Home খেলাধুলা এক ফ্রেমে ৭২ বছরের ইতিহাস

এক ফ্রেমে ৭২ বছরের ইতিহাস

50

সাখাওয়াত হোসেন জয়, হ্যাংঝু (চীন) থেকে।।

ইতিহাস আর ঐতিহ্য তুলে ধরার যত প্রয়াস, সবকিছুই করছে চীন। হ্যাংঝু এশিয়ান গেমস দিয়ে নিজেদের কৃষ্ট-কালচার থেকে শুরু করে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমন্ডিত আকর্ষনীয় সব জায়গাগুলোর সঙ্গে অতিথিদের পরিচিত করার প্রচেষ্টা গেমসের আয়োজকদের। প্রযুক্তির ছোঁয়াতে সবকিছুই তুলে ধরছেন তারা।

অতীতকে ছাপিয়ে যাওয়ার যে চেষ্টা, তাতে এখন পর্যন্ত সফলও বলা যায় চীনকে। বর্নিল উদ্বোধনে চমকের শুরু, ধারাটা মেইন মিডিয়া সেন্টারেও দেখা গেছে। বিভিন্ন দেশের সংবাদকর্মীরা যেখানে কাজ করেন, তার একটু সামনেই ৭২ বছরের ইতিহাসকে এক ফ্রেমে তুলে ধরেছে আয়োজকরা। ১৯৫১ থেকে থেকে এই পর্যন্ত এশিয়ান গেমসের সব মশাল সারিবদ্ধভাবে সাজানো হয়েছে মেইন মিডিয়া সেন্টারের ওয়ার্কিং জোনের সামনে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে গেমসের মশালগুলো সাজানোর কাজ করে কর্মকর্তারা। সন্ধ্যায় দেখা যায় মশালের চারপাশে দাঁড়িয়ে কেউ ভিডিও করছেন কেউ বা মোবাইলে ছবি তুলছেন। আবার কেউ পুরো দৃশ্যটাকে স্বরণীয় করতে সেলফি তুলছেন। ১৯৫১ সালে প্রথমবার নিউ দিল্লিতে হয়েছিল এশিয়ান গেমস। এরপর একে একে সাজানো সব গেমসের মশাল। এর মধ্যে হ্যাংঝুর মশালটি মাঝখানে বসানো হয়েছে।

এশিয়ান গেমসের প্রথম থেকে চলমান আসরের মশাল। ছবি: সমকাল
এবারের সহ ১৯টি গেমসের মশাল চারদিকে সাজানো হয়েছে। প্রতিটি মশাল প্রতি গেমসের লোগো সম্বলিত বোর্ডের ওপর এমনভাবে বসানো হয়েছে; যা দেখছে যে কারোরই চোখ জুড়িয়ে যাবে। ৩০-৫০ মিটারের মধ্যে সাত দশকের বেশি সময়ের গেমসের মশালগুলো অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া সংরক্ষন করেছিল। তার প্রমান তো হ্যাংঝুতে যারা এসেছেন, তারা সবাই দেখেছেন।

মশালগুলোর সামনে দাঁড়িয়ে চীনের এক সংবাদিক ছবি তুলছেন আর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন, ‘এই গেমসের জন্য আমাদের সরকার অনেক কিছু করেছিল। আপনি হয়তো দেখেছেন উদ্বোধনের দিন কীভাবে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবকিছু তুলে ধরা হয়েছে। আমরা সবাইকে মোহিত করতে চাই। একসঙ্গে ১৯টি এশিয়ান গেমসের মশাল দেখা তো অবশ্যই ভাগ্যেও ব্যাপার।’

চীনারা সবসময় চমকে বিশ্বাসী। এবার মেইন মিডিয়া সেন্টারে এশিয়ান গেমসের মশালগুলো সাজানোই অন্যতম চমক।