ঢাকা অফিস
রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য আগামী ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময় পেয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মুর্শেদী।
রবিবার ঢাকার বিশেষ জজ-৯ এর বিচারক কবির হোসেন প্রামানিক আবেদনটি মঞ্জুর করেন। তবে এই মামলায় আসামি ইফফাত হক ও তার স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল মঈনের পক্ষে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এদিন কারাগার থেকে আসামি সালাম মুর্শেদীকে আদালতে হাজির করা হয়।
এসময় আসামি সালাম মুর্শেদী, নুরুল হক, রহমান ভুইয়া ও মাহবুবুল হকের পক্ষে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন। তবে ইফফাত হক ও তার স্বামী মোহাম্মদ আব্দুল মঈনের পক্ষে মামলা দায় থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। পরে আদালত আগামী ২৬ নভেম্বর অভিযোগ গঠন শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন।
এ মামলার আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম ও প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ও সরকারি কর্মচারী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ডপত্র তৈরি করেন। যা পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।











































