কয়রা প্রতিনিধি
নিম্মচাপের ফলে নদীতে স্বাভাবিক জোয়রের চেয়ে অতিমাত্রায় পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় কযরা সদর ইউনিয়নের ঘাটাকালি ও হরিনখোলার রিংবাঁধ ভেঙে বিস্তৃর্ণ এলাকা আবারও প্লাবিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরের জোয়রের পানিতে রিংবাঁধ ভেঙে যায় এবং প্রায় ২ হাজার মিটার রিংবাঁধ ছাপিয়ে পানি প্রবেশ করেছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। উল্লেখ্য ২০ মে আম্পানে ঘাটাখালি গ্রামের কপোতাক্ষ নদীর ১৫০ মিটার ভেড়িবাঁধ ভেঙে উপজেলা সদর সহ ৯ টি গ্রাম প্লাবিত হয়। এসময় দীর্ঘ এক মাস জোয়ারভাটার কারনে প্লাবিত এলাকায় সহস্্রাধীক বাড়ীঘর, ৫ শতাধিক চিংড়ী ঘের সহ রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহযোগিতায় সাধারণ জনগন রিংবাঁধ দিয়ে পানি আটকাতে সক্ষম হয়। কিন্তু নিম্মচাপের কারনে নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ারে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উক্ত রিংবাঁধ ভেঙে পানি ঢোকায় ঘাটাকালি হরিনখোলা, ২নং কয়রা ও গোবরা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। সূত্র জানায় রাতের মধ্যে রিংবাঁধ সংস্কার করা না হলে শুক্রবার আরও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হবে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সাংবাদিক হুমায়ুন কবির জানান, স্থানীয়ভাবে রাতের মধ্যে পানি আটকানোর জোর চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান বাবু বাঁধ আটকানোর ব্যপারে জরুরী সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়ায় জনগন আশ্বস্ত হয়েছেন। অন্যদিকে কাশিরহাটখোলার বাঁধ দিয়ে আসা জোয়ারের পানি কয়রা ইউনিয়নের ২ ও ৩ নং কয়রা গ্রামের কিছু এলাকায় প্রবেশ করেছে বুধবার বিকেল থেকে।এ বিষয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের স্থানীয় শাখা কর্মকর্তারসাথে যোগাযোগ করেও পাওয়া যায় নি।











































