Home আঞ্চলিক সারা খুলনা অঞ্চল ও আশপাশের সব খবরা খবর

সারা খুলনা অঞ্চল ও আশপাশের সব খবরা খবর

131
খাবারের খোঁজে মদনটাক

সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় উপাচার্য
খুবিকে ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। শনিবার (২৩ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়নে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মতবিনিময় সভার শুরুতে উপাচার্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহিদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ সকল শহিদ, কটকা ট্র্যাজেডিতে শাহাদাৎবরণকারী শিক্ষার্থীদের স্মরণ এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। একই সাথে ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানে যে সকল শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তাদের আশু সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। সভায় উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও বিভিন্ন সংগঠনসহ আপামর সকল শ্রেণি-পেশার মানুষদের এবং বিশেষ করে সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যে গবেষণাগুলো করবো, তা বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা এমনভাবে দক্ষ হয়ে উঠবে, তারা যেখানে যে কাজই করুক- তারা তাদের একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন এমনভাবে পরিচালিত হবে, যেন তা সমাজের এবং জাতির টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আপনাদের সকলের সহযোগিতা এবং বর্তমান প্রশাসনের গতিশীলতা দিয়ে ‘ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয়’ এ পরিণত করতে চাই।
উপাচার্য আরও বলেন, গত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বিগত সরকারের পতন হলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গত ২০ আগস্ট খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্টবৃন্দ, প্রকল্প পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকসহ প্রায় ৭০ জন প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। তখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দায়িত্ব নেওয়ার পর অগ্রাধিকারভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনাসহ শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সংকটময় ওই সময়টাতে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্থিতিশীল পরিবেশ না থাকলেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ব্যতিক্রম। শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় এ সংকট দ্রুত কেটে যায়। ক্লাসের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে স্বরূপে ফিরে আসে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে গত এক মাসে বর্তমান প্রশাসনের বেশকিছু পদক্ষেপ এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত অভিলক্ষ্য পূরণে শিক্ষা ও গবেষণা, আন্তর্জাতিক কোলাবরেশন ও র্যাঙ্কিং, দক্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুসংহতকরণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে, অচিরেই তা দূর করতে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি সংকটের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
মতবিনিময় সভায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ইতোমধ্যে আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করি। এ ছাড়াও তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
মতবিনিময় সভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। সভা সঞ্চালনা করেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট ও পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মোঃ রফিউল ইসলাম টুটুল, ইউএনবির ব্যুরো প্রধান শেখ দিদারুল আলম, মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মোঃ রাশেদুল ইসলাম, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান এইচ এম আলাউদ্দিন, সময়ের খবরের স্টাফ রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, দিনকালের খুলনা প্রতিনিধি সোহরাব হোসেন, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের ব্যুরো এডিটর মাহবুবুর রহমান মুন্না, দৈনিক প্রবাহের চিফ রিপোর্টার মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, দেশ টিভির খুলনা প্রতিনিধি নূর ইসলাম রকি ও দৈনিক কালবেলার খুলনা প্রতিনিধি বশির হোসেন। এ সময় সাংবাদিকদের মধ্য থেকে বিগত সরকারের আমলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়মের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য ব্যাপারগুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভায় খুলনার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

গল্লামারী-রায়ের মহল ও বাস স্ট্যান্ড-জয়বাংলা মোড় পর্যন্ত সড়ক দুটি দ্রুত সংস্কারের দাবি উন্নয়ন কমিটির
খবর বিজ্ঞপ্তি
শনিবার সকাল ১১টায় বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির কার্যনির্বাহী কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শেখ আশরাফ-উজ-জামান এর সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম এর পরিচালনায় সভায় বক্তারা বলেন গল্লামারী থেকে রায়েরমহল সড়ক এবং বাস স্ট্যান্ড থেকে জয়বাংলা মোড় বাইপাস সড়ক ও গল্লামারি ব্রীজের কাজ দ্রুত শুরু ও শেষ করার দাবি জানানো হয়। অন্যথায় যদি কাজ শুরু না হয় বৃহত্তর আন্দোলনের কর্মসূচী ঘোষনা করা হবে। শহরে যানজট ও জন দুর্ভোগ কমাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্বশীল হওয়া আশা করছি।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা রাখেন সহ-সভাপতি মোঃ নিজামউর রহমান লালু, শাহীন জামাল পন, অধ্যাপক মোঃ আবুল বাসার, মিজানুর রহমান বাবু, মামনুরা জাকির খুকুমনি, যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড. শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ, অর্থ সম্পাদক মিনা আজিজুর রহমান, শ্রম সম্পাদক মোঃ খলিলুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক সৈয়দ এনামুল হাসান ডায়মন্ড, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সরদার রবিউল ইসলাম রবি, শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক মোঃ আযম খান, শেখ আব্দুস সালাম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ইঞ্জিঃ রফিকুল আলম সরদার, মোঃ আলী রেজা, এ্যড. শেখ আবুল কাসেম, শেখ গোলাম সরোয়ার, শেখ আবুল কাসেম, আফজাল হোসেন রাজু, কৃষি সম্পাদক রকিব উদ্দিন ফারাজী, মতলুবুর রহমান মিতুল, বিশ্বাস জাফর আহম্মেদ, ইলিয়াস মোল্লা, শিকদার আব্দুল খালেক এবং প্রমিতি দফাদার প্রমুখ।

খানাবাড়ী শাহী জামে মসজিদের মতবিনিময় সভা
ফুুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
খানাবাড়ী শাহী জামে মসজিদ ও নূরে মদিনা মাদ্রাসা কমপ্লেক্রা এর এক জরুরী মতবিনিময় সভা শুক্রবার বাদ এশা মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। মসজিদের উন্নয়নকল্পে নির্মাণ কাজের জন্য গঠিত সীমানা ও জমির পরিমান নির্ধারণ কমিটি, পার্শবর্তি ৩৩৩৬ দাগে ভোগদখলকৃত জমির মালিকগণ এবং সার্ভেয়ারদের সাথে মসজিদের কার্যনির্বাহী কমিটির এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জরুরী এ সভায় স্থায়ী ভবন নির্মাণে গুরুত্বপুর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মসজিদের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি সেখ জেহাদুর রহমানের সভাপতি এবং অর্থ সম্পাদক মোঃ শফিউদ্দিন শফির সঞ্চালনায় জরুরী মতবিনিময় সভায় মতামত তুলে ধরে বক্তৃতা করেন, মসজিদের সীমানা ও জমির পরিমান নির্ধারণ কমিটি আহবায়ক মোঃ এমলাক ঢালী, সদস্য সচিব ও ওয়ার্ড মেম্বর মোঃ মামুন শেখ, যোগিপোল ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড মেম্বর জি এম এনামুল কবির, কুয়েটের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ গোলাম কিবরিয়া, খানাবাড়ী ঈদগাহ কমিটির কোষাধ্যক্ষ শেখ জার্বে উদ্দিন, মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ মশিউর রহমান, সহ-সভাপতি মোঃ জালাল উদ্দিন, আনোয়ার খুরশিদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ হামিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আলামিন হাওলাদার, সার্ভেয়ার ইব্রাহীম গাজী, সার্ভেয়ার মোঃ রমজান শেখ, মসজিদের ইমাম মোঃ জুবায়ের উদ্দিন, মসজিদ কমিটির মোঃ মতিয়ার রহমান, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ মহিউদ্দিন সরদার, মোঃ মিজানুর রহমান, মোঃ তুহিন শেখ, মোঃ আনিছ। এ সময় মোঃ সিরাজ উদ্দিন, মোঃ সুবজ হাওলাদার, মোঃ হাবিবুল্লাহ বেলালী, মোঃ সানি ভূইয়া, আব্দুর রবসহ মসজিদ কমিটি ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক আলোচনা সভা
রামপাল প্রতিনিধি
রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম রবির নির্দেশে রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের আয়োজনে সাংগঠনিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ২২ নভেম্বর বিকেলে উপজেলার ফয়লা বাজার বি এন পির আঞ্চলিক কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক ইব্রাহিম আকুঞ্জির সভাপতিত্বে ও সদ্য সাবেক যুগ্ন-আহবায়ক মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য লাভলু ফকির । প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উজলকুড় ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক মিলন আকুন্জী, যুবদল নেতা তারিকুল ইসলাম মুজাহিদ শেখ, শ্রমিক দল নেতা মোস্তফা হাওলাদার, আরো উপস্থিত ছিলেন ছিলেন রামপাল উপজেলা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক যুগ্নআহবায়ক মিলন লস্কর,সদ্য সাবেক আহবায়ক কমিটির সদস্য, আশিকুজ্জামান সুমন, জুবায়ের পরশ, আহাদ শেখ, শহিদুল ইসলাম। উজলকুড় ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির হাসান পাপ্পু।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দলের নাম ব্যবহার করে কেউ যদি দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করে আপনারা তাকে প্রতিহত করবেন। বহিরাগতরা দলে ঢুকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মান যেন ক্ষুন্ন করতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখবেন। আমাদের সকলের প্রিয় নেতা কেন্দ্রীয় বিএনপি’র গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক রামপাল মোংলার গণমানুষের নেতা কৃষিবিদ শামিমুর রহমান শামীম ভাইয়ের এর নির্দেশনা মেনে চলবেন।

পিরোজপুরে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া
পিরোজপুর প্রতিনিধি
অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী পরিষদ পিরোজপুর জেলা শাখার আয়োজনে যথাযথ মর্যাদায় পালিত হলো সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আলোচনাসভা ও দোয়া অনুষ্ঠান।বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে পিরোজপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) দুপুরে শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র পরিষদ পিরোজপুর জেলা শাখার আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনীর সভাপতি সার্জেন্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম হোসেন । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক শেখ রিয়াজ উদ্দিন রানা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে পিরোজপুর জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ,সাংবাদিক এবং পিরোজপুর মানুষের আস্থাভাজন হিসেবে বিশেষ অতিথি ছিলেন জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী,জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ জহিরুল হক। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলার অবসরপ্রাপ্ত সশস্ত্র বাহিনী পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
এ সময় জিয়ানগর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী বলেন, আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এসেই প্রথম যে অপকর্মটি করেছে তা হল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব এর উপরে তারা আঘাত করেছে। ২০১০ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারি থেকে ২৫ শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার পিলখানায় যেভাবে বাংলাদেশের গর্ব বাংলাদেশের অহংকার সেনা সদস্যদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে তা কোন একটি যুদ্ধেও এত সেনা অফিসার হত্যা করা হয়নি।

খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ^বিদ্যালয়ের ১ম একাডেমিক কাউন্সিল সভা
খবর বিজ্ঞপ্তি
শনিবার বিকাল ৩টায় খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ^বিদ্যালয় সভাকক্ষে কেকেবিএইউ-এর ভাইস-চ্যান্সেলর ও একাডেমিক কাউন্সিলের সভাপতি প্রফেসর ড. মোঃ মাহমুদ আলম-এর সভাপতিত্বে একাডেমিক কাউন্সিলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন অত্র বিশ^বিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সম্মানিত সদস্য ও একাডেমিক কাউন্সিলের আমন্ত্রিত অতিথি, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক অধ্যাপক ও ডিন এবং ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. আবু তৈয়ব আবু আহমেদ, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের অন্যতম সদস্য, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. কাজী শরীফুল আলম, বোর্ড অব ট্রাস্টিজ কর্তৃক মনোনীত শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয় (কুয়েট) এর সাবেক ভাইস-চ্যান্সেলর ও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন, খুলনা বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হায়দার, কুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ সাহিদুল ইসলাম, কেকেবিএইউ ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আর্শেদ আলী মাতুব্বর এবং অত্র বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোঃ শাহজাদা আল সাদিক। একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন একাডেমিক বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সিএসই বিভাগের প্রভাষক জনাব মেহেদী হাসান শান্ত-এর সঞ্চালনায় সভার শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলায়াত করেন সিএসই বিভাগের প্রভাষক জনাব মাসুম রায়হান এবং উপস্থিত সদস্যবৃন্দদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। সভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের সাধারণ সম্পাদক ও একাডেমিক কাউন্সিলের সম্মানিত সদস্য ইঞ্জিনিয়ার এ.এফ.এম গোলাম শরফুদ্দিনের রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনা করে দোয়া করা হয়।

খুলনা জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের কমিটি গঠন
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল খুলনা জেলা শাখা কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন পেয়েছে। ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সভাপতি হলেন মো: কামরুল ইসলাম (বটিয়াঘাটা) ও সাধারণ সম্পদক শেখ মো: ফেরদাউস (বটিয়াঘাটা)। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত ও সাধারণ সম্পাদক সাদেক আহমেদ খান কর্তৃক ১২ নভেম্বর অনুমোদিত কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহসভাপতি আবুল ফজল হেলাল (রূপসা), ডিএম নুরুল ইসলাম(কয়রা), গোলাম মোস্তফা (দিয়লিয়া), এফএম নুরুন্নবী খোকা (ডুমুরিয়া), যুগ্মসম্পাদক মোস্তা গাউসুল হক (পাইকগাছা), গোলাম রসুল (দিঘলিয়া), সাংগঠনিক সম্পাদক কে, এম জামাল উদ্দিন (রূপসা), যুগ্মসাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম হোসেন মল্লিক (বটিয়াঘাটা), প্রচার সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিকু (বটিয়াঘাটা), দপ্তর সম্পাদক আব্দুল মজিদ (কয়রা), ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল সানা (কয়রা), সমাজ কল্যাণ সম্পাদক নুরুল হুদা (কয়রা), সম্মানিত সদস্য জিএম মাওলা বজ্র (কয়রা), মোঃ দাউদ হোসেন (বটিয়াঘাটা), কেএম মুজিবুর রহমান (পাইকগাছা), আবুল কালাম আজাদ (পাইকগাছা), আব্দুল করিম মোল্লা (কয়রা), রুহুল আমীন গাজী (পাইকগাছা), শাহাজাহান পনু (দিঘলিয়া), মো: লুৎফর রহমান (কয়রা) ও শেখ ফিরোজুর রহমান (ডুমুরিয়া)।

কালিগঞ্জে ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসায় সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
পড়ো তোমার প্রভুর নামে” যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন” এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দ মধুসূদনপুর (বটতলা) ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার উদ্যোগে সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর-২৪) সকাল ১১ টায় মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এম হাফিজুর রহমান শিমুল এর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন মাওঃ রুহুল আমিন কাছেমী। বিশেষ আলোচক ছিলেন চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল (অবঃ)
মাওঃ আব্দুল কাদের হেলালী, সন্মানিত অতিথি ছিলেন বিষ্ণুপুর ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, বিষ্ণুপুর ইউপির প্রাক্তন সফল চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান সাগর, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক (অবঃ) আজিজুর রহমান, চৌমুনী হাস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মাস্টার আহছানউল্ল্যাহ তরফদার, রোস্তম আলী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান তারেক, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জি এম রফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব আজিজুর রহমান খাঁ, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শেখ আব্দুল করিম, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শেখ আলাউদ্দিন আহমেদ, শিক্ষক মাওঃ ইউনুস আলী, মাওঃ শাকির আহমেদ, মাওঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, সাংবাদিক, সুধীজন, শিক্ষক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকাল ১০টা থেকে অত্র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, হামদ্ -নাতে রসুল ও গজল পরিবেশন করে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরী করে। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাঁচ শতাধিক গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

খুলনা মহানগরী ওলামা সম্মেলন
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ওলামা বিভাগের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেন, কওমী-আলিয়া সকল ভেদাভেদ ভূলে দ্বীনে ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সকল আলেমদেরকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, স্বৈরাচার সরকারের প্রধান শেখ হাসিনাসহ তার দোষরদের অবিলম্বে দেশে নিয়ে এসে বিচার করতে হবে। স্বৈরাচার সরকারের দোষররা এখনো মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। সে জন্য আলেম-ওলামাদের সজাগ থাকতে হবে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরীর ওলামা বিভাগের উদ্যোগে শনিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওলামা সম্মেলন-২০২৪ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
মহানগরী ওলামা বিভাগের প্রধান উপদেষ্টা ও মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরষিদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা মশিউর রহমান।
খুলনা মহানগরীর ওলামা বিভাগের সেক্রেটারি মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের পরিচালনায় বক্তব্য দেন উলামা-মাশায়েখ কমিটির মহানগরী সভাপতি মাওলানা আ ন ম আব্দুল কুদ্দুস, দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইদ্রীস আলী, খুলনা আলিয়া কামিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মাওলানা মুফতি আব্দুর রহিম সরদার, খুলনা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ডি এম নূরুল ইসলাম, সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, তালিমুল মিল্লাত মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা এ এফ এম নাজমুস সউদ। কুরআন তেলাওয়াত করেন হাফেজ মাওলানা হাবিবুল্লাহ। ইসলামী সংগীত মাওলানা আব্দুল করিম।
তিনি আলেমদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আলেমদের প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য হলো পূর্ণাঙ্গ দ্বীন ইসলামের প্রচার ও প্রসারের কাজ করা। আর আমাদের দেশের প্রতিটি মসজিদ হবে দ্বীন চর্চার কেন্দ্র, ইসলাম প্রচারের ও প্রসারের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু। সেই লক্ষ্যে আমাদের আলেমসমাজকে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, এদেশে দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে আন্দোলন চলছে সে আন্দোলনে সকল মতের আলেমদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আলেমগণ ঐক্যবদ্ধ হলে ইসলামের বিজয় নিশ্চিত হবে। এই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টাকে সফল করতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সকল ধরনের ছাড় দিতে প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দল-মত-নির্বিশেষে সকল মারকাজের উলামা-মাশায়েখ ও ইসলামী নেতৃবৃন্দকে ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থে, দ্বীনের স্বার্থে, দেশ রক্ষার স্বার্থে, সর্বোপরি অপরাধমুক্ত আদর্শ ইসলামী সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। যুগে যুগে বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখা, দেশ গঠন, সমাজ উন্নয়ন, সমাজ সংস্কার ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে ওলামায়ে-কেরাম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আমরা উলামায়ে কেরাম যে মতের যে পথের বা যে দলেরই হই না কেন, আমরা যদি মৌলিক বিষয়ে এক থাকতে পারি, তাহলে এদেশে ইসলামের বিজয় কেউ ঠেকাতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ। একটু খেয়াল করলে দেখবেন, ময়দান যেদিকে যাচ্ছে, সাধারণ মানুষও সেদিকেই ঝুঁকছে। এতে বোঝা যায় দেশের মানুষ নতুন কিছু পেতে চায়, নতুন একটা ধারা চায়। আর সেটি হলো ইসলামী ধারা, সেটি হলো খেলাফতে রাশেদীনের ধারা, ইনশাআল্লাহ।
তিনি বলেন, ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা, শরয়ী হাইসিয়াত, দেশ গঠন ও উন্নয়নে কাঙ্খিত ভূমিকা পালনে সর্বস্তরের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ এবং মারকাজ, দরবার ও মাকতাবে ফিকারের ওলামায়ে কেরামকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।”
প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ড. মাওলানা মুফতি খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, কেবলমাত্র ওলামায়ে কেরামের ইমামতিতেই এদেশে শির্ক-বিদয়াতমুক্ত, অপরাধ, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব। তিনি বলেন “দল-মত-নির্বিশেষে আমাদের এক হতে হবে। আমাদের অতীতের সকল ভেদাভেদ ভুলে যেতে হবে। আমাদের আর কোনো রাজনৈতিক দলকে সুযোগ দেওয়া যাবেনা।

কালিগঞ্জে ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসায় সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি
পড়ো তোমার প্রভুর নামে” যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন” এই প্রতিবাদ্যকে সামনে রেখে কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের মুকুন্দ মধুসূদনপুর (বটতলা) ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার উদ্যোগে সুধী ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর-২৪) সকাল ১১ টায় মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এম হাফিজুর রহমান শিমুল এর সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন মাওঃ রুহুল আমিন কাছেমী। বিশেষ আলোচক ছিলেন চৌমুহনী ফাজিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল (অবঃ) মাওঃ আব্দুল কাদের হেলালী, সন্মানিত অতিথি ছিলেন বিষ্ণুপুর ইউপির চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, বিষ্ণুপুর ইউপির প্রাক্তন সফল চেয়ারম্যান মোঃ মাসুদুর রহমান সাগর, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যাপক (অবঃ) আজিজুর রহমান, চৌমুনী হাস্কুলের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক মাস্টার আহছানউল্ল্যাহ তরফদার, রোস্তম আলী আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী হাসান তারেক, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জি এম রফিকুল ইসলাম, সদস্য সচিব আজিজুর রহমান খাঁ, ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক শেখ আব্দুল করিম, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শেখ আলাউদ্দিন আহমেদ, শিক্ষক মাওঃ ইউনুস আলী, মাওঃ শাকির আহমেদ, মাওঃ মিজানুর রহমান প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থী, জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, সাংবাদিক, সুধীজন, শিক্ষক ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকাল ১০টা থেকে অত্র মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, হামদ্ -নাতে রসুল ও গজল পরিবেশন করে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরী করে। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাঁচ শতাধিক গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ। দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন ইকরা তা’লীমুল কুরআন নূরানী মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আশরাফ আলী।

কালিগঞ্জে প্রত্যয় আইডিয়াল স্কুলে অভিভাবক ও সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত
কালিগঞ্জ প্রতিনিধি
কালিগঞ্জে ইসলাম ও জেনারেল শিক্ষার সমন্বয়ে পরিচালিত প্রত্যয় আইডিয়াল স্কুলে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। “শিক্ষক ও অভিভাবকের সম্মিলিত শক্তি, শিক্ষায় বয়ে আনবে সমৃদ্ধি ও মুক্তি ” এই শ্লোগানে সকাল ৯ টায় প্রায় চার শতাধিক অভিভাবকের উপস্থিতিতে উক্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রত্যয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মোঃ আজগার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামী কালিগঞ্জ উপজেলা শাখার সেক্রেটারি এবং কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুর রউফ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কালিগঞ্জ উপজেলা শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলাম, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কালিগঞ্জ উপজেলা সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেন, প্রত্যয় গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সিরাজুল ইসলাম, ডাঃ মুজিব-রুবি মডেল স্কুল এর সহকারী প্রধান শিক্ষক সাইফুল্লাহ, প্রত্যয় গ্রুপের ডি এম ডি শেখ নাজমুল হুদা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান এবং শিক্ষকমণ্ডলী ও অভিভাবক- অভিভাবিকা মন্তলীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য প্রদান করা হয়। এছাড়াও শিক্ষার্থীরা তিন ভাষায় কুরআন তেলাওয়াত, ইংরেজি ও বাংলা বক্তৃতা, ইংলিশ কনভারসেশন, কবিতা আবৃত্তি, একক ও দলীয় সঙ্গীত পরিবেশন করেন। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরেও উৎসব মুখর পরিবেশে অভিভাবক ও সূধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ফকিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা টুকুন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শফিকুর রহমান টুকুন স্মৃতি আন্ত: ইউনিয়ন ৮দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টে ফকিরহাট ইউনিয়ন দলকে হারিয়ে নলধা-মৌভোগ ইউনিয়ন দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
শনিবার (২৩ নভেম্বর) বিকেল ৪টায় মূলঘর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফাইনাল খেলায় নলধা-মৌভোগ ইউনিয়ন দল ১-০ গোলে ফকিরহাট ইউনিয়ন দলকে পরাজিত করে।
ফকিরহাট বিএনপির আয়োজনে ও মুলঘর স্পোটিং ক্লাবের পািরচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফাইনাল খেলার শুভ উদ্বোধন করেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহবায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম। খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান বক্তা জেলা বিএনপির সদস্য ও একাদশ সংসদ নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসনের বিএনপির মনোনিত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এ্যাডভোকেট মাসুদ রানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুবদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সভাপতি, বিএনপি নেতা ইফতেখার আহম্মেদ পলাশ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্টের আয়োজন কমিটির আহবায়ক সৈয়দ মাসুদুল ইসলাম।
এসময় উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মুশফিকুজ্জামান রিপন, যুবদলের সদস্য সচিব লায়ন শেখ দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা রাজু আহম্মেদ, জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রভাষক মোবাশ্বের হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কাজী মইন উদ্দিন মেরু। এছাড়া এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন আলমগীর কবির, বামরুজ্জামান কাম, রবি, সাগর, পলাশ, জাহাঙ্গির হোসেন, এনামুল, জাকির প্রমূখ। খেলা পরিচালনা করেন মিরাজ সরদার, সহযোগি ছিলেন জসিম উদ্দিন ও রাজু আহম্মেদ। খেলায় চ্যাম্পিয়ন দলকে ৩০হাজার টাকা ও রানার্স আপ দলকে ২০হাজার টাকা প্রদান করা হয়।

ফকিরহাটে বিদ্যুতায়িত হয়ে কৃষকের মৃত্যু
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে বিদ্যুতায়িত হয়ে ফজর শেখ (৬২) নামে এক কৃষক মারা গেছেন। উপজেলার লালচন্দ্রপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ফজর শেখ বাহিরদিয়া মানসা ইউনিয়নের লালচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত কাশেম শেখের ছেলে। এ ব্যাপারে নিহতের ছেলে ফরিদ শেখ শুক্রবার রাতে নিজ বাদী হয়ে ফকিরহাট মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করেছেন।
ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম আলমগীর কবির জানান, শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে ফজর আলী নিজের মৎস্য ঘের থেকে বসত বাড়ি ফেরার পথে পা পিছলে ঘেরে দেওয়া বৈদ্যুতিক তারের উপর পড়েন। এতে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

খুলনায় বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার নির্মাণে তোড়জোড়
আবাসিক এলাকার ১৩টি ভবন ভেঙ্গে হচ্ছে রাজনৈতিক প্রকল্প

আমিরুল ইসলাম
খুলনা মহানগরীর জোড়াগেটের সরকারি কর্মচারী আবাসিক এলাকাকে মানুষ চেনে সিএন্ডবি কলোনী নামে। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এ আবাসিকের ১৩টি ভবন ভেঙ্গে বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। গণ-অভ্যূত্থানের মুখে সরকার পতন হলেও রাজনৈতিক বিবেচনায় গৃহিত এই প্রকল্প বাস্তবায়নে আমলাদের অতি উৎসাহী ভূমিকায় হতবাক সচেতন মহল। সাড়ে ৫শ’ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নে তোড়জোড় শুরু হয়েছে নতুন করে। অর্থনৈতিক ভঙ্গুর সময়ে এমন প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন।
গণপূর্ত এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, খুলনায় বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার প্রকল্পের অনুমোদন হয় ২০২২ সালের ৬ অক্টোবর। ডিপিপি অনুযায়ী এর মোট ব্যয় ধরা হয় ৫৫৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে জমির মূল্য ধরা হয় এক কোটি ২১ লাখ টাকা। চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার কথা।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য প্রথমে জমি দেখা হয় নগর সংলগ্ন জিরো পয়েন্ট ও আশপাশ এলাকায়। কিন্তু পরে হঠাৎ করে জনগুরুত্বপূর্ণ আবাসিক এলাকায় নিয়ে আসা হয় প্রকল্পটি। সিএন্ডবি কলোনীর আট একরেরও বেশি জমিতে থিয়েটার নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যেই আন্ত:মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ওই আবাসিকের ৮.৩৫১ একর জমি হস্তান্তর হয়েছে। ছয়তলা বিশিষ্ট ১৩টি ভবন নামমাত্র মূল্যে ভেঙ্গে ফেলার জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। টেন্ডারে মাত্র তিনটি ভবনের প্রতিটি ১১ থেকে ১২ লাখ টাকায় বিক্রি হলেও বাকী ১০টি ভবন ভেঙ্গে মালামাল নিতে গিয়ে একেকটি ভবনের জন্য চার থেকে পাঁচ লাখ টাকা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান ভবনগুলো ভেঙ্গে মালামাল নেওয়ার জন্য সর্বনিম্ন দরদাতা নির্বাচিত হয় তার মধ্যে দু’টি ভবন পায় মেসার্স এস, কে ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া মেসার্স জননী আয়রন ষ্টোর ও মেসার্স রিযিক এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠান দু’টি করে ভবনের টেন্ডার পায়। কিন্তু জমি অধিগ্রহণ না হলেও তার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা কি হবে সে ব্যাপারেও এখনও কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে প্রকল্প পরিচালক বলেছেন, অধিগ্রহণের টাকা ফেরত যাবে সরকারের কাছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিএন্ডবি কলোনীর এক বাসিন্দা জানালেন, তৎকালীণ সরকারের আমলে আবাসিক এলাকার ১৩টি ভবন ভাঙ্গার জন্য বুক ভ্যালু কম দেখিয়ে আওয়ামীলীগ নেতাদের মধ্যে কাজগুলো ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়া হয়। কিন্তু ৫ আগষ্টের পট পরিবর্তনের পর কাজ পাওয়া অনেক নেতা আত্মগোপনে গেছেন। আবাসিক এলাকার মাঠে প্রতিদিন ভোরে খুলনার অনেক প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা এবং বিকেলে অনেক শিক্ষার্থী খেলাধুলা করেন। শহরের মধ্যে এতো বড় মাঠ আর খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। তাই নভোথিয়েটার স্থাপনের প্রকল্পটি ওই এলাকার জন্য বিষফোঁড়া হবে বলেও আশংকা তার। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আগের সরকার এ প্রকল্পটি হাতে নেয় বলেও তিনি মনে করেন।
এছাড়া প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একজন সচিবের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় জোড়াগেটে করার উদ্যোগ নেওয়া হয় বলেও জনশ্রুতি আছে। সরকার পরিবর্তন হলে কিছুদিন প্রকল্পের অগ্রগতি থেমে গেলেও আবারও সম্প্রতি তোড়জোড় শুরু হয়েছে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর খুলনা গণপূর্ত ভবনে এ সংক্রান্ত একটি সভা হয়েছে। ওই সভায় খুলনা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মিজবাহ উদ্দিন, খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফ্রান্সিস আশিষ ডি কস্তা, খুলনা গণপূর্ত জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী(স্টাফ অফিসার) তানজিলা শারমিন, খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১এর নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার বিশ^াস এবং প্রকল্প পরিচালক(উপসচিব) মোঃ মশিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন। ওই সভায় ভবনগুলো দ্রুত ভেঙ্গে ফেলে প্রকল্পের কাজ শুরুর সিদ্ধান্ত হয় বলে সূত্র জানায়।
এর আগে ৯ সেপ্টেম্বরের এক পত্রে প্রকল্প পরিচালক এটিকে ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল স্থাপনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার সাথে কথা হলে বলেন, এমন কোন শব্দ দিয়ে চিঠি লিখিনি। জনগনকে বিজ্ঞান শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করার জন্য এটা করা হচ্ছে। এ প্রকল্পটি হলে জনগনের লাভ, শিশুদের লাভ।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলের কোন সভার সিদ্ধান্তে প্রকল্পটির কাজ চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে জানতে চাইলে তিনি নির্দিষ্ট করে কোন দিন-তারিখের উল্লেখ করতে পারেননি। শুধু বলেছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মুকাব্বির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক মিটিংয়ে চলমান প্রকল্পগুলো এগিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্তের আলোকে খুলনার বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটারটির কার্যক্রম শুরুর জন্য সম্প্রতি সভা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত এ সভায় টেন্ডার আহবানের সিদ্ধান্ত হয়।
প্রকল্প পরিচালক মশিউর রহমান বলেন, সরকার বদলের পর কাজটি চলমান থাকবে কি না এমন সন্দেহ ছিল। কিন্তু দেশের আট বিভাগে যেহেতু এমন আটটি প্রকল্প হবে সেজন্য সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এটির কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। আবার যেহেতু বরিশাল ও রংপুরের কাজ চলমান রয়েছে সেহেতু খুলনার কাজটিও শুরু করা দরকার বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়। খুলনার পরই কাজ শুরু হবে ময়মনসিংহের।
আবাসিক এলাকায় কেন এ প্রকল্প জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি আবাসিক এলাকা না, গণপূর্ত বিভাগের অনেক জায়গা পড়ে আছে। অব্যবহৃত জমি ব্যবহার করা হচ্ছে। যে ভবনগুলো ভেঙ্গে ফেলা হবে সেগুলো অব্যবহৃত। সেখানে অনেকে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন। জমি অধিগ্রহণের জন্য যা লাগে তা খরচ হবে, বাকী টাকা সরকার ফেরত পাবে।
তবে ‘বঙ্গবন্ধু নবথিয়েটার’ প্রকল্প সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজী হননি খুলনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ফ্রান্সিস আশিষ ডি কস্তা এবং খুলনা গণপূর্ত বিভাগ-১এর নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার বিশ^াস।
এদিকে, বঙ্গবন্ধু নভো থিয়েটার প্রকল্পটি জনগনের অর্থ ব্যয় করে উন্নয়নের নামে পরিবারতন্ত্র কায়েমের অপচেষ্টা বলে দাবি সচেতন মহলের। বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ উজ জামান বলেন, উন্নয়নে দ্বিমত নেই, কিন্তু সেটি হতে হবে পরিকল্পিত। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে এতোগুলো টাকা খরচ করে নভো থিয়েটার তৈরি করা হলেও কিভাবে ওই টাকা উঠবে বা উঠতে কত বছর লাগবে সেটি আগে সার্ভে করা উচিত। শুধুমাত্র রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হাতে নেওয়া ও দুর্নীতির আশংকা থাকে এমন প্রকল্পগুলো বাতিল করা উচিৎ। ভবনগুলো নামমাত্র মূল্যে বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হলো। বিষয়টি তদন্তের দাবি রাখে।

আর্ন্তজাতিক এলসিআইএফ অনুদান পেল খুলনা লায়ন ফারিহা উইমেন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার
খবর বিজ্ঞপ্তি
নারী ও যুবসমাজকে কর্মভিত্তিক প্রশিণের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন-এলসিআইএফ থেকে অনুদান পেয়েছে খুলনা লায়ন ফারিহা উইমেন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার । বিগত কয়েক বছর ধরে লায়ন ফারিহা উইমেন ডেভেলপমেন্ট সেন্টার খুলনার ফুলতায় প্রত্যন্ত গ্রামে তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নারীদের কম্পিউটার প্রশিণসহ বিভিন্ন কর্মদক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে আসছে। এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচীকে আরও সফল ভাবে এগিয়ে নিতে ও গ্রামীন নারীদের আত্ম কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন এই অনুদান দিয়েছে। প্রকল্প পরিদরশন শেষে পায়গ্রাম কসবা লায়ন্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি লায়ন ইঞ্জিনিয়ার আবিদ হাবিব এর কাছে অনুদানের অর্থ হস্তান্তর লায়ন্স ক্লাবের ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সেলিম মিয়া। এর আগে তিনি প্রকল্পে অনুদানের অর্থে কেনা সরঞ্জামাদি দেখেন। এসময় তিনি এই প্রতিষ্ঠান তেকে প্রক্ষিক্ষণ পাওয়া যুবক -যুবতিদের সাথে কথা বলেণ ও তাদের সাবলম্বি হওয়ায় গল্প শোনের। এ ধরনের প্রকল্প গ্রামীণ সমাজের নারী ও যুব সমাজকে মতায়নে এবং বেকারত্ব হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে উল্লেখ করেতন তিনি।
আর্ন্তজাতিক এই অনুদানের মাধ্যমে দেশে অন্য লাংন্স ক্লাবের জন্যও আর্থিক অনুদান প্রাপ্তির দার উন্মোচিত হল বলে উল্লেখ করেন গভর্নর। অনুষ্ঠানে লায়ন্স ক্লাবের উর্ধতম নের্তৃবৃন্দ সহ খুলন, সাতক্ষিরা ও বাগেরহাটের আরও ৭টি লায়ন্স ক্লাবের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত
খবর বিজ্ঞপ্তি
সাংবাদিকদের ২৪/৭ টেলিফোন হটলাইন সাপোর্ট, সেফ হাউস সেটআপ, নিরাপত্তা তহবিল এবং জরুরী সহায়তার জন্য সরঞ্জাম, আইনি সহায়তা, ট্রমা কাউন্সেলিং, দুর্ঘটনা সহায়তার উপর আলোচনা এবং সহযোগিতার অ্যাডভোকেসি কর্মশালা বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির খুলনার সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয়। দৈনিক প্রবাহের কনফারেন্স রুমে সকাল ১০ টায় শুরু হয়ে দুপুর ১ টায় শেষ হয়।
সিডাব্লিউএফ এলায়েন্স (সিডাব্লিউএফ, সি এম কে এস,ও দৈনিক প্রবাহ)’র সার্বিক ব্যবস্থাপনায়, দাতা সংস্থা দ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর অর্থায়নে, ফ্রি প্রেস আনলিমিটেড, আর্টিকেল নাইনটিনের সহযোগিতায় রাউন্ড টেবিল অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। দ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এর অর্থায়নে, ফ্রি প্রেস আনলিমিটেড, আর্টিকেল ১৯ এর সহযোগিতায় গঠিত বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে এই রাউন্ড টেবিল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির সদস্য সচিব ও প্রজেক্ট কর্ডিনেটর আনিছুর রহমান কবির এর সঞ্চালনায়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দৈনিক প্রবাহের নির্বাহী সম্পাদক এনামুল হক শাহেব। শুভেচ্ছা বক্তব্য পেশ করেন জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির সিনিয়ার যুগ্ন আহবায়ক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। এ সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করেন খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার চিফ রিপোর্টার এনামুল হক । উদ্বোধন শেষে
অ্যাডভোকেসি ওয়ার্কশপ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন এর মাধ্যমে উপস্থাপন করেন সি ডব্লিউ এফ এর পরিচালক ও সি ডব্লিউ এফ এলায়েন্স এর টিম লিডার মোহাম্মদ নাসিমুল হক। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জার্নালিস্ট প্রটেক্ট কমিটির যুগ্ন আহবায়ক ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির স্টাফ রিপোর্টার অভিজিৎ পাল,সিনিয়ার সাংবাদিক খুলনার চিঠির সম্পাদক মোতাহার রহমান বাবু, খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসান হিমালয়, খুলনা নাগরিক সমাজের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার, খুলনা ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম শিমুল, দৈনিক প্রবাহের সহ-সম্পাদক মেহেদী মাসুদ খান ,দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক শেখ আল এহসান , যমুনা টেলিভিশনের খুলনা বিভাগীয় প্রধান প্রবীর কুমার বিশ্বাস, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির স্টাফ রিপোর্টার শামীম আহমেদ, এশিয়ান টেলিভিশনের খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোঃ বাবুল আক্তার, আরটিভির খুলনা বিভাগীয় প্রধান মোঃ মনিরুজ্জামান , দৈনিক বাংলার ব্যুরো প্রধান আওয়াল শেখ, এস এম মাহবুবুর রহমান, তানিশা খান,মামুন, মোহাম্মদ ইমরান ইন্দ্রজিৎ ঠিকাদারসহ মোট ৪৫ জন সাংবাদিক ও বিভিন্ন পেশাজীবীদের নিয়ে অ্যাডভোকেসি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সাংবাদিকরা তাদের বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করেন।

বটিয়াঘাটায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হত্যার উদ্দেশ্যে দেশী অস্ত্র নিয়ে হামলা
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলা ৩নং গঙ্গারামপুর ইউনিয়নে চরখালি মাসালিয়া গ্রামের সৌরভ বৈরাগীর হাঁস হারিয়ে যাওয়া কে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। ভুতোভোগী পরিবার আহত সবিতা রানীর স্বামী ব্রজ মন্ডল বলেন ,আমি বাড়িতে ছিলামনা । আমি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছি । আসামী আমার গ্রাম্য প্রতিবেশী। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আসামীর সাথে আমার পূর্ব থেকে শত্রুতা চলে আসছে । তারই ধারাবাহিকতায় আসামী আমার ও আমার পরিবারের লোকজনদের মারপিট সহ ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টা করে আসছে। গত ৮ নভেম্বর দুপুর অনুমান আড়াই টায় আমার স্ত্রী-সবিতা বিশ্বাস (৩৯) দুপুরের খাবারের জন্য আমাদের পালিত একটি দেশী মুরগি রান্না করে এবং একই দিনে সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৬ টায় আসামীর কাকাতো ভাই মৃনাল বৈরাগীর পুত্র বিশ্বজিত বৈরাগী (৩৮) এর ১ টি রাজা হাঁস হারিয়ে যায়। পরদিন ৯ নভেম্বর দুপুর অনুমান দেড় টায় আমার মেয়ে সিথি মন্ডল (০৯) আমাদের প্রতিবেশী সঞ্জয় বৈরাগী (৪৯) এর ছেলেকে গতকালের রান্না করা মাংস খাওয়ার জন্য বলে। ওই সময় আসামী আমাদের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় উক্ত কথাবার্তা শোনে এবং গত ৮ নভেম্বর সন্ধ্যা অনুমান সাড়ে ৬ টায় আসামীর কাকাতো ভাই বিশ্বজিত বৈরাগী (৩৮) এর হারিয়ে যাওয়া রাজা হাঁসটি আমরা চুরি করে নিয়ে এসে রান্না করেছি মর্মে সন্দেহ করে এবং যার কারনে আসামী আমাদের উপর আরো ক্ষিপ্ত হয়। গত গত ৯ নভেম্বর দুপুর অনুমান ২ টায় আমার অনুপস্থিতিতে আসামী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাতে লোহার রড নিয়ে আমার বসতবাড়ীর মধ্যে প্রবেশ করে আমার স্ত্রী সবিতা বিশ্বাস (৩৯)কে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। তখন আমার স্ত্রী ঘরের বারান্দায় দাড়িয়ে আসামীকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে আসামী আমার ঘরের বারান্দায় উঠে আসামীর হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে আমার স্ত্রীকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করে। আমার স্ত্রী বাম হাত দিয়ে ঠেকালে লোহার রডের আঘাত আমার স্ত্রীর বাম হাতে কজিতে লেগে মারাত্মক ভাবে হাড়ভাঙ্গা জখম হয়। আমার স্ত্রী চিৎকার করে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে আসামী আবারো আমার স্ত্রীর বাম পায়ে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে, যাহাতে আমার স্ত্রীর বাম পায়ের হাটুর নিচে হাড় ভাঙ্গা জখমপ্রাপ্ত হয়। এরপর আসামী আমার স্ত্রীর পরনের কাপড়-চোপড় টেনে হিঁচড়ে বিবস্ত্র করিয়া শ্রীলতাহানী ঘটায়। এরপর আসামী আমার বসতঘরের টিনের বেঁড়া ভাংচুর করে অনুমান প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। আমার স্ত্রীর ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে আসামী লোহার রড উচু করে প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলে, আমরা যদি তার কোন কাজে বাধা দেই বা তার বিরুদ্ধে কোথাও অভিযোগ দায়ের করি তাহলে আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদের পথে ঘাটে একা পাইলে মারপিট করে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দিবে মর্মে হুমকি দিয়ে চলে যায়। আমি ঘটনার সংবাদ শুনে দ্রুত বাড়ীতে উপস্থিত হই এবং আমার স্ত্রীকে গুরুত আহত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বটিয়াঘাটা, খুলনায় ভর্তি করি। আমার স্ত্রীকে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ করে, স্ত্রীর নিকট হইতে ঘটনার বিস্তারিত শুনে থানায় এজাহার দায়ের করতে সামান্য বিলম্ব হইল।আমি প্রকৃতি দোষীদের বিরুদ্ধে বিচার চাই।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলকে কালীগঞ্জের নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। তিনি শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপি’র সম্মেলনে অংশ নিতে যশোর বিমান বন্দর থেকে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে মহাসড়কের দুধারে দাঁড়িয়ে কালীগঞ্জের নেতৃবৃন্দ শহরের পৃথক দুটি স্থানে তাকে এ শুভেচ্ছা জানান।
মহাসচিব ফখরুল ইসলাম সকাল ৯ টায় শহরের মোবারকগঞ্জ চিনিকলের প্রধান ফটকে পৌছালে কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ তার অনুসারীদের নিয়ে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর মেইন বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন টেলিফোন ভবনের সামনে জাতীয়তাবাদী সেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রিয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের বিগত সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতিকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম ফিরোজের অনুসারী উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম ও ইলিয়াস রহমান মিঠুর নেতৃত্বে দলের এই শীর্ষ নেতাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এ সময় মহাসচিব মহাসড়কের পাশ ঘেষে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার নেতাকর্মিকে গাড়ির ভেতর থেকে হাত নেড়ে অভিনন্দন জানান।
এ সময় নেতৃবৃন্দদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবুল কালাম আজাদ, নজরুল ইসলাম তোতা, বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন, জবেদ আলী, গোলাম রব্বানী, ওহেদ আলী লস্কার, সূজাউদ্দীন মাহামুদ পিয়াল, মাহবুবুর রহমান মিলন, মঞ্জুরুল হক খোকা, শাহজাহান আলী খোকন, কৃষকদল নেতা মোকছুদুল মোমিন, ছাত্রদল নেতা মৌসুম উদ্দীন শোভন, জুয়েল রানা প্রমূখ।

খেলাফত মজলিসের ওলামা ও সুধী সম্মেলন
খবর বিজ্ঞপ্তি
খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর মাওলানা আল্লামা সাখাওয়াত হোসাইন আগামী জাতীয় নির্বাচনে ইসলামী দলগুলোর ঐক্য ও একক প্রার্থী দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন। তিনি আশংকা করেছেন ইসলামী দলগুলোতে বিভক্তি হলে জালেমরা ক্ষমতাসীন হবে। খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আলেম-ওলামারা নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। শনিবার বিকেলে শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ওলামা ও সুধী সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এ কথা বলেন।
খেলাফত মজলিসের খুলনা জেলা ও নগর শাখা এ সম্মেলনের আয়োজক। ‘বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত, ইনসাফ ভিত্তিক সমৃদ্ধশীল বাংলাদেশ গড়তে করণীয় শীর্ষক’ উলামা ও সুধী সম্মেলনের আয়োজন।
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে ইসলামী দলের পক্ষ থেকে প্রতিটি আসনে একক প্রার্থী না হলে ইসলাম প্রিয় মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়বে। খেলাফত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামী দলগুলোর বিকল্প নেই।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দলের নায়েবে আমীর শায়খুল হাদীস আল্লামা আহমদ আলী কাসেমী বলেন, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে হলে খেলাফত মজলিসের মাধ্যমে ভালো ও সৎ মানুষ তৈরি করতে হবে। ইসলামী খেলাফত প্রতিষ্ঠা ছাড়া জনগণের মুক্তি সম্ভব নয়। প্রচলিত গণতন্ত্র অর্থনৈতিক দুরাবস্থা ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দিতে পারেনা।
প্রধান বক্তা বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক শায়েখ মুফতী আলী হাসান উসামা বলেছেন, অর্থনীতিতে সুদ, বীমায় সুদ, বৈদেশিক সুদ ও মহাজনী সুদ থাকলে বৈষম্য দূর হবে না। বৈষম্য দূর করতে হলে আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি ১৯৭২ সালের কুফরি সংবিধানে জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস উক্তির তীব্র সমালোচনা করেন। আল্লাহর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠা করতে হলে খেলাফতের কাফেলায় শরীক হওয়ার আহবান জানান। তিনি প্রশ্ন করেন, রাষ্ট্রপতি যদি রাষ্ট্রের মালিক হন, তাহলে জনগণ কী তার প্রজা। তিনি চীন, রাশিয়া থেকে আমদানি করা মতবাদ এবং আমেরিকার গণতন্ত্র এ দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দিতে পারবেনা বলে উদাহরণ তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথি দলের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা শায়খুল হাদীস মাওলানা আলী আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্রে হত্যা, দুর্নীতি বন্ধ করে শান্তি বজায় রাখার জন্য খলিফার রাষ্ট্র ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বা বিএনপির পক্ষে জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব না। এ জন্য ইসলামী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে জুলুম প্রতিরোধ করতে হবে।
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ বলেছেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। গুম, খুন, নির্যাতন ও আয়না ঘর আবিস্কার করায় তাদের স্বৈরাচারী মনোভাব বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট হয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠা হলে আয়না ঘর চিরতরে বিলুপ্ত হবে। ১৫ বছরে বিদেশে পাচার করা টাকা ফেরত আনার জন্য সরকারের কাছে আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা এমদাদুল হক। অন্যন্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন মারকাজুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা রফিকুর রহমান, দারুল উলুম মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা নাসির উদ্দীন কাসেমী, তামিমুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা এ এফ এম নাজমুস সউদ, খুলনা মহানগর খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এফ এম হারুন অর-রশীদ, খেলাফত মজলিসের যশোর জেলা সভাপতি হাফেজ মাওঃ আব্দুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মীর মোহর আলী, বাগেরহাট জেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মুফতি আমিরুল ইসলাম, মাওলানা ইউসুফ আজাদী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, খুলনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফেজ মাওলানা আব্দুল্লাহ যোবায়ের, নগর সম্পাদক অ্যাড. শহীদুল ইসলাম যুব মজলিস নেতা মো. জামিরুল ইসলাম প্রমুখ। পরিচালনা করেন খেলাফত মজলিস হাফেজ সাজ্জাদ হোসেন চঞ্চল ও ইমদাদুল্লাহ আজমী ডালিম।
সম্মেলনে দলেল নীতি, আদর্শের প্রতি অনুপ্রাণিত হয়ে বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক শায়েখ মুফতী আলী হাসান উসামা’র কাছে প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করে শতাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমান খেলাফত মজলিসে যোগদান করেন।

আন্তর্জাতিক মানোবধিকার আইনী সহায়তা প্রদান কারী সংস্থা লিডারশিপ টেনিং ক্যাম্পিং
বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি
আন্তর্জাতিক মানোবধিকার আইনী সহায়তা প্রদান কারী সংস্থা লিডারশিপ টেনিং ক্যাম্পিং, শনিবার সকাল ১০ টায় খুলনা শিববাড়ি মোড় নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি ৩০২ নং হল রুমে অনুষ্ঠিত হয় । খুলনা বিভাগের সভাপতি মোঃ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক এম শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান কেন্দ্রী নির্বাহী পরিষদ আন্তর্জাতিক মানোবধিকার আইনী সহায়তা প্রদান কারী সংস্থা । বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রেজিস্ট্রার, নর্দান ইউনিভার্সিটি খুলনা, প্রফেসর ড. মোঃ শাহ আলম,যুগ্ম মহাসচিব এস এম আক্তারুজ্জামান,কোরান তেলাওয়াত করেন জতীয় সাংবাদিক সংস্থার খুলনা জেলা সদস্য সচিব মোঃ ইমরান হোসেন । এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন জেলা উপজেলার আন্তর্জাতিক মানোবধিকার আইনী সহায়তা সংস্থার লিডার গন ।

চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে আপেল লস্কর (৫০) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের সোনাইকুন্ডি লস্করপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আপেল লস্কর একই এলাকার মৃত আমজাদ লস্করের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাজেদুল লস্করকে (৩২) আটক করেছে পুলিশ। দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আউয়াল কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘শনিবার ভোরে মাছ কেনার উদ্দেশে ভেড়ামারা যাচ্ছিলেন আপেল লস্কর। বাড়ির সামনে রাস্তায় পৌঁছালে ওত পেতে থাকা সাজেদুল লাঠি দিয়ে আপেল লস্করের মাথায় আঘাত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্থানীয়রা সাজেদুলকে আটক করে থানায় খবর দেয়।’’
ওসি শেখ আউয়াল কবির বলেন, ‘‘প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, সাজেদুল মাদকাসক্ত। নেশার টাকা জোগাড়ে আপেল লস্করকে হত্যা করেছেন তিনি। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।’’

ঝিনাইদহে দুই ট্রাকের সংঘর্ষে একজন নিহত, আহত ৩
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ সদরের নতুনবাড়ি এলাকায় দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আল-আমিন (২৫) নামে এক যুবক হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন।
শনিবার (২৩ নভেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আল-আমিন জেলার কোটচাঁদপুর উপজেলার আজিজুল ইসলামের ছেলে।
ঝিনাইদহ আরাপপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস বলেন, ‘‘সকালে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সারবোঝাই একটি ট্রাক ঝিনাইদহ বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় আসছিল। পথিমধ্যে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবোঝাই ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সারবোঝাই ট্রাকের চালক মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।’’

কুষ্টিয়ায় মাছ ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যা, চাচাতো ভাই আটক
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সাজেদুল লস্কর (৩২) নামে এক ব্যক্তির লাঠির আঘাতে তার চাচাতো ভাই আপেল লস্করের (৫০) মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার হোগলবাড়িয়া ইউনিয়নের সোনাইকুন্ডি লস্কর পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ঘাতক সাজেদুল লস্করকে আটক করেছে পুলিশ। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আউয়াল কবির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত আপেল লস্কর সোনাইকুন্ডি লস্কর পাড়া এলাকার মৃত আমজাদ লস্করের ছেলে ও আটক সাজেদুল লস্কর মৃত রেজওয়ান লস্করের ছেলে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, শনিবার ভোরে আপেল লস্কর বাড়ি থেকে ভেড়ামারায় মাছ কেনার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। বাড়ির সামনে রাস্তায় পৌঁছালে আগে থেকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা সাজেদুল মোটা একটি লাঠি দিয়ে আপেলের মাথায় আঘাত করলে তার মৃত্যু হয়। এ সময় স্থানীয়রা তাকে ধরে ফেলে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সাজদুলকে আটক করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আউয়াল কবির বলেন, চাচাতো ভাইয়ের লাঠির আঘাতে আপেল লস্কর নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় চাচাতো ভাইকে আটক করা হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হচ্ছে।

৪৬ বছরে মাত্র ১৯ শতাংশ আবাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম ইবি
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
পূর্ণাঙ্গ আবাসন সুবিধার লক্ষ্য নিয়ে প্রায় ৪৬ বছর আগে কুষ্টিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি)। কিন্তু এখন পর্যন্ত মাত্র ১৯ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন। এর বাইরে শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশকে ২২ ও ২৪ কিলোমিটার দূরে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ শহরে থাকতে হচ্ছে। নিরাপত্তা ঝুঁকিসহ নানা সমস্যা নিয়ে মেসে থাকছেন তারা। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে তাদের বেগ পোহাতে হয়। নির্ভরশীল থাকতে হয় পরিবহনের ওপর।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৩৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। হল কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মোট আটটি আবাসিক হলের আসন সংখ্যা তিন হাজার ৩৫৫, যা মোট শিক্ষার্থীর মাত্র ১৯ শতাংশ। এর মধ্যে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার ছাত্রের জন্য পাঁচটি হলে আসন সংখ্যা দুই হাজার ২০টি। বাকি ছয় হাজার ছাত্রীর জন্য তিনটি হলে আসন এক হাজার ৩৩৫টি। এর মধ্যে ছাত্র হলগুলোর সিট রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের সিট মেলে না বলে অভিযোগ আছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা কাগজে-কলমে আবাসিকতা পেলেও সিটে উঠতে পারেননি অনেকে।
শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হলে থাকার সুযোগ না পেয়ে নানা ঝুঁকি ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সত্ত্বেও বিভিন্ন মেস ও বাসায় অবস্থান করতে হচ্ছে। এতে বিপাকে পড়ছেন নিম্নবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীরা। সবচেয়ে বেশি সমস্যার মুখে পড়ছেন ছাত্রীরা। অন্য সমস্যাগুলোর পাশাপাশি নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে থাকতে হয় তাদের। গোসলখানায় আপত্তিকর ভিডিও ধারণের মতো ঘটনাও ঘটেছে। মাঝেমধ্যেই স্থানীয়দের হয়রানির শিকার হচ্ছেন মেসে থাকা ছাত্রীরা। মেসে থাকা ছাত্রদের সঙ্গে স্থানীয় ও মেস মালিকদের মারামারির ঘটনাও ঘটে।
জানা যায়, আসন সংকটের জন্য হলগুলোতে রয়েছে গণরুম। এসব কক্ষে শিক্ষার্থীরা গাদাগাদি করে থাকছেন। ছাত্রী হলগুলোতে এই সংখ্যা বেশি। খালেদা জিয়া হলে ৩৯৬টি আসন থাকলেও হলটিতে সাত শতাধিক ছাত্রী অবস্থান করতে দেখা গেছে। হলটির বড় হলরুমে একসঙ্গে ৮০ জনের বেশি ছাত্রী থাকেন বলে জানা গেছে। অন্য দুটি ছাত্রী হলের চিত্রও একই। চারজনের কক্ষে ১৬ জন করে থাকছেন। এতে পড়ালেখা ও প্রাত্যহিক অন্যান্য কাজে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দিন বলেন, অর্গানোগ্রামের পূর্ণ আবাসিকতার কথা থাকলেও পরবর্তীতে সে বিষয়ে গুরুত্ব না দিয়ে শুধুই বিভাগ খোলায় এই আবাসন সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। আসনসংখ্যা কম হলেও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অনেককে গণরুমে রাখতে হয়েছে। এতে আবার বিভিন্ন ধরনের সমস্যা রয়েছে। আমাদের কাজ হলের যে আসন আছে সেটি ব্যবস্থাপনা করা। আবাসন সুবিধা বাড়ানো বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজ। তাই আগামী দিনে গণরুম প্রথা বাতিল বিষয়ে কাজ করছি। সংকট কমাতে নতুন হল প্রয়োজন।
উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘পর্যাপ্ত আবাসনের ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের দূরের জেলা শহরে থাকতে হচ্ছে। পরিবহন নির্ভরতার কারণে অনেক সময়ও নষ্ট হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। সরকার যদি পরিবহনে যে পরিমাণ খরচ হয় পাঁচ বছরের খরচ একসঙ্গে দেয়, সেই অর্থে কয়েকটি আবাসিক হল করা যেতে পারে। যাতে আবাসন সমস্যা অনেকটা কেটে যাবে।’
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী আমরা পূর্ণ আবাসন সুবিধার লক্ষ্যে কাজ করছি। আটটি হল রয়েছে, আরও চারটি নতুন দশ তলা হল হচ্ছে। পাশাপাশি একটি ছাত্র হলের একাংশ নতুন করে নির্মাণ হচ্ছে। এগুলো শেষ হলে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে। তখন সংকট অনেকটা কেটে যাবে। এরপরও কীভাবে আরও সুবিধা বাড়ানো যায় সেই চেষ্টা করবো।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে দোয়া ও মোনাজাত
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে আয়োজিত বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত
৪৬তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ এবং হল মসজিদসহ অন্যান্য মসজিদগুলোতে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। মোনাজাত অনুষ্ঠানের আগে প্রদত্ত সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপাচার্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ৪৬তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ আলীনূর রহমান। তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ দেন এবং দিবস উদযাপন উপলক্ষে আগামী ২৫ নভেম্বর আয়োজিত দেশব্যাপী প্রোগ্রামে সবার আন্তরিক উপস্থিত কামনা করেন।
দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আ. ব. ম. ছিদ্দিকুর রহমান আশ্রাফী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ শাহীনুজ্জামান, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোঃ ওবায়দুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মোঃ শাহজাহান আলী, অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুস সামাদ, অধ্যাপক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোঃ রফিকুল ইসলামসহ সব পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীবৃন্দ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ও ছাত্র শিবিরসহ বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম কাম খতিব আশরাফ উদ্দীন খান।
দোয়া ও মোনাজাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তি ও অগ্রগতি কামনা করা হয়। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা এবং অগ্রগতিতে যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদের অবদানকে কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করা হয় এবং তাদের জন্য দোয়া করা হয়। এছাড়াও জুলাই-আগস্ট বিপ্লবে যারা শাহাদাত বরণ করেছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয় এবং যারা আহত হয়েছেন তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনায় দোয়া করা হয়।
৪৬তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আগামী ২৫ নভেম্বর সোমবার সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলন এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হবে। শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়ানোর পর কেক-কাটা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ৪৬তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করা হবে।
পরে পর্যায়ক্রমে বর্ণাঢ্য আনন্দ র্যালির মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্থাপিত ভিত্তিপ্রস্তর চত্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘শিক্ষা ও গবেষণা’ প্রদর্শনী উদ্বোধন করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ বিভাগ, ইনস্টিটিউট এবং ল্যাবরেটরি স্কুল ও কলেজ তাদের শিক্ষা, গবেষণা এবং অন্যান্য কার্যক্রম প্রদর্শনীতে তুলে ধরবে।
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ এর চেতনাকে আলোকপাত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ওপর স্মৃতিচারণমূলক আলোচনা সভা, ডকুমেন্টারি প্রোগ্রাম ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
৪৬তম ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে মেইন গেট, প্রশাসন ভবন, ভিসি বাংলো, ভিত্তিপ্রস্তর ও ডায়না চত্বর ২৪, ২৫ ও ২৬ নভেম্বর (৩ দিন) আলোকসজ্জিত করা হবে। এছাড়াও সড়কে জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর চেতনা ধারণ করে আলপনা অঙ্কন ও রঙিন পতাকা দ্বারা সজ্জিত করা হবে।

বাগেরহাটে বিনা লাভের বাজারে খুশি নিম্নবিত্তরা
বাগেরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের কচুয়ায় হতদরিদ্র ভোক্তাদের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে বিনা লাভের দোকান শুরু করেছে ‘চলো পাল্টাই’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শুক্রবার (২২ নভেম্বর) বিকেলে কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড বাজারের পরিত্যক্ত যাত্রী ছাউনিতে আলু, পেঁয়াজ, ডালসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসেন স্বেচ্ছাসেবকরা। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা স্বল্প আয়ের মানুষরা তাদের পছন্দের পণ্য কম দামে কিনতে ভিড় করেন। স্বল্প মূল্যে পণ্য কিনতে পেরে খুশি তারা। নুরুল হক নামে এক ক্রেতা বলেন, আসলে দিন দিন বিভিন্ন পণ্যের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমাদের খুব কষ্ট হয়। এই দোকান থেকে কমদামে আলু, পেঁয়াজ, ডাল ও মিস্টি কুমড়া কিনলাম। বেশ উপকার হয়েছে।
সোনাম উদ্দিন শেখ নামে আরেক ক্রেতা বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ সাধারণ মানুষের জন্য খুবই উপকারী। এটা যদি নিয়মিত থাকত, তাহলে অনেক ভালো হতো।
এদিকে এমন উদ্যোগের খবরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কে এম আবু নওশাদ বিনা লাভের দোকান পরিদর্শন করেন। উদ্যোক্তাদের ধন্যবাদ জানান।
এদিন খোলা বাজারের ৭৫ টাকার আলু ৬৮ টাকায়, ১২০ টাকা কেজির কাচা মরিচ ৯০ টাকায়, ১১০ টাকার ভারতীয় পেঁয়াজ ৯০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। এছাড়া মিস্টি কুমড়া, লাউ, মুলা, চালকুমড়া, লাল শাকসহ বিভিন্ন পণ্য বাজার দরের থেকে কেজিতে ১০-২০ টাকা কমে বিক্রি করেছেন তারা। এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রায় ২ শতাধিক ক্রেতা সেখান থেকে পণ্য ক্রয় করেছেন।
‘চলো পাল্টাই’ সংগঠনের সভাপতি সরদার এনামুল হক শিমুল বলেন, সাধারণ মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘবের জন্য আমরা এটা করেছি। এখন থেকে প্রতি শুক্রবার আমাদের এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বিনা লাভের পণ্য বিক্রি করা হবে বলেও জানান তিনি।

ইবি লেকের নাম হবে ‘মীর মুগ্ধ সরোবর’
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) লেকের নতুন নামকরণ করা হবে জুলাই আন্দোলনে শহীদ মীর মুগ্ধের নামে। লেকটির নতুন নাম ‘মীর মুগ্ধ সরোবর’ হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়েরর উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
শনিবার (২৩ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারকালে এ কথা বলেন উপাচার্য। এতদিন লেকটি ‘মফিজ লেক’ নামেই বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পরিচিত ছিল।
উপাচার্য বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সৌন্দর্যের অন্যতম একটি স্থান হলো লেক। যেটি বর্তমানে মফিজ লেক নামে পরিচিত। আমি বিভিন্ন জায়গায় এ বিষয়ে কথা বলেছি, আর লেকটির নাম ‘মীর মুগ্ধ সরোবর’ রাখার প্রস্তাব করেছি। এর আগেও আমি বোটানিক্যাল গার্ডেনের নামটি জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে মিল রেখে ‘জুলাই উদ্যান-২৪’ নামকরণ করেছি।
তিনি আরও বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সফলতার জন্য আমরা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি। আর এই আন্দোলনের স্প্রিরিটকে ধারণ করে আগামীতেও আমরা কাজ করতে চাই। এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য বৈষম্যহীন একটি সমাজ গঠন করা। আমরা সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যেতে চাই। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে বৈষম্যহীন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে সকলের সহযোগিতা নিয়ে একত্রে কাজ করব।

ভবদহের পানিবন্দি পরিবারের মাঝে চাল, সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
যশোর প্রতিনিধি
যশোরের অভয়নগরে ভবদহের জলাবদ্ধ এলাকার পানিবন্দি পরিবারের মাঝে চাল, সেলাই মেশিন, শিক্ষা উপকরণ ও নিউট্রিশন চকোলেট বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার চলিশিয়া, সুন্দলী ও পায়রা ইউনিয়নের দেড় শতাধিক পারিবারের মাঝে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হয়। আমরা অভয়নগরবাসীর উদ্যোগে শুক্রবার (২২ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার গুয়াখোলা গ্রামে সাউদার্ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন অভয়নগর ব্লাড ব্যাংক।
এ সময় ৪৫ পরিবারের মাঝে ২৫ কেজি করে ৪৫ বস্তা চাল, ১০ পরিবারকে একটি করে সেলাই মেশিন, ৫০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ ও ১০০ জন শিশুর জন্য একটি করে নিউট্রিশন চকোলেট বিতরণ করেন অভয়নগর ব্লাড ব্যাংকের সদস্যরা।
আপৎকালীন চাল, সেলাই মেশিন, শিক্ষা উপকরণ ও নিউট্রিশন চকোলেট পেয়ে খুশি এসব পরিবারের পক্ষে চলিশিয়া ইউনিয়নের কোটা গ্রামের আজগর আলী খন্দকার বলেন, বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে এখনো আমাদের এলাকা জলাবদ্ধ। ঘরে-বাইরে সর্বত্রই পানি। অভয়নগর ব্লাড ব্যাংকের সহযোগিতায় এক বস্তা চাল, ছেলে-মেয়ের জন্য বই-খাতা-কলম পেয়েছি। অনেক খুশি হয়ে ওদের জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করেছি।
সুন্দলী ইউনিয়নের ডহরমশিয়াহাটী গ্রামের হরেন্দ্র নাথের স্ত্রী মিনতী নাথ বলেন, জলাবদ্ধতার ভেতর অভিশপ্ত জীবন।
অনেকের কাছে গিয়েছি, কিন্তু কেউ সহযোগিতা করেনি। আজ এক বস্তা চাল ও একটি সেলাই মেশিন পেয়েছি। এসব যুবক ও তরুণ ছেলেদের জন্য আশীর্বাদ রইল।
পায়রা ইউনিয়নের দীঘলিয়া গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সবুজ হোসেন বলেন, জলাবদ্ধতার কারণে পাঠ্যপুস্তক নষ্ট হয়েছে। লেখাপড়া বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আজ নতুন পাঠ্যপুস্তক পেয়েছি। স্কুলে যেতে আর কোনো বাধা থাকল না। ধন্যবাদ অভয়নগর ব্লাড ব্যাংক।
সার্বিক বিষয়ে অভয়নগর ব্লাড ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সৈয়দ সোহায়েব ইমতিয়াজ ইয়াদ বলেন, কয়েক মাস আগে ফেনী জেলার বন্যার্তদের সহযোগিতায় ‘আমরা অভয়নগরবাসী’র ব্যানারে একটি তহবিল গঠন করি। অভয়নগর উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে ফেনীর সেইসব এলাকায় ত্রাণসামগ্রীও পাঠানো হয়। এর পরও আমাদের তহবিলে কিছু টাকা থেকে যায়।
তিনি আরো বলেন, সেই টাকা দিয়ে অভয়নগরে ভবদহ এলাকার জলাবদ্ধ চলিশিয়া, সুন্দলী ও পায়রা ইউনিয়নের পানিবন্দি অসহায় দেড় শতাধিক পরিবারের মাঝে চাল, সেলাই মেশিন, শিক্ষা উপকরণ ও নিউট্রিশন চকোলেট বিতরণ করা হয়েছে। ৪৫ পরিবারের মাঝে ২৫ কেজি করে ৪৫ বস্তা চাল, ১০ পরিবারকে একটি করে সেলাই মেশিন, ৫০ জন শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপকরণ ও ১০০ জন শিশুর জন্য একটি করে নিউট্রিশন চকোলেট বিতরণ করা হয়। অভয়নগর ব্লাড ব্যাংক স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করে অসহায় মানুষের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত রয়েছে।

শীত শুরুতে গরম কাপড় বিক্রিতে ধুম
স্টাফ রিপোর্টারঃ
নগরীতে শীত মৌসুম শুরুতে গরম কাপড় বিক্রির ধুম পড়েছে। গেল কয়েকদিনে হঠাৎ জাপটে ধরছে শীত কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। তবে হঠাৎ শীত জেকে বসবে এমন ভাবে প্রস্তুত ছিলনা নগরবাসী। যেকারণে গরম পোশাক কিনতে শিশুকিশোর বয়স্ক সব শ্রেণীর মানুষের ভিড় দেখা যাচ্ছে মার্কেট পাড়াতে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম অনলাইনেও বিভিন্ন আইটেমের ছোট বড় সব ধরনের গরম পোশাক বিক্রির বিজ্ঞাপন রয়েছে। বিশেষ করে লম্বা হাতা মোটা কাপড়ের গেঞ্জি, হুডি গেঞ্জি, সোয়েটার, জ্যাকেট, জুতা, কেডসসহ এমনকি শীতের চাহিদা মোটাতে ইলেকট্রন্ক্সি আইটেম গিজার, রুম হিটার বিক্রি শুরু হয়েছে। তবে ফুটপাত দোকান গুলোতে ক্রেতা সমাগম বেশি। নগরীর ডাক বাংলা এলাকায় ভ্রাম্যমান ভ্যানে হাক-ডাক ছেড়ে বিক্রি করা হচ্ছে বেশি কিছু শীতের পোষাক। এসব দোকানে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন আইটেমের গরম পোশাক। দামে কম আর মান ভালো থাকলেই ক্রেতারা বেশি ভিড় জমাচ্ছে ফুটপাতের এসব দোকানে। কথা হয় ক্রেতা তাসলিমা বেগমের সাথে তিনি বলেন, আমার ছোট ছেলের বয়স ৭ মাস ছেলেটার জন্য এখনও কোন গরম পোশাক ক্রয় করা হয়নি। হঠাৎ রাত্রে শীত উপস্থিত হবে আমরা কেউ বুঝতে পারিনি। তাই ছেলেটার জন্যসহ আরও কিছু গরম পোশাক ক্রয় করতে এসছি। দাম খুব বেশি নেয়া হচ্ছে না। আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি নেয়া হচ্ছে। এটা বলতে পারেন স্বাভাবিক কারণে প্রতি বছর সব কিছুর দাম একটু বাড়তী থাকবে। এছাড়া কথা হয় ক্রেতা মোঃ মাসুম হোসেনের সাথে তিনি বলেন, শীত এত তাড়াতাড়ি চলে আসবে আমার বুঝতে পারিনি। এমনকি প্রস্তুত ছিলাম না। আমিসহ পরিবারে সবার জন্য শীতের কাপড় কিনতে এসছি। তবে মনে হচ্ছে আগের বছরের তুলনায় দাম বেশি হাকাচ্ছে। এছাড়াও একই কাপড়ের বিভিন্ন দোকানে বিভিন্ন দাম। তারপরও পোশাক তো কিনতে হবে। এছাড়া জুতার দোকানেও দেখছি কেডস, জুতার দাম বেশি। শীতের সময়ে জুতা, কেডস এর চাহিদা থাকায় দাম হাকাচ্ছে দোকানিরা। এ বিষয়ে কথা হয় ফুটাপাতে ভ্রাম্যমান ভ্যানে পোশাক বিক্রেতা মানিক মিয়ার সাথে তিনি বলেন, আমাদের কাছে দাম কম তাই ক্রেতারা ভিড় করে। তবে ক্রেতার ভিড় থাকলে কি হবে তারা শুধু যাচাই বাচাই করে । অর্ধেক ক্রেতারাও ক্রয় করে না। তারা এক দোকান ঘেটে অন্য দোকানে চলে যায়। এ বিষয়ে খুলনা এ জব্বার মার্কেট এলাকার ব্যবসায়ি আলামিন হোসেন বলেন, গেল বছরের শীতের পোশাক গুলো বিক্রি করছে সব ব্যবসায়িরা। এবছর এখনও নতুন কোন পোশাক আমদানি করা হয়নি। আমরা বাহিরের দেশ থেকে আমদানি করা পুরাতন কাপড়ের বেল কিনে সে গুলো আবার মান ভেদে বিক্রি করি। এবছর মনে হয় পুরাতন কাপড়ের বেলের দাম আরও বাড়বে। ক্রেতারা মার্কেটে আসছে আগের তুলনায় বেশি বিক্রি হচ্ছে।

পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের বার্ষিক নির্বাচন আজ
পাইকগাছা প্রতিনিধি
আজ পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের বার্ষিক নির্বাচন। স্ব স্ব প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীরা জয়ী লাভ করতে সদস্যদের কাছে ভোট প্রার্থনা করতে দেখা যায়। এবারের নির্বাচন খুব প্রতিদ্বন্দ্বিতা পূর্ণ হবে বলে জানিয়েছেন অনেক সদস্যরা। নির্বাচনে ১১ পদের বিপরীতে ১৯ জন বিভিন্ন পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে দায়িত্ব পালন করবেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার অ্যাড. কিশোরী মোহন মন্ডল, সহকারী নির্বাচন কমিশনার অ্যাড. মোঃ বেলাল উদ্দীন ও উত্তম কুমার সানা। গত ৭ নভেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচন কমিশন সুত্রে জানাগেছে ২৪ নভেম্বর সকাল ১০ টা হতে বেলা ২টা পর্যন্ত বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে ১১ পদের বিপরীতে ১৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে রাশনা শারমিন, সদস্য পদে মোঃ আমিনুল ইসলাম, রেহানা পারভীন ও ভবরঞ্জন বৈদ্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সভাপতিতে ১ টা পদের বিপরীতে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে অ্যাড. জিএম আব্দুস সাত্তার, মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ও প্রশান্ত কুমার মন্ডল। সহ-সভাপতিতে ২ টা পদের বিপরীতে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে অ্যাড. প্রশান্ত কুমার ঘোষ, মোঃ আব্দুল মজিদ গাজী, মোঃ কামরুল ইসলাম, জিএম আমজাদ হোসেন। সাধারণ সম্পাদকে ১ টা পদের বিপরীতে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে অ্যাড. জিএম আককাস আলী ও অজিত কুমার সরকার। যুগ্ম সম্পাদকে ১ পদের বিপরীতে ২ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন যথাক্রমে অ্যাড. সমরেশ চন্দ্র মন্ডল ও মোঃ একরামুল হক বিশ্বাস। ক্রীড়া ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদকে ১ পদের বিপরীতে ২ জন যথাক্রমে অ্যাড. সঞ্জয় কুমার মন্ডল ও কাজী সাইফুল ইসলাম। লাইব্রেরীতে ১টা পদের বিপরীতে ২ জন যথাক্রমে মোঃ আব্দুল মালেক ও বিজয় কৃষ্ণ মন্ডল।

ফকিরহাটের লখপুরে বিএনপি’র বিশেষ কর্মি সভা
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটের লখপুর ইউনিয়ন বিএনপি ও সকল সহযোগী সংগঠন এবং বিএনপি নেতা ফকরুল আলম এর আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন উপলক্ষে বিশেষ কর্মি সভা (২৩ নভেম্বর) শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় খাজুরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি নেতা মোঃ আউব আলী হাওলাদার এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তৃতা করেন, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ শরিফুল কামাল কারিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মোঃ ফরহাদ হোসেন। উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সদস্য সচিব নোমান আল মেহেদী’র সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তৃতা করেন, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সেলিম শেখ, বিএনপি নেতা মোঃ ফকরুল আলম, মোঃ ফয়সালুর রহমান, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, আবুল হাসান, স্বেচ্ছাসেবকদল নেতা কাজী মিরাজুল ইসলাম, আরমান হোসেন বাতশা, মোঃ নাজমুল হাসান, যুবদল নেতা মিঠুন চন্দ্র রায়, মোঃ ফেরদাউস শেখ, শ্রমিকদল নেতা আবুজার মোড়ল, মোঃ আলী শেখ ও মোঃ ইসরাফিল হোসেন, ছাত্রদল নেতা মোঃ রকিব শেখ ও মোঃ রুবেল শেখ। এর আগে বিকাল ৩টা হতে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওর্য়াড থেকে শতশত নেতাকর্মিরা মিছিল সহকারে সভাস্থলে হাজির হলে সভাস্থল কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

ডুমুরিয়ার শোভনায় ওয়ার্ড বিএনপির মতবিনিময় সভা
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় শোভনা ইউনিয়ন ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির আয়োজনে দলীয় সাংগঠনিক তৎপরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে শোভনা জিয়ালতলা বাজার চত্ত্বরে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আয়ুব আলী গাজী। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ হাফিজুর রহমান।প্রধান বক্তা ছিলেন উপজেলা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ ফরহাদ হোসেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ মতিয়ার রহমান বাচ্চু, মিজানুর রহমান লিটন ও ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আহম্মদ আলী ফকির। যুবদল নেতা ইউপি সদস্য হাদিউল মোল্যার সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন শেখ আঃ গফফার, আনছার আলী মোল্লা, হাফিজুর বাগাতি, সুদীপ্ত রায়,ফারুক হাওলাদার,মাষ্টার হাফিজুর রহমান, মিজানুর রহমান মোল্যা,সরদার আঃ লতিফ, আনোয়ার হোসেন, শেখ কবির হোসেন, হযরত আলী, আমিনুর রহমান, জুয়েল রানা শেখ, তপন রায়, প্রদীপ সরদার, বাবলুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান মোল্লা, আঃ ওহাব মোল্যা আবুল কাশেম সানা,মঈন বাগাতি, নজরুল সরদার, সাখাওয়াত হোসেন সাকি, সুজিত সরদার,মহসিন দফাদার, আঃ জলিল শেখ, মফিজুল গাজী, ইউনুস ঢালী, বিল্লাল সানা,নারায়ণ শিকদার, ফেরদৌস গাইন, সমরজিৎ রায়,মনিরুল ঢালী,বিপ্লব সরদার, এবাদুল গাজী,রাজিব গোলদার,রানা শেখ,জাহিদুল ইসলাম, অমল মন্ডল,উত্তম দাশ, সবুজ শেখ প্রমূখ।

খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির বাৎসরিক পিকনিক গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট পিকনিক স্পটে অনুষ্ঠিত
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির বাৎসরিক পিকনিক ২০২৪ গতকাল শনিবার গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট পিকনিক স্পটে আইনজীবীদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮টা থেকেই খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্যবৃন্দ ও বিজ্ঞ বিচারক মন্ডলী গিলাতলা জাহানাবাদ ক্যান্টনমেন্টে উপস্থিত হতে শুরু করে। সকাল ৮টায় আইনজীবী এবং বিচারক মহোদয়ের সকালের নাস্তা শেষে দিনভর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান কবিতা, গান, আবৃতি ইত্যাদি পরিবেশন করে আনন্দ উল্লাস করেন আইনজীবী সমিতির সদস্যবৃন্দ। দুপুর দেড়টায় সকলের জন্য দুপুরের খাবার পরিবেশন করা হয়। বিরতি শেষে বিকাল ৪টায় লাকি কুপন ড্র অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মাহমুদা খাতুন, মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক শরীফ মোঃ হায়দার আলী, সিএমএম খুলনা, এডভোকেট আকরাম হোসেন, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাখিবুল ইসলাম সহ খুলনা জজশীপের সকল বিচারকবৃন্দ এবং খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির সকল সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা ও দায়রা জজ কোর্টের বিজ্ঞপিপি তৌহিদুর রহমান তুষার ও মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি এ কে এম শহিদুল আলম সহ নবনিযুক্ত আইন কর্মকর্তাগণ। এছাড়াও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সম্মানিত সভাপতি মাসুদ হোসেন রনি, খুলনা বারের সভাপতি আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু ও সেক্রেটারি শেখ নুরুল হাসান রুবা সহ অন্যান্য আইনজীবীগণ এবং স্থানীয় গিলাতলা পিকনিক স্পটের সহকারী আইন কর্মকর্তা এডভোকেট শেখ কামাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মাছের প্রজননে সময় না দিয়ে মানুষ দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
খবর বিজ্ঞপ্তি
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা মিজ্ ফরিদা আখতার বলেছেন, হাওরের মাছ প্রকৃতির দান। প্রকৃতির বিরুদ্ধাচারণ করে মাছের প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট সময় না দিয়ে মানুষ ভোক্তা ও আহরণকারী হিসেবে অত্যন্ত দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিচ্ছে।
শনিবার সকালে সিলেট নগরীর সুবিদবাজারস্থ খাঁনস্ প্যালেস কনভেনশন হলে “হাওরে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় স্টেকহোল্ডারস কনসাল্টেশন ওয়ার্কশপ” এ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেছেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা বলেন, হাওরে মাছের গতিপথে অপরিকল্পিত বাধ দিয়ে ও রাস্তা নির্মাণ করে মাছের বিচরণ ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করা হয়েছে। নিষিদ্ধ জাল দিয়ে মাছ ধরে দেশীয় প্রজাতিগুলোকে ধ্বংস করা হয়েছে।
মৎস্যসম্পদ রক্ষায় যারা মাছ ধরছেন তাদের ভূমিকা অসম্ভব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, এখন মৎস্যজীবীর আগে প্রকৃত মৎস্যজীবী, অরিজিনাল মৎস্যজীবী-এরকম যে ভাষা চলে আসছে-এটার মানে হচ্ছে এ পেশায় যারা নিয়োজিত তাদের প্রতি অনেক অন্যায় করা হয়েছে। যারা সত্যিকারের মৎস্যজীবী তাদেরকে মূল্যায়ন করা হয়নি। অতি মুনাফাকারীরা ব্যবসার নামে মাছের ক্ষতি করেছে। এজন্য প্রকৃত মৎস্যজীবীদের স্বার্থ সংরক্ষণে দেশীয় প্রজাতির মাছ করা অত্যন্ত দরকার। মাছ ধরা পেশাকে আধুনিকায়ন করতে হবে, যাতে তারা সম্মানের সাথে বাঁচতে পারেন।মাছের প্রজননকালীন মাছ ধরতে নিষিদ্ধের বিষয়ে হাওর অঞ্চলে বিলবোর্ড ও রেডিও-টেলিভিশনে এ সংক্রান্ত প্রচারণা করা যেতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাওর অঞ্চলে মাছ ধরার নিষিদ্ধের পাশাপাশি পর্যটনও এসময়ে নিষিদ্ধ করতে হবে।
এসময় বক্তারা বলেন, হাওরে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় হাওর ম্যনেজমেন্ট এ্যাকশন প্ল্যান করে মা মাছ রক্ষা এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব। তারা হাওরে সঠিক ব্যবস্হাপনার জন্য মৎস্যজীবীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। ইজারাভিত্তিক ব্যবস্হাপনার পরিবর্তে মৎস্যজীবীদের দ্বারা হাওর ব্যবস্হাপনা এবং মৎস্যজীবীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহণের জন্য তারা আহ্বান জানান।
উন্মুক্ত আলোচনায় সিলেট বিভাগের সাত জেলার মৎস্যজীবী প্রতিনিধিরা বলেছেন, মাছের প্রজনন সমস্যা হচ্ছে। অনেক প্রজাতি বিলুপ্তি হয়েছে। আরো প্রজাতি বিলুপ্তির পথে। ফসল রক্ষায় বাঁধের কারণে মাছের প্রজনন ব্যাহত হচ্ছে। অধিক কীটনাশক ব্যবহার, হাওরের ইজারা প্রথা, সেচ দিয়ে মাছ শিকারসহ বিভিন্ন কারণে হাওরের মাছ হারিয়ে যাচ্ছে। মাছ ডিম কম দিচ্ছে ও সব ডিম থেকে বাচ্চাও ফুটছে না। বিভিন্ন জাল দিয়ে মৎস্য শিকার করা হচ্ছে। এ অবস্হা থেকে রক্ষা পেতে তারা বিলগুলো খনন, জাল নিষিদ্ধ, ফসলী জমিতে মাত্রাতিরক্ত কীটনাশক ব্যবহার কমানোর ওপর জোর দিয়েছেন মৎস্যজীবীরা। তারা আষাঢ়-জৈষ্ঠ্য মাসে মা মাছ ধরা নিষেধের ওপর গুরুত্বারোপ করে নিষিদ্ধকালীন মৎস্যজীবীদের সরকারি সহায়তা দেয়ার আহ্বান জানান ।
মৎস্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগ আয়োজিত-মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ.টি.এম. মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে আরো বক্তৃতা করেছেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার আবু আহমদ ছিদ্দীকী এনডিসি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, সিলেট বিভাগের জেলা প্রশাসকবৃন্দ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ, বিভাগের বিভিন্ন বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মৎস্যজীবীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দেশের উত্তর-পূর্বাংশে ৭টি জেলার ৪৭টি উপজেলা নিয়ে হাওরাঞ্চল গঠিত। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৯৫, সিলেটে ১০৫, হবিগঞ্জে ১৪, মৌলভীবাজারে ৩, নেত্রকোণায় ৫২, কিশোরগঞ্জে ৯৭ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৭টি মিলে মোট ৩৭৩ টি হাওর রয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির বিপক্ষে যাওয়ায় ১৫ নেতাকে শোকজ
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির নবগঠিত আহ্বায়ক কমিটির বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ায় ১৫ নেতাকে কারণ দর্শানোর চিঠি (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। গত মঙ্গলবার জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাকির হোসেন সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এই নেতাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অধিকাংশ নেতা চিঠি হাতে পেলেও আজ শনিবার তা জানাজানি হয়।
চিঠিতে বলা হয়েছে, চিঠি পাওয়ার তিন দিনের মধ্যে জবাব না দিলে একতরফাভাবে সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চিঠি পাওয়া বিএনপি নেতারা বলছেন, এটা দুই নেতার স্বেচ্ছাচারিতা। তাঁরা সংগঠনের নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অবৈধভাবে কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠিয়েছেন। এর কোনো ভিত্তি নেই। এতে প্রতিবাদ থামবে না।
কারণ দর্শানোর চিঠিতে বলা হয়, ‘৪ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এবং মহাসচিব কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন ও ঘোষণা দিয়েছেন। অনুমোদিত কমিটি এবং নেতাদের বিরুদ্ধে আপনি অগঠনতান্ত্রিক, বেআইনি, উচ্ছৃঙ্খল ও হঠকারিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে “দায়িত্বজ্ঞানহীন তথাকথিত কর্মসূচিতে” বারবার অংশ নিয়ে অসত্য, বিদ্বেষপূর্ণ, অশালীন ও হুমকিমূলক বক্তব্য প্রদান করেছেন।’ এটিকে গঠনতন্ত্রের লঙ্ঘন ও শাস্তিযোগ্য কর্মকাণ্ড হিসেবে উল্লেখ করা হয় চিঠিতে।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৫ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকারকে সদস্যসচিব করে কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি হয়। এরপর ৪ নভেম্বর ৩১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, কমিটিতে যাঁদের রাখা হয়েছে, তাঁদের অনেকে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের নির্যাতন–অত্যাচারের সময় মাঠে ছিলেন না। এরপর কমিটি ভেঙে দিতে একাধিকবার বিক্ষোভ সমাবেশ করেন পদবঞ্চিত নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভ সমাবেশে আহ্বায়ক কমিটিতে থাকা কয়েকজন নেতাও অংশ নেন। ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে কমিটি ভেঙে দিতে ৭২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তাঁরা। সর্বশেষ ১৭ নভেম্বর আহ্বায়ক কমিটি ভেঙে দিতে আবারও মাঠে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন পদবঞ্চিতরা।

আন্দোলন থেমে থাকবে না মন্তব্য করে কারণ দর্শানোর চিঠি পাওয়া জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘কমিটিতে দুর্দিনে দলের হাল ধরা অনেক নেতা-কর্মীর জায়গা হয়নি। অযোগ্যদের বাদ দিয়ে দলের পাশে থেকে দলের জন্য যাঁরা ত্যাগ শিকার করেছেন, তাঁদের অন্তর্ভুক্ত করতে আন্দোলন করেছি। ওই শোকজ চিঠির কোনো প্রশাসনিক গ্রহণযোগ্যতা নেই।’
জেলা বিএনপির সদস্যসচিব জাকির হোসেন সরকার বলেন, কারণ দর্শানোর নোটিশ আহ্বায়ক কমিটির এখতিয়ারভুক্ত। যাঁরা দলের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, তাঁদের শোকজ করা হয়েছে এবং জবাব দিতে বলা হয়েছে। এমন সম্ভাব্য ১৫ জন হতে পারেন। এটা কোনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা না। তবে যাঁরা নোটিশের জবাব দেবেন না, তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এতে বিএনপির তৃণমূলে বিভেদ বাড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘তারা সংখ্যায় খুব বেশি নয়। তাই আমি মনে করি না এতে দলীয় বিভেদ তৈরি হতে পারে।’

ডুমুরিয়ায় হুফ্ফজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

খান আরিফুজ্জামান(নয়ন),ডুমুরিয়া(খুলনা), প্রতিনিধিঃ

খুলনার ডুমুরিয়ায় হুফ্ফজুল কুরআন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
(২৩ নভেম্বর) শনিবার সকাল ৯ টায় উপজেলার শহীদ জোবায়েদ আলী মিলনায়তনে হাফেজ মো.রেজওয়ানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল-আমিন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন হযরত মাওলানা মুফতি অধ্যাপক আলহাজ্ব আব্দুল কাইউম জমাদ্দার, মাওলানা মোস্তাক আহমেদ,মাওলানা আব্দুর রহমান,মাওলানা আ.গফ্ফার,হাফেজ ফারুক আহমেদ,হাফেজ ইয়াসিন,মাওলানা তৈফিকুর রহমান।
কুরআন প্রতিযোগিতায় ক গ্রুপে প্রথম পুরস্কার গ্রহণ করেন খর্ণিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার হাফেজ মোহাম্মদ সিয়াম আলী,দ্বিতীয় পুরস্কার সাজিয়াড়া মাদ্রাসার মোঃ মেহেদী হাসান,তৃতীয় পুরস্কার সাজিয়াড়া মাদ্রাসার মোঃ হোসাইন আহমেদ।
খ গ্রুপে প্রথম চুকনগর হাফিজি হুজুর মাদ্রাসার মোহাম্মদ নেছারুল ইসলাম,দ্বিতীয় খর্ণিয়া মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার মোঃ ইয়াসিন সরোয়ার, তৃতীয় খড়িয়া আবু বকর সিদ্দিক মাদ্রাসার মোঃ আকিব সালমান পুরস্কার গ্রহণ করেন।
গ গ্রুপে প্রথম পুরস্কার ডুমুরিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসার মোঃ মুশফিক সালেহীন,দ্বিতীয় পুরস্কার চুকনগর হাফিজি হুজুর মাদ্রাসার মোঃ আব্দুর রহমান,তৃতীয় পুরস্কার হাসানপুর মিকশিমিল দারুল উলুম মাদ্রাসার মোঃ মাহমুদ হুসাইন পুরস্কার গ্রহণ করেন।
উপজেলা বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত বিভিন্ন পর্যায়ে উত্তীর্ণ ৩১ জন হাফেজকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

বিনা অর্থে ব্রাইট স্টার এন সায়মন খুলনা আর্ট একাডেমির শিশু শিল্পীদের জাদু দেখিয়ে আনন্দ দিলেন।
খুলনার প্রাণকেন্দ্রে ৩৬ ইকবাল নগর,খুলনা আর্ট একাডেমিতে শিশুদের আনন্দ দেওয়ার জন্য আজ ২৩শে নভেম্বর রোজ শনিবার বিকাল ৪ ঘটিকায় খুলনা আর্ট একাডেমিতে বাংলাদেশের অত্যন্ত সুপরিচিত জাদুশিল্পী ব্রাইট স্টার এন সায়মন খুলনা আর্ট একাডেমির শিশু শিল্পীদের মাঝে ১ঘন্টা জাদু দেখান। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মো: শাহিন হোসেন সভাপতি সি ইউ সি খুলনা, বিশেষ অতিথি মোহাম্মদ মিলন মীর সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, একরাম-উদ-দৌল অভিনয়, সি ইউ সি স্কুল এর সহকারি প্রধান শিক্ষিকা কারিমা আক্তার,আরিফা ইসলাম খুকুমণি সহকারি শিক্ষিকা, মিম আক্তার মণিকা সহকারি শিক্ষিকা, এবং খুলনা আর্ট একাডেমির
সহকারি শিক্ষিকা সিনিয়া, এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী শামীম, সৌহার্দ্য ,তথাপি,প্রিয়ন্তী, সম্প্রীতি,মৌমি, উর্মি,আনিলা,কুশল,আয়ান, সাকিব,রায়েন,রাইয়ান,সাম্য,জারীশ,অনা,আরিয়ান, আদিত্য,তাহামনি,আয়ান,আরশিন,প্রাপ্তি প্রমুখ সহ সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস। সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন সহকারি পরিচালক শিলা বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানের শেষে সকল অভিভাবক তাদের অনুভূতি বক্তব্য রাখেন। এ ধরনের আয়োজন করার জন্য খুলনা আর্ট একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক এবং জাদুশিল্পী এন সায়মনকে ধন্যবাদ জানায় অভিভাবকরা। এবং শিশুরা ভবিষ্যতে আবারও এরকম সুন্দর আয়োজন করার অনুরোধ জানায়।এই আনন্দঘন মুহূর্তে যে সকল অভিভাবক আজকে এখানে তাদের সন্তানকে নিয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন এই সুন্দর মুহূর্তটি দেখার সুযোগ করে দিয়েছেন তাদেরকে ধন্যবাদ জানায় এবং সকল শিশু শিল্পীদের মাঝে চকলেট প্রদান করেন চিত্রশিল্পী মিলন বিশ্বাস এবং সবার উদ্দেশ্যে বলেন শুধুমাত্র পড়াশোনা আর পড়াশোনা এর মধ্যে শিশুদের সময় অতিবাহিত করলে মানসিকভাবে অনেকটাই চাপ পড়ে। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন এই বলে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।