আলজাজিরা ও এএফপি।।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকযাত্রায় যোগ দিতে সোমবার তেহরানে বিপুল সংখ্যক মানুষের ঢল নেমেছে। কর্তৃপক্ষের ধারণা, এই জনস্রোত প্রায় চার দশক আগে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির শোকযাত্রার রেকর্ডকে স্পর্শ করতে পারে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহর শোকযাত্রায় প্রায় ১ কোটি মানুষের সমাগম হয়। তবে ভিড় ও হুড়োহুড়িতে অন্তত ১০ জন প্রাণ হারান। আহত হন ১০ হাজারের বেশি মানুষ।
শোকযাত্রার অংশ হিসেবে সোমবার আলী খামেনির মরদেহ বিশেষভাবে সাজানো একটি যানে রেখে তেহরানের বিভিন্ন অংশে নেওয়া হবে। এএফপির ছবিতে দেখা গেছে, যানটি সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় পেছনে মানুষের দীর্ঘ ঢল তৈরি হয়েছে। রাস্তার দুই পাশ থেকে কফিন লক্ষ্য করে ফুলের পাপড়ি ছিটানো হচ্ছে।
গত তিনদিনে আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায় জানানোর আয়োজনে ইরানের শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতি দেখা গেছে। তবে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি প্রকাশ্যে আসেননি। কর্মকর্তারা বলছেন, ইসরায়েলি হামলার হুমকি থাকায় মোজতবাকে ঘিরে নিরাপত্তা শঙ্কা কাটেনি।
এদিকে ইরানের নেতৃত্বকে উদ্দেশ্য করে নতুন করে হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির গণমাধ্যম চ্যানেল ১৩-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছেন, তেল আবিবকে ধ্বংস করার পরিকল্পনায় যেসব ইরানি নেতা নেতৃত্ব দেবেন তাদেরকেই নিশ্চিহ্ন করা হবে।
চ্যানেল ১৩ বলছে, আলী খামেনির শোকযাত্রা ঘিরে কাৎজ এই হুমকি দিয়েছেন। তিনি এর আগে বলেছিলেন, খামেনির ছেলে মোজতবাও তাদের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় আছেন। তখন এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, যেকোনো হুমকির তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়া হবে।











































