দর্শনার মিম হত্যার আসামী আপন ভাই গ্রেফতার
মাহমুদ হাসান রনি, দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা)
চুয়াডাঙ্গা দর্শনার মিম হত্যার চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত আপন ভাই জড়িত ফেসে যাওয়ার ভয়তে সাজানো নাটক।বিজ্ঞ আদালতে দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার বিকাল ৪ টায় জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের প্রকৃত ঘটনার তুলে ধরেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন আল আজাদ। শনিবার রাত সাড়ে ৮ টায় দর্শনার মোহাম্মদ পুর মৃত আরমান আলীর কন্যা ও সুরুজ মিয়ার স্ত্রী মিম আক্তার মঞ্জুরা(২৮) কে ঘরে দেখতে না পেয়ে তার শাশুড়ির কাছে জানতে পারে অজ্ঞাতনামা দুস্কৃতিকারীরা তার স্ত্রী মিম ও শ্যালক আলমগীর(৩৮)কে জোরপূর্বক অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী মাঠের দিকে নিয়ে গেছে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মাঠের মধ্যে থেকে শ্যালক আলমগীরকে হাত-পা বাঁধা মাথায় সামান্য জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এদিকে স্ত্রীকে খোজাখুজির একপর্যায়ে পরদিন রবিবার সকাল ৬ টার দিকে বাড়ির সামনে মোমিনের বেগুন ক্ষেতের মধ্যে মিমের গলাকেটে জবাই করা অবস্থায় দেখতে পেয়ে দর্শনা থানা পুলিশকে সংবাদ দেয়। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে চুয়াডাঙ্গা জেলার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বর্ণিত ঘটনার সাথে জড়িত আসামী গ্রেফতারসহ মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখা ও দর্শনা থানাকে নির্দেশনা প্রদান করে।পুলিশ সুপারের নির্দেশেনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এ্যান্ড অপারেশন) এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (দামুড়হুদা সার্কেল) জাকিয়া সুলতানার সহযোগিতায় ফেরদৌস ওয়াহিদ, অফিসার ইনচার্জ, জেলা গোয়েন্দা শাখার নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ বাদী ও আশপাশের লোকজনের বক্তব্য পর্যালোচনা ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বর্ণিত ঘটনার সাথে জড়িত আসামী মোঃ আলমগীর কবীর(৩২)-কে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে আসামী স্বীকার করে যে, মিম আক্তার মঞ্জুরা তার আপন ছোট বোন। বিবাহের পর থেকেই তার স্বামীসহ একত্রে তাদের বাড়ীতে বসবাস করত।মিম তার আপন খালাতো বোনের স্বামীর সাথে পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। আলমগীর তাকে পরকিয়া থেকে ফিরে আসতে বারবার সর্তক করে। কিন্তু, সে প্রেমের সম্পর্ক থেকে ফিরে আসতে নারাজ এবং প্রতিনিয়ত মোবাইল ফোনে কথা বলতে থাকে।ফলে আলমগীর রাগের বশবর্তী হয়ে বোন মিম আক্তার মঞ্জুরাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। পরে কৌশলে বাড়ীর পার্শ্বে আমবাগানে ডেকে নিয়ে যায় এবং তাকে নিজের ওড়না দিয়ে গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ বেগুন ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে ধারালো দা দিয়ে গলাকেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরবর্তীতে ঘটনা অন্যদিক প্রবাহিত করার জন্য আলমগীর দা দিয়ে নিজের মাথায় তিনটি পোঁচ দেয় এবং আমগাছে থাকা রশি নিয়ে নিজে নিজের হাত-পা বেঁধে চিৎকার করতে থাকে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করলে উক্ত অপহরণের নাটক সাজিয়ে বিভ্রান্ত করে।
ডুমুরিয়ায় সুদে মহাজনদের চাপ সইতে না পেরে চিরকুট লিখে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা
ডুমুরিয়া প্রতিনিধি
ডুমুরিয়ায় সুদে মহাজনদের চাপে ও স্ত্রীর অপমান সইতে না পেরে গোবিন্দ কুমার রায় গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।মৃত্যুর আগে তিনি ওই সুদে মহাজনদের চাপের ইতিহাস তুলে ধরে ৩ পাতার একটি চিরকুট লিখে রেখে গেছেন।গত রোববার দুপুরে উপজেলার রঘুনাথপুর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার রামকৃষ্ণপুর এলাকার মৃত নিরঞ্জন রায়ের ছেলে গোবিন্দ কুমার রায় নিজ ঝর্না মেডিকেল হলের মালিক। স্ত্রী প্রীতিলতা থুকড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা। এক ছেলে এক মেয়ে নিয়ে সুখেই দিন কাটছিল পরিবারটির। গোবিন্দর স্ত্রী প্রীতিলতা ও বড় ভাই মলয় কুমার রায় বলেন, নিজ ঘর নির্মাণের জন্য নগদ টাকার প্রয়োজনে গোবিন্দ জড়িয়ে পড়েন ¯’ানীয় সুদে মহাজন শিবু জোয়াদ্দার, সুকৃতি মন্ডল,কল্লল মন্ডলসহ কয়েক জন সুদে মহাজনের সাথে। এরই মধ্যে সুদের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় হঠাৎ তার উপর নেমে আসে অমানুষিক চাপ। একপর্যায়ে পালাতে বাধ্য হন তিনি। এরপরও গত শনিবার স্ত্রী প্রীতিলতাকে চাপের মুখে ফেলে ৫ লাখ টাকার চেকে সই করিয়ে নেয়া হয় এবং হুমকি দিয়ে বলা হয় এলাকায় বসবাস করতে হলে আগে সুদের টাকা পরিশোধ করতে হবে।অন্যথায় এলাকা ছাড়তে হবে। বিষয়টি জানার পর মানুষিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন তিনি।চাপ সইতে না পেরে ঘটনার দিন দুপুরে ¯’ানীয় রামকৃষ্ণপুর মহা-শ্বশানের পাশে থাকা একটি গাছের ডালে গলায় গামছা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয় সে।তার আত্মহত্যার জন্য ওই সুদে মহাজনরাই দায়ি বলে দাবি করেন পরিবারটি।এ ঘটনায় আত্মহত্যার সাথে জড়িত সুদে মহাজনদের বিচারের দাবিতে নিহতের বড় ভাই মলয় কুমার রায় বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযোগ তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যব¯’া গ্রহণ করা হবে।
কয়রা-পাইকগাছার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন সাবেক সাংসদ বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব আলী সানা
খবর বিজ্ঞপ্তি :
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনার কয়রা-পাইকাছা উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন খুলনা-৬(কয়রা-পাইকগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট সোহরাব আলী সানা।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে কয়রা উপজেলার শুড়িখালি, চান্নিরচক এবং পাইকাছা উপজেলার গড়ইখালির বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন।এসময় পূজা মন্ডপে আগত দর্শনার্থী সাথে শারদীয় শুভেচ্ছা ও সরকারের বিগত ১৪ বছরের উন্নয়ন সম্বলিত পোস্টার বিতরণ করেন।
এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের উপপ্রসার বিষয়ক সম্পাদক মোঃ খায়রুল আলম, গড়ইখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সংগ্রাম সাধারণ সম্পাদক এস এম আইয়ুব আলী,জি এম ইকরামুল ইসলাম, গাজী মিজানুল রহমান, আক্তার হোসেন, গাজী আব্দুল মাজেদ, বি এম শফিকুল ইসলাম, বিজয় কৃষ্ণ রায়, কেরামত আলী গায়েন,ওমানেন্দ্র নাথ মন্ডল, অনুপম সরকার, গোবিন্দ লাল মন্ডল, আবু ইউসুফ, আজিজুর রহমান, গাজী বাবলুর রহমান, আব্দুল গফুর, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
মোশারফ গ্রুপের সেরা বিক্রেতার পুরস্কার পেলো মাহিন এন্টারপ্রাইজ
তামিম আহমেদ মনির
শিল্প ও বাণিজ্য শহর নওয়াপাড়ায় মেসার্স মোশারফ অ্যান্ড ব্রাদার্সের (মোশারফ গ্রুপ) সেরা বিক্রেতার পুরস্কার পেয়েছে মেসার্স মাহিন এন্টারপ্রাইজ। পাওনা দুই কোটি ৬২ লাখ টাকা পরিশোধ করায় আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে দুই টনের একটি জেনারেল এসি পুরস্কার হিসেবে উপহার দেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে নওয়াপাড়া স্টেশন বাজার এলাকায় মেসার্স মোশারফ অ্যান্ড ব্রাদার্সের অফিসে মাহিন এন্টারপ্রাইজের মালিক ও নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোজাফ্ফার আহমেদের হাতে এসি হস্তান্তর করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, মেসার্স মোশারফ অ্যান্ড ব্রাদার্স নওয়াপাড়া অফিসের ম্যানেজার মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু, সহকারী ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম, নওয়াপাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, সহ-সভাপতি এস এম মুজিবর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ তাজ, সহ-সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন প্রিন্স, কোষাধ্যক্ষ মফিজুর রহমান দপ্তরী, নির্বাহী সদস্য রবিউল ইসলাম, সাংবাদিক রাজয় রাব্বি, ডিআর আনিস প্রমুখ। পরে নওয়াপাড়া সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভাপতি খায়রুল বাসার উপস্থিত হন।
৩০বছর ধরে কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই লাশের গোসল করিয়ে আসছেন সালাম ব্যাপারী
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
আব্দুস সালাম ব্যাপারী (৫৭)। মোংলা পোর্ট পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের কুমারখালী এলাকার বাসিন্দা। পেশায় বন্দরের একজন সাধারণ জাহাজি শ্রমিক। কিন্তু কোথাও কেউ মারা যাওয়ার খবর পেলেই মুহুর্তের মধ্যে সেখানে ছুটে যান সালাম। কোন পারিশ্রমিক ছাড়াই স্বেচ্ছায় মৃত ব্যক্তির শেষ বিদায়ের গোসলের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। আর এই কাজটি ৩০বছর ধরে করে আসছেন তিনি। সালাম ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে পরিশুদ্ধ গোসল দিয়ে দাফনের জন্য প্রস্তুত করেন মরদেহ। দীর্ঘদিন ধরে নিজ হাতে দুই হাজার সাতশত মৃত মানুষের গোসল করিয়েছেন তিনি। তার জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মরদেহের গোসল করিয়ে যেতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।
আব্দুস সালাম ব্যাপারী বলেন, ২৭বছর বয়স থেকে তার শ্বশুর মোংলা বন্দর পুরাতন কবরস্থানের মুসলিম আধ্যাত্মিক রহস্যবাদী মোতাহার দরবেশের ছোট ভাই মোমিন মৌলিভীর কাছ থেকে মরদেহের গোসলের নিয়ম কানুন শেখেন। তার শ্বশুরের অসংখ্য মরদেহের গোসলে সহযোগিতা করেছেন তিনি। এরপর ২০১৮সালের ৩মে তার শ্বশুর মোমিন মৌলভী মারা গেলে মরদেহ গোসলের কাজটি এককভাবে দায়িত্বের সঙ্গে করে আসছেন তিনি। তবে এ কাজে কারও কাছ থেকে কোন পারিশ্রমিক নেননা বলেও জানান তিনি।
সালাম আরো বলেন, করোনায় আক্রান্তে মৃতদের মরদেহের গোসল করাতেও পিছপা হননি তিনি। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করিয়েছেন করোনাসহ অসংখ্য মৃত মানুষের শেষ বিদায়ের গোসল। মরদেহের গোসল সওয়াবের কাজ। এখানে ভয়ের কিছু নেই। আল্লাহকে রাজিখুশি ও সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই দীর্ঘ বছর এই কাজ করে আসছেন বলে জানান তিনি।
সালাম ব্যাপারী আরো বলেন, আগে মোংলা শহরে কেউ মারা গেলে তার শ্বশুরকে ডাকতেন। তখন তার সাথে সালামও যেতেন। এভাবেই তিনি সবার মাঝে পরিচিত হয়ে যান। এখন এ কাজ তিনি একাই করেন। মৃত্যুর খবর পেলেই ছুটে যান সেই বাড়ীতে। স্বেচ্ছায় মরদেহের গোসল করা ও কাফনের কাপড়ও পরান। এছাড়া পৌর শহরের বাহির থেকেও কেউ ডাকলে ছুটে যান তিনি। তবে এই কাজে সহযোগী হিসেবে আরো দুই একজনের প্রয়োজন হয়। সেই সময় তিনি কেউকে ডাকলে ভয়ে কেউ আসতেন না। পরে তিনি একাই এ কাজ শুরু করেন।
সালামের এমন মানবিক কাজের প্রশংসা করে মোংলার কবরস্থান এলাকার বাসিন্দা ও চট্রগ্রাম বন্দরের ব্যবসায়ী আলহাজ্ব মোঃ হুমায়ুন কবির, স্থানীয় বন্দর ব্যবসায়ী মশউর রহমান, সাংবাদিক আহসান হাবিব হাসান বলেন, কোথাও কেউ মারা গেলে সালাম ব্যাপারীকে ডাকা লাগেনা। সাথে সাথেই নিঃস্বার্থভাবে ছুটে যান তিনি। মৃত ব্যক্তিকে শেষ গোসল থেকে শুরু করে কবরে রাখা পর্যন্ত সকল কাজে থাকেন তিনি। করোনাকালে সাহসের সাথে অসংখ্য মানুষকে তিনি গোসল করিয়েছেন, দাফনও দিয়েছেন। এটা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয়নি। যুগে যুগে সালামের মতো অনেক মানবিক মানুষ তৈরি হয়েছে, কিন্তু সমাজ তাদেরকে মনে না রাখলেও পরকালে তারা বড় পুরস্কার পাবেন।
এমন মানবিক কাজে খুশি হয়েই চলতি মাসে সালামকে ওমরাহ পালন করিয়ে এনেছেন ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবির। এনিয়ে সালাম বলেন, লাশ গোসলের মত একটা ভাল কাজ করে আসছিলাম বলেই আল্লাহ হয়তো হুময়ুন কবিরের উছিলায় ওমরাহর তৌফিক দিয়েছেন।
সালাম ব্যাপারী তিন কন্যা, এক স্ত্রী ও মাকে সঙ্গে নিয়ে থাকেন পৌর শহরের কুমারখালী এলাকায়। আয়ের উৎস বলতে বন্দরের শ্রমিকের সামান্য আয়। তবে মহতি এ কাজের জন্য গত দেড় বছর ধরে ৬হাজার টাকা করে পৌরসভা থেকে ভাতা দিয়ে আসছেন পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুর রহমান। সামান্য এই ভাতায় সংসার কিভাবে চলে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সমাজের অনেক ভাল মানুষ যারা সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি তারা তাকে চাল, মাছ, ফল ও ওষুধসহ বাজার করে দেন। তা দিয়ে কোনভাবে চলে তার সংসার। তবে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্থায়ী কোন ভাতা চালু করলে তার তিনটি মেয়ের ভবিষ্যৎ করে রেখে যেতে চান মানবসেবায় ব্রতী স্বার্থহীন এই মানুষটি।
পাইকগাছায় অবৈধ দখলবাজদের বিষয়ে তৎপর উপজেলা প্রশাসন
গাজী মোঃ আব্দুল আলীম, পাইকগাছা।
খুলনার পাইকগাছায় বিভিন্ন ইউনিয়নের অধীনে সরকারি জায়গা দখল করে পাকা ঘর সহ বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা উচ্ছেদ এর বিষয়ে তৎপর রয়েছে উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন।
সরজমিনে গেলে দেখা যায়, চাঁদখালী ইউনিয়নের প্রান কেন্দ্র চাঁদখালী বাজার এর সাথেই স্থানীয় চেয়ারম্যান শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস এর উদ্যোগে প্রায় ১৬/১৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সম্প্রতি নির্মাণ করা হয়েছে পাবলিক টয়লেট। যেখানে মহিলা ও পুরুষদের জন্য রয়েছে আলাদা আলাদা রুম। ফলে বাজারে আগত বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মহিলা ও পুরুষেরা সাচ্ছন্দ্যে সেটি ব্যবহার করতে পারছে। পাশাপাশি পাবলিক টয়লেট এর রাস্তাটি নিজস্ব অর্থায়নে করে দেন স্থানীয় চেয়ারম্যান শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস।
এদিকে নবনির্মিত পাবলিক টয়লেট সংলগ্নে সরকারি জায়গায় স্থানীয় দখলবাজ অবৈধ স্থাপনা করছে, এমন সংবাদ এর ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন এর দিকনির্দেশনা মোতাবেক নায়েব মোঃ কামরুল ইসলাম রবিবার দুপুর ২ টার দিকে উল্লেখিত অবৈধ স্থাপনা অত্র ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও মহিলা ইউপি সদস্য এস্নেয়ারা বেগম সহ ইউপি সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উচ্ছেদ করেন।
উল্লেখিত বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল আমিন বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করার বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করেছি। পাশাপাশি উপজেলা প্রশাসনের এ কর্মকর্তা বলেন, সরকারি জায়গা দখল করে যাহারা অবৈধ স্থাপনা করছে তাদেরকে কোনো প্রকার ছাড় দেওয়া হবে না।
রামপালে মোটরসাইকেল ও দেশী মদসহ আটক ২
রামপাল (বাগেরহাট) সংবাদদাতা
রামপাল থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল ও দেশী মদসহ দুই জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে। আটককৃতদের সোমবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টায় বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো খুলনা জেলার দৌলতপুর থানার পাবলা এলাকার মো. মোশারেফ হোসেনের ছেলে মো. রিপন শেখ (২২) ও একই এলাকার মৃত্যু রবি হাওলাদারের ছেলে মো. সোহেল (২৩)। রামপাল থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার গৌরম্ভা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই নাসির উদ্দীন রবিবার (২২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১০ টায় গৌরম্ভা বাজারের মন্দিরের সামনের তিন রাস্তার মোড়ে অভিযান চালিয়ে ওই দুই জনকে আটক করেন। এ সময় তাদের কাছে দেশী মদ পাওয়া যায়। ওই সময় তাদের কাছে থাকা রেজিষ্ট্রেশন বিহীন একটি মোটরসাইকেলও জব্দ করে পুলিশ। রামপাল থানার ওসি এস, এম আশরাফুল আলম কাগজপত্র বিহীন একটি মোটরসাইকেল ও মদসহ দুই আসামীকে আটক ও তাদেরকে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্তকরণ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা
তথ্য বিবরণী
‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্তকরণ’ বিষয়ে অবহিতকরণ সভা সোমবার সকালে খুলনা গল্লামারী মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের প্রশিক্ষণকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা স্বাস্থ্য দপ্তরের বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ মোঃ মনজুরুল মুরশিদ। ইউনিসেফের সহযোগিতায় খুলনা জেলা তথ্য অফিস এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিভাগীয় পরিচালক বলেন, সারা দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলছে। এর প্রতিরোধে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। ডেঙ্গু মশা নির্মূল করতে হলে এর উৎপত্তিস্থল ধ্বংস করতে হবে। বাড়ির আঙ্গিনা, অফিস চত্ত্বর, ফুলের টব ও সকল স্কুল-কলেজের আশপাশ পরিস্কার করলে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। এছাড়া দিনে এবং রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি টানিয়ে ঘুমাতে হবে। ফুলের টব, ডাবের খোসা, পরিত্যক্ত টায়ার, পরিত্যক্ত পাত্র, ফ্রিজের তলাসহ অন্যান্য জায়গায় প্রতি তিন দিনে একবার অবশ্যই পরিস্কার করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি সকলকে একসাথে কাজ করে যেতে হবে। এই অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে হলো ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও মোকাবেলায় জনগণকে সচেতন করা এবং নিয়মিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করে মশার আবাসস্থল নির্মূল করা।
খুলনা জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক গাজী জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অবহিতকরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইউনিসেফের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এএসএম নাজমুল আহসান। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউনিসেফের ফিল্ড অফিসার সুফিয়া আক্তার। অনুষ্ঠানে খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য অফিসার মোঃ মেহেদী হাসান, বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক মোঃ আতিকুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
সভায় বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, এনজিও প্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সাংবাদিক রুমি’র মায়ের ইন্তেকাল: বিএনপির শোক
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
দীপ্ত টিভির খুলনা বিভাগীয় প্রধান, দৈনিক জন্মভূমির নিউজ রুম ইনচার্জ ইয়াসিন আরাফাত রুমীর মাতা আমেনা পারভীন (৬৮) সোমবার (২৩ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজিউন)। তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে এক মেয়ে, নাতি নাতনীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
সাংবাদিক এস এম ইয়াসীন আরাফাত রুমীর মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, জেলা বিএনপি আহবায়ক আমীর এজাজ খান, মহানগর সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী প্রমূখ।
অনুরুপ বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের আহবায়ক এহতেশামুল হক শাওন ও সদস্য সচিব মিজানুর রহমান মিলটন। বিবৃতিদাতারা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন।
প্রেসক্লাব: খুলনা প্রেসক্লাবের অস্থায়ী সদস্য ও দীপ্ত টিভির খুলনা বিভাগীয় প্রধান, দৈনিক জন্মভূমির নিউজ রুম ইনচার্জ ইয়াসিন আরাফাত রুমীর মাতা আমেনা পারভীন, আজ সকাল সাড়ে আটটায় নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজিউন)। তিনি ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর। তিনি এক ছেলে এক মেয়ে, নাতি নাতনীসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার আসর বাদ রূপসা উপজেলার জাবুসা গ্রামে মরহুমার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। এদিকে সাংবাদিক এস এম ইয়াসীন আরাফাত রুমীর মায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম নজরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মামুন রেজাসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
পাইকগাছায় পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত অধিকারী
পাইকগাছা প্রতিনিধি
শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে পাইকগাছায় বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার অধিকারী বলেন,অসম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে এবং
সারা পৃথিবীতে উন্নয়নের মডেল শেখ হাসিনা। আমরা হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রিস্টান সকল ধর্মের মানুষ তাদের স্ব স্ব অবস্থানে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে এক কথায় অসঅসম্প্রদায়িক চেতনায় ধর্মীয় উৎসব পালন করি। সোমবার মহানবমীতে পাইকগাছা উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়ি তে ভক্তদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ও অসহায়দের মাঝে বস্ত্র বিতরণ কালে এ কথা বলেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন জেলা সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আনোয়ার ইকবাল মন্টু, জেলা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ড. মোহাঃ শেখ শহীদ উল্লাহ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা মোজাফ্ফর হোসেন, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সমিরণ সাধু। উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দির সরল কালীবাড়ি, বাতিখালী হরিতলা মন্দির, বাজার সার্বজনীন পূজা মন্দির সহ উপজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপে আইন শৃংখলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি, সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা সহ সার্বিক ব্যবস্থানায় সন্তোষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি।
কয়রায় চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে নারী সদস্যকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ
কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি
কয়রার আমাদি ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েলের বিরুদ্ধে পরিষদের এক নারী সদস্যকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার রাতে ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য দিলরুবা খাতুন চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন।
সোমবার নারী ইউপি সদস্য দিলরুবা খাতুন জানান, গত শনিবার সকালে ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল তাকে তার কক্ষে ডেকে নেন।
সে সময় সেখানে পরিষদের আরও কয়েকজন সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের উপস্থিতিতে চেয়ারম্যান চেয়ার থেকে উঠে প্রথমে কক্ষের দরজা বন্ধ করেন। এরপর কোনো কারণ ছাড়াই তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে তাকে মারতে উদ্যত হলে উপস্থিত কয়েকজন তাকে নিবৃত্ত করেন। এ সময় তিনি বেশি বাড়াবাড়ি করলে প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ইউপি সদস্য।
থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ইউপি সদস্য দিলরুবা খাতুনের সাধারণ ডায়রির বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জুয়েল বলেন, একটি প্রকল্পের কাজে অনিয়ম হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে ইউপি সদস্য দিলরুবা খাতুনের কাছে জানতে চাওয়া নিয়ে একটু-আধটু কথা কাটাকাটি হয়েছে। এর বেশি কিছু নয়।
খুমেক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত নারীর মৃত্যু
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ডেঙ্গু নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২২ অক্টোবর) রাতে তিনি মারা গেছেন। মৃত রোগীর নাম মনোয়ারা বেগম (৬০)। তিনি খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙার বাসিন্দা।
খুমেক হাসপাতাল আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার আরএমও ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় মোট ছাড়পত্রপ্রাপ্ত নিয়েছেন ১৪ জন। এ সময়ে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে একজন মারা গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালে অবস্থান করছেন ২২৯ জন ডেঙ্গু রোগী। ২০২৩ সালের এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৩২ জন। মারা গেছেন ২৬ জন।
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সবিজুর রহমান জানান, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৬ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। একই সময়ে ১৬ জন ছাড়পত্র নিয়েছেন। বর্তমানে বিভিন্ন হাসপাতালে অবস্থান করছেন ৪৪ জন রোগী।
উপজেলা দিবস প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে জাতীয় পার্টীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
পাইকগাছা প্রতিনিধি।।
পাইকগাছায় উপজেলা দিবস প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে পৌর জাতীয় পার্টির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বিকালে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে পৌর জাপার সভাপতি গাজী আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় জাপার সদস্য, খুলনা জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও নির্বাচনী সমন্বয়কারী শামসুল হুদা খোকন, পৌরসভা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গাজী রবিউল ইসলাম, পৌর জাপার সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী মুজিবুর রহমান। সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর জাপার সহ-সভাপতি আবুল কাশেম গাজী, আব্দুল গনি সরদার, ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি শেখ আব্দুল খালেক, ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল সানা, সম্পাদক মুনছুর গাজী, সম্পাদক মোস্তফা গাজী, সামছুর মোড়ল, লতা ইউনিয়ন জাপার সভাপতি কৃষ্ণ রায়, গড়ইখালী ইউনিয়ন সভাপতি আশিক মাহমুদ, পৌর যুবসংহতির আহবায়ক আবু সাইদ শেখ, সাবেক সভাপতি শেখ মাসুম,
উপজেলা যুব সংহতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রহিম,, জাপানেতা দেবাশীষ সানা, পৌর যুবসংহতির যুগ্ন আহবায়ক খাইরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্র সমাজ সভাপতি তন্ময় রায়, জামির হোসেন, ও আকাম গাজী।
ইছামতী খালে সেতু নির্মাণ: ক্ষতিপূরণ পাননি জেলেরা
যশোর অফিস
যশোরের অভয়নগর উপজেলায় ইছামতী খালের ওপর নির্মিত ৩০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু ছিল। সেটি ভেঙে আরও বড় আকারের নতুন একটি সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। সেতুর মূল অবকাঠামোর কাজ শেষ হয়ে গেছে। সংযোগ সড়কের কাজ বাকি। সড়কের এক পাশের বর্ধিতাংশ পড়েছে স্থানীয় জেলেপাড়ার বাসিন্দাদের জমিতে। কিন্তু জেলেরা এখনো কোনো ক্ষতিপূরণ পাননি। জমি হারিয়ে ক্ষতিপূরণের আশায় ঘুরছেন তাঁরা।
১১ অক্টোবর ইছামতী খালের পাড় এলাকায় দেখা যায়, পশ্চিম থেকে পূর্ব দিক চলে গেছে ইছামতী খাল। সেতুর উত্তর পাশে ছোট একটি বাজার। দক্ষিণ পাশে জেলেপল্লি। সেতুর দক্ষিণ প্রান্তের সংযোগ সড়কের বাঁ পাশে তিনটি দোকান। আগে তিনটি দোকান ভাঙা হয়েছে। সড়কের ডান পাশে কয়েকটি ভিটাবাড়ি। সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। সেতুর দুই পাশে বালু ফেলে উঁচু করা হয়েছে।
সেতুর পাশে দাঁড়িয়ে কথা হয় জেলেপল্লির কয়েক ব্যক্তির সঙ্গে। তাঁরা বলেন, সেতুর বর্ধিত অংশে তাঁদের তিন পরিবারের প্রায় ৩২ শতক জমি চলে গেছে। ওই জায়গায় তাঁদের একটি রান্নাঘর এবং ছয়টি দোকান ছিল। রান্নাঘর ও দোকান ভেঙে সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি দোকান ভেঙে ফেলা হয়েছে। বাকি তিনটি দোকানও ভেঙে ফেলতে হবে। সেতুর সংযোগ সড়কটিও তাঁদের জায়গার ওপর দিয়ে গেছে। এতে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। ক্ষতিপূরণের আশায় তাঁরা এলজিইডি (স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ) কার্যালয়ে বারবার ধরনা দিচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের কোনো ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে না।
সেতুর পাশেই জেলেপল্লির বাসিন্দা মন্টু পদ বিশ্বাস বলেন, ‘আমার মোট ১৩ শতক জমির ওপর ভিটেবাড়ি। এর মধ্যে ৭ দশমিক ১০ শতক জমির ওপর নতুন ব্রিজ চলে এসেছে। আমার জমির ওপর সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। এতে আমার খুব ক্ষতি হয়েছে। সংযোগ সড়কের কাজ করতে গেলে বাধা দিয়েছি। ইঞ্জিনিয়ার সাহেব এসে জমি মেপে গেছেন। তিনি বলে গেছেন ক্ষতিপূরণ পাবেন। কিন্তু আদৌ ক্ষতিপূরণ পাব কি না, জানি না।’
বিপ্লব কুমার গাইন বলেন, ‘ব্রিজ করতে আমার ১৪ শতক জমি চলে গেছে। ওই জমিতে আমার ছয়টি দোকান ছিল। ইতিমধ্যে তিনটি দোকান ভেঙে সরিয়ে নিয়েছি। বাকি তিনটি ভেঙে সরিয়ে নিতে বলছে।’
জেলেপল্লির বাসিন্দাদের শঙ্কা নিয়ে গত বছরের ২৮ জুন ‘জেলেদের জমিতে সেতু হচ্ছে ক্ষতিপূরণের উদ্যোগ ছাড়াই’ ও ১১ আগস্ট ‘ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়ে শঙ্কা’ এবং গত ১১ জুন ‘জমিতে সেতু নির্মাণ, ক্ষতিপূরণের আশায় ঘুরছেন’ শিরোনামে প্রথম আলোতে তিনটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল।
এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স আনোয়ারা ট্রেডার্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. শাহিন খান বলেন, সেতুর লে-আউট অনুসারে তাঁরা কাজ করেছেন। মূল সেতুর কাজ শেষ হয়েছে। সেতুর দুই পাশের সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করেছিলেন। আপাতত কাজ বন্ধ আছে। যে কাজ বাকি আছে, তা শেষ করতে দুই মাস সময় লাগবে।
অভয়নগর এলজিইডি সূত্র জানায়, উপজেলার ইছামতী খালের ওপর ৩০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু ছিল। এলজিইডির গ্রামীণ সেতু সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পুরোনো সেতুটির জায়গায় ৬০ দশমিক শূন্য ৫ মিটার দীর্ঘ এবং ৫ দশমিক ১৮ মিটার প্রস্থ একটি আরসিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে।
সেনপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক
ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি
নগরীর কেসিসি ২নং ওয়ার্ডের সেনপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। গতকাল সন্ধা সাড়ে ৬টায় কেসিসি ২নং ওয়ার্ডের সেনপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির প্রাঙ্গণে মন্দির পরিদর্শন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সেনপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির এর সভাপতি নির্মল দত্ত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আনিসুর রহমান, কাউন্সিলর এস এম মনিরুজ্জামান মুকুল, কাউন্সিলর মনিরা পারভিন। বক্তৃতা করেন মো. শাকিল আহমেদ, মোঃ শরিফুল ইসলাম মিঠু, মো. সায়েদুর রহমান, মোঃ সুরুজ্জামান হানিফ, মো. নাসির উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নার্গিস খানম, নীলা নাসির, আফজাল হোসেন, মো. রবিউল ইসলাম, লিয়াকত মুন্সি, ইসমাঈল হোসেন ইমন, সাথী বেগম, সেলিনা বেগম, রেখা আক্তার, রেবা সুলতানা, শেখ আফসার হোসেন বাবু, সেনপাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির এর সাধারণ সম্পাদক সরল কুমার মজুমদার, অজিত সরকার, নিরঞ্জন রাহা, প্রশান্ত বনিক, সজল মজুমদার, সঞ্জয় নন্দী, অসীম সরকার, জয় গোপাল সিং প্রমুখ।
সুদীর্ঘ কাল ধরেই ঐতিহ্য ধারণ করে আছে শারদীয় দুর্গাপূজা: খুলনা বিএনপি
।। খবর বিজ্ঞপ্তি।।
হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় এবং সামাজিক উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে হিন্দু ধর্মাবলম্বীর সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপি নেতৃবৃন্দ। সোমবার (২৩ অক্টোবর) প্রদত্ত বিবৃতিতে সনাতন ধর্মালম্বীদের অব্যাহত সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে নেতারা বলেছেন, শারদীয় দুর্গাপূজা বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনে একটা বিশেষ স্থান দখল করে আছে। সুদীর্ঘ কাল ধরেই এ উপমহাদেশে এক সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্য ধারণ করে আছে এই ধর্মীয় উৎসব। যেকোনো ধর্মীয় উৎসবই সাম্প্রদায়িক বিভেদ-বিভাজনকে অতিক্রম করে মানুষে মানুষে মহামিলন সূচনা করে। শারদীয় দুর্গাপূজার উৎসব সবার মধ্যে নিয়ে আসে আনন্দের বার্তা। একটি শাশ্বত সার্বজনীন উৎসব হিসেবে বাংলাদেশে এটি পালিত হয়। যেকোনো ধর্মীয় উৎসব জাতি-রাষ্ট্রে সব মানুষের মিলন ক্ষেত্র। বিএনপি আবহমানকালের ঐতিহ্যের ধারায় ধর্মীয় স্বাধীনতা ও মূল্যবোধে বিশ্বাস করে।
বিবৃতিদাতারা হলেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা ও সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন। এদিকে সোমবার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে সন্ধ্যা থেকে নগরীর কালিবাড়ি মন্দির, হেলাতলা মন্দির, ধর্মসভা মন্দির, শীতলাবাড়ি মন্দির ও শীববাড়ি মন্দিরে যান নেতৃবৃন্দ। এ সময় তারা ফুল দিয়ে পুজা কমিটির নেতাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। শুভেচ্ছা বিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা, সদস্য সচিব শফিকুল আলম তুহিন, বদরুল আনাম খান, কে এম হুমায়ুন কবীর (ভিপি হুমায়ুন), হাফিজুর রহমান মনি, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, সৈয়দ সাজ্জাদ আহসান পরাগ, এড. তৌহিদুর রহমান চৌধুরী তুষার, শেখ ফারুক হোসেন, সাঈদ হাসান লাভলু, আসাদুজ্জামান আসাদ, মোস্তফা কামাল, কামরুজ্জামান রুনু, মিজানুর রহমান মিজান, তরিকুল ইসলাম বাকার, ডা. আব্দুল হালিম, আবুল কালাম, সরোয়ার হোসেন, জাকির ইকবাল বাপ্পি, মাহবুব উল্লাহ শামিম, আলতাফ হোসেন খান, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মেশকাত আলী, মাসুদুল হক হারুন, আমিন হোসেন মিঠু, মিজানুর রশীদ মিজান, মরিয়ম খাতুন মুন্নি, নজরুল ইসলাম, খায়রুজ্জামান সজিব, লাবু বিশ্বাস, রাহুল চিশতি, মাহবুবুর রহমান নোমান, আজিজুর রহমান, ইয়াজুল ইসলাম এ্যাপোলো, রাজু আহমেদ, আলম হাওলাদার, সিদ্দিকুর রহমান, আকরাম হোসেন মোল্লা, আলী আহমেদ, পুতুল, রজনী খানম, শরিফুল ইসলাম অসীম, নুর হোসেন বাদল প্রমূখ।
বড় ধরণের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক
স্টাফ রিপোর্টার।।
অল্পের জন্য বড় ধরণের দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন খুলনা মহানগর বিএনপির আহবায়ক এড. শফিকুল আলম মনা। সোমবার (২৩ অক্টোবর) রাতে নগরীর কালিবাড়ি পুজা মন্দিরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান রাত সাড়ে ৮টায় দিকে অন্যান্য নেতাদের সাথে নিয়ে মহানগর বিএনপির আহবায়ক ওই মন্দিরের পুজারীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যান। পুজারীদের উদ্দ্যেশে বক্তব্য দিতে মন্দিরে ওঠার সিঁড়ির রেলিংয়ে হাত দিলেই তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পড়েন। এসময় নেতাকর্মীরা হতবিহ্বল হয়ে পড়েন। সাথে সাথে বিদ্যুৎ লাইন অফ করে দিলে তিনি বিপদমুক্ত হন।
ফকিরহাটের ৭০টিপূজা মন্ডপে শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি অনুদান প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি।
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৭০টি দূর্গাপূজা মন্ডপে অনুদান প্রদান করেছেন, বাগেরহাট-০১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্রাতুষ্পুত্র জননেতা শেখ হেলাল উদ্দীন এমপি। এমপির পক্ষে এ অনুদানের অর্থ ও শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন ফকিরহাট উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি স্বপন দাশ। তিনি শনি ও রবিবার সন্ধ্যা হতে গভীর রাত পর্যন্ত ৮টি ইউনিয়নের বিভিন্ন মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে এই অনুদানের অর্থ প্রদান করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মল্লিক আবুল কালাম আজাদ (সাহেব), ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে মোঃ ইউনুস আলী শেখ, মোঃ ফারুকুল ইসলাম ওমর, এমডি সেলিম রেজা, মোড়ল জাহিদুল ইসলাম, শিরিনা আক্তার, মোঃ রেজাউল করিম ফকির, সরদার আমিনুর রশিদ মুক্তি, এ্যাডঃ হীটলার গোলদার, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা যথাক্রমে আনন্দ কুমার দাশ, শেখ শহীদুল ইসলাম, আসপিয়ার হোসেন মোড়ল, প্রভাষক অঞ্জন কুমার দে, মনিরুজ্জামান মনি, সুমন মল্লিক, বিশ^াস সাইফুল ইসলাম, জাহাংগীর হোসেন ও মুক্তিযোদ্ধা আবু বক্কর আবু প্রমুখ। ##
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে সবার অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে :মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, মুসলিম সবাই এক সঙ্গে যুদ্ধ করেছে, প্রাণ দিয়েছে এবং দেশ স্বাধীন করেছে। স্বাধীনতার সময়ে আমাদের লক্ষ্য ছিল, একটি ধর্ম নয়, বর্ণ নয়, কোনো সম্প্রদায় নয়, সমগ্র বাংলাদেশের মানুষের জন্য সত্যিকার অর্থেই একটি গণতান্ত্রিক, স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশকে নির্মাণ করা। বিএনপি কেবল অসাম্প্রদায়িকতায় বিশ্বাস করে না, অন্যান্য ধর্মের যে অধিকার, সেই অধিকার রক্ষা করার জন্য চেষ্টা করে। বাংলাদেশ এমন একটি দেশ যেখানে সম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করা হয়। এ দেশের মানুষ এসবে বিশ্বাস করে না।
সোমবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত দুর্গা পূজার নবমীতে নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে গিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদেরকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এসব কথা বলেন খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও নগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র হরণ করা হয়েছে, ভোটের অধিকারের জন্য মানুষকে লড়াই করতে হচ্ছে। আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য সংগ্রাম করছি। এখানে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলে সবার অধিকারকে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে, সব মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব সারদিয়া দুর্গাপূজা উপলক্ষে শিববাড়ি পূজামন্ডপের সভাপতি বাবু মহাদেব সাহা, সাধারন সম্পাদক শুকুমার সাহা, গোপাল সাহা, লিটন সাহা, ২২নং ওয়ার্ডের কালীবাড়ি মন্দিরের মন্দির কমিটির সভাপতি, সাধারন সম্পাদকসহ দর্শনার্থী, ভক্ত ও অনুসারীদের সঙ্গে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছাজ্ঞাপনকালে উপস্থিত ছিলেন মো. মাহবুব কায়সার, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আকরাম হোসেন খোকন, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, রবিউল ইসলাম রবি, জাহিদ কামাল টিটু, মহিউদ্দিন টারজান, মেহেদী হাসান সোহাগ, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, শামীম আশরাফ, আরিফুর রহমান আরিফ, তরিকুল আলম তুষার, শাকিল আহমেদ, পারভেজ মোড়ল, সুলতান মাহমুদ সুমন, মাহমুদ হাসান মুন্না, সালাউদ্দিন সান্নু, জাহাঙ্গীর মল্লিক, তরিকুল আলম, কবির বিশ^াস, শেখ রাজ, আশরাফ হোসেন, হাসিব খান, নোমান মাহমুদ, ইয়াসিন আরাফাত, রুহুল আমিন রাসেল, কামাল উদ্দিন, আনিস, আব্দুর রহিম, আলমগীর হোসেন, শফিকুল ইসলাম, মো. মাসুম, আশরাফ হোসেন, ইকবাল, লিটন, ফিরোজ আহমেদ, শাহনেওয়াজ প্রমুখ।
দাকোপে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার
দাকোপ প্রতিনিধি
মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে দাকোপে চুনকুড়ি ও পশুর নদীতে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে ২০ হাজার মিটার অবৈধ জাল উদ্ধার করা হয়েছে।
উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে,(২৩ অক্টোবর) সোমবার দিনব্যাপি উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার চুনকুড়ি ও পশুর নদীতে বাংলাদেশ নৌ পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনা করে ২০ হাজার মিটার অবৈধ ইলিশ মাছ ধরা জাল উদ্ধার করে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সেলিম সুলতান,নৌপুলিশ সদস্য এবং মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ। পরে উদ্ধারকৃত ইলিশ মাছ ধরা জাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
ঝিনাইদহে ভিক্ষুক পুনর্বাসন করলেন সমাজসেবা ও উপজেলা প্রশাসন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
ঝিনাইদহে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্সক বাস্তবায়ন কর্মসূচির আওতায় উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় ও সদর উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে মুদি এবং চা দোকানসহ উপকরণ প্রদান করা হয়েছে। সোমবার সকালে সদর উপজেলার ঘোড়শাল ইউনিয়নের পূর্ব তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের কলিম উদ্দিন নামের এক ভিক্ষুককে এ উপকরণ প্রদান করা হয়। এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় ঘোড়শাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিলটনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া জেরিন। সেসময় উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আব্দুল হাই সিদ্দিক, সদর উপজেলা সহকারী প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকতা হাসিবুর রহমান, ঘোড়শাল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব প্রতাপ আদিত্য বিশ^াসসহ এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গ।
ভিক্ষুক কলিম উদ্দিন মুদি এবং চা দোকানসহ উপকরণ পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে বলেন, আমি গ্রামে গ্রামে ঘুরে আগে ভিক্ষা বৃত্তি করতাম। তাই আমার কাছে মনে হয়েছে এটা অনেক কষ্ট দায়ক এবং লজ্জাদায়ক পেশা। আমার এ কষ্ট লাঘবে ঘোড়শাল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান. উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ও সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এর একান্ত প্রচেষ্টায় প্রধাণ মন্ত্রীর উপহার পেয়েছি। তাই আমি আজ থেকে আর কোন দিন ভিক্ষা বৃত্তি করবো না বলে অঙ্গিকার করছি।
উপজেলা দিবস উপলক্ষে খুলনায় জাপার আলোচনা সভা
স্টাফ রিপোর্টার
জাতীয় পার্টি (রওশন গ্রুপ) খুলনা মহানগর ও জেলা কমিটির উদ্যোগে সোমবার বিকেলে দৈনিক প্রবাহ কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা দিবস উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সভায় অতিথি ছিলেন জাপার কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক ও মহানগর জাপার আহবায়ক সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আঃ গফ্ফার বিশ্বাস। সভাপতিত্ব করেন মহানগর জাপার সদস্য সচিব মোল্লা শওকত হোসেন বাবুল। পরিচালনায় ছিলেন কেন্দ্রীয় সদস্য ও জেলা জাপার সদস্য সচিব এড. এস এম মাসুদুর রহমান। বক্তৃতা করেন জাপা নেতা শরীফ মোঃ শাজাহান, সাবেক ছাত্র নেতা এরশাদুজ্জামান ডলার, জাপা নেতা এড. প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, বেলাল হোসেন মুন্সি, মনিরুল ইসলাম, সিদ্দিকুর রহমান, অপু রায়হান, নাদীরা পারভীন মিথুন প্রমূখ। সভায় পল্লীবন্ধু এরশাদের রুহের মাগফেরাত কামনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদের সুস্থ্যতা কামনা করা হয়। বক্তারা বলেন, সরকারের উচিত বাজার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ভেঙ্গে দিয়ে বাজার দর নিয়ন্ত্রণ করা। প্রতিটি উপজেলা পরিষদে পল্লীবন্ধু এরশাদের ছবি রাখার দাবী জাননো হয়। পল্লিমাতার রওশন এরশাদের নেতৃত্বে আগামীতে জাপা নির্বাচনে অংশ নেবে।
ব্যতিক্রমধর্মী অনূদানের নজির স্হাপন করলেন তৃতীয় লিঙ্গের সভানেত্রী পপি আক্তার
পাইকগাছা প্রতিনিধি
খুলনার পাইকগাছায় সারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে উপজেলা কেন্দ্রীয় সরল কালীবাড়ী পুজা মন্দির ও পাইকগাছা পৌরসভা কেন্দ্রীয় পুজা মন্দিরে তৃতীয় লিঙ্গের সভানেত্রী মিস পপি আক্তার নিজস্ব তহবিল থেকে দুটি মন্দিরে ২০,০০০/ বিশ হাজার টাকা অনূদান প্রদান করে ব্যতিক্রমধর্মী অনুদানের নজীর স্হাপন করলেন।
সোমরার রাত ৮টায় পাইকগাছা উপজেলা কেন্দ্রীয় পূজা মন্দিরে উক্ত অনুদান অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পাইকগাছা পৌরসভার মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সূরন্জন, এ এস পি নবান্ন, এমপি পত্নী শারমিন আক্তার, প্যানেল মেয়র শেখ মাহবুবর রহমান রঞ্জু, মহিলা কাউন্সিলর কবিতা রানী দাস সহ বিভিন্ন স্হান থেকে আগত পুজারী ভক্তবৃন্দ। উল্লেখ্য এমন ব্যতিক্রমধর্মী অনূদানে সাড়া জাগিয়েছে হিন্দুসম্প্রদায় সহ সমগ্র পাইকগাছা পৌরসভায়। উল্লেখিত বিষয়ে মিস পপি আক্তার বলেন, জাতী ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকলের ভালোবাসা নিয়ে বাঁচতে চায়।











































