর অফিস

আরবপুর সড়ক দুর্ঘটনায় বাইসাইকেল আরোহি নিহত যশোর আরবপুর ক্যান্টনমেন্ট কলেজ গেট রেল ক্রসিং নামকস্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় কামাল হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি সদর উপজেলার ভেকুটিয়া কলোনী মোড় এলাকার বাসিন্দা।

সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১০ টার দিকে কামাল হোসেন বাইসাইকেল চালিয়ে বাড়ি থেকে আবরপুর মোড়ে আসছিলেন। পথিমধ্যে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ গেট রেল ক্রসিং এর সমানে পৌঁছালে তিনি বাইসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে পড়ে যান। সময় ইটবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

যশোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র হলেন অপু

যশোর অফিস

যশোর পৌরসভা প্যানেল মেয়র-নির্বাচনে যশোর পৌরসভার নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোকসিমুল বারী অপু নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর কবীর সুমন পেয়েছেন ভোট। এছাড়া প্যানেল মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন মহিলা কাউন্সিলার সংরক্ষিত- রোকেয়া বেগম ডলি। তিনিও পেয়েছেন ভোট। তার নিকটতন প্রতিদ্বন্দ্বী নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রাজিবুল আলম পেয়েছেন ভোট। ছাড়া প্যানেল মেয়র-নির্বাচিত হয়েছেন সংরক্ষিত আসন-এর কাউন্সিলর আইরিন পারভিন ডেইজি। তিনি পেয়েছেন ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নম্বর ওয়ার্ড  কাউন্সিলর প্রদীপ কুমার নাথ বাবলু পেয়েছেন ভোট। নবনির্বাচিত মেয়র মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশের উপস্থিতিতে নির্বাচনের মাধ্যমে ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোর পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন। তিনি আরো জানান, ১২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

ভারতফেরত যাত্রীদের থাকতে হবে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে

বেনাপোল প্রতিনিধি

ভারত-বাংলাদেশে আটকা পড়া দুই দেশের যাত্রীরা স্ব-স্ব দেশের হাইকমিশনের বিশেষ অনুমতিপত্র নিয়ে যার যার দেশে ফিরতে পারছেন।

গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) থেকে বুধবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল পর্যন্ত ভারতে আটকে পড়া ৪৩৯ বাংলাদেশি ৬৭ ভারতীয় নিজ দেশে ফিরেছেন। শুধুমাত্র বুধবারই দেশে এসেছেন ২৪৯ জন বাংলাদেশি এদের প্রত্যেককে নিজ খরচে ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টানে থাকতে হবে।

এদিকে বুধবার যে সব যাত্রী দেশে ফেরত এসেছেন তাদের মধ্যে মেডিকেল পরীক্ষায় তিনজন করোনা পজিটিভ ধরা পড়ছে। তাদের বিশেষ ব্যবস্থায় যশোর সদর হাসপাতালের করোনা রেড জোনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, বিশেষ অনুমতিপত্র নিয়ে যারা ভারত থেকে দেশে ফিরে আসছেন তাদের বন্দর এলাকার পোর্ট ভিউ, রজনীগন্ধা, জুয়েল হোটেল, সিটি আবাসিক, চৌধুরী হোটেল, হোটেল এ্যারুষ্টেকেট, সান সিটিসহ আরও বেশ কয়েকটি হোটেল। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন, ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা বেনাপোল বন্দর এলাকার সাতটি আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সেখানে সব খরচ যাত্রীদের বহন করতে হবে। বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন (ওসি) আহসান হাবিব বলেন, বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনারের ছাড়পত্র থাকায় আটকে পড়া যাত্রীদের ৪৩৯ জন ভারত থেকে ফিরেছেন।

শার্শা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাসনা শারমিন মিথি ফেরত আসা যাত্রীদের কোয়ারেন্টাইনে সার্বিক কাজের দেখভালের তত্ত্বাবধান করছেন।

ভারত-বাংলাদেশ ল্যান্ডপোর্ট ইমপোর্ট এক্সপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, ভারতের ভেরিয়ান্ট অত্যন্ত ভয়ানক। এমনিতেই ভারত থেকে অতি জরুরি অক্সিজেন আমদানি বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে কোনোভাবে একবার ভাইরাস দেশে ছড়িয়ে পড়লে মহামারি ধারণ করবে। রক্ষা পেতে সরকারি নির্দেশনার সবার মানা দরকার।

বেনাপোল বন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আব্দুল জলিল বলেন, বন্দরে বাণিজ্যের সাথে জড়িতরা সবাই যাতে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলেন, সেটি আবারও সচেতন করা হবে। এছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে।

ব্যাপারে বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদার বলেন, ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে আনসার সিকিউরিটি ফোর্সের নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। যাতে করে ট্রাক ড্রাইভাররা বন্দরের বাইরে যেতে না পারে সেজন্য সবসময় তৎপর আছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মো. আজিজুর রহমান বলেন, ভারত থেকে পণ্যবাহী গাড়ি প্রবেশের মুখে রফতানি গেটে ভারত থেকে আসা পণ্যবাহী ট্রাকটিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউস স্থলবন্দর যৌথভাবে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। তারপর ট্রাক চালকের হ্যান্ড স্যানিটাইজ, মাস্ক পিপিই নিশ্চিত করা হচ্ছে।

খুলনায় কেজি দরে তরমুজ না কেনার ঘোষণা ক্রেতাদের

স্টাফ রিপোর্টার

খুলনায় ওজনে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ। এতে ব্যবসায়ীরা লাভবান হলেও ঠকছে সাধারণ ক্রেতারা। চলমান তাপপ্রবাহ তীব্র আকার ধারণ করেছে খুলনায়। এতে ধর্মপ্রাণ রোজাদারদের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়ছে। সামান্য প্রশান্তি পেতে সারাদিন পর ইফতারে তরমুজে গলা ভেজাতে চাইছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।

কিন্তু আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে সাধ সাধ্যের সমন্বয় ঘটাতে ব্যর্থ হচ্ছেন অধিকাংশ মানুষ। তরমুজ যেন এখন উচ্চবিত্তের ফল হয়ে দাঁড়িয়েছে। নিয়ে সবার মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

সাধারণ ক্রেতারা বলছেন, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছেন। যদি তাদের সিন্ডিকেট ব্যবসা থামানো না যায় তাহলে তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠবে। তখন তাদের সামলানো দায় হয়ে দাঁড়াবে। তাই তাদের এখনই দমন করা উচিত।

লক্ষ্যে ফেসবুকে একাধিক গ্রুপও খুলেছেন ক্রেতারা। সেখানে কেজি দরে তরমুজ না কেনার ঘোষণা দিয়েছেন অনেকে। হারুন নামে এক ক্রেতা বলেন, ‘কেজি হিসেবে বিক্রি হওয়া তরমুজ সাধারণ মানুষ কিনতে পারছে না দাম বেশি হওয়ার কারণে। মাঝারি বা বড় আকারের তরমুজও ক্রেতার নাগালের বাইরে। গরম যত বাড়ছে, তরমুজের চাহিদার সঙ্গে এর দামও বাড়ছে।’

তিনি বলেন, ‘এক বছর হয়তো তরমুজ না খেলে কেও মারা যাবে না। সবার উচিত তরমুজ না কিনে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভেঙে দেয়া। সমস্যায় পড়লে তারা এমনিতে পিস হিসেবে বিক্রি করবে তরমুজ।’

খুলনার টুটপাড়া এলাকার এক পাইকার তরমুজ ব্যবসায়ী ইয়াহিয়া বলেন, ‘আমরা শ’ হিসেবে কিনে আনি এবং শ’ হিসেবেই খুচরা দোকানদারদের কাছে বিক্রিও করি। তারা বেশি লাভ করার জন্যই কেজি হিসেবে বিক্রি করেন। তবে এবার প্রথমত রোজা, দ্বিতীয়ত লকডাউন থাকায় তরমুজের দাম গত বছরের চেয়ে প্রায় দুই গুণ বেড়েছে।’

তিনি বলেন, ‘লকডাউনের কারণে ট্রাক ভাড়া দ্বিগুণেরও বেশি। তাছাড়া পথে ফেরিঘাটে বেশি খরচ দিতে হয়। তাই মোকামে আসা পর্যন্ত দাম অনেক বেড়ে যায়।’

প্রচুর গরমের কারণে মানুষের কাছে তরমুজের চাহিদা বেশি। সুযোগে খুচরা ব্যবসায়ীরা তরমুজের দাম বাড়িয়েছে’, বলেন তিনি।

খুলনার খুচরা বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা দামে। সাধারণত তিন কেজির নিচের তরমুজের কেজি ৩০ টাকা। ওজনে কেজির বেশি হলে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে সেগুলো। এতে পাঁচ কেজি ওজনের একটি তরমুজের দাম পড়ছে ২০০ টাকা। আর ১০ কেজি ওজনের তরমুজের দাম পড়ছে ৪০০ টাকা। তবে পাইকারি বাজারে বড় আকারের ১০০ পিস তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ১২ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকায়।

তীব্র গরমে দিশেহারা মানুষ

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

গত কয়েকদিন ধরে প্রচ- রোদের তাপের কারণে তাপদাহ চলছে। তীব্র রোদে পুড়ছে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা।সারা দিন রোদের তীব্রতা এতটাই বেশি যে, মানুষজন দিশেহারা হয়ে পড়ছেন।সারা দিনের রোদের প্রভাবে রাতেও বয়ে যায় তীব্র তাপদাহ।একটুখানি বৃষ্টির জন্য হাহাকার করছে মানুষ। তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, বুধবার বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। বরং বুধবার রাতে তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে।আগামী ৩০ এপ্রিল ঢাকাসহ আশেপাশের এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে।তবে দেশের উত্তরাঞ্চলের বিশেষ করে রংপুর, সিলেট মনময়সিংহের কিছু এলাকায় ঝড়বৃষ্টি হতে পারে আজ।

এদিকে বুধবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।যা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে।আগের দিন রাজশাহী শ্রীমঙ্গলে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ দশমিক ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ঢাকায় তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ময়মনসিংহে ৩৪ দশমিক ৩, চট্টগ্রামে ৩৩ দশমিক ৮, সিলেটে ৩৪ দশমিক ২, রংপুরে ৩৪ দশমিক ২,  খুলনায় ৩৬ দশমিক বরিশালে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়- ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, বরিশাল বিভাগসহ দিনাজপুর, শ্রীমঙ্গল, ফেনী, নোয়াখালী, রাঙামাটি অঞ্চলগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।এটি আগামী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এর আশেপাশের এলাকায় অবস্থান করছে। এর প্রভাবে কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জসহ রংপুর, ময়মনসিংহ সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলেও আবহাওয়া অফিস তাদের পূর্বাভাসে জানিয়েছে।

১২ কেজি গাঁজাসহ এসআই ওছিম গ্রেফতার

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট

১২ কেজি গাঁজাসহ পাবনা সদর থানার এসআই ওছিম উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার ২৬ এপ্রিল বিকালে পাবনার পুলিশ সুপার তাকে আটক করেন এবং মঙ্গলবার বিকালে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। বুধবার ঘটনাটি মিডিয়াসহ সব মহলে জানাজানি হয়। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাবনার পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান জানতে পারেন সদর থানার এসআই ওছিমের কাছে গাঁজা রয়েছে। তিনি সোমবার বিকালে সদর থানায় গিয়ে এসআই ওছিমের ব্যক্তিগত ক্যাবিনেট থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেন। পরে তাকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম বলেন, ঘটনায় ডিবি পুলিশের এসআই জিন্নাত আলী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়াও অভিযুক্ত এসআই ওছিমের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। মঙ্গলবার বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

পাবনার পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের বলেন, অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আসতেই হবে। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুলিশ প্রধানের কঠোর নির্দেশনা নিয়েই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করছি। অপরাধী সাধারণ মানুষ বা পুলিশ যেই হোক; বিচারের মুখোমুখি তাকে হতেই হবে।

এদিকে পুলিশের একটি সূত্র জানায়, কয়েক দিন আগে এসআই ওছিম অভিযান চালিয়ে ১৭ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেন। কিন্তু মাত্র কেজি গাঁজাসহ আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। ধারণা করা হচ্ছে, উদ্ধারকৃত গাঁজাগুলো ওই সময় তিনি অসৎ উদ্দেশ্যে রেখে দেন।

জানা গেছে, এসআই ওছিমের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদায়। তিনি কনস্টেবল হিসেবে পুলিশের চাকরিতে প্রবেশ করেন এবং পদোন্নতি পেয়ে পর্যায়ক্রমে এসআই  হন।

এদিকে পুলিশের এসআইকে মাদকসহ আটক এবং জেলহাজতে পাঠানোর ঘটনায় প্রশংসায় ভাসছেন পাবনার পুলিশ সুপার। পাবনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বলেন, পুলিশ সুপার বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে তার নিম্নতম সহকর্মীকে রক্ষার চেষ্টা করেননি। এতে তিনি সততা নিষ্ঠার পরিচয় দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, মাস তিন মাস আগে পুলিশ সুপার মহিবুল ইসলাম খান পাবনায় যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই তিনি পৌরসভা নির্বাচনে চরম নিরপেক্ষতার পরিচয় দিয়ে পাবনাবাসীর সুনাম কুড়ান। এছাড়া তিনি সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ, মাদক ব্যবসায়ী, মাদকসেবীসহ সব অপরাধীর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে অভিযান অব্যাহত রাখেন। সর্বশেষ তিনি নিজের সহকর্মীকেও ছাড়েননি।

দামুড়হুদায় আগুনে পুড়ে মরল ১২ ছাগল

 দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় আগুনে পুড়ে ১২ ছাগলের মৃত্যু হয়েছে। সময়  আগুনে পাঁচটি ঘর পুড়ে যায়।

 মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামের সাইদুর রহমানের বাড়িতে অগ্নিকা-ের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইফতারের আগমুহূর্তে সাইদুর রহমানের টিনের চাল চাটায়ের বেড়া দেওয়া রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত ঘটে।  পর্যায় ক্রমে তা একই ধরনের টিনের চাল চাটায়ে বেড়া দেওয়া তিনটি বসতঘর গোয়ালে ছড়িয়ে পড়ে। সময় তার ঘরে থাকা ধান, আলু ৪০ হাজার টাকা গোয়ালঘরে থাকা ছোট-বড় ১২টি ছাগল আগুনে পুড়ে মারা যায়।

খবর পেয়ে দর্শনা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। সন্ধ্যার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ক্ষতিগ্রস্ত সাইদুর রহমানের হাত ৩০ হাজার টাকা অর্থসহায়তা তুলে দেন।

কুষ্টিয়ায় সাম্মাম চাষে সফল খোকন

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

করোনাকালীন সময়ে বন্ধ রয়েছে কলেজ। তাই ম্যাচ থেকে বাড়িতে অলস সময় কাটাচ্ছিলো কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম ইসলাম খোকন।

বাড়িতে বসে না থেকে আধুনিক কৃষি কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করে সে। প্রবাসী বড় ভাই এর পরামর্শে সৌদি ফল ‘সাম্মাম’ চাষ করার উদ্যোগ গ্রহণ করে সে। পরে ইন্টারনেট কৃষি অফিসের পরামর্শে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করেছেন তিনি। প্রথমবার চাষেই বেশ সাফল্য পেয়েছেন।

কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার কচুবাড়ীয়া গ্রামের তরুণ কৃষি উদ্যোগতা নাইম প্রথম ৩৩ শতক জমি বর্গা নিয়ে চাষ শুরু করেছেন। পুষ্টিগুণে ভরপুর বিদেশি এই ফল চাষাবাদ দেশে তেমন একটা প্রচলিত না। চাষে ঝুঁকি এবং চাষাবাদ সম্পর্কে প্রচারণার অভাবে চাষ কম হয়।

নতুন জাতের রসালো ফল উৎপাদনের খবরে প্রতিদিন তার ক্ষেত দেখতে আসছেন আশপাশের কৃষকরা। কেউ কেউ আগামীতে নতুন জাতের এই রসালো ফল উৎপাদনের জন্য পরামর্শও দিচ্ছে খোকন।

ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায়, কুমড়ো গাছের মতো লতানো গাছ। গাছের ফাঁকে ঝুলছে দেশি বাঙ্গীর মতো ফল। প্রায় প্রতিটি গাছেই ভরপুর ফল। বাঁশের পাতা আর পলিথিনের জালের ফাঁকে ফাঁকে পুরো ক্ষেত যেনো ফলে ভরে রয়েছে। এই ক্ষেতে পরিচর্যা করতে দেখা যায় নাইম ইসলাম খোকনকে।

খোকন জানায়, কলেজ বন্ধ, তাই বাড়িতে অবসর সময় কাটাচ্ছিলাম। বিদেশ থেকে ভাই ফোন দিয়ে এই সাম্মাম চাষ করা সম্পর্কে বলে। আমি ইউটিউব থেকে এটি কিভাবে চাষ করে সেটা জানলাম। পরে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে বগুড়ার একটি খামার থেকে ফলের চারা সংগ্রহ করি। সেই সাথে সেখানে গিয়ে চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

খোকন নতুন ফল সম্পর্কে বলেন, সাম্মাম ফল খুবই পুষ্টি সমৃদ্ধ। বহির্বিশ্বে এর ফলের বেশ প্রচলন রয়েছে। বাংলাদেশে এটির প্রচলন এখনো কম। ফলকে সৌদিতে সাম্মামসহ বিভিন্ন দেশে রক মেলন, সুইট মেলন, মাস্ক মেলন, হানী ডিউ নামে পরিচিত। দুই জাতের ফল রয়েছে। একটি জাতের বাইরের অংশ সবুজ আর ভেতরের অংশ লাল, আরেকটি জাতের বাইরের অংশ হলুদ এবং ভেতরের অংশ লাল। তবে খেতে দুই ধরনের ফলই খুব মিষ্টি রসালো।

চাষ সম্পর্কে খোকন বলেন, দোঁ-আশ মাটিতে সাম্মাম চাষ করা ভালো। মাটি ভালোভাবে চাষ করে বেড এবং নালা করে, মালচিং দিয়ে ফলের চাষ করতে হয়। তাহলে বেশ ভালো ফলন পাওয়া যায়। এটি খুবই অল্প সময়ের ফসল। গাছ লাগানোর দেড় মাসের মধ্যেই হয় সাম্মাম ফল।

খোকন আরো বলেন, আমি প্রথমে ভাই এর কথা মতো ঝুঁকি নিয়ে ফলের চাষ শুরু করেছি। এক বিঘা জমিতে আমার হাজার সাম্মাম গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছে ২-৩টি করে ফল রয়েছে। বেশি ফল রাখলে ফলন কম হয়। একেকটি ফলের ওজন হয় দেড় থেকে দুই কেজি। প্রতিটি গাছেই ফল বেশ ভালো এসেছে। এক বিঘা জমিতে আমার খরচ হয়েছে প্রথমবার হওয়ায় লাখ টাকার মতো। আগামীতে খরচ কম হবে। আশা করছি বছর দুই থেকে আড়াই লাখ টাকার মতো লাভ হতে পারে।

সে আরো বলেন, যেহেতু এই ফল কাঁচা-পাকা দুই অবস্থাতেই খাওয়া যায়, এজন্য কীটনাশকের পরিবর্তে আমি ফেরামন ফাঁদ, আগাছা যাতে না হয় এজন্য মালচিং দিয়েছি। সেই সাথে বিষমুক্ত উপায়ে চাষ করছি।

নতুন এই ফল এবং ফলের চাষাবাদ দেখতে অনেক দূরের এলাকা থেকেও লোকজন খোকনের জমিতে আসছে সেই সাথে আগতদের ফল চাষে উদ্বুদ্ধ করছে খোকন।

রবিউল ইসলাম নামের এক কৃষক জানান, আমি এই গাছ লাগানো থেকে শুরু করে এই জমিতে দৈনিক হাজিরা হিসাবে কাজ করছি। জমিতে খুব ভালো ফল এসেছে। আর ফলগুলো খেতেও খুব ভালো। আগামীতে নিজের জমিতে আমি ফলের চাষ করবো বলে মনে করছি।

উক্ত এলাকার কৃষক নাজিম উদ্দিন বলেন, আমরা মনে করেছিলাম এই ছেলে পাগলের মতো কি চাষ করছে। কিন্তু এখন তো দেখছি বেশ ভালো গাছ আর ফল ধরেছে। শুনেছি এটি বিদেশি ফল, খেতেও খুব ভালো। এর আগে ফল আমাদের এলাকায় হয়নি। ২শ’ টাকা কেজি করে বিক্রি করছে কিছু কিছু। যদি লাভ হয়, তাহলে আগামীতে অনেকেই এই ফলের চাষ করবে।

মস্তফা কামাল নামের একজন শিক্ষক জানান, সৌদি আরবের ফল এখানে চাষ হয়েছে বলে দেখতে এসেছি। দেখে খুবই ভালো লেগেছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চাষ করেছে সেই সাথে নতুন ফল দেখে দেখে মন ভরে গেছে।

বিদেশি ফল অধিক লাভজনক উল্লেখ করে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন জানান, আধুনিক কৃষি গতানুগতিক কৃষিকাজের চেয়ে লাভজনক। সাম্মাম বিদেশি ফল তবে আমাদের এখানেও চাষ করা সম্ভব। নাইম নামের তরুণ কৃষককে আমরা চাষে পরামর্শ দিয়ে সার্বক্ষণিক সহায়তা করছি। সে বিষমুক্ত আধুনিক উপায়ে চাষ করে বেশ সাফল্য পেয়েছে। আগামীতে চাষ বৃদ্ধি পাবে বলেও আশা করেন তিনি।

মিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, রক মেলন বা সাম্মাম বিদেশি ফল হলেও আমাদের দেশে এটির চাষ করা সম্ভব। মিরপুর উপজেলার কচুবাড়ীয়া এলাকার একজন তরুণ এক বিঘা (৩৩ শতক) জমিতে বছর ফলের চাষ করেছে। সে খুব ভালো ফলও পাচ্ছে।

তিনি বলেন, বর্তমানে পুষ্টি সমৃদ্ধ ফলমূল এবং আধুনিক চাষাবাদে তরুণরা এগিয়ে আসছে। মিরপুর উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে শিক্ষিত তরুণ কৃষকদের অগ্রাধিকার দিয়ে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আধুনিক উপায়ে লাভজনক ফসল চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করছি।

সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশনের ইফতার বিতরণ

খবর বিজ্ঞপ্তি

সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশন মানবতার স্পর্শে, দূর হোক অন্ধকার এই উদ্দেশ্য কে ধারণ করে খুলনা মহানগর জেলা শাখার উদ্যোগে রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় গতকাল বিকাল ৫টায় নগরীর মতি মসজিদের সামনে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডঃ সুজিত অধিকারী। এসময় উপস্থিত ছিলেন সেভ দ্য ফিউচার ফাউন্ডেশনের মহানগর সভাপতি ইঞ্জিনিয়র মোঃ ইমদাদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদা পারভীন রুমু, জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, জেলা সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন ইসলাম, থানা কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন অনামিকা সাহা তিন্নি, মোঃ সাব্বির হোসেন,নুরে আলম সিদ্দিকী লিটন, ইভা সুলতানা মোঃ শাওন প্রমুখ।

আশাশুনিতে মোবাইল কোর্ট ১৬০০ টাকা জরিমানা

আশাশুনি প্রতিনিধি

দেশব্যাপী করোনা ভাইরাস ২য় ঢেউ মোকাবেলায় কঠোর লকডাউনের ১৪ তম দিনে আশাশুনিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৪টি মামলায় জনকে ১৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার সকালে উপজেলা সদর বুধহাটা ইউনিয়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা মোতাবেক বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন সুলতানা আশাশুনি উপজেলা সদর বুধহাটা ইউনিয়নের মহেশ্বরকাটিতে মোবাইর কোর্ট পরিচালনা করেন।এসময় করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি নির্দেশ স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করে মাস্ক ব্যবহার না করার অপরাধে আশাশুনি বাজারের ঝর্ণা স্টোর এর মালিক হামিদুল হোসেনকে ১০০০ টাকা এবং মহেশ্বরকাটিতে আমির আলির পুত্র আঃ রবকে ২০০ টাকা, ইউসুফপুর গ্রামের আছানুর আঃ লতিফকে ৪০০ টাকা মোট ১৬০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

আশাশুনিতে জেলা পরিষদের লক্ষ টাকার গাছের অধিকাংশ লোপাট

আশাশুনি প্রতিনিধি

জেলা পরিষদ এর সুপার ভাইজারের সহযোগিতায় অনুমান লক্ষ টাকার বৃহদাকারের শিশু বৃক্ষ কেটে ২/অংশ লোপাট এবং ডাল বিক্রয়ের লক্ষ টাকা লোপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জেলা পরিষদের কর্তা এবিষয়ে কিছুই জানেনা, ব্যবস্থা নেবেন বলে সাংবাদিকদের কাছে অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের বুধহাটা-শোভনালী সড়কের শ্বেতপুর গ্রামের মধ্যে ন্যাজারিন মিশনের কাছে দীর্ঘ কালের বৃহৎ শিশু গাছ ছিল। কার্পেটিং সড়কের পাশের কাচা অংশ স্লোব জুড়ে বৃহৎ আকৃত্রির গাছটি এলাকার মানুষের কাছে কালের স্বাক্ষী হিসাবে বিবেচিত ছিল। গাছের আকৃতি এতটা বৃহৎ ছিল যে এলাকা জুড়ে ছায়া বিতরণ করে আসছিল। গাছের কাছ থেকে অনেকটা দূরে বসবাসকারী মোহাম্মদ ঢালীর পুত্র রেজাউল করিম গাছের কাছে ভবিষ্যতে বাড়ি করবেন যদি কোনদিন গাছ প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভেঙ্গে পড়ে তবে তার ক্ষতির সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে গাছ কেটে নেওয়ার আবেদন করেন সাতক্ষীরা জেলা পরিষদে। জেলা পরিষদ গাছ কাটার প্রয়োজন অনুভব করলে বিধি মোতাবেক টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ বিক্রয় করতে পারেন। কিন্তু না টেন্ডার আহবার করা হয়েছে, না কাউকে কেটে নিতে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এলাকার অনেকে জানান, তারপরও ধুরন্ধর রেজাউল জেলা পরিষদের সার্ভেয়ার হাসানুজ্জামানের সাথে যোগসাজস করে আর্থিক চুক্তিবদ্ধ হয়ে জন মজুর লাগিয়ে ২০ এপ্রিল করোনা কালীন ছুটির সুযোগ কাজে লাগিয়ে গাছ কাটা শুরু করেন। বিদ্যুৎ বিভাগের যোগাযোগকরে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করিয়ে গাছ কাটা হয়। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিঃ মোছাদ্দেক জানতে পেরে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে মোবাইলে অভিযোগ করেন। কিন্তু গাছ কাটা বন্ধ হয়নি। বরং আরও দ্রুততার সাথে গাছের ডাল কেটে লক্ষাধিক টাকার ডালপালা বিক্রয় করে দেওয়া হয়। এরপর বৃহৎ বৃক্ষের শাখা ডালগুলো যেগুলে বড় বড় গাছের লগের সাইজের, মূল্যবান লগাকৃতির ডালগুলো ট্রাকে ভরে ঢাকায় চালান করা হয়। গাছের গোড়ার ২০/৩০ মন কাঠ বিক্রয় করে দেওয়া হয়। মূল লগটি এতটা বড় যে সেটি সহজে ট্রাকে উঠানো সম্ভব নয়, সেজন্য সেটিসহ কয়েকটি লগ ট্রাকে উঠানোর সুযোগ না থাকায় এবং বিশেষ করে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে ইউপি চেয়ারম্যান অভিযোগ করায় সেগুলো পাচার করা হয়নি। তবে একাধিক সূত্রে জানাগেছে, গাছের ডাল বিক্রয় লক্ষাধিক টাকা এবং ট্রাকে করে পাচার করা ডালের লকগুলোর বিক্রয় লব্ধ আরও কয়েক লক্ষ টাকা রেজাউল সার্ভেয়ার হাসানুজ্জামান ভাগবাটোয়ারা করে নিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রেজাউল গাছ কাটার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়ে যে দরখাস্ত করেছিলেন, তাকে ২৯/১২/২০ তাং জেলা পরিষদের কর্মকর্তাগণের রিসিভের স্বাক্ষর স্বারক নম্বর রয়েছে। সবশেষ তারিখ লেখা আছে ১৪/১/২১। অর্থাৎ কয়কদিন দরখাস্তটি দপ্তরে ঘোরাফেরা করেছে, তবে কোন সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। সিদ্ধান্ত না হলেও গোপনে গোপনে আঁতাতের মাধ্যমে গাছ কেটে লোপাটের কর্মযজ্ঞ শুরু করা হয়। যেটি বাস্তবায়ন শেষ পর্যায়ে চলে আসে। চেয়ারম্যান গাছ কাটা বন্দ না হওয়ায় কয়েকবার তার প্রতিনিধি ঘটনাস্থানে পাঠালে ডাল বিক্রয়ের এক লক্ষ টাকার ৪০ হাজার টাকা গাছ কাটার শ্রমিকদের মজুরি দিয়েছে, বাকী ৬০ হাজার টকা সার্ভেয়ার হাসানকে দিয়েছে বলে রেজাউল তাদের কাছে ব্যক্ত করেন বলে জানাগেছে।

বুধহাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোছাদ্দেক বলেন, গাছ কাটতে দেখে তাদেরকে জিজ্ঞেস করলে জেলা পরিষদের অনুমতি নিয়ে এবং সার্ভেয়ার হাসান গাছ কাটছে বলেছে বলে তারা জানায়। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে মোবাইলে জানাই। তিনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান। কিন্তু পরবর্তীতে গাছ কাটা বন্দ না হওয়ায় আমি আর যোগযোগ করিনি।

সার্ভেয়ার হাসান সাংবাদিকদের জানান, জেলা পরিষদের কোন অনুমতি নেই গাছ কাটার জন্য। আমি জানতে পেরে কর্তনকৃত গাছের লগ জব্দ করে রাখা হয়েছে। লক্ষ টাকার ডাল পালা বিক্রয় করা হয়েছে, বহু বড় বড় লগ (ডাল) ট্রাকে করে ঢাকায় চালান করা হয়েছে, স্থানীয় একটি ‘স’ মিলে লগ কেটে বিক্রয় করা হয়েছে এব্যাপারে কি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? জিজ্ঞেস করলে কোন সদুত্তর পাওয়া যায়নি, তবে গাছটি কারো বাড়ির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ছিলনা বলে তিনি স্বীকার করেন।

এব্যাপারে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আহসান হাবিবের সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি জানান, গাছ কাটা কেন, বিনা অনুমতিতে ডাল কাটার সুযোগ নেই। শ্বেতপুরে কোন গাছ কাটার অনুমতি দেওয়া হয়নি। আমাদের অজান্তে হয়েছে। আমি লোক পাঠাচ্ছি, ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

রক্ষক হয়ে ভক্তকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া সার্ভেয়ার হাসানুজ্জামান কিভাবে কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়াই “গাছ খেকো কর্মী” হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার বৃহদাকৃত্রির গাছ দিবালোকে কেটে হজম করার মত নাটক মঞ্চস্থ করার সাহস পেল সেটি সকলকে ভাবিয়ে তুলেছে। গাছ জব্দ করা হয়েছে, এমন সস্তা বক্তব্য সত্যি হাস্যকর, কেননা, গাজ জব্দ করার সাথে সাথে আইনগত কোন পদক্ষেপ কেন নেওয়া হয়নি? এমন প্রশ্ন সামনে আসা স্বাভাবিক নয়কি? তার দ্বারা বিগত আম্ফানের পর থেকে অনেক অপকর্ম এই এলাকায় হয়েছে দাবী করে এলাকাবাসীর উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ যথাযথ দৃশ্যমান ব্যবস্থা দেখতে আশাবাদী।

আশাশুনিতে ৫টি নমুনা সংগ্রহ

আশাশুনি প্রতিনিধি

আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নমুনা টিমের সদস্যরা টি নমুনা সংগ্রহ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) টিমের সদস্যরা তাদের বাড়িতে গিয়ে করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করেন।

ভারত থেকে দেশে ঢোকার পর যশোর জেনারেল হাসপাতালে করোনা পজেটিভ হওয়ার পর সেখানে ভর্তি থাকার পর সেখান থেকে পালিয়ে আসা এক রোগি প্রতাপনগরে বাড়িতে গিয়ে উঠেছিল। করোনা রুগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। স্যানিটারী ইন্সপেক্টর জি এম গোলাম মেস্তাফা, এমটি ইপিআই (ভারপ্রাপ্ত) আঃ মান্নান এবং সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত)  মোক্তারুজ্জামান স্বপন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

আশাশুনিতে পালিয়ে আসা করোনা রোগিকে যশোর প্রেরণ

আশাশুনি প্রতিনিধি

ভারত থেকে করোনা আক্রান্ত হয়ে দেশে ফিরে যশোর হাসপাতালে ভর্তির পর পালিয়ে আশাশুনিতে আসা রোগিকে আবার যশোর পাঠানো হয়েছে।

আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নের রবিউল ইসলামের পুত্র মিলন হোসেন (৩২) যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পালিয়ে এসে নিজ বাড়িতে অবস্থান করে। বিষয়টি সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন  ডাঃ হুসাইন শাফায়াত মারফত আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সুদেষ্ণা সরকার অবগত হন। প্রশাসনের সহযোগিতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারী এ্যামবুলেন্স যোগে তাকে পুনরায় উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর হাসপাতালেই পাঠানো হয়েছে। রোগির সাথে ডাঃ সুদেষ্ণা সরকার সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন এবং তার সার্বিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন বলে জানাগেছে।

করোনা কালে শ্রমজীবী কর্মহীন মানুষের কতিপয় দাবীতে বাম জোটের মানববন্ধন আজ

খবর বিজ্ঞপ্তি

বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ২৯ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় পিকচার প্যালেস মোড়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিদিন ১ (এক) লক্ষ করোনা টেস্ট, বিনামূল্যে চিকিৎসা ভ্যাকসিন প্রদান, কেন্দ্রীয় হাইফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত, করোনাকালে শ্রমজীবীদের এক মাসের খাবার নগদ অর্থ সহায়তা এবং রেশনিং ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।

আদালতের রায় পেয়েও মাছ ধরতে পারছে না অভয়নগরের পুড়াখালী বাওড় কমিটি

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি-

উচ্চ আদালতের রায় পেয়েও অভয়নগর উপজেলার শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের সদস্যরা মাছ ধরতে পারছে না। জীবিকা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে শতশত মৎস্যজীবী। বিভিন্ন প্রজাতীর মাছ মরে যাওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে চাষিরা। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দ্রুত সময়ের মধ্যে আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য যশোর জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করা হয়েছে।

জানা গেছে, শ্রীধরপুর ইউনিয়নের পুড়াখালী গ্রামে ৫৭ হেক্টর জমির মধ্যে ৫৪ হেক্টর জমিতে পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ইফাদের মধ্যে ৫০ বছর মেয়াদে একটি চুক্তি রয়েছে। চুক্তি মোতাবেক উক্ত মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প গত ৩০ বছর যাবৎ ভোগদখল ব্যবহার করে আসছে। জেলা জলমহল কমিটি ২০২০ সালের ১০ মার্চ তৃতীয় দফা চুক্তি নবায়ন না করে মাছ ধরা নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ঘটনায় পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের সদস্যরা চরম বিপাকে পড়েছে। মাছ ধরা, সংরক্ষণ চাষ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা উচ্চ আদালতে মামলা দায়ের করে। আদালত চলতি বছরের এপ্রিল মাছ ধরা বাজারযাত করার অনুমোদন দেন। 

ব্যাপারে পুড়াখালী বাওড় মৎস্য চাষ উন্নয়ন প্রকল্পের সভাপতি আব্দুর রহমান জানান, উচ্চ আদালতের রায় পেয়ে চুক্তি মোতাবেক বাংলা ১৪২৭ সালের ইজারার বাবদ ৯৪ হাজার ২০৬ টাকা, ভ্যাট ১৪ হাজার ১৩১ টাকা আয়কর বাবদ হাজার ৭১১ টাকা (মোট লাখ ১৩ হাজার ৪৮ টাকা) গত ১১ এপ্রিল সোনালী ব্যাংক নওয়াপাড়া শাখায় সরকারি রাজস্ব খাতে জামা দেওয়া হয়। এরপর আমরা মাছ ধরতে গেলে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস বাধা প্রদান করে। গরমে প্রতিদিন বাওড়ে বিপুল পরিমান মাছ মরছে। আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শতাধিক মৎস্যচাষিা। তাদের দিন কাটছে অর্ধাহারে-অনাহারে। সঠিক সময়ে মাছ ধরে বিক্রি করতে পারলে আর্থিক ক্ষতি পুষিয়ে উঠানো সম্ভব হবে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরো জানান, বৈশাখ মাসে মাছের ডিম থেকে পোনা আহরণ করা হয়। বৈশাখ মাস শেষ হতে চলেছে, জল মহল কমিটির অবহেলার কারণে মাছের পোনা আহরণ সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। যে কারণে লাভজনক উন্নয়ন প্রকল্পটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে চলেছে। মাছ ধরার অনুমতি চেয়ে গত সোমবার (২৬ এপ্রিল) জেলা জলমহল কমিটির আহবায়ক জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদনপত্র জামা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাপারে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীর জানান, দ্রুত সময়ের মধ্যে উচ্চ আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা হোক। তবে পুড়াখালী বাওড় ব্যক্তিস্বার্থে নয়, সমষ্টিগতস্বার্থে ব্যবহার হওয়া দরকার।

যশোর জেলা জলমহল কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক মো. তমিজুল ইসলাম খান মুঠোফোনে জানান, বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাগেরহাটে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে কর্মহীনদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট শহরের জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে বাগেরহাট পৌরসভার কর্মহীনদের মাঝে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এসময় বাগেরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি এ্যাড. শাহ-ই-আলম বাচ্চু, এ্যাড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. ভুইয়া হেমায়েত উদ্দিন, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সরদার ফখরুল আলম সাহেব, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ফজলে সাইদ ডাবলু, জেলা যুব লীগের আহবায়ক সরদার নাসির উদ্দিনসহ জেলা আওয়ামী লীগ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই দিন বাগেরহাট বাগেরহাট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের একশ ৮০ জন কর্মহীন পরিবারকে এই খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। করোনা পরিস্থিতিতে এই ধরণের সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

যশোরে শ্রমিক নেতা ইনতাজ আলীর রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

যশোর অফিস

যশোরে জনপ্রিয় শ্রমিক নেতা ইনতাজ আলীর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা ট্রাক, ট্রাকটর,কাভার্ডভ্যান,ট্যাকলরী ( রেজিঃ ৯১৮) এর বারবার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক বিভিন্ন পদে নির্বাচিত জনপ্রিয় এই নেতার জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে গতকাল বুধবার বাদ আছর উপশহর ট্রাক টার্মিনাল চত্তরে। 

লাল্টু-বাহাদুর পরিষদের আয়োজনে দোয়া মাহফিলে দুই শতাধীক নেতা-কর্মী অংশ নেন। দোয়া মিলাদ পাঠ করেন উপশহর ট্রাক টার্মিনাল মসজিদের ইমাম আবু সাঈদ।

এসময় শ্রমিক নেতা নাজিম উদ্দিন বাহাদুর বলেন, ইনতাজ আলী ছিলেন আমার রাজনৈতিক গুরু। তার কাছ থেকে শিখেছি কি করে শ্রমিক ভাইদের সুখ এবং দুঃখের ভাগাভাগি করে নেওয়া যায়। আমার প্রথম কাজ ইনতাজ ভাইয়ের পরিবারের পাশে থাকা। এখন থেকে ঘোষনা দিলাম আমার গুরুর পরিবারের সমস্ত দ্বায়িত্ব আমার। এভাবে আমার কৃতকর্মের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের কল্যানে সবসময় কাজ করতে চাই।

অসহায় শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে বঙ্গবন্ধু পরিষদের ইফতার বিতরণ

যশোর অফিস

বঙ্গবন্ধু পরিষদ যশোর জেলা শাখার উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ইফতার বিতরণের পঞ্চম দিনে তিন শতাধিক অসহায় শ্রমজীবী মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার বিকাল ঘটিকায় যশোর কালেক্টরেট স্কুলের সামনে ইফতার বিতরণ কর্মসূচী পালন করা হয়।

ইফতার বিতরণ চলাকালে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম, দৈনিক স্পন্দনের বার্তা সম্পাদক মিজানুর রহমান মুন, আইডিইবি যশোরের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক মোঃ কামরুজ্জামান, দৈনিক প্রতিদিনের কথা’সাংবাদিক প্রণব দাস, বঙ্গবন্ধু পরিষদ যশোর জেলা শাখার কার্যনির্বাহী সদস্য বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী কাজী শাহেদ নওয়াজ, বিশিষ্ট আলোকচিত্রী আরাফাত শোভন, চ্যানেল আই সেরা কন্ঠের শিল্পী মীর রোমান তাহসিন প্রমূখ।

কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ যশোর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ হেলালুল ইসলাম।

দ্বিতীয় দিনেও কৃষকের তিন বিঘা জমির ধান কেটে দিলেন যশোর যুবলীগ

যশোর অফিস

যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর বসুন্দিয়া ইউনিয়নের শাখাঁরীগাতী পদ্মবিলা এলাকার দুই কৃষকের জমির ধান কেটে দিয়েছেন সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বিপুল। বুধবার ধারাবাহিক কর্মসূচির দ্বিতীয় দিনে তার নেতৃত্ব তিন বিঘা জমির ধান কেটে দেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা।

বুধবার সকালে নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের শাখাঁরীগাতী গ্রামের কৃষক ফারুক বিশ্বাসের এক বিঘা জমির ধান কেটে দেন আনোয়ার হোসেন বিপুলের নেতৃত্বে যুবলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তারা পাশের বসুন্দিয়া ইউনিয়নের পদ্মবিলা গ্রামের শহিদুল ইসলাম দুই বিঘা জমির দান কাটেন।

এর আগে মঙ্গলবার ইছালী ইউনিয়নের কায়েতখালী গ্রামের দুই কৃষকের সোনালী ফসল বাড়িতে তুলতে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সহযোগিতা করেন আনোয়ার হোসেন বিপুল।

ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুল বলেন, লকডাউনের কারণে শ্রমিক অর্থ সংকটের কারণে বিভিন্ন এলাকার জমির ধান পেকে গেলেও অনেকে তা কাটতে পারছেন না। শাখাঁরীগাতীর কৃষক ফারুক বিশ্বাসের ক্ষেতেই ধান নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছিল। এমন খবর পেয়ে আমি যুবলীগের ৩০ জনের মতো নেতাকর্মী সাথে নিয়ে তার ধান কাটতে যায়। পরে পদ্মবিলার শহিদুল ইসলামের দুই বিঘা জমির ধান আমরা কেটেছি। এই কর্মসূচি আমাদের অব্যাহত থাকবে।

বুধবার ধান কাটার সময় তার সাথে ছিলেন যুবলীগ নেতা রাজু আহম্মেদ, জাবের হোসেন জাহিদ, আব্দুর রহমান, হাসানুর রহমান, রেযোয়ান হোসেন মিথুন, তছিকুর রহমান রাসেল, নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিএম সবুজ হাসান প্রমুখ।