তথ্য বিবরণী
সরকার শিল্পের প্রসারের জন্য অনুকুল পরিবেশ তৈরি করছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা), অর্থনৈতিক জোন তৈরি, কারিগরি শিক্ষার প্রসার সৃষ্টি, বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ গ্রহণে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে দেশি বিদেশি বিনিয়োগের পরিবেশে তৈরি হয়েছে। শিল্পে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ফলে প্রবৃদ্ধিও বৃদ্ধি পাবে এবং ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশ বির্নিমাণে সহায়ক হবে। বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ। বিশাল জনগোষ্ঠীকে মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলে উৎপাদনশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। দেশে শিল্পউদ্যোক্তাদের উৎসাহ যোগাতে ইতোমধ্যে ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি এন্ড কোয়ালিটি এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড এবং ইন্সটিটিউশনাল এপ্রিসিয়েশন আ্যাওয়ার্ড নামে দুইটি পুরস্কার চালু করেছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)’র উদ্যোগে এবং খুলনা বিভাগীয় প্রশাসন আয়োজিত কর্মশালায় আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে খুলনা সার্কিট হাউস সম্মেলনকক্ষে বক্তারা এসব কথা বলেন।
খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মু: আনোয়ার হোসেন হাওলাদার কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয় ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)’র পরিচালক নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) সুবাস চন্দ্র সাহা, স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মির্জা নূরুল গণি শোভন, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম নজরুল ইসলাম প্রমুখ। স্বাগত জানান অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) সৈয়দ রবিউল আলম। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সারোয়ার আহমেদ সালেহীন এতে সভাপতিত্ব করেন। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এনপিও’র উর্ধ্বতন গবেষণা কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম। কর্মশালায় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলার সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বড় ও মাঝারি শিল্পউদ্যোক্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নেন।
ক্ষুদে ডাক্তার বিষয়ে এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত
তথ্য বিবরণী
ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল, কৃমি নিয়ন্ত্রণ ও ক্ষুদে ডাক্তার কার্যক্রম আওতায় আগামী ২৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি তারিখ দেশের সকল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্ষুদে ডাক্তারদের দিয়ে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই ক্ষুদে ডাক্তার নির্বাচিত করা হবে।
কর্মসূচিটি আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে খুলনার স্কুল হেলথ ক্লিনিক সম্মেলনকক্ষে সিভিল সার্জন অফিসের আয়োজনে জেলা পর্যায়ের এ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ সুজাত আহমেদ।
সিভিল সার্জন বলেন, সরকার শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। কৃমি মূলত পরজীবী প্রাণী। কৃমি শিশুদের মেধার বিকাশ ক্ষতিগ্রস্থ করে এবং শিশুরা মারাত্মক অপুষ্টিতে ভোগে। এর প্রতিরোধ করতে হলে শিশুদের কৃমি নাশক ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে।
সভায় জানানো হয়, ২৫ থেকে ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত খুলনা জেলার নয়টি উপজেলা ও দুইটি পৌরসভাসহ এক হাজার ছয়শ ৭১টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ থেকে ১২ বছরের দুই লাখ ৩০ হাজার ৫৮ শিক্ষার্থীকে এবং চারশ ৭২টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ১৬ বছরের এক লাখ ৬৩ হাজার নয়শ ৬৪ শিক্ষার্থীকে ক্ষুদে ডাক্তার দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে বয়স অনুপাতে তাদের সঠিক ওজন, উচ্চতাসহ দৃষ্টিশক্তির ত্রুটি নির্ণয় করা হবে।
এ্যাডভোকেসি সভায় সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহাবুবুর রহমান, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন ডাঃ সত্যজিৎ মন্ডল।











































