Home জাতীয় বিদায় ২০২২ স্বাগত ২০২৩: নতুন প্রত্যাশার শুরু

বিদায় ২০২২ স্বাগত ২০২৩: নতুন প্রত্যাশার শুরু

90

বিশেষ প্রতিনিধি।।
দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়েছে। আস্তে আস্তে তেজোদীপ্ততা ছেড়ে মলিন হতে শুরু করেছে সূয্যিমামা। ডিমের কুসুমের মতো গোলাকার সূর্যটা দেখে মনে হতে পারে কপালজুড়ে লাল টিপ দিয়ে সেজেছে বাংলার বধূ। তবে সাজবেইবা না কেন? তার যে বিদায় নেওয়ার পালা। আর এই সূর্যাস্ত শেষে দিবাগত রাতের প্রথম প্রহরেই প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির হিসেব নিয়ে বিদায় নিল আরও একটি বছর। বিশ্বের বয়স বাড়ল আরও এক বছর। ‘করোনা ও যুদ্ধমুক্ত বিশ্ব’ দেখার প্রত্যাশার ঝাঁপি খুলে আজ রবিবার বিশ্বময় আশা জাগানিয়া যে নতুন সূর্যটি উঠেছে, সেটি নতুন বছরের। বিদায় ঘটনাবহুল ২০২২, স্বাগত ২০২৩ সাল। কালপরিক্রমায় দ্বারোদ্ঘাটন হলো প্রকৃতির নতুন নিয়মে নতুন বৎসর ২০২৩ এর। চেতনায় জাগ্রত আবহমান সেই মাঙ্গলিক বোধ-অতীতের জীর্ণতা অতিক্রান্ত দিনমাসপঞ্জির হিসাব থাক বিস্তৃতির কালগর্ভে, প্রত্যাশায় বুক বাঁধি নতুন দিনের সূর্যোলোকে- তবে উদ্ভাসন হোক সজীব-সবুজ নতুনতর সেই দিনের- যা মুছে দেবে অপ্রাপ্তির বেদনা; জাগাবে নতুন প্রত্যয়ে নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। গত বছরের মতো এবারও সূর্যাস্ত শেষে দিবাগত রাতের প্রথম প্রহরেই প্রাপ্তি আর অপ্রাপ্তির হিসেব নিয়ে বিদায় নিল আরও একটি আলোচিত বছর। তবে নতুন বছর বাঙালির জীবনে আসছে এক অন্যরকম প্রত্যাশার পাশাপাশি অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে। আজ থেকে শুধু নতুন একটি বছরই নয়, এটি নির্বাচনের বছর। ২০২৪ সালের প্রথম সপ্তাহেই অনুষ্ঠিত হবে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আর নির্বাচনের বছর মানেই উত্তপ্ত রাজপথ, নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দরকষাকষি, জোট-মহাজোটের ঐক্য-ভাঙন, নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ব মোড়লদের নানামুখী তৎপরতা, চাপ সৃষ্টি এবং সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানই হচ্ছে নতুন বছরের প্রথম ও প্রধান চ্যালেঞ্জ।
এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় করে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের সময় কী হবে? দেশ কী আবার অন্ধকারের যুগে ধাবিত হবে, নাকি লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত স্বাধীনতা ও মহান মুুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির বিজয়ে দেশ আরও এগিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের পথে। নতুন বছরে দেশের মানুষ নতুন করে শপথে বলীয়ান হবে। তবে নির্বাচন নিয়ে দেশের মানুষের কৌতূহল, শঙ্কা এবং আলোচনা এখনই তুঙ্গে। সব দলকে নির্বাচনে আনাও হচ্ছে বর্তমান সরকারের আরেকটি চ্যালেঞ্জ। জনমনের প্রত্যাশা সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রার পথ ধরেই। গত ১৪ বছরে সত্যিই বদলে গেছে পুরো বাংলাদেশ। বিদায়ী বছরে খুলে গেছে বিশ্বব্যাংককে চ্যালেঞ্জ দিয়ে নিজস্ব অর্থায়নে তৈরি স্বপ্নের পদ্মা সেতুর দুয়ার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা-পাল্টা নিষেধাজ্ঞায় বৈশ্বিক চরম সংটের মধ্যও দেশের ইতিহাসে প্রথম বিদ্যুৎচালিত বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প স্বপ্নের মেট্টোরেলও এখন ছুটছে বুক ফুলিয়ে।
কর্ণফুলী বঙ্গবন্ধু ট্যানেলের দুয়ারও খুলে যাবে নতুন এ বছরে। বিশ্বের সামনে বুক উঁচু করে বাংলাদেশ দাঁড়িয়েছে নতুন এক মর্যাদা নিয়ে। গোটা বিশ্ব দেখছে বিস্ময়কর উন্নয়ন-অগ্রগতি ও শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়ানো এক অন্যরকম বাংলাদেশকে। দেশের এই এগিয়ে যাওয়ার গল্পের প্রধান কারিগরই হচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও রেকর্ড সংখ্যক চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা শেখ হাসিনা।
অশুভ শক্তির মিথ্যা বোধ, প্রজন্মের নষ্ট হয়ে যাওয়া মুখগুলোর আষ্ফালনের অশুচি কাটিয়ে অস্তাচলে গেল যে সূর্যটি, আজ পূর্বদিগন্তে শাশ্বত সেই সূর্যেরই উদয়ন হয়েছে নতুন সৌন্দর্যের আবাহন ঘটিয়ে। ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে নবোদয় ঘটেছে এক নতুন প্রজন্মের- যে প্রজন্মের কাছে মায়ের মতো পবিত্র তার দেশ, সূর্যের মতো সত্য তার মুক্তিযুদ্ধ আর উন্নয়নের জ্যোতির মতোই দ্যুতি ছড়ানো তার ভবিষ্যৎ। তাই একাত্তরের মতোই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির অবিস্মরণীয় অগ্রযাত্রা আর স্বাধীনতাবিরোধী অশুভ শক্তিকে আগের মতো বারবার পরাজিত করার দৃঢ় শপথে নতুন বছরকে স্বাগত জানাচ্ছে দেশের মানুষ।
অনাদিকাল থেকে সৌরজগতের নিখুঁত নিয়মে প্রতিদিন সূর্যোদয় হয়। প্রতিদিনের মতো আজও সূর্য উঠেছে। শীতের কুয়াশা সরিয়ে উঁকি দিয়েছে উজ্জ্বল রোদ। কিন্তু অন্য যে কোনো দিনের চাইতে আজকের ভোরের আলো যেন বেশি মায়া মাখানো। যেন নতুন স্বপ্নের কথা বলছে। বলছে, সামনের দিনগুলোতে করোনা, বিশ্ব মোড়লদের লাগিয়ে রাখা প্রাণঘাতী যুদ্ধসহ সব অনিশ্চয়তা কেটে গিয়ে শুভময়তা ছড়িয়ে যাবে দেশে, পৃথিবীময়। এমন আশাজাগানিয়া সূর্যকিরণ যেন সে দ্যুতিই ছড়িয়ে দিচ্ছে প্রত্যেকের প্রাণে, মনে।
তবে সদ্য বিদায় নেওয়া বছরকেও ভুলতে পারবে না বিশ্বের মানুষ। এই বছরটিও কেটেছে আতঙ্ক, উদ্বেগ আর অনিশ্চয়তায়। সংক্রমণ সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হলেও বিদায়ী বছরেও এই ঘাতক মহামারি কেড়ে নিয়েছে অসংখ্য মানুষের প্রাণ। সরকার দুইহাত উজার করে শুধু দেশের মানুষকে বাঁচাতে বিদেশ থেকে করোনার ভ্যাকসিন এনে বিনামূল্যে তিন ডোজ দিয়েছে মানবদেহে।
করোনার ধাক্কা সফলভাবে মোকাবিলা করার পর আবারও এসেছে নতুন ধাক্কা। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। সারাবিশ্বই এ নিয়ে এখন নাজুক অবস্থানে। তাই নতুন বছরে বিশ্বের সব মানুষের এখন একটাই আশা- পৃথিবী থেকে দূর হোক প্রাণঘাতী কোভিড-১৯। বন্ধ হোক যুদ্ধ, পৃথিবীতে ছড়িয়ে যাক শান্তির সুবাতাস। তাই ২০২২ কে বিদায় জানাতে ভারাক্রান্ত হয়নি কোনো মানুষের মন। বিশ্বের মানুষ নতুন বছর ২০২৩ কে স্বাগত জানিয়েছে নতুন আশায় বুক বেঁধে।
তমসা কেটে পূর্ব দিগন্তে আবহমান সূর্য আবার শুরু করল নতুন যাত্রা। ‘সময় আর স্রোত কারও জন্য অপেক্ষা করে না’- এই সত্যকে বিমূর্ত করে নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয়। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস থেকে মুক্তির স্বপ্ন আর যুদ্ধের দামামা বন্ধ করে দিন বদলের অপরিমেয় প্রত্যাশার আলোয় উদ্ভাসিত শুভ নববর্ষ। মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেল আরেকটি বছর ২০২২। শুরু হলো নতুন বছর ২০২৩। সুপ্রভাত বাংলাদেশ; স্বাগত ২০২৩। হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২৩। অভিবাদন নতুন সৌরবর্ষকে।
সেই একই সূর্য, একইভাবে উঠছে পূর্বাকাশ আলো করে। তবু তার উদয় ভিন্নতর। আজকের দিনটিও আলাদা, কারণ একটি নতুন বর্ষপরিক্রমা শুরু হলো আজ রবিবার থেকে। সোনালি স্বপ্নের হাতছানি নিয়ে উদিত হলো নতুন বছরের নতুন সূর্য। ভরা পৌষে কুয়াশার হিমেল চাদর ছিন্ন করে উদ্ভাসিত হলো সোনালি আলোর সকাল। কালপরিক্রমায় দ্বারোদ্ঘাটন হলো প্রকৃতির নতুন নিয়মে নতুন বৎসর ২০২৩ এর।
গ্রেগরিয়ান পঞ্জিকা অনুযায়ী ইংরেজি নববর্ষের প্রথম দিন আজ। আজ ২০২৩ সালের প্রথম দিন। আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহ দহন লাগে/তবু শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে।’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের এ কথার মতোই দুঃখ, কষ্ট, করোনার ভয়-ভীতি, যুদ্ধের দামামা সবকিছু কাটিয়ে নতুন জীবনের দিকে যাত্রার প্রেরণা নেবে মানুষ। নতুন বছরটি যেন পৃথিবী মহামারিমুক্ত হয়, যুদ্ধের বদলে নেমে আসুক শান্তি, প্রতিটি মানুষের মন থেকে সকল গ্লানি, অনিশ্চয়তা, হিংসা, লোভ ও পাপ দূর করে। আমাদের সাম্প্রদায়িকতামুক্ত প্রিয় স্বদেশ আরও সমৃদ্ধির দিকে যেন এগিয়ে যেতে পারে।
বাংলাদেশে ইংরেজি নববর্ষ পালনের ধরন বাংলা নববর্ষ পালনের মত ব্যাপক না হলেও এ উৎসবের আন্তর্জাতিকতার ছোঁয়া থেকে বাংলাদেশের মানুষও বিচ্ছিন্ন নয়। বিশ্বের বয়স আরও এক বছর বাড়ল। এক বছরের ‘আনন্দ-বেদনা, আশা-নৈরাশ্য আর সাফল্য-ব্যর্থতার পটভূমির ওপর আমাদের ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের এই প্রিয় বাংলাদেশ নতুন বছরে পর্বতদৃঢ় একতায় সর্ব মহামারি-বিপর্যয়-দুঃসময়কে জয় করবে অজেয়-অমিত শক্তি নিয়ে’- এ সংকল্পের সোনালি দিন আজ। আলোড়ন আর তোলপাড় করা ঘটনাবহুল ২০২২-এর অনেক ঘটনার রেশ নিয়েই মানুষ এগিয়ে যাবে। ভাগ্যাকাশে আনন্দ-বেদনা প্রত্যাশা আর দুর্যোগের ঘনঘটা নিয়েই বাঙালির বছর ফুরোল। সূচনা হলো আরো একটি বর্ষযাত্রা।
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলকে মহাসঙ্কটে ঠেলে দিয়ে মহাকালের অতলগর্ভে শনিবার সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে চলে গেছে বিদায়ী বছর ২০২২। আবহমান সূর্য একটি পুরনো বছরকে কালস্রোতের ঊর্মিমালায় বিলীন করে আবার শুরু করল যাত্রা। স্বপ্ন আর দিনবদলের অপরিমেয় প্রত্যাশার রক্তিম আলোয় উদ্ভাসিত ইংরেজি নতুন বছর শুরু হলো। লাখো প্রত্যাশার ঝাঁপি খুলে এবং সরকারের কাছে মানুষের অনেক প্রত্যাশায় আজ ভোরে কুয়াশায় ঢাকা পূর্বাকাশে উদয় হয়েছে নতুন বছরের লালসূর্য।
আজ নতুন দিনের নতুন সূর্যালোকে স্নান করে সিক্ত হবে জাতি-বর্ণ-নির্বিশেষে সব শ্রেণি পেশার মানুষ। সব কালিমা ধুয়ে-মুছে নতুন কেতন ওড়াতে ওড়াতে এগিয়ে যাবে সময়, সভ্যতা, হিংসা-বিদ্বেষ-হানাহানিমুক্ত রাজনীতি, অর্থনীতি আর সংস্কৃতি। অনাবিল স্বপ্ন আর করোনামুক্ত পূর্বের মতো সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন আর অফুরন্ত প্রাণোন্মাদনা নিয়ে নতুন সূর্যের আলোয় অগ্রসর হবে মানুষ। বিগত সময়ের সব ভুল শুধরে নেবার সময় এসেছে আজ।
জাতির অনেক আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ হবার বছর এটি। বাংলাদেশের মানুষও নতুন প্রত্যাশায় বুক বেঁধে নতুন বছরটি শুরু করেছে। তাই নতুন বছরকে স্বাগতম করোনা-যুদ্ধমুক্ত সুখ-সমৃদ্ধি, উন্নয়ন-অগ্রগতি আর জঙ্গি-সন্ত্রাস-সাম্প্রদায়িকতামুক্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায়। খ্রিস্টীয় নববর্ষের প্রথম দিন আজ। প্রাচীণ সূর্য শনিবার যে দিবসকে কালস্রোতে বিলীন করে পশ্চিমে অস্ত গেল, তা আজ ফেলে আসা দিন।
প্রতিবছর থার্টি ফাস্টে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ পরমানন্দে নতুন বছরকে বরণ করে নেয়। করোনা সংক্রমণ কমে আসায় বিশ্বের মানুষ অন্যরকম আনন্দে মেতে উঠেন নতুন বছরে মাহেন্দক্ষণে। বিশ্বের মানুষ নানা আয়োজনে নতুন বছর ২০২২- কে বরণ করেছে নতুন নতুন স্বপ্ন নিয়ে। করোনার কারণে গত দু’বছর ঘরে বন্দি থাকলেও এবার উন্নত বিশ্বও নানা ব্যাপকতা নিয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নিয়েছে। শনিবার দিবাগত রাত ১২টার পরই সারাবিশ্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়েছে নানা আনুষ্ঠানিকতায়।
হিসাবের খাতায় ব্যর্থতার গ্লানি মুছে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে নতুন বছরে শান্তিকামী মানুষের প্রার্থনা ছিল- করোনামুক্ত সুন্দর পৃথিবীর। আর কোনো সহিংসতা নয়, কোন হত্যা-খুন কিংবা হানাহানির রাজনীতি নয়, ২০২৩ হবে শান্তির বীজ বপনের সাল। যুদ্ধ, অস্ত্র বা হানাহানির মহড়া হবে না, থেমে যাবে সব যুদ্ধ-সন্ত্রাস। সবার প্রত্যাশা অনুযায়ী টানা হ্যাট্টিকবার ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সরকার নতুন বছরেও উন্নয়ন-অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রেখে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত একটি সুখী ও সমৃদ্ধিশালী উন্নত বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ উপহার দেবে জাতিকে। ইংরেজি নববর্ষের শুভলগ্নে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গোধূলিবেলায় রক্তিম সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্য দিয়ে হারিয়ে গেছে ঘটনাবহুল ২০২২ সালটি। উদিত হয়েছে নতুন বছরের নতুন সূর্য। প্রত্যাশা কেবল মানুষের উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ, শান্তি, স্বস্তি, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র বিনির্মাণ, শক্তহাতে জঙ্গি-সন্ত্রাসী দমন এবং সৌহার্দ-সম্প্রীতির দেশ গড়ার। চতুর্থবারের মতো ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তির সরকারের কাছে এ প্রত্যাশা রেখেই আজ রবিবার থেকে যাত্রা শুরু হলো নতুন বছরের। স্বাগত ২০২৩, বিদায় ২০২২।