বাগেররহাট প্রতিনিধি।।
আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি,আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চায় খুনিরা। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। মেয়ের হত্যার বিচার চেয়ে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন,কলেজ পড়–য়া মেধাবী ছাত্রী ইতি’র (২৪) মা আম্বিয়া খাতুন।
বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বহরবুনিয়া গ্রামের হেমায়েত হাওলাদারের মেয়ে সরকারী পি সি কলেজের মেধাবী ছাত্রী রাবেয়া আক্তার ইতি।
বাগেরহাট প্রেসক্লাবে গত ৫ আগস্ট মেয়ে হত্যার বিচার চেয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আম্বিয়া খাতুন বলেন,আমার ছোট মেয়ে রাবেয়া আক্তার ইতি বাগেরহাট সরকারী পিসি কলেজে গড়াশুনা করতো। পড়াশুনা করার জন্য বাগেরহাট নতুন জেলখানা রোড়ে বাসা ভাড়া করে থাকতো। ইতির সাথে শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর গ্রামের হালম চৌকিদারের মেয়ে কেয়া আক্তার মনি নামে আরো একটি মেয়ে একই বাসায় থাকতো।
গত ৩০ জুলাই সকাল আনুমাসিক ৬টার সময় ফেনী অবস্থানরত আমার বড় ছেলে মহিউদ্দিন এর কাছে ইতির রুমমেট কেয়া ফোন করে জানায়,রাত ৯.৩০মিনিটের সময় আপনার বোন আত্মহত্যা করেছে। ঘটনা ঘটেছে ২৯ জুলাই রাতে কিন্তু রুমমেট কেয়া মনি সে রাত থেকে পরের দিন সকাল ৭টা পর্যন্ত আমাকে বা আমার কোন আত্মীস্বজনদের কোন কিছু জানায়নি কেয়া মনি। ২৯ জুলাই রাতেই ইতিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিজের মতো করে নিয়ে ভর্তি করে কেয়া মনি। ইতির মৃত্যু হওয়ার পর কেয়া মনি আমার বড় ছেলেকে ফোন করে জানায়,ইতি আত্মহত্যা করেছে। এমন কি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ইতির অভিভাবক খুজলে কেয়া মনি বলে ইতির কেউ নাই। কেয়াই ইতিকে লালন পালন করেন।
ইত’র মৃত্যুর সংবাদ শুনে হাসপাতালে আমার আত্মীয়স্বজন ছুটে গেলে,হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তার প্রশ্ন করে লাশের নাকি কেউ নাই? তাহলে এরা কারা ? আমার বড় মেয়ে লাভলী ইতি’র লাশ সনাক্ত করে এবং লাশের পোষ্ঠমর্টেম শেষে ইতি’র লাশ বাড়ী নিয়ে আসে।
ইতি’র রুমমেট কেয়া মনি’র কছে জানতে চাইলে,সে বলে ঘটনার সময় ওষুধ কিনতে বাজোরে যাই,বাজার থেকে এসে দেখি ইতি ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে। সময় উল্লেখ কওে রাত নয়টা কিন্তু ইতি ও কেয়ার বাসায় বাজার করে দেয়া রিক্সা চালক কোরবান আলী জানান,কেয়াকে বাজার থেকে সে তার রিক্সায় করে নিয়ে আসে রাত সাড়ে নয়টা প্রায়। তখন ইতি খাটের উপর শুয়ে আছে এবং কেয়াকে গড়ম পানিও করে দেয় ইতি।
মেয়ের হত্যার বিচার চেয়ে বিভিন্ন জায়গায় ধর্না দিলেও কোন বিচার পাইনি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার মেয়ে ইতি’র হত্যার বিচার চাই।
এ ব্যাপারে কেয়া মনি’র কাছে জানতে চাইলে মুঠোফোনে বলেন, আমি সম্পুর্ন নির্দোষ। আমি কোন ভাবে দোষী না।











































