Home আঞ্চলিক উপকূলে পোনা মাছ নিধনের তাণ্ডব

উপকূলে পোনা মাছ নিধনের তাণ্ডব

8

খুলনাঞ্চল রিপোর্ট।।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কুয়াকাটা সংলগ্ন চরবিজয়সহ সাগরের বিভিন্ন চরাঞ্চল এবং নদীতে সব প্রজাতির পোনা মাছ নিধনের তাণ্ডব চলছে। সুক্ষ্ম মশারি নেটের সাহায্যে এই নিধনযজ্ঞ চলছে।
মৎস্য বিভাগ বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে পোনামাছ আটকসহ জেল জরিমানা করছে। কিন্তু দমেনি একটি চিহ্নিত চক্রের মৎস্য পোনা নিধনের তাণ্ডব। কোটি কোটি পোনা প্রতিদিন নিধন হওয়ায় সাগর-নদী থেকে মৎস্য সম্পদ হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এদিকে পর্যটন এলাকায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা পর্যন্ত মাছের পোনার নিধনযজ্ঞে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন।

পর্যটকরা জানান, খুব খারাপ লাগে দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ এভাবে ধ্বংস করে দেয়া হচ্ছে। আবার এসব পোনা মাছ বিভিন্ন বাজারেও পানির দামে বিক্রি করা হয়। করা হয় শুঁটকি। মাত্র এক-দেড় শ’ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হয়। চরবিজয় অনেকটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির থাকায় এখানে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের প্রজননের অভয়াশ্রম হিসেবে পরিচিতি রয়েছে। আর এই সুযোগকে পুঁজি করে এক শ্রেণির লোভী জেলেরা ফাঁসের জাল দিয়ে পুরো শীতের মৌসুম বিভিন্ন প্রজাতের মাছের পোনা আহরণ করে। এমনকি পোনা মাছ সংগ্রহকালে মারা যাওয়া এক-দেড়-দুই ইঞ্চি সাইজের মাছটি সৈকতের বেলাভূমে ফেলে দেয়। টনকে টন পোনা মাছ প্রতিদিন ধরা হচ্ছে। অতি সম্প্রতি কোস্টগার্ডের অভিযানে আন্ধারমানিক নদী থেকে একটি ট্রলারে থাকা ৫০ মণ পোনা মাছ উদ্ধার করা হয়।

গবেষক সাগরিকা স্মৃতি জানিয়েছেন, জেলেরা ভাটার সময়ে জাল পেতে রাখেন। জোয়ার আসলে মাছ আটকে এবং সেখানে ছোট-বড় সবসাইজের মাছগুলো মারা পড়ে। একদম ছোট্ট পোনাগুলোও মারা হয়। আর ইলিশের পোনাসহ সব প্রজাতির পোনামাছ সুক্ষ্ম ফাঁসের জাল দিয়ে ধরা হচ্ছে।

সিনিয়র কলাপাড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, আমরা কয়েকবার নির্বাহী মাজিস্ট্রেট নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছি।