ঢাকা অফিস।।
বর্তমান সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি। সিরিজ বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
এ ছাড়া সংসদ ভেঙে দিয়ে নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী সংসদ নির্বাচন করাসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে নামতে যাচ্ছে বিএনপি। এ জন্য তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সিরিজ বৈঠক করে হঠাৎ আলোচনার কেন্দ্রে বিএনপি। দুর্নীতির মামলায় দলীয় নেত্রী বেগম জিয়ার কারাদণ্ডের সাড়ে তিন বছর পর দুই দফায় ছয় দিনের ধারাবাহিক বৈঠক করে রাজনীতির নতুন কৌশল নিতে যাচ্ছে তারা।
ক্ষমতা ছাড়ার ১৫ বছরে তিনটি জাতীয় নির্বাচন গেলেও সরকার গঠন তো দূরের কথা, দলটি হারিয়েছে সংসদে বিরোধী দলের আসনও। তাই এবার আগেভাগেই আন্দোলনের মাঠে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। ধারাবাহিক বৈঠকে কর্মীদের মতামত নেওয়ার পর পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে দলটি।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, শুধু আমাদের নেত্রীর মুক্তি না। হাজার হাজার নেতাকর্মীকেও মুক্তি দিতে হবে। আমাদের ভোটের অধিকার, মতপ্রকাশের অধিকার সবকিছুই জনগণের অধিকার হিসেবে ফিরিয়ে দিতে হবে। তাদের নিয়েই দাবি আদায় করতে হবে। আদায় করতে হলেই আন্দোলন লাগবে।
দলের নেতারা বলছেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের বিকল্প কোনো পথ খোলা নেই।
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেন, আন্দোলন ছাড়া তো আর কোনো পথ খোলা নেই। এই সরকার বা দলীয় সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচন হতে পারে না। এই সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। সেটা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের রাজপথে নামতেই হবে।
আন্দোলনের ক্ষণ নির্ধারণ নিয়ে সিদ্ধান্ত আসছে জানিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা বলছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে আর কোনো নির্বাচনে যাবে না বিএনপি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, এই সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাওয়া মানেই অনর্থক। আমরা তো একবার নির্বাচনে গিয়েছি। এমন নির্বাচনে জনগণও আসবে না। আমাদেরও অংশ নেওয়ার কোনো মানে হয় না। সরকার পতনের জন্যই আন্দোলন করতে হবে।
৬ দিনের ধারাবাহিক বৈঠক শেষের পর শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) স্থায়ী কমিটিতে চূড়ান্ত করা হবে আন্দোলনের কর্মসূচি বলে জানান দলের শীর্ষ নেতারা।











































