Home আন্তর্জাতিক ২৫ জুনের পর হবে খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা

২৫ জুনের পর হবে খামেনির জানাজার আনুষ্ঠানিকতা

2


অনলাইন ডেস্ক

মুহাররম মাসের প্রথম দশ দিন পর ইরানের সর্বোচ্চ প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা শেষে দাফন এবং বিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। মঙ্গলবার (৯ মে) সর্বোচ্চ এই নেতার শাহাদাত স্মরণে গঠিত সদর দপ্তরের আয়োজকরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এতে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পরিবারের স্বজনরা তার জানাজা এবং স্মরণসভার আয়োজন সম্পর্কে দ্বিতীয় বিবৃতি জারি করেছে। বিবৃতিতে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, বিদায়, জানাজা এবং দাফন অনুষ্ঠান মর্যাদাপূর্ণভাবে আয়োজন নিশ্চিত করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে দেশীয় ও বিদেশী গণমাধ্যমে এই অনুষ্ঠানগুলোর সময় ও বিবরণ সম্পর্কে জল্পনা এবং যাচাইবিহীন প্রতিবেদন প্রচারের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে। আগামী ২৫ জুনের পর জানাজার আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই ধরনের গুজব ঐতিহাসিক এই সমাবেশে যোগদানে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং এগুলোর কোনো ভিত্তি নেই।

বিবৃতি অনুসারে, ইমাম হুসাইন (আ.)-এর শোকানুষ্ঠান স্মরণে শহীদ নেতার দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে, আশুরার শোককাল শেষ হওয়ার পর মহররমের প্রথম দশ দিন শেষে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।

দেশিটির সদর দপ্তর জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি ইরান এবং ইসলামী বিশ্বজুড়ে মহররমের অনুষ্ঠান পালনের ব্যাপক ঐতিহ্যকে সম্মান জানানোর প্রয়োজনীয়তাকেও প্রতিফলিত করে। শোকাহতদের জন্য যথাযথ পরিষেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং জনপ্রিয় সংগঠনগুলো চূড়ান্ত সময়সূচি এবং আনুষঙ্গিক ব্যবস্থাপনার সমন্বয় করছে। অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে সদর দপ্তর থেকে ঘোষণা করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন বলে দেশটির পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর ১০০ দিন পার হয়ে গেলেও এখনও তার দাফন সম্পন্ন হয়নি। এই বিলম্বের কারণে দেশের ভেতরে ও বাইরে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা শুধু ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নন, তিনি রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। তিনি সরকারপ্রধান না হলেও, কার্যত রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ, সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক, দেশের অর্থনীতি ও নীতিনির্ধারণের প্রধান দিকনির্দেশক এবং রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি হিসেবে মর্যাদা পান। শুধু তাই নয়, তিনি বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের নেতা হিসেবেও বিবেচিত হতেন।

সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।