Home আঞ্চলিক বাগেরহাটে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে আহত ২০

বাগেরহাটে নির্বাচন পরবর্তী সংঘর্ষে আহত ২০

15

বাগেরহাট প্রতিনিধি ।।

বাগেরহাট সদর উপজেলার বিষ্ণপুর ইউনিয়নের শেখরা গ্রামে নির্বাচন পরবর্তী দুই গ্রুপের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষ্ণপুর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বিজয়ী সদস্য প্রার্থী আনিস শেখ এবং পরাজিত প্রার্থী আব্দুল লতিফের সমর্থকদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে আহতদের উদ্ধার করে বাগেরহাট সদর হাসপাতাল ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ কারও বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেনি।

আহতদের মধ্যে উভয় পক্ষের ১৬ জনের নাম পাওয়া গেছে। এরা হলেন, শেখরা গ্রামের রুবেল মল্লিক, সোহেল শেখ, শওকত শেখ, রাসেল শেখ, রবিউল শেখ, সাইফুল শেখ, মাহতাব মল্লিক, সজিব মোল্লা, কামরুল ফকির, মল্লিক ইমামুল কবির, সোহেল মল্লিক, জাহাঙ্গীর মল্লিক, বাবুল ফকির, তৈয়ব আলী মল্লিক, আলম মল্লিক, মহিউদ্দিন শেখ। আহতদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বাবুল ফকির খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। তবে সংঘর্ষের সময়, দুই প্রার্থীর কেউই উপস্থিত ছিলেন না।

বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কেএম আজিজুর ইসলাম বলেন,  জুমআর নামাজের আগ মুহুর্তে শেখরা জামে মসজিদের সামনে উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে উভয় পক্ষের বেশকয়েকজন আহত হয়েছেন। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক রয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

২০ সেপ্টম্বর অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের পরে ৯ উপজেলায় অন্তত দুইশ জন আহত হওয়ার খবর রয়েছে।

বাগেরহাটে ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যা মামলায় ফাসানোর চেষ্টার অভিযোগ

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার চুনখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্সি তানজিল হোসেনকে হত্যা মামলায় ফাসানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এমন ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ওই চেয়ারম্যান।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আগে ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে চুনখোলা ইউনিয়নের শাসন গ্রামে মনির শেখ নামের এক ব্যক্তি খুন হয়। পরবর্তীতে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন মনিরের ভাই কবির শেখ। ওই মামলায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করা হলেও, সন্দেহভাজন হিসেবে ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চুনখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্সি তানজিল হোসেনের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে।

চুনখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুন্সি তানজিল হোসেন বলেন, কে বা কারা মনিরকে হত্যা করেছে তার কিছুই আমি জানি না। অথচ আমাকে প্রধান সন্দেহভাজন করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এমন কর্মকান্ডে আমি অবাক হয়েছি। আমার জনপ্রিয়তায় ক্ষিপ্ত হয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা এই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। আমি মনির শেখের হত্যাকারীদের সনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই। তবে কোন নিরপরাধ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য পুলিশের উর্দ্ধোতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মোল্লাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোমেন দাশ বলেন, মনির হোসেন হত্যাকান্ডের ঘটনায় মূল আসামীদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। পুলিশের তদন্তে বেড়িয়ে আসবে কারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত। কোন নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করা হবে না।