খুলনায় শয্যা খালি, তবু ভর্তি হতে পারছেন না রোগীরা
স্টাফ রিপোর্টার
খুলনার চার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রোগীদের সেবায় শয্যা রয়েছে ৪৩৫টি। এর মধ্যে ৩৯৬ টিতে রোগী ভর্তি রয়েছেন। জেলায় করোনাভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যেও চার হাসপাতালে ৩৯টি তথা ৯ শতাংশ শয্যা খালি আছে। এরপরও রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হতে না পেরে শয্যার জন্য হাহাকার করছেন।
রোগীর স্বজনদের অভিযোগ, এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরেও রোগী ভর্তি করতে পারছেন না তারা। নানা অজুহাতে তাদের হাসপাতাল থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বর্তমানে যে পরিমাণ রোগী ভর্তি হতে আসছেন, শয্যা দ্বিগুণ বাড়ালেও সামাল দেওয়া সম্ভব না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার হাসপাতালের ৪৩৫টি শয্যার মধ্যে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে রয়েছে ২০০টি, শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে ৪৫টি, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ৭০টি ও বেসরকারি গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ১২০টি শয্যা রয়েছে।
খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, রবিবার (০৪ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত এখানে ১৯৭ জন ভর্তি আছেন। এর মধ্যে রেড জোনে ১০২, ইয়োলোতে ৫৫, আইসিইউতে ২০ ও এইচডিইউতে ২০ জন রয়েছেন। নতুন ভর্তি হয়েছেন ৪০ জন ও ছাড়পত্র নিয়েছেন ৫৫ জন। রবিবার মারা গেছেন সাত জন।
গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. গাজী মিজানুর রহমান বলেন, রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এখানে ১১৫ জন করোনা রোগী ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৩ ও ছাড়পত্র নিয়েছেন ২২ জন। আইসিইউতে আট ও এইচডিইউতে ১০ জন রয়েছেন। আজ মারা গেছেন ছয় জন করোনা রোগী।
খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে নতুন ভর্তি হয়েছেন ১৫ জন। পুরুষ সাত ও নারী আট জন। ছাড়পত্র নিয়েছেন ১৮ জন। মারা গেছেন দুই জন। বর্তমানে মোট রোগী ভর্তি আছেন ৬৫ জন। পুরুষ ৩৩ ও নারী ৩২ জন।
শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ চন্দ্র দেবনাথ জানান, চালু পর ৪ জুলাই সকাল ৮টা পর্যন্ত এখানে ২৪ জন করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি আছেন। আইসিইউতে রয়েছেন ছয় জন।
কর্তৃপক্ষ বলছে, যে পরিমাণ রোগী এই মুহূর্তে ভর্তির জন্য আসছেন, এতে বেড দ্বিগুণ করা হলেও সামাল দেওয়া কঠিন। গত বছর এই সময়ে দৈনিক ১০-১৫ জন আক্রান্ত রোগী এলেও এবার সেই সংখ্যাটা ৫০-৭০ জনে পৌঁছেছে।
আবু নাসের হাসপাতালের ফটকে অপেক্ষায় থাকা রোগীর স্বজন কামাল পারভেজ বলেন, আমার বাবা আলতাফ হোসেনের করোনা উপসর্গ রয়েছে। বাগেরহাট বৈটপুর এলাকা থেকে এসেছি। প্রথমে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলাম, সেখানে শয্যা খালি নেই। যে কারণে এখানে এসে দীর্ঘ সময় ধরে আমরা অপেক্ষা করছি। এখন শুনছি, যেসব রোগী করোনা পজিটিভ শুধুমাত্র তাদের ভর্তি করা হবে। আমার বাবার শ্বাসকষ্ট বেড়েই চলছে। তার জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন প্রয়োজন।
এছাড়া করোনা ইউনিটে ভর্তির অপেক্ষায় থাকা রোগীর স্বজন আসমা বেগম বলেন, আমরা অপেক্ষায় থাকার পর ভেতর থেকে দায়িত্বরত নার্স বলছেন, আমার স্বামীর অক্সিজেনের কোনও সমস্যা নেই। তিনি ইয়েলো জোনের রোগী, এখানে ভর্তি করা যাবে না। অথচ তার শরীর ও হার্টের সমস্যা রয়েছে। এরপরও অপেক্ষায় রয়েছি ভর্তির জন্য।
খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. রাশেদা সুলতানা বলেন, সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে আবু নাসের হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে। তাছাড়া পরিস্থিতি বুঝে প্রয়োজনে আমরা শয্যা বাড়াবো।
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন, ১৫ বেডের একটি ইউনিটে কোভিড রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। যে হারে কোভিড রোগীর সংখ্যা বাড়ছে; এতে বর্তমান ৫০ শয্যার হাসপাতালটি শুধুমাত্র কোভিড রোগীদের জন্য ব্যবহার করা যায় কি-না বিষয়টি চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।
পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী জানান, প্রাথমিকভাবে ১৫ বেডের অক্সিজেন ব্যাংক ও হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা স্থাপন করা হয়। কিন্তু সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় ১৫ বেডে এখন হচ্ছে না। অক্সিজেনের মজুত ও শয্যা বাড়ানোর বিষয়টি কীভাবে সমন্বয় করা যায় সে বিষয়ে স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
খুলনা বিভাগের হাসপাতালগুলোতে করোনা শয্যার মধ্যে খুলনার ৪৩৫ শয্যায় ৩৯৬, বাগেরহাটের ২০ শয্যায় ২৭, চুয়াডাঙ্গার ১৫০ শয্যায় ৭৫, যশোরের ১১১ শয্যায় ১২১, ঝিনাইদহের ৫০ শয্যায় ৬১, কুষ্টিয়ার ৭০ শয্যায় ২৫৯, মাগুরার ৫০ শয্যায় ৪১, মেহেরপুরের ৫২ শয্যায় ৬১, নড়াইলের ১২০ শয্যায় ৩৬ এবং সাতক্ষীরার ১৮৪ শয্যায় ২১ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। রবিবার খুলনা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে রেকর্ড ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে এক হাজার ৩০৪ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।
ঝিনাইদহে বিএনপির ফ্রি অক্সিজেন সেবা কর্মসূচীর উদ্বোধন
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
‘ভীড়ে নয়,নীড়ে থাকুন, বাসার বাইরে গেলে মাস্ক পরুন’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ঝিনাইদহে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য ফ্রি অক্সিজেন সেবা কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার সকালে শহরের এইচ এস এস সড়কের জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ কর্মসূচীর আয়োজন করে দলটির জেলা শাখা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এ্যাড. এস এম মশিয়ুর রহমান, সদস্য সচিব এ্যাড. এম এ মজিদ, যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মালেক, আক্তারুজ্জামান, জাহিদুজ্জামান মনা, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান শেখর, থানা বিএনপির আহবায়ক মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, থানা বিএনপির সদস্য সচিব আলমগীর হোসেনসহ অন্যান্যরা। আয়োজকরা জানান, ১৫ টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। একটি মেডিকেল টিম এই অক্সিজেন সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করবে। করোনায় আক্রান্ত মুমুর্ষ রোগীরা মোবাইলে যোগাযোগ করলে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে সিলিন্ডার। এছাড়াও ফুরিয়ে গেলে আবার নতুন করে দেওয়া হবে। মোবাইল নম্বর-০১৯১১-১৩৩৫০৯, ০১৭৭৬-২৫৩০৪৮, ০১৭১১-৩৫২৯৮৩, ০১৯২৮-৭০৪৯৪৭। এই মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে সিলিন্ডার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে বলেও জানান তারা।
পাইকগাছায় “আক্তারুজ্জামান বাবু অক্সিজেন ব্যাংক”-এর উদ্বোধন
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় “আক্তারুজ্জামান বাবু অক্সিজেন ব্যাংক”-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় জুম মিটিং-এ ভিডিও কলের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বাবু। উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আ’লীগ সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, সহকারী কমিশনার (ভুমি) শাহরিয়ার হক, পাইকগাছা পৌরসভার মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার। বক্তৃতা করেন, ওসি (অপারেশন) স্বপন কুমার রায়, প্রভাষক ময়নুল ইসলাম, যুবনেতা এমএম আজিজুল হাকিম, ছাত্রনেতা রায়হান পারভেজ রনি। অনুষ্ঠানে ১৬টি অক্সিজেন সিলেন্ডার করোনা রোগীসহ মুমুর্ষ রোগীদের জন্য প্রদান করেন সংসদ সদস্য।
পাইকগাছায় গাঁজাসহ আটক যুববকে ভ্রাম্যমান আদালতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় গাজাসহ আটক আবির হোসেন (২৮) নামে এক যুবককে ভ্রাম্যমান আদালতে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার রাতে তাকে গজালিয়া রাস্তার উপর থেকে গোপন সংবাদে পুলিশ আটক করে। সে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গজালিয়া গ্রামের মোঃ হাবিবুর রহমানের ছেলে। উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী ভ্রাম্যমাণ আদালতে ঐ রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, এস.আই নিরুপম নন্দী, এএসআই মোঃ নাজমুল ইসলাম, উপজেলা আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক মোঃ আলতাফ হোসেন মুকুল ও পেশকার দিপঙ্কর প্রসাদ মল্লিক।
পাইকগাছায় কিংফিসার পরিবহনে ডাকাতির ঘটনায় ১১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল : পলাতক ১ : লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার
পাইকগাছা প্রতিনিধি
পাইকগাছায় কিংফিসার পরিবহনে ডাকাতির ঘটনায় ১১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল। পলাতক ১। লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার। উল্লেখ্য, গত ১৪ ডিসেম্বর উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নে কার্তিকের মোড়ে রাত ২ টার দিকে রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে পাইকগাছার উদেশ্যে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা কিংফিসার পরিবহন, ট্রাক, একটি ইজিবাইক ডাকাতি হয়। ডাকাতরা যাত্রিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নগদ টাকা সহ মোবাইল লুটে নেয়। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর থানায় অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে ট্রাক ড্রাইভার বাদী হয়ে ডাকাতি মামলা করে। যার নং- ১১। মামলার তদন্তকরী কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক তাকবির হোসেন জানান, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ডাকাতির অভিযোগে ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে এবং ১জন পলাতক রয়েছে। অধিক তদন্ত করে ১৫ জনের মধ্যেহতে ৪ জনকে ফাইনাল দেয়া হয়েছে। এ মামলার লুন্ঠিত ২ টি মোবাইল গোপালপুরের সামছুর গাজির ছেলে মিজানুর রহমান ও চাঁদখালী ইউনিয়নের ফতেপুরের আব্দুল খলিল গাজীর ছেলে তাকবির হোসেনের নিকট থেকে উদ্ধার করা হয়। ডাকাতির সময় ফেলে যাওয়া জুতার আঙ্গুলের ছাপ আইটি ফরেনসিক ও সিআইডি ফরেনসিক দ্বারা প্রমানিত হয়েছে। অভিযুক্তরা হলো, তালা থানার চাঁদকাটির শওকত মোল্ল্যার ছেলে আশরাফুল মোল্ল্যা (৩৬), উপজেলার রাড়ুলীর মকবুল গাজীর ছেলে বাপ্পি (২১), ফতেপুরের খলিল গাজীর ছেলে তাকবীর (২৩), গোপালপুরের আকছেদ গাজীর ছেলে মেহেদী হাসান (১৯), রাড়ুলীর হাকিম গাজীর ছেলে ইমরান গাজী (২১), গদাইপুরের মৃত্ তাছের মোড়লের ছেলে আলামীন (৩৫), গোপালপুরের মৃত সামছুর গাজীর ছেলে মিজান গাজী (৪৮), ডুমুরিয়া থানার চাকুন্দিয়ার শওকত গাজীর ছেলে শাহিনুর (৩৭), মৌখালী কামরুল সরদারের ছেলে জীবন সরদার (২৮), পলাতক তানভীর হোসেন শাওন। গদাইপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমান জানান, আমার ইউনিয়নের সীমান্তে পরিবহন ডাকাতি বিষয় থানার ওসির সাথে দফায় দফায় বসেছি। যাতে ডাকাতরা ধরা পড়ে সে ব্যাপারে সহযোগিতা করেছি। আমার ইউনিয়নে ১ বছরের মধ্য কয়েটি ডাকাতি হয়ে গেল। পরিবহন ডাকাতির মামলায় আসামীরা ধরা পড়ার পর আর ডাকাতি হচ্ছে না। এটি একটি বড় চক্র ছিলো। তারা ধরা পড়ায় ইউনিয়নের মানুষ খুশি। পাশাপাশি আতঙ্ক কেটে গেছে। মামলার বাদী আছাফুর রহমান জানান, এ মামলায় আমি ওসি সহ মামলার তদন্তকরী কমর্র্কতাকে ধন্যবাদ জানায়। এত অল্প দিনের মধ্যে ১১ জন চার্জসিট ভুক্ত আসামীর মধ্য ১০ জনকে আটক করতে পারার জন্য আমি ভীষন খুশি হয়েছি। পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজ শফী জানান, খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মামুদ হাসান ও সহকরী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবিরের দিক নির্দেশনায় এ ডাকাতি মামলার ক্লু উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি এবং এ পরিবহ ডাকতি মামলার সাথে জড়িতরা আন্ত: জেলা ডাকাত দলের সদস্য। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, চুরি সহ একাধিক মামলা রয়েছে।
সুন্দরবনে হরিণ শিকারের ফাঁদ ও কীটনাশকসহ চোরা শিকারী আটক
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
পূর্ব সুন্দরবন থেকে হরিণ শিকারের ফাঁদ ও কীটনাশকসহ এক চোরা শিকারীকে আটক করেছে বনবিভাগ। সোমবার ভোরে বনের বুড়বুড়িয়া এলাকা হতে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আটককৃতকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের (মোংলা) ষ্টেশন কর্মকর্তা মো: ওবায়দুল রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে বনের বুড়বুড়িয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরা শিকারী মো: সাজ্জাদ ব্যাপারীকে (২৮) হাতেনাতে আটক করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে জব্দ করা হয়েছে হরিণ শিকারের ৫শ গজ ফাঁদের রশি/দড়ি, ৩ বোতল কীটনাশক ও ১০ কেজি বিষ মিশ্রিত বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ। বন কর্মকর্তা ওবায়দুল বলেন, বনের ভিতরে হরিণ শিকারের জন্য ফাঁদ পেতে রেখে সাজ্জাদ খালে বিষ (কীটনাশক) দিয়ে মাছ ধরছিল। সাজ্জাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের পর সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। তিনি আরো বলেন, সাজ্জাদ এর আগেও একাধিক বন মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী ছিলেন। সাজ্জাদ উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলা গ্রামের আফজাল ব্যাপারীর ছেলে। বন মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় সে দীর্ঘদিন পলাতক থেকে এবং প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বনের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে নানা ধরণের অপরাধমুলক কর্মকান্ড চালিয়ে আসছিলেন।
রিমান্ডে নারীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ: ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার
খুলনাঞ্চল রিপোর্ট
বরিশালের উজিরপুর উপজেলায় হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার এক নারীকে (৩০) রিমান্ডে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওঠায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশও দেয়া হয়েছে। এই দুজন হলেন উজিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল আহসান ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাইনুল ইসলাম। তাদের বরিশাল জেলা পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বরিশাল রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) এস এম আক্তারুজ্জামান।
তিনি বলেন, নারী আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। আর ওসি জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে রয়েছে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হবে। আজ সকালে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।
নারী আসামিকে রিমান্ডে নিয়ে যৌন নির্যাতন করার অভিযোগ তদন্তের জন্য গত শুক্রবার বরিশালের পুলিশ সুপারকে বলেছেন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ আদালতের বিচারক মাহফুজুর রহমান।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২৮ জুন ওই নারীকে একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করে উজিরপুর থানায় নিয়ে যাওয়ার পরপরই এক নারী পুলিশ সদস্য লাঠি দিয়ে তার ওপর নির্যাতন চালান। পরে উপস্থিত অন্য পুলিশ সদস্যরাও তাঁকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন। তাঁকে জেলহাজতে পাঠানো হয় এবং ২৯ জুন তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
আদালতে ওই নারী আসামি অভিযোগ করেন, ২৯ জুন রিমান্ডে নেওয়ার পর তাকে মারধর না করা হলেও পরের দিন সকালে তাকে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার কক্ষে পাঠানো হয়। সেখানে তার ওপর যৌন নিপীড়ন চালানো হয়। এরপর এক নারী পুলিশ সদস্যকে ডেকে নিয়ে তাকে আবার লাঠি দিয়ে পেটানো হয়। একপর্যায়ে তদন্ত কর্মকর্তা নিজেই তাকে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে পেটান। তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফেরার পর তিনি নিজেকে হাসপাতালের বিছানায় দেখতে পান।
আসামির ভাই বলেন, ‘আমার বোনকে থানায় রিমান্ডে নিয়ে শারীরিক এবং যৌন নির্যাতন করে তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. মাইনুল। এ ঘটনা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করার জন্য আমাদের হুমকি দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় একজন সাবেক এমপিকে দিয়ে আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে।’
রিমান্ড শেষে ২ জুলাই আদালতে তোলার পর তাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ আনা হয়। বিচারক তখন একজন নারী কনস্টেবল দিয়ে তার শারীরিক পরীক্ষা করলে নির্যাতনের প্রাথমিক সত্যতা পান। পরে বিচারক সেই নারীকে যথাযথ চিকিৎসা এবং তাকে নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন দিতে শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালককে নির্দেশ দেন। শুক্রবার রাত ১০টায় ওই আসামিকে হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসা ও পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে রাত ৩টায় কারাগারে নেয়া হয়।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক এইচ এম সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন নারী চিকিৎসক দিয়ে চিকিৎসা প্রদান এবং শারীরিক ও যৌন নির্যাতনের বিষয়ে যথাসময়ে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে।’ তবে প্রতিবেদনে কী উল্লেখ আছে, সে বিষয়ে কিছু বলেননি পরিচালক।
আসামির আইনজীবী মজিবর রহমান বলেন, ‘পুলিশ আদালত অবমাননা করেছে। আমি বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি এবং আগামী ৮ জুলাই আদালত চালু হলে এই বিষয়ে আদালতে অবহিত করবো।’
তিনি জানান, তার মক্কেলকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। কিন্তু আদালত ২ দিনের রিমান্ড দিয়ে সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয়।
যার বিরুদ্ধে এই অভিযোগ, সেই পুলিশ কর্মকর্তা মো. মাইনুল বলেছেন, ‘এটা পুরোপুরি মিথ্যা। মামলা থেকে আসামি বাঁচতে ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলেছেন।’ এক নারীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জেরে গত ২৫ জুন শুক্রবার গভীর রাতে বরিশালের উজিরপুরের জামবাড়ি এলাকায় বাসুদেব চক্রবর্তীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরের দিন তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। ২৬ জুন উজিরপুর উপজেলার জামবাড়ি গ্রামে একটি ডোবা থেকে বাসুদেবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাসুদেবের ভাই পরের দিন ওই ডোবাসংলগ্ন বাড়ির এক নারীকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় ২৮ জুন ওই নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ জুন তাঁকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে স্বপ্নের সোনার বাংলায় কেউ অভূক্ত থাকবে না: সালাম মূর্শেদী এমপি
খবর বিজ্ঞপ্তি
করোনা ভাইরাসে খুলনা বিভাগসহ সারা দেশে কঠোর লকডাউন চলছে। ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া দিনমজুর। এমন পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সারা দেশে সাত কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ২২ হাজার ৮৩০ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে সরকার।
সোমবার বেলা ১২ টায় দিঘলিয়া উপজেলায় খেয়াঘাটের ১৫০ জন কর্মহীন মাঝিদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়। দিঘলিয়া উপজেলা অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম মূর্শেদী।
এ সময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে স্বপ্নের সোনার বাংলায় কেউ অভূক্ত থাকবে না। ইতিপূর্বে কোন সরকার দেশের যে কোনো মহামারীতে অথবা দুর্যোগকালীন সময়ে এতো বেশি ত্রাণের ব্যবস্থা করেনি। যা আওয়ামী লীগ সকারের আমলে হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক এর শাখা ব্যবস্থাপক জয়ন্ত কুমার ঘোষ, উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার সমীর বিশ্বাস, দিঘলিয়া সদর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ আনসার আলী, প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সদরের এমপি প্রতিনিধি মোঃ হাবিবুর রহমান তারেক, এমপি প্রতিনিধি সৈয়দ জামিল মোরশেদ মাসুম, মোঃ ইয়াদুল ইসলাম, দিঘলিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য কে এম আসাদ, দিঘলিয়া সালাম মূর্শেদী সেবা সংঘের সভাপতি শেখ রিয়াজ হোসেন, দিঘলিয়া উপজেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান, উপজেলা যুবলীগের সহ-সম্পাদক সাইদুর রহমান, সদর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক সেখ সাহাবউদ্দিন, সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক পরাগ পারভেজ রুবেল, সেখ আক্তার হোসেন, শেখ মোস্তফা, তাইজুল ইসলাম, সাজ্জাদ হোসেন, তবিবুর রহমান, রেজওয়ান রাজিব প্রমূখ।
এ সময় ১৪৮ জন কর্মহীন মাঝিদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা হিসেবে চাল, ডাল, তেল, পিয়াজ ও আলু বিতরণ করা হয়।
অবশেষে মহারাজপুর শাকবাড়ীয়া খালে পাইপ বসিয়ে ৭ গ্রামের পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা
কয়রা প্রতিনিধি
উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের ৭ গ্রামের মানুষ অবশেষে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হতে চলেছে শাকবাড়ীয়া খালে পাইপ বসিয়ে দ্রুত পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা করেন মহারাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন লাভলু এবং স্থানীয় নেতাকর্মীর মাধ্যমে বিষয়টি জানার পর মাননীয় সংসদ সদস্য আলহাজ¦ মোঃ আকতারুজ্জামান বাবু আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে এ ধরনের ব্যবস্থা করেছেন। সোমবার সকাল ১১ টায় স্থানীয় চেয়ারম্যান ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে শাকবাড়ীয়া খালের বড় ব্রীজ নামক স্থানে বিশাল আকৃতির দুটি পাইপ বসানো হয়েছে। এসময় ৭ গ্রামের শত শত কৃষক ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে পাইপ বসানোর কাজে অংশ নিতে দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই ইউনিয়নের মহারাজপুর, মঠবাড়ী, কালনা, শ্রীরামপুর, অন্তাবুনিয়া, দেয়াড়া ও খড়িয়া গ্রামের মানুষ অতি বৃষ্টি হলেই পানিবন্দী হয়ে পড়ে। কারন ২০০৯ সালের ২৫ মে আইলা পরবর্তী শাকবাড়য়িা খালের বড় ব্রীজটি ধসে পড়ায় এলাকাবাসী নিজ নিজ এলাকা মুক্ত রাখতে সেখানে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে। ফলে দীর্ঘদিন উল্লেখিত গ্রামের মানুষ প্রতি বর্ষা মৌসুমে পানি বন্দী হওয়ায় ধান ও মাছের ব্যাপক ক্ষতি সাধন হয়। জানা গেছে, বিষয়টি স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ বিগত কয়েক বছর যাবত আন্দোলন করে আসলেও দ্রুত পানি নিস্কাশনের ব্যবস্থা হয়নি। কিন্তু এলাকাবাসীর দাবীর মুখে ইউপি চেয়ারম্যান মাননীয় সংসদ সদস্যের সাথে দ্রুত আলোচনা করে সোমবার এ কাজটি করেছেন। এবং ইউপি চেয়ারম্যান ও সাংসদ উক্ত কাজের জন্য আর্থিক বরাদ্ধ দিয়েছেন। এ সম্পার্কে ইউপি চেয়ারম্যান লাভলু জানায়, আইলা পরবর্তী বিকল্প পথে পানি নিস্কাশন হতে দীর্ঘ সময় লাগত। তিনি বলেন, শাকবাড়ীয়া খালের বিধ্বস্থ বড় ব্রীজে স্থানে অস্থায়ী বাধ আছে এবং ৪ টি ইউনিয়নের মানুষ ও প্রতিদিন কয়েক হাজার গাড়ী চলাচল করায় বাঁধ কাটা সম্ভব হয়নি এছাড়া উক্ত স্থানে আবারও বড় ব্রীজ নির্মানের জন্য টেন্ডার হলেও ঠিকাদার কাজ না করায় এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে সাংসদের নির্দেশে অবশেষে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পাইপ বসানো হলে কয়েকটি গ্রামের মানুষ দ্রুত পানি মুক্ত হবে।
মোংলায় সরকারী হাসপাতালে কনসেনট্রেটর দিলো শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
করোনা রোগীদের অক্সিজেন সেবা নিশ্চিতে শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক’র পক্ষ থেকে মোংলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দুইটি অক্সিজেন কনসেনট্রেটর দেয়া হয়েছে। এর আগে এই হাসপাতালে ১১টি অক্সিজেন সিলিন্ডার দেয় শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক। এছাড়া মোংলা ও রামপালসহ আশপাশ এলাকার করোনা রোগীদের ফ্রি অক্সিজেন সেবা দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।
শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ অক্সিজেন কনসেনট্রেটর তুলে দেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাসের হাতে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক মোঃ নূর আলম শেখ, একাত্তর টেলিভিশন’র মোংলা সংবাদদাতা মোঃ এনামুল হক, সংবাদকর্মী মোঃ সুজন ও শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবক ছাত্রলীগ নেতা সানি।
অক্সিজেন কনসেনট্রেটর প্রদাণকালে আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যেকোন প্রয়োজনে সেবা দিতে প্রস্তুত শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ জীবিতেষ বিশ্বাস বলেন, করোনা যোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম প্রতিদিনের মতো সোমবার তার জন্মদিনেও করোনা রোগীর স্বাস্থ্য সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে তার দীর্ঘায়ু ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করি।
এদিকে সোমবার সকালে শেখ রাসেল অক্সিজেন ব্যাংক’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব শেখ কামরুজ্জামান জসিম তার জন্মদিন উপলক্ষ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন সকল করোনা রোগীকে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন।
নতুন প্রজাতির তরমুজের বাম্পার ফলনে সফল কৃষক জাকির
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
দেশের মাটিতে সোনার ফসল ফলিয়ে অর্থনৈতিক পরিবর্তন সংসারে সচল চাকা ঘুরিয়েছেন এমন এক সফল কৃষক বাগেরহাটের জাকির শেখ। আধুনিক পদ্ধতিতে নতুন প্রজাতির অসময়ে ইউনাইটেট মধুমালা(হলুদ), মেটেল সিট আরডব্লিউএস ০০৯(কালো), বাংলালিংক ছাপা এসআর ৭৭৭ এ তিন প্রজাতের তরমুজ উৎপাদন করে এখন গোটা বাগেরহাট জেলায় সাড়া জাগিয়েছেন এ সফল কৃষক।
সরেজমিনে পঞ্চকরণ ইউনিয়নের অজোপাড়া দেবরাজ গ্রাম। এ গ্রামেই জন্ম মৃত. আব্দুল অহেদ শেখের ছেলে কৃষক জাকির শেখ (৪৫)। কর্মরত দেবরাজ ডিকে এম দাখিল মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেনীর একজন কর্মচারি। ১৯৯৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত একজন গার্মেন্স কর্মী হিসেবে ঢাকায় কাজ করতেন। সেখান থেকে ফিরে এলেন গ্রামের বাড়িতে। স্বপ্ন নিজের জমিতে ব্যক্তিক্রমী ফসল উৎপাদন করে কৃষি বিপ্লব ঘটানো।এ বছর ৪ বিঘা জমি নিয়ে শুরু করলেন আধুনিক ফসলের চাষাবাদ। তার মধ্যে এক একর ১০ শতক জমিতে অত্যাধুনিক প্রজাতের তরমুজের চাষ। বাকি জমিতে বলসুন্দরি, কাশমেরিকুল বাউকুলসহ ৩ প্রজাতের কুল চাষ। রয়েছে গলদা ও সাদা মাছের চাষ ও বিভিন্ন প্রজাতের সবজী। ভেরির ওপরে বাস নেটের ছাউনির ওপর ঝুলছে রং বেরংয়ের নতুন ৩ প্রজাতের তরমুজ। প্রতিনিয়ত এ বাম্পার ফলন দেখতে আসছে জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষ। উৎসাহিত হচ্ছে সাধারণ কৃষক।
এ সফল চাষি জাকির শেখ বলেন, ইউটিউভ চ্যানেল দেখে এ তরমুজ উৎপাদনের আগ্রহ জেগেছে। তিনি বাগেরহাটের ফকিরহাট থেকে এ বীজ এনে স্বল্প সময়ে ৬৫/৯০ দিনের ব্যবধানে এ প্রজাতের জীবনকাল। মে মাসে রোপন জুলাই মাসে কর্তন রোদের আর্দতা পরিমাপে মাউশিং শিপট ছাড়া এ তরমুজ চাষ করা সম্ভব নয়। এবারে নতুন ফসল হলেও প্রায় ৪ হাজার তরমুজ হয়েছে। ব্যায় হয়েছে তার ১ লক্ষ টাকা। ক্ষেতে প্রতিদিন পরিচর্যার জন্য ২ জন শ্রমিক কাজ করছেন। প্রথমবারেই ৩ লাখ টাকার বিক্রি হবে তরমুজ বছরে আরো ২বার বিক্রি করতে পারবে। বিদেশে যাওয়ার প্রয়োজন কিসের? দেশের মাটিতে সোনার ফসল ফলিয়ে বছরে ৮ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন এ সফল কৃষক জাকির হোসেন। তার পরিবারের রয়েছে স্ত্রী ও ২ ছেলে, বড় ছেলে আরিফ শেখ পিসি কলেজে অর্নাস তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ও ছোট ছেলে আরমান শেখ ৪র্থ শ্রেনীর ছাত্র।
এ সর্ম্পকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা দিপাংকর সমাদ্দার বলেন, আধুনিক পদ্ধতিতে নতুন প্রজাতির ফসল উৎপাদনে কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে সঠিক পরামর্শ অনুযায়ী এঅঞ্চলে প্রথমবারে নতুন তরমুজের বাম্পার ফসল ফলানো সম্ভব হয়েছে। বাম্পার ফলন দেখে আগমিতে নতুন নতুন কৃষক চাষাবাধে ঝুকবে।
এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক মজুমদার বলেন, এক সময়ে লবণাক্ততার কারনে তার ইউনিয়নের ধান চাষাবাদ ছাড়া অন্য কোন ফসল হতো না। এখন ওয়াপধা ভেরিবাধের কারনে মিষ্টি পানিতে কৃষক নতুন নতুন ফসল ফলিয়ে কৃষি বিপ্লব ঘটিয়েছে। সরকারিভাবে অত্যাধুনিক প্রশিক্ষণ, বিনা সুদে লোন, এ ক্ষেত্রে চাষাবাদে কৃষকের আরো আগ্রহ বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। মোড়েলগঞ্জ উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) কৃষি কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ বলেন, দেবরাজে নতুন প্রজাতের তরমুজের বাম্পার ফলনে লাভজনক ফসল উৎপাদন করে কৃষক জাকির শেখ এখন এ জেলায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এ ফলন দেখে যুবসমাজ নতুন ফসল উৎপাদনে এগিয়ে আসবে। কৃষি অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষকদেরকে এ বিষয়ে সার্বক্ষনিক সহযোগিতা করে আসছে বলে এ কর্র্মকাতা জানান।
ভয়াবহ পরিস্থিতি বাগেরহাটে, সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা। এতে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম থেকে হচ্ছে চিকিৎসকদের। বাগেরহাট সদর হাসপাতাল সংলগ্ন ৫০ শয্যার ডেডিকেটেড হাসপাতালে রোগী ভর্তি রয়েছে ৫৬ জন। সংকট পূরণে খুলনা ও বিভিন্ন উপজেলা থেকে আনা হয়েছে চিকিৎসক ও নার্স। এরপরেও থামছে না রোগী ও স্বজনদের আহাকার। এক ধরনের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বাগেরহাটে।
শনাক্তের হার বিবেচনায় এটিকে সংক্রমণের দ্রুত ঊর্ধ্বগতির একটি বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখছেন সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির।তিনি বলেন, গেল ২৪ ঘণ্টায় বাগেরহাটে ৩৩৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এই হিসেবে শনাক্তের হার ৫৪ শতাংশ। এটা খুবই ভয়াবহ পরিস্থিতি। পরিস্থিতি যদি আরও বেশি খারাপ হয়, তাহলে আমাদের পক্ষে সেবা দেওয়া অনেক কঠিন হবে। করোনা সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসা দেওয়ার জন্য স্থাপিত বাগেরহাট সদর হাসপাতাল সংলগ্ন ৫০ শয্যার কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন চিকিৎসক ও ১২ জন নার্স রয়েছে। রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় হিমশিম খাচ্ছেন তারা। জুন মাসে ৭৩ জন করোনা রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। প্রতিদিন অন্তত ৪০ জনের বেশি ছিল রোগীর সংখ্যা। জুলাই মাসে এই রোগীর সংখ্যা আরও বেড়েছে। রোববার দুপুরে ৫০ শয্যার এই কোভিড হাসপাতালে রোগী ছিল ৫৬ জন। এই সংকট পূরণে খুলনা থেকে ৬ জন নার্স এবং বিভিন্ন উপজেলা থেকে অতিরিক্ত চারজন চিকিৎসক আনা হয়েছে কোভিড হাসপাতালের জন্য। এরপরেও সব রোগীকে সুচিকিৎসা দিতে পারছেন না তারা।
অন্যদিকে কোভিড হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্লান্ট থাকলেও নেই আইসিইউ সুবিধা। আইসিইউ সেবা দিতে না পারায় স্থানান্তর করতে হচ্ছে খুলনাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে। আইসিইউ সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় তিনটি আইসিইউ শয্যা দিয়েছেন। কিন্তু প্রশিক্ষিত জনবলের অভাবে এই হাসপাতালে এখনও আইসিইউ সুবিধা চালু করতে পারেনি স্বাস্থ্য বিভাগ।
কোভিড হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া মাসুদ হাসান নামে রোগীর এক স্বজন বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসকরা খুবই আন্তরিক। তবে নানা সংকটে রোগীরা পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছেন না। এছাড়া হাসপাতালের কক্ষগুলোর দরজা বন্ধ করার সময় বিকট শব্দ হয়। যাতে রোগীরা খুবই বিরক্ত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক করোনা আক্রান্ত এক রোগীর মা বলেন, মানুষতো বাধ্য হয়ে হাসপাতালে আসে। একটু বেশিক্ষণ অক্সিজেন দিয়ে রাখলে চিকিৎসকরা খারাপ ব্যবহার করেন।
কোভিড হাসপাতালে নিয়োজিত পৌরসভার সিকিউরিটি গার্ড মো. এমাদুল ব্যাপারি বলেন, গেল কয়েকদিনে রোগীর সংখ্যা খুব বেড়েছে। হাসপাতালের অন্যান্যদের সঙ্গে আমিও ওয়ার্ড বয়ের মত সেবা দিচ্ছি।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির বলেন, কিছুদিন ধরে করোনা রোগী খুব বেড়েছে। সেইসঙ্গে উপসর্গসহ রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করতে হচ্ছে। রোগী বাড়ায় আমরা ৫০ শয্যাকে ৭০ শয্যায় রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছি। এজন্য ২০টি অক্্িরজেন সিলিন্ডার আনা হয়েছে। আইসিইউ চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক চিকিৎসক ও নার্সকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু করেছি। তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের পাশাপাশি করোনা সংক্রমণ রোধে আমরা সব ধরনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। পরিস্থিতি যদি আরও বেশি খারাপ হয়, তাহলে আমাদের পক্ষে সেবা দেওয়া অনেক কঠিন হবে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার আহবান জানান তিনি।
এদিকে গেল ২৪ ঘণ্টায় বাগেরহাটে ৩৩৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১৫৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। জেলায় করোনা সংক্রমণ হার ৪৬ শতাংশ হলেও সদর উপজেলায় এই হার ৫৪ শতাংশ। এ সময়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৭৭৩ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৮৯ জনের। সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ৭১৯ জন। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৫৪ জন।
করোনায় আক্রান্ত কমরেড আবুল বাশার সুস্থতা কামনায় ওয়ার্কার্স পার্টি
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, ডুমুরিয়া উপজেলা কমিটির সদস্য প্রভাষক কমরেড আবুল বাশার করোনায় আক্রান্ত হয়ে শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে আইসিইউ-তে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর আশু রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি প্রদান করেছেনÑবাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, খুলনা জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেনÑওয়ার্কার্স পার্টি খুলনা জেলা সভাপতি কমরেড এড. মিনা মিজানুর রহমান, মহানগর কমিটির সভাপতি কমরেড শেখ মফিদুল ইসলাম, জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড আনসার আলী মোল্লা, মহানগর সাধারণ সম্পাদক কমরেড এস এম ফারুখ-উল ইসলাম, জেলা সম্পাদকম-লীর সদস্য কমরেড দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, কমরেড গৌরাঙ্গ প্রসাদ রায়, কমরেড শেখ মিজানুর রহমান, নির্বাহী সদস্য কমরেড শেখ সাহিদুর রহমান, কমরেড সন্দীপন রায়, কমরেড রেজাউল করিম খোকন, কমরেড আঃ হামিদ মোড়ল, কমরেড গৌরী ম-ল এবং ডুমুরিয়া উপজেলা কমিটি নেতা কমরেড শেখ সেলিম আখতার স্বপন প্রমুখ।
খুলনার সাংবাদিক ও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন সাংবাদিক সাহাবুদ্দীন আহমেদ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনার সাংবাদিকতায় উজ্জ্বল আলো ছড়িয়েছেন সাংবাদিক সাহাবুদ্দীন আহমেদ। সেই আলো পথ দেখাবে আগামীকে দিনের সাংবাদিকদের। তিনি মন মননে, চিন্তা চেতনায় যেমন ছিলেন অগ্রণী, তেমনি সাংবাকিতা ও সততার প্রতি ছিলেন অবিচল ও নির্ভীক। অন্যায় ও অসততার কাছে কখনোই তিনি মাথা নত করেননি। খুলনার সাংবাদিক ও মানুষের হৃদয়ে সাংবাদিক সাহাবুদ্দীন আহমেদ ছিলেন, আছেন এবং থাকবেন। এভাবে বললেন গুণীজন স্মৃতি পরিষদের ওয়েবিনারের শোকসভায় বক্তারা।
সোমবার বিকাল ৪ টায় গুণীজন স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে ওয়েবিনারে প্রবীণ সাংবাদিক সাহাবুদ্দীন আহমেদ স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন লেখক ও সাংবাদিক গৌরাঙ্গ নন্দী। সঞ্চালনা করেন মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মোস্তফা জামাল পপলু। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য এস এ রশীদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও লেখক কাজী মোতাহার রহমান বাবু, সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ আব্দুল হালিম, দৈনিক ঈত্তেফাক এর ব্যুরো প্রধান এনামুল হক, একুশে টেলিভিশন খুলনার বিভাগীয় প্রতিনিধি ও গুণজিন স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মহেন্দ্রনাথ সেন প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন , সাহাবুদ্দিন আহমেদ এর পৈত্রিক ভিটা ছিল মানিকগঞ্জে। বাবার চাকুরি সুবাধে খুলনাসহ বিভিন্ন স্থানে লেখাপড়া করেন। সর্বশেষ শিক্ষাজীবন দৌলতপুর সরকারি বিএল কলেজ। তিনি ১৯৬২ সালে শরীফ কমিশন রির্পোট বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেন। শিক্ষাজীবন শেষে তিনি শিক্ষকতায় যুক্ত হন। পরে ১৯৬৫ সালে খুলনার স্থানীয় ওয়েভ পত্রিকার মাধ্যমে সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হন। ৪৪ বছর পেশাগত জীবনে সাপ্তাহিক হলিডে, বাংলাদেশ টাইমস, দি ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি ফিন্যানশিয়াল এক্সপ্রেস ও দি ডেইরি ইনডিপেনডেন্ট পত্রিকায় কর্মরত ছিলেন। ১৯৭০-৭১ সালে করাচীর প্রভাবশালী দৈনিক ডন পত্রিকায় খুলনাস্থ প্রতিনিধি ছিলেন। ২০০৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সাংবাদিকতা থেকে অবসর নেন। ২০০৮ সালে সাদা মনের মানুষ হিসাবে জেলাা প্রশাসন থেকে স্বীকৃতি পান। বক্তরা বলেন, তিনি সময়ের প্রতি বেশি গুরুত্ব দিতেন। সংবাদের তথ্য নিয়ে বারবার যাচাই করতেন। কোনভাবে যেন সংবাদটি প্রকাশিত হলে তা পক্ষপাতমূলক না হয়। সহকর্মীদের আপদে-বিপদে তিনি এগিয়ে আসতেন। ভাল সংবাদ পরিবেশন করলে তাকে তিনি ডেকে প্রশংসা করতেন। এজন্য অনেকে তাকে গুরু বলে ডাকতেন।
ফকিরহাটে করোনায় মৃত্যু বিধিনিষেধ অমান্য করায় ৩জনের সাজা
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাটের ফকিরহাটে করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন মনোয়ারা বেগম নামে ৭২বছর বয়স্ক এক নারী। তিনি রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মারা যান। এদিন সকালে করোনা আক্রান্ত হয়ে ৬০ বছর বয়স্ক মোহম্মদ আলী সরদার মারা গেছেন। এছাড়া গত দুই দিনে ফকিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক নারী সহ ৩জনের মৃত্যু হয়েছে। ফকিরহাটে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫জন। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ অসিম কুমার সমাদ্দার জানান, সোমবার ৪০জনের নমূনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। নমূনা পরীক্ষায় ১৫জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩৭শতাংশ। এদিকে কঠোর লকডাউনে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সহ আইনশৃংখলা বাহিনীর কড়া নজরদারীও ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান অব্যাহত হয়েছে। ফকিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট সানজিদা বেগম জানান, গত দুই দিনে কঠোর লকডাউনের বিধিনিষেধ অমান্য করায় ৩ জনকে তিনদিন করে বিনাশ্রম করাদন্ড প্রদান করেছেন। একই সময়ে ৯জনকে ১৫হাজার ৩শত টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
ফকিরহাট বিভিন্ন ইউপিতে খাদ্য সহায়তা প্রদান
ফকিরহাট প্রতিনিধি
বাগেরহাট জেলা পরিষদের উদ্যোগে ফকিরহাট ও রামপাল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে করোনা পরিস্থিতে হতদরিদ্রদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। সোমবার বিকেলে ফকিরহাটের শুভদিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ও রামপালের গৌরম্ভা ইউনিয়ন এবং উজরকুড় ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে স্বাস্থ্য বিধি মেনে হতদরিদ্রদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ফকিরহাট উপজেলা চেয়ারম্যান স্বপন দাশ। এসময় জেলাপরিষদের মহিলা সদস্য অঞ্জলী দাশ সহ স্ব স্ব ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান যথা- শুভদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: শহিদুল ইসলাম, গৌরম্ভা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: গিয়াস উদ্দিন, উজলকুড় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আক্তারুজ্জামান সহ স্ব স্ব ইউনিয়নের সচিব ও ইউপি সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।
সাতক্ষীরায় করোনার উপসর্গ নিয়ে ৮ জনের মৃত্যু,শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। এনিয়ে, জেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন মোট ৩৭১ জন। আর ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৫ জন। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ৩৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা শেষে ১০২ জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যা শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এ নিয়ে জেলায় আজ পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৩ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ হাজার ৭১৮ জন। এছাড়া বর্তমানে জেলায় ৯৩৭ জন করোনা আক্রান্ত রুগী রয়েছেন। এর মধ্যে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২০ জন ও বেসরকারী হাসপাতালে ১৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বাকী ৯০১ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ভাইরাসটির উপসর্গ নিয়ে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আজ পর্যন্ত ২২৫২ জন ও বেসরকারী হাসপাতালে আরো ১২২ জন ভর্তি রয়েছেন।
এদিকে, জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিনই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২৫০ শয্যা এই হাসপাতালে বর্তমানে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে মোট ২৭২ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এ ফলে চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্য কর্মীদের। সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত করোনা প্রতিরোধে সকলকে মাস্ক পরার ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান।
লকডাউন সফল করতে সাতক্ষীরায় পুলিশের সচেতনতা মূলক মোটর সাইকেল র্যালী
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
করোনা প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত লকডাউন সফল করতে সাতক্ষীরায় পুলিশের সচেতনতা মূলক মোটর সাইকেল র্যালী ও মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার বেলা ১১ টায় সদর থানা চত্বর থেকে র্যালীটি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এ সময় জরুরি প্রয়োজনে যারা বাইরে বের হয়েছেন তাদের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
মোটরসাইকেল র্যালীতে নেতৃত্ব দেন, সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন ও ট্রাফিক পুলিশের মোটর যান পরিদর্শক (টিআই) কামরুজ্জামান বকুল।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হুসেন এ সময় বলেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় সরকার ঘোষিত চলমান লকডাউন সফল করতে এবং সাধারণ মানুষের সচেতন করতে মোটর সাইকেল র্যালী বের করা হয়। তিনি আরো জানান, জরুরি প্রয়োজনে যারা এ সময় মাস্ক ছাড়া বাহিরে এসেছেন তাদের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হয়েছে।
কর্মহীন শ্রমিকদের মাঝে বাবুল রানা: করোনা যুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আ’লীগের নেতাকর্মীরা জয়ী হবে ইনশাল্লাহ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা বলেছেন, জনগণের নিরাপত্তা দিতে আওয়ামী লীগ কর্মীরা ২৪ ঘন্টা কাজ করে যাচ্ছে। জনগণের জীবনের নিরাপত্তায় শেখ আবু নাসের ও শেখ সোহেল অক্সিজেন ব্যাংক এবং সেখ জুয়েল এ্যাম্বুলেন্স বিনা মূল্যে সেবা দিচ্ছে। ফোন করা মাত্রই অক্সিজেন অথবা এ্যাম্বুলেন্স রোগীর দোর গোরায় পৌছে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু’র পরিবারের সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন এমপি, খুলনা মহানগর ও জেলায় দেড়লাখ মাস্ক দিয়েছেন। সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল এমপি দু’টি এ্যাম্বুলেন্স এবং শেখ সোহেল অক্সিজেন সরবরাহ করে যাচ্ছেন। জনগণের সুচিকিৎসা ও সু-স্বাস্থ্যের জন্য বিনা মূল্যে এই সেবা দিচ্ছে বঙ্গবন্ধু’র আদর্শের কর্মরা। তিনি বলেন, খুলনায় কর্মহীন মানুষের খাদ্য নিশ্চয়তা দিতে পেশা ভিত্তিক খাদ্য সামগ্রী পৌছে দেয়া হচ্ছে। করোনা চলাকালীন জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে। করোনা যুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জয়ী হবে ইনশাল্লাহ।
সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় সোনাডাঙ্গায় মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মহীন শ্রমিকদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ পূর্ব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মহানগর শ্রমিক লীগ আয়োজিত ত্রাণ কার্যক্রম অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা বিভাগীয় শ্রম পরিচালক মো. মিজানুর রহমান, খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগ দপ্তর সম্পাদক মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, মহানগর শ্রমিক লীগ সাধারণ সম্পাদক রনজিত কুমার ঘোষ, মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বিপ্লব, শ্রমিক নেতা আব্দুর রহীম খান, মল্লিক আলমগীর হোসেন, মল্লিক নওশের আলী, জয়নাল আবেদিন, মো. আজিম উদ্দিনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শ্রমিক নেতৃবৃন্দ।
এর আগে মোটর শ্রমিক লীগের উদ্যোগে সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেকের সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
৮নং ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি লিটন অসুস্থ্য নেতৃবৃন্দের বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি আব্দুস সাত্তার লিটন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন। তার সুস্থ্যতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ নেত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান এমপি, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র আলহাজ¦ তালুকদার আব্দুল খালেক, খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেখ সালাহ উদ্দিন জুয়েল, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ¦ শেখ হারুনুর রশীদ, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এমডিএ বাবুল রানা, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. সুজিত কুমার অধিকারী, খালিশপুর থানা আওয়ামী লীগ সভাপতি এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বাশার।
খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেনের ফুফু’র মৃত্যুতে শোক প্রকাশ
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেনের ফুফু বেগম পরিজান নেছা পরী (৮২) বার্ধক্যজনিত কারণে সোমবার সকাল ৭.৩০ মিনিটের দিকে নগরীর মোহাম্মদনগরস্থ নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি …. রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি বৃদ্ধ স্বামী, আট ছেলে-চার মেয়ে, আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। আসরবাদ গোপালগঞ্জ জেলার পাটকেলবাড়ি জামে মসজিদে মরহুমার নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেনের ফুফু’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লাসহ কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ।
মহানগর পূজা পরিষদের অক্সিজেন ব্যাংকে করোনা আক্রান্তদের জন্য ৪ জন মানবিক ব্যক্তির ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা মহানগরের ৪ জন মানবিক ব্যক্তি যথাক্রমে শ্রীশ্রীশিববাড়ীর কালী মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সোনাডাঙ্গা থানা পূজা পরিষদের কোষাধ্যক্ষ সুকুমার সাহা, মহানগর পূজা পরিষদের সাবেক উপদেষ্টা ও খুলনা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক নেতা প্রয়াত সঞ্জয় পালকু-ুর সুযোগ্য পুত্র বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শোভন পালকু-ু, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী ও সমাজসেবক ফণীভূষণ সাহা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, ধর্মানুরাগী, সমাজসেবী নাম পরিচয়দানে অনিচ্ছুক ব্যক্তি বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার অক্সিজেন ব্যাংকে সোমবার বিকেল ৪:৩০টায় খুলনা বাজার কালীমাতা মন্দির প্রাঙ্গণে ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করেন। ভয়াবহ করোনা মহামারীকালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের শ্বাসকষ্ট নিবারণার্থে এই অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদানের জন্য মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ উল্লিখিত ৪ জন মানবিক ব্যক্তি ও তাদের পরিবারবর্গকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এ সময়ে উপস্থিত ছিলেনÑবাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি শ্যামল হালদার, সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কু-ু, সাবেক সভাপতি ও স্টেট অব শ্রীশ্রীসত্যনারায়ণ মন্দির কমিটির নির্বাহী ট্রাস্টি গোপী কিষন মুন্ধড়া, সহ-সভাপতি অধ্যাপক তারক চাঁদ ঢালী, কোষাধ্যক্ষ রতন কুমার নাথ, যুব ঐক্য পরিষদ খুলনা মহানগর সভাপতি বিশ্বজিৎ দে মিঠু, সোনাডাঙ্গা থানা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রামচন্দ্র পোদ্দার, বিশিষ্ট ধর্মানুরাগী, সমাজসেবক ও পূজা পরিষদ কার্যনির্বাহী সদস্য বাবলু বিশ্বাস, মহাদেব সাহা, তাপস সাহা, শিবু রায়, শিবু ভক্ত, গৌরাঙ্গ সাহা, সঞ্জীব দাস, অঞ্জন দে, অলোক কু-ু, সুশান্ত ব্যানার্জী, শ্যামসুন্দর হালদার, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সম্পাদকম-লীর সদস্য সুব্রত হালদার তপা, উজ্জ্বল ব্যানার্জী, প্রসেন সাহা, ভবেশ সাহা, রূপন দে, অলোক দে, সনৎ বকসী, বাবু শীল, মাণিক শীল, রবিন দাস, রাজকুমার শীল, দ্বিপ্র দাস প্রমুখ। এ সময়ে মহানগর পূজা পরিষদের অক্সিজেন ব্যাংক থেকে বিভিন্ন রোগী নিকট অক্সিজেন সরবরাহের নিমিত্তে স্বেচ্ছাসেবকদের সুরক্ষার জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে পিপিই-সহ সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়। মহামারী করোনা দুর্যোগে করোনা আক্রান্ত হয়ে শ্বাসকষ্টজনিত রোগীদের বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, খুলনা মহানগর শাখার অক্সিজেন ব্যাংক থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হয়। অক্সিজেন সিলিন্ডার পাওয়ার জন্য আক্রান্ত ব্যক্তি/পরিবার সংগঠনের সভাপতি ০১৭১১-৮১৪২১২, সাধারণ সম্পাদক ০১৭১১-২৭৫০৩০, হঠলাইন নম্বর ০১৭১১-০৬০৯১৮ ও ০১৭১১-৫৭৯৫৯১ যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে। সাথে সাথে কোনো সহৃদয় ব্যক্তি/পরিবার/প্রতিষ্ঠান এই করোনা দুর্যোগে অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান করতে চাইলে কৃতজ্ঞতার সাথে গ্রহণ করা হবে।
দেশে কোরবানির হাট মাতাবে ঝিনাইদহের রাজা-বাদশা
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি-
দুই ভাই। নাম তাদের রাজা-বাদশা। নাম শুনলে সবাই আগেকার যুগের রাজা বাদশার কথাই ভাববেন। কিন্তু না কুরবানি উপলক্ষে আদর করে লালন পালন করা বিশালাকার দুটি ষাড়ের নাম রাজা, বাদশা। ওজন আকৃতি ও সৌন্দার্যে তারা নজর কাড়ে সকলের। প্রতিদিনই দুর-দুরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন তাদের দেখতে। দেশে এবার কুরবানির হাট মাতাবে তারা। তবে করোনা কালে ন্যায্য মূল্য নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ষাঁড়দুটির মালিক মোয়াজ্জেম মোল্লা। ঝিনাইদহের শৈলকুপার দুধসর ইউনিয়নের গাছ কুলচারা গ্রামের কৃষক মোয়াজ্জেম মোল্ল্যা। গত ৫ বছর ধরে গরু পালেন তিনি। নিজের গোয়ালের ফিরিজিয়ান জাতের একটি গাভীতে জন্ম নেয়া ষাড়ের বাচ্চা এখন দেশের সেরা বলেই ধারনা করছেন তিনি।
গরুর মালিক মোয়াজ্জেম মোল্ল্যা বলেন, আমার কোন গরুর খামার নেই। আছে একটি গোয়াল ঘর। সেখানে মোট ৭ টি গরু আছে। ৫ বছর আগে প্রথমে ৭১ হাজার টাকা দিয়ে একটি ফিরিজিয়ান জাতের গাভী গরু কিনি। তারপর থেকে আমার রাজা, বাদশা এবং উজির হয়েছে। এছাড়াও বকনা বাছুর হয়েছে। রাজা, বাদশা আগে হওয়ায় এবারের কুরবানির ঈদে তাদেরকে ছেড়ে দেব। আর উজির আগামী বছর বিক্রির পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমার গরু গুলোর সাধারণ খাবার যেমন চাল, ভুষি, ছোলা, ফেসাড়ি এ ধরনের খাবার খাইয়েছি। তাছাড়া অত্যান্ত আদর যতœ করে গরু পালিছি। আমার রাজার আনুমানিক ওজন ৪০ থেকে ৫০ মণ এবং বাদশার ৩৫ থেকে ৪০ মণের হবে। আমি এবারের কোরবানিতে ন্যায্য মূল্যে তাদেরকে ছেড়ে দিতে চাই। আমার সাথে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নং-০১৯৯৪-২১৮০২৯ এবং ০১৭৯৫-৯৭১২৯০।
প্রাণী সম্পদ অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলায় ৭৯ হাজার ১৭৫ টি গরু ও ৫২ হাজার ৩২৮ টি ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। জেলায় গত বছর কোরবানি দেওয়া হয়েছে ১লাখ ১৯ হাজার ৪০২ টি।
খুলনায় আরও করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন একশত ৮১ জন
তথ্য বিবরণী
সোমবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৮ জন এবং জেনারেল হাসপাতালে ৮৩ জন করোনা ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে পুরুষ একশত ১৩ জন এবং ৬৮ জন মহিলা। মোট তিন হাজার সাতশত ৩৬ জন সাইনোফার্ম ভ্যাকসিন প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। এ পর্যন্ত এক লাখ ৭৯ হাজার ছয়শত ৯৩ জন করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে সাইনোফার্মার টিকা নিয়েছেন তিন হাজার সাতশত ৩৬ জন।
খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসকল তথ্য জানানো হয়েছে।
মহেশপুরে করোনায় এক নারীসহ দু’জনের মৃত্যু ॥ আক্রান্ত আরো ১৭ জন
মহেশপুর(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মতিয়ার রহমান (৪৩) ও দূর্গা রানী হালদারের (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে আরো ১৭ জন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সুত্রে জানাগেছে,গতকাল সোমবার ভোর রাতে মহেশপুর পৌর এলাকার গাড়াবাড়ীয়া গ্রামের মতিয়ার রহমান ও মহেশপুর হালদার পাড়ার পাচু হালদারের স্ত্রী দূর্গা রানী হালদার সোমবার দুপুর ২টার দিকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করেন।
এদিকে গতকাল সোমবার মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৭ জনের শরীরে করোনা পজেটিভে আক্রান্ত হয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডাঃ হাসিবুর সাত্তার জানান,ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার ভোরে মতিয়ার রহমান ও দুপুরে দূর্গা রানী হালদার নামের আরো এক জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তাছাড়া সোমবার মহেশপুরে ১৭ জনের শরীরে করোনা পজেটিভ হয়েছে।
এদিকে টানা ৫ম দিনের মতো চলছে কঠোর ভাবে অলডাউন। সকাল থেকেই একেবারেই জনশুন্য মহেশপুর শহর।
নড়াইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু
নড়াইল প্রতিনিধি
নড়াইলে রেজাউল শেখ (৬০) নামে এক কৃষক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক কৃষক সোমবার দুপুরে মারা গেছেন। নিহত রেজাউল শেখ জেলার কালিয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের জিতু শেখের ছেলে।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর ১২টার দিকে রেজাউল শেখ বিদ্যুতস্পৃষ্ট হন।এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
কুমড়া শাকের কেজি ৯০ টাকা: করোনার অজুহাতে মোংলায় কাঁচামালের চড়া দাম, ক্রেতাদের নাভিশ্বাস
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি
মোংলায় করোনার লকডাউনের মধ্যেও স্বাভাবিক রয়েছে কাঁচামালের পরিবহণ। তারপরও করোনার অজুহাত দেখিয়ে চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে পৌর শহরের প্রধান কাঁচা বাজারের নানা পণ্য। সোমবার সকালে বাজারে গিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কাঁচামালের দামের উর্ধগতির বিষয়ে। ক্রেতারা বলছেন, কুমড়া শাক বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা কেজি দরে। এর আগে এমন চড়া দামে শাক কিনেননি তারা। আর ৮০ টাকা কেজি উচতার। কাঁকরোল, বেগুন, শসা, পটল, কচুরমুখীসহ অন্যান্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে ৬০/৭০ টাকা দরে। কম দাম দেখা গেছে শুধু আলুর ২৫ টাকা কেজি। দোকানীরা বলছেন, লকডাউনে গাড়ী বন্ধ তাই দাম বেশি। অথচ কাঁচামাল পরিবহনের গাড়ী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। শহরের বাহিরের গ্রামগঞ্জ থেকে সাধারণ কৃষকেরা যে শাক সবজি নিয়ে শহরের এ প্রধান বাজারে আসছেন বিক্রির জন্য তাদের বাজারে বসতে দেয়া হচ্ছেনা। তাদেরকে বাজারে বসতে না দিয়ে বাজারের সিন্ডিকেট চক্র তাদের কাছ থেকে জোরজুলুম করে শাক সবজি কম দামে কিনে রেখে চড়া দামে বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এমতাবস্থায় চড়া দামে কাঁচা পণ্য কিনতে গিয়ে নাভিশ্বাস উঠছে খেটে খাওয়া সাধারণ দিনমজুর মানুষের। তারা এ সিন্ডিকেট চক্রের অবসানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
উপজেলা বাজার মনিটরিং কমিটির সদস্য নুর আলম শেখ বলেন, পৌর শহরের প্রধান কাঁচা বাজাওে একটি শক্তিশালী ব্যবসায়ীক সিন্ডিকেট চক্র আছে, তারা অধিক মুনাফা লাভের আশায় করোনার দোহাই দিয়ে এই অপকর্মগুলো করছে। এখানকার দ্রব্যমূল্যের (কাঁচামালের) উর্ধগতি রোধে প্রশাসনকে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ, বাজার নিয়ন্ত্রণ ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ পদক্ষেপ প্রয়োজন।
উপজেলা বাজার মনিটরিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কমলেশ মজুমদার বলেন, এ বিষয়ে দুই একদিনের মধ্যে বাজার কমিটিকে ডাকা হবে, এবং উপজলো সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নয়ন কুমার রাজবংশীকে দিয়ে অভিযান পরিচালনা করানো হবে। যদি তারা কোন অজুহাতে পণ্যের দাম বেশি নিয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, শহরের বাহির থেকে আসা কৃষকেরা অবশ্য এ বাজারে তাদের পণ্য বিক্রি করতে পারবেন, অথবা পাইকারীও বিক্রি করে দিয়ে যেতে পারেন, সেটি তাদের সিদ্ধান্ত। যদি তাদেরকে এ বাজারে বিক্রিতে বাঁধা দেয়া হয় তাহলে বাঁধাকারীদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ সব বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের শোক বিবৃতি
খবর বিজ্ঞপ্তি
খালিশপুর থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো: আতিকুর রহমান সোহাগ এর পিতা মোঃ মকিম হোসেন মৃধা সোমবার সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় নগরীর একটি বে-সরকারী হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি……রাজিউন)। মৃত্যকালে তার বয়স হয়েছিলো আনুমানিক ৭০ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী পুত্র কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। সোমবার রাত ১০ ঘটিকায় নগরীর খালিশপুর থানাধীন মানসী বিল্ডিং সংলগ্ন খাদেমুল জামে মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে গোয়ালখালী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
তার মৃত্যুতে আমরা খুলনা মহানগর ছাত্রলীগ পরিবার গভীর ভাবে শোকাহত। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।
বিবৃতিদাতারা হলেন খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান রাসেল ও খালিশপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ রাশেদুল ইসলাম সহ নগর ছাত্রলীগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।
খুলনা অঞ্চলকে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে সংক্রমণ রোধ ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করুন: মঞ্জু
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিভাগে করোনা রোগীর চিকিৎসায় অবিলম্বে সেনাবাহিনীর মেডিকেল কোর নিযুক্তির মাধ্যমে জনগণকে রক্ষায় জরুরী পদক্ষেপ গ্রহণের আবারো দাবি জানিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন অবিলম্বে খুলনা অঞ্চলকে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করে করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধ ও চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের সর্বশক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা ও নিরাপদহীন খুলনার জনগণকে রক্ষা করতে হবে। শুধুমাত্র লকডাউন নয়, প্রয়োজন আক্রান্তদের পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।
সোমবার (৫ জুলাই) দুপুরে বিএনপির কলসেন্টারে গ্যাস সিলিন্ডার গ্রহনকালে তিনি এ আহবান জানান। করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবায় খুলনা মহানগর বিএনপি পরিচালিত কল সেন্টারে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান রূপসা উপজেলার আইচগাতির বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক আহাদ খান। এনিয়ে বিএনপি পরিচালিত খুলনা কল সেন্টারে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪টি। এসময় উপস্থি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, উপদেষ্টা জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, সিরাজুল ইসলাম লিটন ও মো. শফিউল্লাহসহ অনেকে।
বিএনপি নেতা আবু বক্কর সিদ্দিকের’র ইন্তেকালে মহানগর বিএনপির শোক
খবর বিজ্ঞপ্তি
সোনাডাঙ্গা থানার ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি খন্দকার আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্টু ও শেখ পাড়ার মৌলভীবাড়ির ইজ্জত আলী মৌলভীর সন্তান শেখ মঞ্জুরুল হক ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না……..রাজিউন)। সোমবার (৫ জুলাই) ভোর ৬টায় আবু বক্কর সিদ্দিক মিন্টু ও সকাল ৯টায় মঞ্জুরুল হক ইন্তেকাল করেন। মরহুমদের জানাযা বাদ জোহর অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মুরাদ জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে মরহুমদ্বয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক, শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা এবং মরহুমদেমর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন খুলনা মহানগর বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতা নেতৃবৃন্দরা হলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাহারুজ্জামান মোর্ত্তজা, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশাররফ হোসেন, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম, এড. ফজলে হালিম লিটন, এড. বজলুর রহমান, এড. এস আর ফারুক, স ম আব্দুর রহমান, শেখ ইকবাল হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মো. মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, এস এম আরিফুর রহমান মিঠু ও ইকবাল হোসেন খোকন প্রমুখ।
খুবি রোটার্যাক্ট ক্লাব ও কেইউএএ’র যৌথ উদ্যোগে অক্সিজেন ব্যাংক চালু
খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেছেন, এ মুহূর্তে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানোই হচ্ছে মহতী কাজ। এ কাজে যে যার অবস্থান থেকে সাধ্যমত সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে। রোটার্যাক্ট ক্লাব অব খুলনা ইউনিভার্সিটি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর যৌথ উদ্যোগে যে অক্সিজেন ব্যাংক চালু করা হয়েছে তা অত্যন্ত মহতী কাজ। আমরা আশা করি এই মহতী কাজে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ অনেকেই এগিয়ে আসবেন এবং জাতির ক্রান্তিকালে পাশে দাঁড়াবেন। রোটার্যাক্টরা শিক্ষাজীবনে আর্ত-মানবতার সেবায় নিজেদের যেভাবে নিবেদন করছে, এটি তাদের কর্মজীবনেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। উপাচার্য ব্যক্তিগতভাবে এই অক্সিজেন ব্যাংকে সহায়তার ঘোষণা দেন।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টায় রোটার্যাক্ট ক্লাব অব খুলনা ইউনিভার্সিটি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর যৌথ অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর সদস্য ও সামাজিক বিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নাসিফ আহসান, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ আনিসুর রহমান, এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. মোঃ মতিউল ইসলাম।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক ফজলে রেজা সুমনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ ওয়েবিনারে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন রোটার্যাক্ট ক্লাবের প্রেসিডেন্ট মাহমুদুল হাসান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তেহসিন আশরাফ প্রত্যয়। সঞ্চালনা করেন রোটার্যাক্ট সাদিয়া তাবাস্সুম। প্রাথমিক পর্যায়ে ১২টি অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে এই ব্যাংক যাত্রা শুরু করেছে।
মেহেদীর রং নিয়েই না ফেরার দেশে নববধূ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
মেহেদীর রং না মুছতেই ঝরে গেলেন সাত দিনের নববধূ আঞ্জুমান আরা বেগম (১৮)। রোববার বিকালে শ্বশুরবাড়িতে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা আঞ্জুমান আরার লাশ নামানো হয়। শ্যামনগর উপজেলার কৈখালি গ্রামের আনারুল ইসলামের মেয়ে আঞ্জুমান আরা তার নানার বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার বসন্তপুর গ্রামে থাকতেন। তিনি কালিগঞ্জ সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন।
তার নানী সখিনা বেগম জানান, আমরা এক সপ্তাহ আগে আঞ্জুমান আরার সঙ্গে বসন্তপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের বিয়ে দিয়েছি। সাইদুল পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। উভয়ের মধ্যে বনিবনাও ভাল ছিল। কিন্তু কোথা থেকে কি যে হয়ে গেল তা আমরাও বুঝতে পারছি না।
কালিগঞ্জ থানার ওসি গোলাম মোস্তফা জানান, আঞ্জুমান আরার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সোমবার সাতক্ষীরায় পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কালিগঞ্জ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
করোনায় চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতির মৃত্যু
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
করোনায় আক্রান্ত হয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহে….রাজেউন)। সোমবার বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন ১৯ জুন থেকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি চুয়াডাঙ্গা কোর্টপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। আলমগীর হোসেনের পৈত্রিক বাড়ি দামুড়হুদা উপজেলার বড় দুধপাতিলা গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত আতাউর বিশ্বাসের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সভাপতি। এছাড়া তিনি নিরাপদ সড়ক চাই এবং জেলা লোকমোর্চার সভাপতি ছিলেন। গত ১১ জুন অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন ঠা-া জ্বরে আক্রান্ত হন। পরদিন চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল থেকে নমুনা দেন তিনি। এর পরের দিন তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।
ওইদিনই তিনি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। এর কয়েকদিন পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টায় স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন বলে জানান চুয়াডাঙ্গার সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট হানিফ উদ্দিন।
তিনি জানান, অ্যাডভোকেট আলমগীর হোসেন দুই কন্যা ও এক পুত্রের জনক ছিলেন। স্ত্রী নিলুফা বানু দামুড়হুদার ওদুদ শাহ ডিগ্রি কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।
একই বংশের অর্ধশত নারী-পুরুষ যে বিরল রোগে আক্রান্ত
মনিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি
একই বংশের প্রায় অর্ধশত বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ ‘পেস ক্যাভাস’ নামে বিরল রোগে আক্রান্ত হয়ে কষ্টে দিনাতিপাত করছে। যশোরের চৌগাছা উপজেলার শলুয়া গ্রামের মৃত বদর উদ্দীনের পরিবারের প্রায় সবাই এ রোগে আক্রান্ত।
পেস ক্যাভাস রোগ অর্থ ‘ফাঁকা পা’ বা উঁচু খিলানযুক্ত পা বলা হয়। অর্থাৎ পায়ের পাতার পশ্চাৎ অংশের পেশী সংকুচিত হয়ে উঁচু হয়ে যায় এবং বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পায়ের নলা শুকিয়ে আসে।
মনিরামপুর পৌর শহরে অর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞ ডা. নজরুল ইসলামের রোকেয়া ক্লিনিকে চিকিৎসা নিতে আসা এই রোগে আক্রান্ত কলেজছাত্র গোলাম রসুলের কাছ থেকে এসব তথ্য উঠে আসে। তিনি তার ভগিনীপতি পৌর এলাকার রাসেল হোসেনের মাধ্যমে জানতে পেরে এ ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
রাসেল হোসেন জানান, তার মামাশ্বশুরের বংশের প্রায় অর্ধশত বিভিন্ন বয়সী নারী-পুরুষ এ রোগে আক্রান্ত।
গোলাম রসুলের বাবা শরিফুল ইসলাম জানান, তার দাদা মৃত বদর উদ্দীনরা ছিলেন ৫ ভাই। অন্যদের না হলেও বদর উদ্দীন এ রোগে আক্রান্ত হন। মৃত বদর উদ্দীনের ৩ ছেলে তাহাজ্জুত হোসেন, মোন্তাজ হোসেন,আব্দুস সাত্তার এবং এক বোন হামেদা বেগমের মধ্যে মোন্তাজের ৫ ছেলে ও ৩ মেয়ের মধ্যে এ রোগের লক্ষণ এখনো দেখা না দিলেও তাহাজ্জুত হোসেনের ৩ ছেলে ও ২ মেয়ের মধ্যে রবিউল ইসলাম আক্রান্ত হন।
তিনি জানান, রবিউল ইসলামের ছেলে মিরাজুল ইসলামও এ রোগে আক্রান্ত। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত আব্দুস সাত্তারের বংশধর। আব্দুস সাত্তারের ৩ ছেলে শরিফুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর হোসেন ও জাহিদুল ইসলাম এবং ২ মেয়ে শিউলী ও হালিমা এ রোগে আক্রান্ত। শরিফুল ইসলামের কলেজ পড়ুয়া ছেলে গোলাম রসুল ও ৩য় শ্রেণিতে পড়ুয়া আরাফাত হোসেন, জাহাঙ্গীরের দুই ছেলে ফয়সাল ও মামুন হোসেন ও জাহিদুল ইসলামের ছেলে মিকাইলও এ রোগে আক্রান্ত।
শরিফুলের দুই বোনের মধ্যে হালিমাকে বিয়ে দেওয়ার ৩ বছর পর এ রোগে আক্রান্ত হন। হালিমার মেয়ে বৃষ্টি আক্রান্ত না হলেও ছেলে আল-আমিন উজ্জ্বল আক্রান্ত। শরিফুল ইসলামের বোন হালিমার এছাড়া শরিফুল ইসলামের ফুফু মৃত হামেদা বেগমের দুই মেয়ে তারাবান ও আছিয়া আক্রান্ত।
আছিয়ার মেয়ে চানভানুর মেয়ে ফারজানা আক্রান্ত হলে সম্প্রতি রোকেয়া ক্লিনিক হতে ডা. নজরুল ইসলাম পায়ে অস্ত্রোপচার করেন। এখন তিনি ভাল বলে জানান শরিফুল। এর দেখাদেখি শরিফুল ইসলাম তার ছেলে গোলাম রসুলের এ পায়ে অস্ত্রোপচার করেন ডা. নজরুল ইসলাম। চিকিৎসা খুব ব্যয়বহুল বলে তাদের পক্ষে চিকিৎসা করা দুরূহ হয়ে উঠছে। শরিফুল ইসলাম শেষ সম্বল এক খ- জমি বিক্রি করে ছেলের চিকিৎসা করাচ্ছেন।
কিভাবে আক্রান্ত হন এম প্রশ্নের জবাবে গোলাম রসুল বলেন, তিনি ছোট বেলায় বন্ধুদের সঙ্গে খেলেছেন। হঠাৎ একদিন দুই পায়ে চরম ব্যথা অনুভব করেন। এরপর হাটতে গেলে পেশী সংকুচিত হয়ে যেতে থাকে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে দুই পায়ের পাতার পশ্চাৎ অংশ সংকুচিত হয়ে উঁচু হয়ে হতে থাকে। সেই সঙ্গে পায়ের নলা শুকিয়ে চিকন হতে থাকে। বংশের যারাই এ রোগে আক্রান্ত তাদের শুরুটা এভাবেই বলে জানালেন তিনি।
‘পেস ক্যাভাস’ পেস ক্যাভোভারাস, পেস ক্যালকানোওভাল এবং খাঁটি পেস ক্যাভাস এই তিন ধরনের হয়। প্রধানতঃ তিনটি গ্রুপে অস্ত্রোপচার হয়। এগুলো হলো নরম টিস্যু পদ্ধতি, অস্টিওমি এবং হাড়-স্থিতিশীল পদ্ধতি।
ডা. নজরুর ইসলামের ছেলে ডা. মোসাব্বিরুল ইসলাম রিফাত জানান, তার বাবার তত্ত্বাবধানে সম্প্রতি এ রোগে আক্রান্ত ফারজানা নামের এক মেয়ের অস্ত্রোপচার হয়। তিনিও বাবাকে সহযোগিতা করেন। বর্তমানে গোলাম রসুল নামে আরও একজনের এক পায়ে অস্ত্রোপচার হয়।
তিনি আরও জানান, পায়ের কার্ভেচার বেশি হওয়ায় এ রোগ হয়। এ জন্য অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে টার্সাল হাড় কেটে আ্যাকিলিস টেন্ডন লম্বা করা হয়। এতে এ রোগে আক্রান্ত রোগী ধীরে ধীরে ভাল হয়ে ওঠে বলে তিনি জানান।
করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবায় উদীয়মান অক্সিজেন ব্যাংকে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পালস্ অক্সিমিটার প্রদান
খবর বিজ্ঞপ্তি
মহামারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের চিকিৎসা সেবায় খালিশপুরে স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন উদীয়মান অক্সিজেন ব্যাংকের নিকট অক্সিজেন সিলিন্ডার ও পালস্ অক্সিমিটার প্রদান করা হয়। এনিয়ে উদীয়মান অক্সিজেন ব্যাংকে অক্সিজেন সিলিন্ডারের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৪টি।
৫ জুলাই ২০২১ইং সোমবার সন্ধ্যায় উদীয়মান অক্সিজেন ব্যাংক-এ একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার ও একটি পালস্ অক্সিমিটার স্বেচ্ছাসেবামূলক সংগঠন উদীয়মান যুব সমাজের সভাপতি মোঃ রবিউল গাজী উজ্জল-এর নিকট তুলে দেন তাহমিনা সারোয়ার মুনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উদীয়মান যুব সমাজের উপদেষ্টা মোঃ সামসুল আলম লিপন, সহ-সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ শুকুর গাজী, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আশিক খান রাজা, কোষাধক্ষ আহমেদ গাজী রনি, সদস্য পাপ্পু, মোঃ নাহিন গাজী উৎস প্রমুখ।
আড়াই মাস পর বেনাপোল দিয়ে অক্সিজেন আমদানি শুরু
বেনাপোল প্রতিনিধি
দীর্ঘ আড়াই মাস পর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে অক্সিজেন আমদানি শুরু হয়েছে। সোমবার (৫ জুলাই) সন্ধ্যায় বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবীর তরফদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, গত দুদিনে ভারত থেকে ১৯০ মেট্রিক টন অক্সিজেন আমদানি করেছে লিন্ডা বাংলাদেশ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এর আগে ভারতে করোনার প্রকোপে অক্সিজেন সংকট দেখা দেয়ায় চলতি বছরের ২২ এপ্রিল ভারত সরকার বাংলাদেশে অক্সিজেন রফতানি বন্ধ করে দিয়েছিল। লিন্ডা বাংলাদেশ ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট লিমিটেডের প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান বলেন, ২১ এপ্রিলের পরে তাদের কোম্পানির কোনো অক্সিজেন দেশে প্রবেশ করেনি। ভারতে অক্সিজেন সংকট থাকার কারণে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ রাখেন। এখন সেখানে চাহিদা কমে যাওয়ায় আবার ভারতীয় সরকার অক্সিজেন রফতানিতে সম্মতি দিয়েছে। এখন থেকে প্রতিদিনই ভারত থেকে এ কোম্পানির অক্সিজেন আসবে।
বেনাপোলের সারথি এন্টারপ্রাইজের মালিক মতিয়ার রহমান বলেন, কয়েক মাস ধরে ভারতে নতুন ধরনের করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় অক্সিজেনের চাহিদা বেড়ে যায়। সেখানে অক্সিজেনের চরম সংকট তৈরি হয়। যে কারণে রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ রাখে। ভারতে করোনা পরিস্থিতি একটু উন্নতি হওয়ায় সরবরাহ প্রতিষ্ঠানটি আবারও বাংলাদেশ অক্সিজেন সরবরাহ করা শুরু করে।
করোনায় প্রবীণ চিকিৎসকের মৃত্যু
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় করোনায় মারা গেলেন প্রবীণ চিকিৎসক ডা. আলী আশরাফ (৭০)। সোমবার (৫ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৩টায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সাতক্ষীরা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কায়সারুজ্জামান হিমেল মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। কায়সারুজ্জামান হিমেল জানান, ডা. আশরাফ আলী ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাবেক সহকারী সার্জন। তিনি বর্তমানে সাতক্ষীরা পৌরসভার চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি গত কয়েকদিন আগে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে নমুনা টেস্ট করে করোনা পজেটিভ আসে। সোমবার বিকালে করোনার কাছে পরাজিত হয়ে মৃত্যু হয় তার।
যৌতুক না পেয়ে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার
বেনাপোল প্রতিনিধি
যশোরের বেনাপোলে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্ত্রী নির্যাতনের অভিযোগে গোলাম রসুল (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৫ জুলাই) দুপুরে তাকে গ্রেফতার করেছে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, যৌতুকের টাকার জন্য স্ত্রীকে প্রায়ই মারধর করতেন বেনাপোলের বালুন্ডা গ্রামের গোলাম রসুল। গতকাল রবিবার বাঁশের চটা দিয়ে তাকে প্রচুর মারধর করেন তিনি। এতে তার সারা শরীরে জখম হয় এবং আঙুল কেটে যায়। নির্যাতনের সময় তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে উদ্ধার করে গ্রামের ডাক্তারখানায় নিয়ে চিকিৎসা দেন। পরে ওই গৃহবধূর বাবাকে খবর দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়। ভুক্তভোগী গৃহবধূ বলেন, ‘আমার স্বামী প্রায়ই টাকার দাবিতে নির্যাতন করে। কয়েকবার আমার বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিয়েছি। এর আগে একবার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে বাবার বাড়ি চলে যাই। পরে গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে আমাকে নিয়ে আসে। আমাদের আট বছরের সংসার জীবনে একটা সাত বছরের মেয়ে আছে। কিন্তু তার সংসারে কোনো মন নেই, সে মোবাইলে বিভিন্ন মেয়েদের সঙ্গে কথা বলে এবং নানাভাবে সংসারে অশান্তি বাধিয়ে আমাকে নির্যাতন করে। আমার জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে। আমি এর বিচার চাই, এই সংসার আর করতে চাই না।’
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন খান জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হয়েছে। অভিযুক্ত গোলাম রসুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে যশোর আদালতে পাঠানো হবে।
ফুলবাড়ীগেট বাজারে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান
ফুলবাড়ীগেট (খুলনা) প্রতিনিধি
সরকার ঘোষিত চলমান লকডাওনে দোকান পাট খোলা রাখা ও স্বাস্থ্যবিধি না মানায় খানজাহান আলী থানাধীন ফুলবাড়ীগেট বাজারে সোমবার সন্ধায় খুলনা জেলা প্রশাসকের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ রাকিবুল হাসান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন । এ সময় মটরসাইকেল চালকের হেলমেট না থাকা , পথচারীদের মুখে মাস্ক না থাকা সহ বিভিন্ন অপরাধের কারনে ১২ টি মামলায় ৩১০০ শত টাকা জরিমানা আদায় করা হয় । ভ্রাম্যমান আদালত চলাকালে ৩য় আমর্ড পুলিশ ব্যাটলিয়ন (খুলনা) সদস্যরা সহযোগিতা করেন ।
অভয়নগর উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে নওয়াপাড়া প্রেস ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ
অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি-
অভয়নগর উপজেলা পরিষদের ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের উন্নয়ন তহবিলের অর্থ থেকে নওয়াপাড়া প্রেস ক্লাবে ক্রীড়া সামগ্রী যেমন, ফুটবল ও ক্রিকেট সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৫জুলাই) দুপুর ১টায় উপজেলা পরিষদ হতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহ্ ফরিদ জাহাঙ্গীরের হাত হতে ক্রীড়া সামগ্রী গ্রহন করেন, নওয়াপাড়া প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নজরুল ইসলাম মল্লিক, সাধারণ সম্পাদক মো. মোজাফ্ফর আহম্মে, দৈনিক নওয়াপাড়ার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সুনীল কুমার দাস, উপজেলা পরিসদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার মিনারা পারভিন, প্রেস ক্লাবের ক্রীড়া সম্পাদক এফ এম আলাউদ্দীন, কোষাধ্যক্ষ মফিজ উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক শাহিন আহম্মেদ, আইসিটি সম্পাদক তারিম আহম্মেদ ইমন, সদস্য মল্লিক খলিলুর রহমান, সৈয়দ রিপন, সৈয়দ রুবেল সহ প্রমুখ।
অভয়নগরে ৫০ নমুনায় করোনা পজিটিভ ২১জনের
অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি-
অভয়নগরে ৫০ জনের নমুনায় করোনা পজিটিভ হয়েছে ২১ জন। গতকাল ৫ জুলাই(সোমবার) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা হয় এই তথ্য। উপজেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ৩৩ জন। এদের মধ্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি আছে ৩৭জন।
বাগেরহাটে লকডাউনে টিসিবির পন্য কিনতে ভীড়
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে করোনা পরিস্থিতিতে কঠোর লকডাউনের মধ্যেও স্বল্পমূল্যে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) পন্য কিনতে দরিদ্র ও মধ্যবিত্তদের ভীড় দেখা গেছে। সোমবার (৫ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাট শহরের রেলরোড জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে টিসিবির পন্যবাহী ট্রাকের ক্রেতাদের ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত। লকডাউনে কর্মহীণ ও আয় কমে যাওয়া মানুষরাই আসছেন স্বল্পমূল্যে টিসিবির পন্য ক্রয় করতে।
টিসিবির পন্যের মধ্যে রয়েছে ১০০ টাকা লিটারে সয়াবিন তেল, ৫৫ টাকা কেজিতে মুশুরি ডাল এবং ৫৫ টাকা কেজিতে চিনি দিচ্ছে বিক্রেতারা। প্রত্যেক ক্রেতা ২ লিটার তেল, ২ কেজি ডাল , ২ কেজি করে চিনি ক্রয় করতে পারবেন।
টিসিবির পন্য ক্রয় করতে আসা রবিউল ও সাবুল বলেন, বাজার দরের থেকে কম দামে পন্য কিনেছি। এভাবে সারা বছর টিসিবির পন্যের সরবরাহ থাকলে আমাদের মত গরীব মানুষের অনেক উপকার হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মধ্যবিত্ত পরিবারের এক সদস্য বলেন, কখনও টিসিবির পন্য ক্রয় করিনি। আসলে করোনার কারণে বেশকিছুদিন ধরে বেকার রয়েছি। আর্থিকভাবে অনেক সংকটে পড়েছি। তাই বাধ্য হয়ে টিসিবির পন্য কিনতে আসলাম। সঠিক মাপ, ভালো মান ও বাজারের চেয়ে দাম কম হওয়ায় আমাদের সুবিধা হয়েছে।
টিসিবির ডিলার রাসেল শেখ বলেন, আমরা খুলনা থেকে পন্য উত্তোলন করে বাগেরহাটে এনে সাধারণ মানুষের কাছে বিক্রয় করি। তবে লকডাউনের কারনে ক্রেতা অনেকে বেড়ে গেছে। সরবরাহ বৃদ্ধি হলে ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে পারব।
বাগেরহাটে ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত ১২১, মৃত্যু ২
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে গেল ২৪ ঘন্টায় ২৫১ জনের নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১২১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার দাড়িয়েছে ৪৮ শতাংশ। এই সময়ে মারা গেছে ২জন। এই নিয়ে বাগেরহাটে মোট মৃত্যু হয়েছে ৯১ জনের। জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ হাজার ৮৯৪ জন। সুস্থ হয়েছে ২ হাজার ৭১৯ জন। সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১ হাজার ৮৪ জন। সোমবার(০৫ জুলাই)দুপুরে বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কেএম হুমায়ুন কবির এসব তথ্য জানিয়েছেন।আক্রান্তদের মধ্যে বাগেরহাট সদর উপজেলায় ৩৯ জন, মোল্লাহাটে ১২, ফকিরহাটে ৩২, চিতলমারীতে ৩, কচুয়ায় ২, মোড়েলগঞ্জে ১৪, মোংলায় ৭, এবং শরণখোলায় ১২ জন রয়েছে।
বাগেরহাটের সিভিল সার্জন ডা. কে এম হুমায়ুন কবির বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে আমরা সব ধরণের চেষ্টা করছি। তারপরও সংক্রমণ কমানো যাচ্ছে না। এই অবস্থায় সকলকে আরও বেশি সতর্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহবান জানান এই কর্মকর্তা।
বাগেরহাটে একদিনে ৯৬ জনকে জরিমানা, ৯ জনকে কারাদন্ড
স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট
বাগেরহাটে স্বাস্থ্যবিধি না মানা ও লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় ৯৬ জনকে ৭১ হাজার ৮৫০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এসময় ৮ জনকে ৩ দিন ও ১ জনকে ১৫ দিনের করাদন্ড দেয়া হয়।
রোববার(০৪ জুলাই) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের একাধিক টিম সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিভিন্ন উপজেলার সড়ক ও মহাসড়ক এবং হাট বাজারে অভিযান চালিয়ে এই জরিমানা করেন।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ আজিজুর রহমান বলেন, করোনা সংক্রমন রোধ করতে মানুষকে ঘরে রাখতে আমরা শুরু থেকে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। লকডাউন ঘোষনার পরেও কিছু মানুষ অকারণে ঘর থেকে বাইরে আসছে। এসব মানুষের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। আমাদের অভিযানে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা সহযোগিতা করছেন।











































