Home আঞ্চলিক সাবেক পুলিশ পরিদর্শক হাসেম এর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সাবেক পুলিশ পরিদর্শক হাসেম এর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

7

৬৭ লাখ টাকা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন

স্টাফ রিপোর্টার ।।

অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ পরিদর্শক মো. আবুল হাশেম খান (৬৪) এর বিরুদ্ধে ৩৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৯৯ টাকার সম্পদ থাকার তথ্য গোপন, মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রদান এবং ৩২ লাখ ৮৫ হাজার ৪৭৮ টাকা মুল্যেমানের জ্ঞাত আয়ের সাথে অসংগতিপুর্ণ সম্পদ দখলে রাখার অপরাধে মামলা দায়ের হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুর্ণীতি দমন কমিশন, সমন্বতি জেলা কার্যালয় যশোর এর সহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন যার নং-১৪/২২। সবশেষ পুলিশ পরিদর্শক আবুল হাশেম ঝিনাইদহে ওসি ডিবি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সে যশোর জেলা সদরের কচুয়া এলাকার মৃত. মানিক খানের ছেলে। এছাড়া যশোর জেলা সদরের পুর্ব বারান্দি পাড়া, খুলনার নিরালা আবাসিক এলাকায় তামান্না টাওয়ার এবং ঢাকার খিঁলগাও এলাকায় বাড়ি রয়েছে।

মামলা সুত্রে জানা যায়, মো. আবুল হাশেম খান ১০৭৭ সালে কনস্টবল হিসেবে পুলিশে যোগদান করেন। ১৯৮৩ সালে সাব ইন্সপেক্টর ও ১৯৯৭ সালে পরিদর্শক হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে চাকরী করে ২০১৮ সালে অবসার গ্রহণ করেন। তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম চম্পা একজন গৃহিনী। তার দু’ছেলে মেহেদী হাসান ও মারুফ হামান এবং এক মেয়ে তামান্না খান তন্বী। পরিদর্শক হাশেম খান ২০২০ সালের সম্পদ বিবরণীতে উল্লেখ করেন স্থাবর-অস্থাবর সম্পাদের মুল্যে ১ লাখ ৩৩ হাজার টাকা। যাচাইকালে দেখা যায় কচুয়ায় ৫.৪০ একর জমি, তার স্ত্রীর নামে বারান্দি পাড়ায় ২৭ শতক জমির উপর ৪তলা বিল্ডিং এবং মনিরামপুরে ২৮.১২ শতক জমির উপর একতলা বিল্ডিংসহ সেমিপাকা ৩টি বিল্ডিং নির্মাণ করার তথ্য তিনি দুদকে গোপন করেছেন। এঘটনায় যশোর সিনিয়র ষ্পেশাল জজ আদালতে দুর্ণীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) তৎসহ মানি লন্ডারিং আইন ২০১২ এর ৪(৩) ধারায় দুর্ণীতি দমন কমিশন, সমন্বতি জেলা কার্যালয় যশোর এর সহকারী পরিচালক মোহা. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন।