স্টাফ রিপোর্টার//
অবৈধ দখলদার কর্তৃক পৈতৃক সম্পত্তি দখল ও মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন রূপসা উপজেলার হোসেনপুর গ্রামের মৃত্যু কাজী বজলার রহমানের ছেলে কাজী সামছুর রহমান।
শনিবার দুপুরে খুলনা প্রেসকাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন গত ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুরে খুলনা প্রেসকাবে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সংবাদ সম্মেলনে পালেরহাট বাজার কমিটির সভাপতি গোলাম ইয়াছিন ঢালী তাদেরকে ভুমিদস্যু হিসেবে উল্লেখ করেছেন যাহা মোটেই সত্য নয়। সম্পুর্ন মিথ্যা ও মানহানীকর ওই সংবাদ সম্মেলন। তিনি তার লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আমরা আইনের প্রতি আস্থা ও শ্রদ্ধাশীল। খুলনা জেলার রূপসা উপজেলাধীন ২নং শ্রীফলতলা ইউনিয়নের হোসেনপুর মৌজায় আরএস খতিয়ান ১৫৪, ২০২, দাগ নং-৩৯৫ দাগের ৬৭শতক জমি রয়েছে। যাহার মধ্যে ৪৫ শতক ব্যক্তি মালিকানাধীন এবং ২২শতক জমি সরকারি কিন্তু ৬৭শতক জমি ম্যাপে একত্রিত ভাবে দেখানো হয়েছে। সরকারি বা মালিকানার কোন সীমানা নির্ধারন না থাকায় আমি কাজী সামছুর রহমান বাদী হয়ে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি বাটোয়ারা মামলা করি। যাহার নং ৯৯৭/২০০৮।
উক্ত মামলায় বিচারিক উকিল কমিশনের প্রেক্ষিতে রায় ও ডিগ্রি প্রদান করেন। ওই রায়ে সরকারি ২২ শতক এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন ৪৫ শতক জমি আলাদা আলাদাভাবে দেখানো হয়েছে। ওই ৪৫শতক জমির অর্ধেকে আকলিমা ও সকিনার মার্কেট এবং বাকি অংশে আমার পিতা মরহুম কাজী বজলার রহমানের বাজার মোড় সংলগ্ন একটি ঘর দেখানো হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে মহামান্য হাইকোর্টের সিভিল ডিভিশন মামলা নং ২০৩/২০১৮-এ নি¤œ আদালতের দেঃ মাঃ ১১৫/১৯৯৯ মামলার চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখেন। পরবর্তীতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে লাল নিশানা দিয়ে জমির সীমানা নির্ধারন করেন। ওই সময়ে আমাদের সীমানার মধ্যে কয়েকটি অবৈধ দোকানদার থাকায় তাৎক্ষনিক জায়গা খালি করে দেয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্দেশ দেয়। ২/১দিনের মধ্যে খালি করে দিবেন বললেও অদ্যবদি আজও তারা জায়গা খালি করেননি।
পরবর্তিতে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে আমরা বিষয়টি জানালেও তিনি জায়গা খালী করার নির্দেশ দিলেও আজও তারা জায়গা খালী করেনি বরং আমাদেরকে ভুমিদস্যু উল্লেখ করে কাল্পনিক সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তিনি আরো বলেন, পৈতৃক সম্পত্তি থেকে যেখানে ৫ শতক জমি পুলিশ ক্যাম্প ও তহশিল অফিসের জন্য ছেড়ে দিয়েছি সেখানে আমরা কিভাবে ভুমিদস্যু হলাম?
এছাড়া যে সকল ভুমিদস্যুরা তাদের পৈতৃক সম্পত্তি জোর জবরানে দখলে রেখেছেন তাদের হুমকির মুখে তারা পরিবার পরিজন নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতায়। যেকোন সময় ওরা আমাদের জানমালের ক্ষতি করতে পারে। ইতঃমধ্যে আমাদের একটি মাছের ঘেরে বিষপ্রয়োগ করে প্রায় পনের লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে।











































